এক ক্লাসেই সিরাজউদ্দৌলা নাটক কমপ্লিট + বোর্ড প্রশ্ন সমাধান | HSC 2025 | HSC Bangla sohopath

SAHAYAK www.youtube.com

সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ

এই ভিডিওটি সিরাজদ্দৌলা নাটক নিয়ে আলোচনা করে, যা এইচএসসি পরীক্ষা এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে নাটকের চরিত্র বিশ্লেষণ, গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখতে এবং তাদের মস্তিষ্কে তথ্য ভালোভাবে গেঁথে দিতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে, যেমন প্রশ্ন করা এবং শিক্ষার্থীদের উত্তর দিতে উৎসাহিত করা। এছাড়াও, ভিডিওতে একটি নতুন কোর্সের ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে বিনামূল্যে ম্যারাথন ক্লাস এবং পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হবে।

  • সিরাজদ্দৌলা নাটকের চরিত্র বিশ্লেষণ ও প্রেক্ষাপট আলোচনা।
  • এইচএসসি ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য নাটকটির গুরুত্ব।
  • শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ম্যারাথন ক্লাস ও পরীক্ষার ঘোষণা।

ভূমিকা

এই অংশে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান এবং সিরাজদ্দৌলা নাটকটি এইচএসসি ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, নাটক ও উপন্যাস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক প্রশ্ন আসে। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ক্লাসে মনোযোগ দিতে এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে উৎসাহিত করেন, যাতে তাদের মস্তিষ্কে তথ্যগুলো ভালোভাবে গেঁথে যায়।

অংশগ্রহণকারীদের পরিচিতি ও ক্লাসের নিয়মাবলী

শিক্ষক শিক্ষার্থীদের তাদের কলেজের নাম বা জেলার নাম লিখে জানাতে বলেন এবং ক্লাসটি তাদের প্রোফাইলে শেয়ার করতে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, ফেসবুক অ্যালগরিদম বোঝার জন্য এটি সহায়ক হবে যে তারা কী পছন্দ করে এবং সেই অনুযায়ী তাদের নিউজফিডে আরও শিক্ষা-বিষয়ক কনটেন্ট দেখাবে।

সিরাজদ্দৌলা নাটকের চরিত্র পরিচিতি

এই অংশে সিরাজদ্দৌলা নাটকের বিভিন্ন চরিত্র, যেমন মোহনলাল, মীর মর্দন, লুতফুন্নেসা, আমিনা বেগম, মীর জাফর আলী খান, রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ এবং ইংরেজ গভর্নরদের পরিচয় দেওয়া হয়। শিক্ষক বলেন, এই চরিত্রগুলোর মধ্যে কিছু ইতিবাচক এবং কিছু নেতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে।

নাটকের দৃশ্য ও অংক পরিচিতি

এখানে নাটকের মোট দৃশ্য (১২টি) ও অংক (৪টি) এবং কোন অংকে কয়টি দৃশ্য আছে, তা আলোচনা করা হয়। শিক্ষক বলেন, আটটি দৃশ্যে সিরাজদ্দৌলার উপস্থিতি রয়েছে।

আলীবর্দী খাঁ ও আমিনা বেগমের পরিচিতি

আলোচ্য অংশে আলীবর্দী খাঁ, যিনি ছিলেন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব, তাঁর প্রকৃত নাম (মির্জা মোহাম্মদ আলী) এবং তাঁর শাসনকাল (১৭৪০-১৭৫৬) সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়। এছাড়াও, আমিনা বেগম, যিনি ছিলেন আলীবর্দী খাঁর কনিষ্ঠ কন্যা এবং সিরাজদ্দৌলার মা, তাঁর সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।

রাইসুল জুহালার পরিচয়

আলোচ্য অংশে রাইসুল জুহালার চরিত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। তিনি ছিলেন রাজামসিংহের ছোট ভাই নারায়ণ সিংহ এবং সিরাজের প্রধান গুপ্তচর। ক্লাইভের নির্দেশে তাকে গুলি করা হয়।

সিরাজদ্দৌলার পক্ষীয় চরিত্রসমূহ

আলোচ্য অংশে সিরাজদ্দৌলার পিতার নাম (জয়নুদ্দিন), মাতার নাম (আমিনা) এবং জন্মসাল (১৭৩৩) উল্লেখ করা হয়। এছাড়া, ১৭৫৬ সালে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করে কলকাতার নাম আলীনগর রাখা হয়।

লুতফুন্নেসা ও মোহনলালের পরিচয়

আলোচ্য অংশে লুতফুন্নেসা, যিনি ছিলেন সিরাজদ্দৌলার স্ত্রী এবং মির্জা ইরিজ খানের কন্যা, তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। মীর মিরন তাকে বিয়ে করতে চাইলে তিনি রাজি হননি। এছাড়া, মোহনলাল ছিলেন নবাবের বিশ্বস্ত সেনাপতি এবং দেশপ্রেমিক। ক্লাইভের আদেশে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

মীরমর্দন ও নিপীড়িত ব্যক্তির পরিচিতি

আলোচ্য অংশে মীরমর্দন, যিনি ছিলেন নবাবের পক্ষের শক্তি এবং একজন দেশপ্রেমিক সেনাপতি, তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। তাঁকে শ্রেষ্ঠ বাঙালি সৈনিক বলা হয়েছে। এছাড়া, ইংরেজরা লবণ বিক্রেতার গর্ভবতী স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যা করে।

ঘষেটি বেগম ও ওয়ালী খানের পরিচিতি

আলোচ্য অংশে ঘষেটি বেগম, যিনি ছিলেন নবাব আলীবর্দী খাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা, তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। তার প্রকৃত নাম মেহেরুন্নেসা। এছাড়া, ওয়ালী খান, যিনি ছিলেন ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করা একজন সৈনিক, তার সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।

ক্লাইভ, মিরন ও মীরজাফর

আলোচ্য অংশে মিরন, যিনি ছিলেন মীর জাফরের পুত্র এবং নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী, তার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, ক্লাইভ, যিনি ছিলেন ইংরেজদের প্রধান এবং নানা রকমের জন্তু-জানোয়ারের আদব কায়দা সম্পর্কে পারদর্শী, তার সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।

রায়দুর্লভ ও রাজবল্লভের পরিচিতি

আলোচ্য অংশে রায়দুর্লভ, যিনি ছিলেন বিহারের ডেপুটি গভর্নর জানকিরামের ছেলে এবং উড়িশার পেশকার, তার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, রাজবল্লভ, যিনি ছিলেন বিক্রমপুরের বাঙালি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোক এবং ঢাকার জাহাজ ফৌজ বিভাগের কেরানি, তার সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।

জগৎশেঠ ও হলওয়েলের পরিচিতি

আলোচ্য অংশে জগৎশেঠ, যাঁর আসল নাম ফতেহ চাঁদ এবং যিনি ছিলেন তৎকালীন বিখ্যাত ধনী ব্যক্তি, তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, হলওয়েল, যাঁর প্রকৃত নাম জন জেফনিয়া এবং যিনি ছিলেন কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার, তাঁর সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।

উমিচাঁদ ও ড্রেকের পরিচিতি

আলোচ্য অংশে উমিচাঁদ, যিনি ছিলেন নাটকের দ্বৈত আচরণকারী একটি খল চরিত্র এবং জন্মগতভাবে লাহোরের অধিবাসী, তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, ড্রেক, যিনি ছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কলকাতার ইংরেজ গভর্নর, তাঁর সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।

মোহাম্মদী বেগ ও ওয়ার্ডসের পরিচিতি

আলোচ্য অংশে মোহাম্মদী বেগ, যিনি ছিলেন সিরাজের হত্যাকারী এবং 10,000 টাকার লোভে মিরনের প্ররোচনায় নবাবকে খুন করেন, তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, ওয়ার্ডস, যিনি ছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষ থেকে কাসিমবাজার কুঠির পরিচালক, তাঁর সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।

নাটকের মূল বক্তব্য

আলোচ্য অংশে নাটকের মূল বক্তব্য, যা হলো 1757 সালের 23শে জুন পলাশীর প্রান্তরে ক্লাইভের নেতৃত্বে যুদ্ধ শুরু হয় এবং এই যুদ্ধ সঠতা ও বিশ্বাসঘাতকতার। সিরাজুদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন এবং ষড়যন্ত্র টের পেয়েও ঔরজ্যের কারণে আস্থা হারাননি।

গুরুত্বপূর্ণ উক্তি ও চরিত্র বিশ্লেষণ

আলোচ্য অংশে নাটকের বিভিন্ন চরিত্র, যেমন মীর জাফর, ঘষেটি বেগম, জগৎশেঠ এবং ক্লাইভ, তাদের উক্তি ও কর্মের মাধ্যমে নাটকের মূল বার্তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

সিরাজদ্দৌলা নাটকের খুঁটিনাটি তথ্য

আলোচ্য অংশে সিরাজুদ্দৌলা নাটকের বিভিন্ন খুঁটিনাটি তথ্য, যেমন চরিত্রদের সম্পর্ক, তাদের কর্ম এবং নাটকের প্রেক্ষাপট, তুলে ধরা হয়েছে।

অনুশীলনী প্রশ্ন ও উত্তর

আলোচ্য অংশে সিরাজুদ্দৌলা নাটক থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন এবং তাদের উত্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

সমাপনী

শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান এবং তাদের ভালো ফলাফলের জন্য দোয়া করেন। এছাড়াও, তিনি আগামী ক্লাসের জন্য প্রস্তুতি নিতে এবং বন্ধুদের সাথে ক্লাসটি শেয়ার করতে উৎসাহিত করেন।

Summarize any YouTube video in seconds

Get summaries like this one for any video, in your language, with the free Summ app.

Download on the Apple Store
Get it on Google Play

Transcript

YouTube Transcript Generator

0:00 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা সবাইকে আবারো স্বাগত জানাচ্ছি আমাদের বাংলার অন্যতম একটি ক্লাস সিরাজুদৌলা নাটকের উপর। এইচএসসি পরীক্ষায় না শুধু আমরা যদি এডমিশন টেস্টেও যারা মানবিক বিভাগ অথবা আমরা কমার্স থেকে সর্বোচ্চ ভালো করতে চাই আমাদেরকে কিন্তু বাংলা গদ্যপদ্যর পাশাপাশি নাটক উপন্যাস এই দুটো টপিক থেকে অনেক বেশি ভালো করে পড়তে হয়। কারণ নাটক উপন্যাস এই দুটো টপিক থেকে কিন্তু মাস মাস ঢাকা ইউনিভার্সিটি সহ প্রত্যেকটা ইউনিভার্সিটিতে এমসিকিউ এসেই থাকে। তো আজকে আমরা শুরু করছি অন্যতম একটি টপিক। আমাদের এইচএসসি পরীক্ষার আর মাত্র দুই মাসের মত সময় আছে। শেষ মুহূর্তে এসে আমরা ইডুপ স্কুলের পক্ষ থেকে প্ল্যান নিয়েছি। আমরা যত দ্রুত সম্ভুক সবগুলো টপিক আমরা কাভার করে ফেলবো। আমরা এর আগে একটা

0:47 ক্লাসের মধ্যে আমরা পুরো গদ্যটা শেষ করেছিলাম। একটা ক্লাসে আমরা পদ্য শেষ করেছিলাম। লাস্ট যে ক্লাসটা আমরা করেছিলাম সেখানে আমরা লালশালু উপন্যাসটা শেষ করেছিলাম। আজকের ক্লাসে আমরা সিরাজুদ্দলা নাটকটা সম্পূর্ণটা চরিত্র বিশ্লেষণ সহ গুরুত্বপূর্ণ যে ডায়লগ গুলো রয়েছে সেগুলো শেষ করে ফেলব। এর জন্য পুরো ক্লাসটা আপনাকে আমাদের সাথেই থাকতে হবে এবং এই ক্লাসে থাকা অবস্থায় যত প্রকার ইনফরমেশনগুলো আমি কোশ্চেন করব প্রত্যেকটা অ্যানসার করতে হবে। আমি আমার সবগুলো ক্লাসে একটা কমন কথা বলি। সেইটা হলো ভাইয়া তুমি যখন তোমার কিবোর্ডে কিছু লেখো তোমার খাতায় কিছু নোট করো সেইটা কিন্তু তোমার ব্রেনের ভিতরে নোট করা হয়ে যায়। অর্থাৎ তুমি যখন আমি ক্লাসে পড়াচ্ছি তুমি কিন্তু চাইলে জাস্ট ফোনটা রেখে ঘুমায়া যাইতে পারো বা শুয়ে শুয়ে পড়তেছো। বাট

1:33 তুমি যখন আমার সাথে রেসপন্স করবা আমি যখন যে ইনফরমেশনটা পড়াচ্ছি সেইটা তুমি নিজে কমেন্ট বক্সে রিপ্লাই বা কমেন্ট করবা সেইটা কিন্তু তোমার ব্রেনের ভিতরে লেখা হয়ে যাবে। এবং যখন তুমি এক্সাম হলে যাবা এক্সামের পেপারে তুমি যখন এটা ডেলিভারি দিতে যাবা তখন তোমার ব্রেন একদম সঠিক তথ্যটাই তোমাকে ইনপুট দেবে। তো আউটপুট দেবে। এজন্য আমি তোমাদের সবাইকে রিকোয়েস্ট করব পুরো ক্লাসটা সর্বোচ্চ এটেনশন ধরে রাখবা এবং রেসপন্স করবা। তোমার এই ক্লাসের রেসপন্সের উপর নির্ভর করবে তুমি এক্সাম হলে কত দ্রুত রেসপন্স করতে পারো। তো সেইজন্য এই ট্রেনিং সেশনটা খুব চমৎকার করে হবে আশা করি। সবাই যারা যারা কে কোথা থেকে যুক্ত হয়েছো শুরুতে তোমাদের কলেজের নাম অথবা তোমার ডিস্ট্রিক্টের নামটা লিখে ফেলতে পারো এবং তোমাদের

2:19 প্রত্যেককে প্রোফাইলে টাইমলাইনে এই ক্লাসটা শেয়ার করে রাখবা আমি তোমাদেরকে এই কথাটা আগেও বলেছি ভাইয়া মানে সারাজীবন এই কাজ করতে হবে না জাস্ট নির্দিষ্ট কয়েকটা দিনের জন্য তুমি যদি এই কাজটা করো না মানেফেসবু অ্যালগরিদম বোঝে যে তুমি কি চাও তুমি কি পছন্দ করো আচ্ছা আমরা এইটা করি না যে অনেক সময় এমন হয় যে আমি ফেসবুকে একটা প্রোডাক্টের নাম লিখে সার্চ করেছি এরপর থেকে ফেসবুক আমাকে শুধু কি করে? এই টাইপের প্রোডাক্টগুলোই সাজেস্ট করতে থাকে। তো আমরা যদি এই কাজটা করি যে তুমি হচ্ছে ফেসবুকে আমার ক্লাসটাকে শেয়ার করে রাখো লালশালুর উপর বা সিরাজদোলার উপর বা যেকোন একটা টপিকের উপর। এইচএসসির একটা ক্লাস শেয়ার করো। তাহলে এরপর থেকে এই টপিক রিলেটেড যত ক্লাসফেসবুকে হবে ফ্রি ক্লাস। তোমার টাইমলাইনে সবার আগে ফেসবুক রিকমেন্ড করবে। তো এইজন্য এই ক্লাসটা কিন্তু শুধু আমার জন্য না যে আমার ক্লাসটা

3:05 আরো বেশি শিক্ষার্থী দেখুক। এই জন্যই না শুধু তোমার নিজের ভালোর জন্য তুমি শেয়ার করে রাখবা এবং তোমাদের ফ্রেন্ডদের গ্রুপগুলোতে ক্লাসটা দ্রুত পাঠিয়ে দাও আমরা ক্লাসটা এখনই শুরু করবো অনেক লম্বা একটা ইন্ট্রো হয়ে গেল আচ্ছা আমার ভয়েস মেসেজ সব স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে কিনা তোমরা একটু কমেন্ট বক্সে জানাবা যেহেতু আমি নিজে মাত্র লাইভটা শুরু করেছি আচ্ছা জামিল বলেছে আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া কেমন আছেন ওয়ালাইকুম আসসালাম জামিল আলহামদুলিল্লাহ ভাইয়া ভালো আছি মারিয়া কাউসার আহমেদ আসসালামু আলাইকুম ওয়ালাইকুম আসসালাম আখি আলম ওয়ালাইকুম আসসালাম ফারিহা তাসনিম নিতু বলেছে ভাইয়া কেমন আছেন? আলহামদুলিল্লাহ। ওয়ালাইকুম আসসালাম ভাইয়া ভালো আছি। আচ্ছা আমি একটা কাজ করি আমি ঝটপট মানে আমাদের যে গ্রুপগুলো আছে সেগুলোতে আমি লিংকটা পাঠিয়ে দিচ্ছি। তোমরা যেটা করবা তোমাদের যে কলেজের যে

3:50 গ্রুপগুলো আছে না সেই গ্রুপগুলোতে তোমরা মেসেঞ্জার গ্রুপ তোমার ফ্রেন্ডদের অর্থাৎ যারা অনলি এইচএসসি 25 অর 26 হতে পারে। 26 এর জন্য এই ক্লাসগুলো ইম্পর্টেন্ট। তোমরা শুধুমাত্র সেই গ্রুপগুলোতে এই ক্লাসটি পাঠিয়ে দিবা। তাহলে তোমার ফ্রেন্ডরাও এই ক্লাসে যুক্ত হবে। আমরা চাই একটা বড় একটা সংখ্যক শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্লাসটা করতে। তাহলে কিন্তু আমাদের ক্লাসটা অনেক সুন্দর হয়। আচ্ছা আমি একটু 10 সেকেন্ডে পাঠিয়ে দেই। তোমরাও তোমাদের গ্রুপগুলোতে পাঠিয়ে দাও। ওকে আমরা শুরু করে দিচ্ছি। আমি গ্রুপগুলোতে অলরেডি পাঠিয়ে দিয়েছি। টাইমলাইনে একটু শেয়ার করে রাখি। তোমরাও তোমাদের টাইমলাইনে ঝটপট ক্লাসটা শেয়ার করে

4:38 রাখো। ওকে আজকে আমরা যেটা পড়বো সেটা হচ্ছে সিরাজুদ্দৌলা যারা আলিমে পড়তেছো তোমরা বলতে পারো ভাইয়া এটা তো এইচএসসির জন্য আছে আলিমেই নেই। কিন্তু তুমি আলিমে পড়ে তুমি যখন এডমিশন টেস্ট দিতে যাবা তখন তোমারও এটা থাকবে। তো চলেন আজকের একটা ক্লাসে এত বড় একটা নাটক শেষ করা। এইটার উপর অসংখ্য মুভি হয়। অসংখ্য নাটক হয়। এ একভাবে উপস্থাপন করে। বাট মুভি নাটক সিনেমাগুলো দেখে না ঠিক মানে আমাদের কার কোনটা বক্তব্য ছিল কে কি করেছিল এই জিনিসগুলো অতটা সুন্দর করে হয় না উপন্যাসের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও নাটকের জন্য একটু আমাদের পুরোটা ভালো করে দেখতে হয় আমি শুরু করে দিচ্ছি আজকের ক্লাসটি একদম শুরুতে আমরা যেটা করবো সেটা হচ্ছে চরিত্রগুলোর সাথে পরিচিত হয়ে নেব আচ্ছা আমাদের সাথে মাত্র কয়েকজন যুক্ত হয়েছে আমি খুব কম শিক্ষার্থীদের দেখতে পাচ্ছি এইটা কেন হচ্ছে বলেন তো এটা কি আমার

5:23 ডিভাইসের প্রবলেম নাকি আপনারা ক্লাসটি শেয়ার করতেছেন না বলে এই অবস্থা এটা কেন হচ্ছে আচ্ছা আমি আরো বেশ কয়েকজনের মেসেজ দেখতে পাচ্ছি বাট এটা খুবই কম সংখ্যক আচ্ছা আরেকটা কথা আপনারা যারা অলরেডি ক্লাসটিতে যুক্ত হয়েছেন আপনারা একটু রিএক্ট দিয়ে দেন হ্যাঁ সবাই মানে লাভ রিএক্ট বা লাইক যেকোন একটা রিএক্ট দিয়ে দেন তাহলে যেটা হবে আমাদের রিএক্ট সংখ্যাটা বাড়লে ফেসবুক থেকে ক্লাসটা অনেক বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীর কাছে রিকমেন্ড করবে আচ্ছা নিজামুদ্দিন শাকিল যুক্ত হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী সরকারি কলেজ থেকে রাজশাহী থেকে যুক্ত হয়েছে আখি আলম নাজমুস সাজা আচ্ছা নাফিজ হাসান সাজিদ আসসালামু আলাইকুম ওয়ালাইকুম আসসালাম যারা যারা সালাম দিয়েছো তোমাদের সবাইকে ওয়ালাইকুম আসসালাম। সবার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। ক্লাসটা যদি শেষ পর্যন্ত করতে পারো তবে শান্তিটা আসবে। ঠিক আছে? দিন শেষে তোমার

6:09 একটা মেন্টাল স্যাটিসফ্যাকশন আসবে। তোমার একটা সেলফ নিজের প্রতি নিজের এই লেভেলের একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে যে ঠিক আছে আমি এটা পারবো। আচ্ছা আমি তোমাদের এর আগের ক্লাসে বলেছিলাম যে পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় সম্পদ এইটা যে ভাইয়া আমি পারবো। এইটা ভাবতে পারলেই হবে। আর এই ভাবনাটা তৈরি হবে শেষ পর্যন্ত থাকলে। চলো শুরু করে দেই। আর সময় না নেই। আজকে আমরা যেটা পড়তেছি ভাইয়া সেটা তো হচ্ছে সিরাজুদ্দৌলা আগে থেকেই বলেছিলাম। সিরাজুদ্দৌলার যে দুটো ভাগ আছে দুটো ভাগকে খুব সুন্দর করে মাথায় রাখতে হবে। অনেক ভাগ অনেক সময় গিয়ে চেঞ্জ হয়ে যায়। যেমন কিছু কিছু বিষয় এইখানে নাই। আমি তোমাদের এমনি বলি জাস্ট জানার জন্য। যেমন এই যে মীর জাফর আলী খান সাহেব। এই খান সাহেবের একটা মেয়ের জামাই আছে যার নাম মানে আমার ক্লাস করলে তোমার কি লাভ হবে? ক্লাসের মাঝে না তুমি এমন অনেক অতিরিক্ত ইনফরমেশন পাবা। যেটা তুমি বই পড়ে ভাইয়া একা একা একটা পুরো নাটক পড়ে

6:57 শেষ করা অনেক কষ্টকর কাজ। আর আমার লাস্ট কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমি যে ইনফরমেশন গুলো ক্লাসের মাঝে মাঝে শেয়ার করব যেটা তোমাকে খুব শর্ট টাইমে তোমার মাথায় এটা সেট হয়ে যাবে। এইযে মীর জাফর আলী খান সাহেব আচ্ছা সিরাজুদ্দৌলা নাটক যেহেতু পড়তেছি একটু বলে না 30 সেকেন্ডে সেটা হলো এই সিরাজুদ্দৌলা নাটক এই আমাদের যে নবাব সিরাজুদ্দলা যে পতন হলো এই পতনের মাধ্যমেই কিন্তু আমাদের বাংলার স্বাধীনতার সূর্য স্তমিত হয়নি এরপরে আরেকটা যুদ্ধ হয়েছিল সেই যুদ্ধটার নাম কেউ লিখবে কমেন্ট বক্সে ঝটপট লিখে ফেলো সেই যুদ্ধটাতে নেতৃত্ব দিয়েছিল এই মীর জাফর খান সাহেব এতো হচ্ছে খারাপ ছিল দেশদ্রোহী ছিল কিন্তু এর একটা মেয়ের জামাই ছিল যার নাম কি তার নামটাও কমেন্ট বক্সে লিখে ফেলো সে কি করেছিল সে হচ্ছে বক্সারের যুদ্ধে

7:43 বক্সারের যুদ্ধের সাল লিখবা এবং মীর জাফর আলী খান সাহেবের মেয়ের জামাইয়ের নাম লিখবা যিনি হচ্ছে দেশপ্রেমিক হিসেবে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ যুদ্ধ করেছিল এবং যুদ্ধ করে শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। এর ফলে বক্সারের যুদ্ধের মাধ্যমেই কিন্তু মূলত আমাদের দেশের কি হয়? আমাদের স্বাধীনতার সূর্য সর্বশেষ স্তমিত হয়ে যায়। তো চলো আমরা এগুলো ক্লাসের মাঝে মাঝে বলবো। আমি ক্লাসটা শুরু করে দেই। সেটা হলো মোহনলাল। মানে আমাদের এইখানে পজিটিভ ক্যারেক্টার কারা কারা আছে। এইখানে তোমার হচ্ছে মোহনলাল, মীর মর্দন, লুতফুন্নেসা, আমিনা বেগম, রাইসুল, জুহালা এর মূল নাম কি ছিল? বা আমিনা বেগম কে ছিল? লুতফুনেসা সিরাজের স্ত্রী আমিনা বেগম ছিল তার মাতা তো এই যে ভাইয়া এই ক্যারেক্টারগুলো সম্পর্কে আমাদের একটুখানি জানতে হবে হ্যা আমরা জাস্ট এখন শুধু এই

8:30 নামগুলো জেনে রাখো যে মোহনলাল মীর মর্দান লুতফুন্নিসা মোহনলাল মীর মর্দান লুতফুন্নেসা তো তার স্ত্রী অবশ্যই তার পক্ষে থাকবে আমিনা বেগম তার মা রাইসুল জোহালা সে কে ছিল একটু পরে তোমরা জানতে পারবা এখানে অনেকগুলো বিষয় আমি রাখবো টুইস্ট গুলো আগেই বলে দেওয়া যাবে না যদি অলরেডি পড়ে ফেলছো তারপরে আমরা এগুলো রেখে দিব দেখো দেশীয় দোষর কারা ছিল? দেশীয় দোষ মানে এখানে তো দুইটা গ্রুপ কাজ করছে। মূলত দোষর ছিল কারা? ব্রিটিশরা। কিন্তু ঘরের শত্রু বিভীষণ আছে না? বিভীষণের প্রতি মেঘনাত্র পড়িয়েছিলাম। তো এই ঘরের শত্রু বিভীষণ হচ্ছে কে? মীর জাফর আলী খান সাহেব। আচ্ছা ক্লাসের না সংখ্যাটা কম কেন বলতো? তোমরা তোমাদের ফ্রেন্ডদেরকে মেনশনটা করতেছো না। তোমরা একটু তোমাদের ফ্রেন্ডদেরকে মেনশন করে দাও।

9:16 এবং ক্লাসটা শেয়ার করে দাও ভাইয়া। যখন ক্লাসের উপস্থিতির সংখ্যাটা বাড়বে আমরা ক্লাসটা নিয়ে অনেক বেশি মজা পাব মানে ক্লাসটা অনেক বেশি জমবে দেখো মীর জাফর আলী খান সাহেব রায়দুল্লভ মীর মিরন জগৎশেখ মানিকচাঁদ রাজবল্লভ উমিচাদ এবং ঘষিটি বেগম এতো তার ফুফু ছিল এতো বিখ্যাত ব্যক্তি আচ্ছা যাই হোক এরা কার কি অবদান ছিল কে কি করেছিল আমরা জাস্ট সেকেন্ড পেজটাতে গিয়েই দেখতে পাবো জাস্ট নামগুলো দেখে রাখো ইংরেজদের ভিতরে কে ছিল গভর্নর ছিল হচ্ছে গভর্নর রজা ড্রেক এবং আরো কে কি ছিল? গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ। লর্ড ক্লাইভ বা রবার্ট ক্লাইভ এবং ওয়ারস ছিল এবং হলয়েল ছিল। এই যে চরিত্রগুলো ভাইয়া এইখানে এরা হচ্ছে নেতিবাচক চরিত্র। অর্থাৎ এরা হচ্ছে সিরাজুদৌলার বিরোধী ছিল। এরা হচ্ছে আমাদের

10:04 বাংলার বিরোধী ছিল। আর এই পাশের যে চরিত্রগুলো আছে মোহনলাল মীর মর্দান এরা ছিল হচ্ছে দেশপ্রেমিক। এবং এখানে লুতফুন্নেসা আমিনা বেগম রাইস জোহলা এরাও সিরাজুদ্দৌলার পক্ষে ছিল। তো চলো আমরা না নেক্সট পেজটাতে চলে যাই। এইখান থেকে ভাইয়া এইটা তোমরা দাগিয়ে ফেলবা। এতক্ষণ কিন্তু আমি দাগাইতে বলি নাই। আমি মাত্রও পড়ানো শুরু করতেছি। এই পেজ থেকে আমার পড়া স্টার্ট হচ্ছে। এখন যেগুলো যেগুলো বলব সুন্দর করে দাগিয়ে ফেলবা। এইটা তোমার এডমিশন টেস্টেও আসবে। এইটা আসে ভাইয়া। যে মোট দৃশ্য কয়টি? মোট দৃশ্য কয়টি? সিরাজুদ্দৌলা নাটকে মোট দৃশ্য কয়টি? সবাই কমেন্ট বক্সে লিখবা। মোট দৃশ্য 12 টি। দৃশ্য 12 টি। এই কথাটা জাস্ট কমেন্ট বক্সে লিখবা। দৃশ্য 12 টি আর অংক অংক চারটি।

10:51 স্বরে ওয়া দিয়ে লেখো চার। জাস্ট শর্টকাট লেখো। জাস্ট তুমি কমেন্ট বক্সে লেখো যেন তোমার ব্রেনে লেখা হয়ে যায়। আর দৃ দিয়ে লেখো 12। দৃ দিয়ে লেখো 12। এইটা কমেন্ট বক্সে সবাই লিখবা। এইটা যখন তুমি কমেন্ট বক্সে লিখবা তোমার ব্রেনে লেখা হয়ে যাবে। কারণ এই ইনফরমেশনটা তোমার এক্সাম হলে পরীক্ষায় আসবে। এতক্ষণ আমি যা পড়াচ্ছিলাম এগুলো আসবে না। এখন যা পড়াচ্ছি সেটা আসবে। তাহলে দৃশ্য কয়টি? দৃশ্য 12টি। অংক চারটি অংক চারটি দৃশ্য 12 টি ওকে এইটা তোমরা ঝটপট কমেন্ট বক্সে লিখে ফেলো এবং ভাইয়া এখানে প্রথম অংকে আছে তিনটি দৃশ্য দ্বিতীয় অংকে আছে তিনটি দৃশ্য তৃতীয় অংকে আছে চারটি দৃশ্য এবং শেষ অংক সেখানে আছে মাত্র দুটি দৃশ্য আচ্ছা এখানে তোমার ইম্পর্টেন্ট যেটা তোমার যেটা মাস মাস লাগবে আরেকটি ইনফরমেশন সেটা হল এইটারে

11:38 ভাইয়া আটটি দৃশ্যে সিরাজুদ্দৌলার উপস্থিতি পাওয়া যায় যদি কোশ্চেন হয় এটা এটা এন্সার করে এই আগের দুটো কোশ্চেন অলরেডি ছড়িয়ে দিয়ে রাখছি এটার ন্সার করছো তোমরা কমেন্ট বক্সে এই দুটো আগে করো আগে করবা এই দুটো যে মোট দৃশ্য আছে 12টি মোট অংক আছে চারটি সিরা যুদ্ধ হল নাটকে সিরা যুদ্ধ হল নাটকে অংক আছে কয়টি চারটি অংক আছে দৃশ্য আছে 12টি কিন্তু এই 12 থেকে চার বাদ দিলে যেমন আট হয়ে যায় এটা মনে রাখার টেকনিক অংক চারটি দৃশ্য 12টি মোট দৃশ্য থেকে মোট অংক বাদ দিলে যেই সংখ্যাটা থাকে সেই সংখ্যাটাতে সিরাজুদ্দৌলার উপস্থিতি আছে। তাহলে সিরাজুদ্দৌলা মোট কয়টি দৃশ্য রয়েছে এই নাটকের? সিরাজুদ্দৌলা আটটি দৃশ্যতে রয়েছে। কিভাবে মনে রাখবা? এই

12:23 নাটকে সিরাজুদ্দৌলা নাটকে মোট দৃশ্য সংখ্যা 12টি। মোট দৃশ্য সংখ্যা 12টি। এর ভিতরে অংক সংখ্যা মানে মোট অংক সংখ্যা চারটি। এই চারটি অংকের ভিতরে 12টি দৃশ্য আছে। 12 থেকে চার বাদ দিলে আট থাকে। এই আট হল আটটি দৃশ্যে সিরাজুদ দৌলার উপস্থিতি পাওয়া যায়। আটটি দৃশ্যে সিরাজুদলার উপস্থিতি পাওয়া যায়। এইটা হল মনে রাখার টেকনিক। সবাইকে কমেন্ট করতে হবে। আমি প্রত্যেকের কমেন্ট দেখতে চাই। আমি জাস্ট একটু দেখবো কে কে কমেন্ট করছে। সবচেয়ে শুরুতে কমেন্ট করেছিল নিজামুদ্দিন শাকিল। ধন্যবাদ ভাইয়া তোমারে অনেক অনেক ধন্যবাদ। নিজামুদ্দিন শাকিল। এরপরে মরিয়ম মিষ্টি নাফিজা রহমান বলেছে ভাইয়া দৃশ্য 12 টি কালিজ ফাতেমা হুসাইন আলামিন খান ফারিহা তাসনিম নিতু আখি আলম মরিয়ম মিষ্টি

13:08 ওবায়দুল হক নাফিজা রহমান এমএসটি আখি আলম নিজামুদ্দিন শাকিল ওকে থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ সবাইকে ধন্যবাদ তোমরা কমেন্ট করতে থাকো আমি যেটা যেটা বলব জাস্ট সেটাই কমেন্ট করবা সব কমেন্ট করার দরকার নাই কারণ যেটা ইম্পর্টেন্ট সেটা এই পেজটা তোমাদের ক্লিয়ার কিনা লেখ ভাইয়া এটা ক্লিয়ার সংখ্যা রিলেটেড সংখ্যা রিলেটেড ভাই সংখ্যা রিলেটেড এই পেজের বাইরে কোশ্চেন তোমার হবে না। আমি তোমারে বলে দিচ্ছি সংখ্যা রিলেটেড এই পেজের বাইরে তোমার কোশ্চেন হবে না। তোমার এই পেজটার সংখ্যা যদি ক্লিয়ার হয়ে যায় খুব সহজ টেকনিক মনে রাখবা। মোট অংক আছে চারটি। দৃশ্য আছে 12টি। সিরাজুদ্দৌলা আছে আটটিতে। কেমনে মনে রাখবা? 12 থেকে চার বাদ দাও। আট হয়ে যাবে। সংখ্যা রিলেটেড কোশ্চেন হলে এটা কোশ্চেন হবে। এই পেজটা ক্লিয়ার। সবাই ক্লিয়ার লিখছো? সি লিখছো

13:55 আমি একটা পেজ শেষ করে নেক্সট পেজে যাওয়ার আগে জাস্ট সি লিখবা আমি একটা কথা বলি হ্যাঁ সেটা হলো না আমাদের ব্রেন আমরা যখন পড়ি আমরা যখন পড়ি তখন কাজ করে কি জানো তখন হচ্ছে ওয়ানডি জাস্ট ওয়ান ডাইমেনশন জাস্ট আমাদের চোখ কাজ করে এই কথাটা মনে রাখো একটু মনোযোগ দিয়ে শোনো যে কেন আমার ক্লাসে দেখবা তুমি তুমি যখন পড়ো তুমি ভাবতে পার এই নাটকটা আমি চমৎকার করে পড়বো তোমার একটা অন ডাইমেনশন কাজ করে জাস্ট চোখ দিয়ে পড় আর যখন তুমি আমার ক্লাস শোনো তখন তুমি স্লাইড দেখতেছো তুমি মুখে কানে শুনতেছো চোখ দিয়ে দেখো কান দিয়ে শোনো হাত দিয়ে লেখো কারণ আমার ক্লাসে আমি তোমাকে লেখাবো প্রত্যেকটা কোশ্চেনসার লিখতে হবে এরপরে আমার ক্লাস শেষে গিয়ে তোমাকে যেন আর

14:41 কোনদিন না পড়তে হয় জাস্ট মডেল টেস্ট দিবা নিজেকে যাচাই করবা এইজন্য একটুখানি তোমার রেসপন্স করতে হবে দেখ আলি বর্দিখা আলি বর্দিখা আলি বর্দিখা এটা সম্পর্কে জানতে হবে কারণ আলিখা প্রেক্ষাপটের মাধ্যমে আমরা নবাব সিরাজুদ্দলের কাছে ফিরে আসবো। বাংলা, বিহার, উড়িসার নবাব ছিলেন কে? এই নবাব আলীবর্দি খা। এর প্রকৃত নাম কি? মির্জা মোহাম্মদ আলী। ভাইয়া এইটা খুব ইম্পর্টেন্ট। জাস্ট এইটা দাগিয়ে ফেল। মির্জা মোহাম্মদ আলী কার নাম ছিল? আলী বর্দি খা। আলীবর্দর নাম কি ছিল? আলী বর্দি খার নাম কি ছিল? মির্জা মোহাম্মদ আলী। ইনি হচ্ছে 1740 থেকে 1740 থেকে 1756 সাল পর্যন্ত বাংলার নবাব ছিলেন। তিনি ছিলেন সিরাজুদ্দৌলালার নানা। তাহলে সিরাজুদ্দৌলার নানা যিনি ছিলেন সিরাজুদ্দৌলার নানার যেহেতু কোন ছেলের

15:27 সন্তান বা তার সন্তান এরকম কেউ না থাকার কারণে তিনি তার মেয়ের সন্তানদের মাঝখান থেকে একজনকে তার উত্তরাধিকারী বানিয়ে যান। তাহলে সিরাজুদ্দৌলালার নানার কি ছিল? মেয়েরা ছিল। এই মেয়েদের ভিতরে বড় মেয়ের যখন কোন পুত্র সন্তান না হলেও একটা পর্যায়ে গিয়ে সেই আমিনা বেগম আমিনা বেগমদের যে সন্তান সিরাজ সেই সিরাজকে হচ্ছে তিনি কি দিয়ে যায়? তার এই নবাবী খেতাব তার এই সিলসিলা দিয়ে যায়। তাহলে তার নানা ছিলেন তার নাম কি ছিল? তাহলে আলিবর্দি খা সম্পর্কে দুটো তথ্য জানবেন। আলিবর্দি খার প্রকৃত নাম কি? এইটা জাস্ট জানতে হবে। জাস্ট কি জানতে হবে? আলিবর্দি খার প্রকৃত নাম কি? আলিবর্দি খা কত সাল পর্যন্ত নবাব ছিলেন? জাস্ট দুটো ইনফরমেশন। একটা হচ্ছে আলিবর্দিখার প্রকৃত নাম মির্জা মোহাম্মদ আলী। আরেকটা কি? আরেকটা হচ্ছে উনি 1756 সাল পর্যন্ত নবাবী কার্যক্রম

16:12 পরিচালনা করে মারা যান। এবার আসেন আমিনা বেগম। আলীবর্দি খার কনিষ্ঠ কন্যা। আলীবর্দিখার কনিষ্ঠ কন্যা কে? আমিনা বেগম। এর ছিল তিনটা সন্তান। এই তিনটা সন্তান কে কে ছিল? সিরাজুদ দৌলা ছিল, ইকরামুদ দৌলা ছিল এবং মির্জা হামদ ছিল। নাটকের মমতাময়ী চরিত্র। মায়ের চরিত্র সবচেয়ে মমতাময়ী চরিত্র। তাহলে আলিবর্দিঘা ছিল হচ্ছে এই নাটকের একদম মূল প্রেক্ষাপটে চলে যাচ্ছি। এর ছিল হচ্ছে মেয়ে। এই মেয়েদের মাঝে সবচেয়ে ছোট মেয়ে ছিল আমিনা বেগম। আমিনা বেগমের যে তিনটা সন্তান ছিল তার ভিতরে কে ছিল? আমাদের সিরাজ ছিল। এবং এই সিরাজকে এই সিরাজকে পরবর্তীতে কি দেওয়া হয়? সিরাজ ছিল এই নানা আলিবর্দিখার খুবই পছন্দের যেহেতু অনেক পছন্দের তাই তিনি তার সিলসিলা কাকে দিয়ে যায় দিয়ে যায় আমাদের এই

16:58 আলিবর্দিঘাকে থ্যাঙ্ক ইউ থ্যাঙ্ক ইউ যারা যারা শেয়ার করতেছ তোমরা একটা কাজ করিও হেন তামিম তোমার তো অনেক দেরি হলো আমি তোমারে খুঁজতেছিলাম আচ্ছা যারা যারা ক্লাসটা শেয়ার করতেছ জাস্ট লিখে দিবা শেয়ার ডান ওকে আসো রাইসুল জুহালা রাইসুল জুহালা হচ্ছে আচ্ছা রাইসুল জুহালা হলো এই রাজাম সিংহের এই ক্যারেক্টারটা টা খুব ইম্পর্টেন্ট। তুমি যদি বলো ভাইয়া আমি পাঁচটা ক্যারেক্টারকে স্কিপ করে পড়তে চাই। আমি তোমাকে যেকোন পাঁচটা ক্যারেক্টার স্কিপ করে দিতে পারবো যে এরা কম গুরুত্বপূর্ণ। এই জায়গা থেকে প্রশ্ন হয় না। কিন্তু এই একটা ক্যারেক্টার যাকে আমি কোনভাবেই স্কিপ করতে পারবো না। এই পুরো নাটকে ফার্স্ট পেজে আমি অনেকগুলো ক্যারেক্টার দেখাইছি না। তার ভিতরে আমি নবাব সিরাজুদলাকে স্কিপ করতে পারবো না। রবার্ট ক্লাইভকে স্কিপ করতে পারবো না।

17:44 ড্রেককে স্কিপ করতে পারবো না। এই রাইসুল জোহকে স্কিপ করতে পারব না। নবাবের খালা ঘোষিত বেগমকে স্কিপ করতে পারবা না। তাহলে বুঝছো তো এই নাটকে এই নাটকে মোস্ট মোস্ট মোস্ট ইম্পর্টেন্ট তথ্য হচ্ছে রাইসুল জোহালা। রাইসুল জোহলার প্রত্যেকটা কাহিনী তোমাদের ইম্পরটেন্ট। যে সে ভুলের শব্দটি এইযে ঘুকুচ্চর আমি পুরোটা পড়াই দেখো তাহলে। রাজামসিংহের ছোট ভাই ছিলেন কে? এই নারায়ণ সিংহ। তাহলে রাজামসিংহের ছোট ভাই কে ছিল? নারায়ণ সিংহ। সিরাজের প্রধান গুপ্তচর। যদি কোশ্চেন হয়, সিরাজের সিরাজুদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচরের নাম কি? তোমরা লেখো। সিরাজুদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচরের নাম কি? তার নাম হল নারায়ণ সিং। সিরাজুদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচরের নাম কি? নামসিং। কিন্তু তার তার ছদ্দ নাম ছিল ছদ্দ নাম ছিল কি?

18:29 রাইসুল জোহালা। তিনি নিজেকে রাইসুল জোহালা নামে পরিচয় দিতেন। কিন্তু এর রিয়েল নাম কি? এর রিয়েল নাম কি? তাহলে যদি প্রশ্ন হয়, নবাব সিরাজুদ্দৌলা প্রধান গুপ্তচর কে? নবাব সিরাজুদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে কে হবে? রাইসুল জোহালা অথবা নারায়ণ সিংহ তুমি যা ইচ্ছা তাই দাও তুমি নারায়ণ সিংও কমেন্টে লিখতে পারো রাইসুল জোহালাও লিখতে পারো সবার আগে লিখছে কে আমি একটু দেখি তো আচ্ছা একটু লেট করে ফেলছোরে ভাইয়া দেখো আমাদের তোমরা যারা যুক্ত হয়েছে নো প্রবলেম আমরা মাত্র ক্লাস শুরু করেছি বাট এখন থেকে একটা ইনফরমেশন তুমি স্কিপ করতে পারবা না সবার আগে লিখেছে আচ্ছা ওবায়দুল হক ধন্যবাদ তুমি অনেক ব্রডলি লিখছো বড় করে লিখছো ধন্যবাদ এরপরে যেটা লিখছে মারিয়াম মিষ্টি বলছে বলছে ভাইয়া শেয়ার ডাক। নারায়ণ সিং বলছে সাজিদ। নাফিস হাসান

19:17 সাজিদ তোমারে ভাইয়া মোস্ট মোস্ট ওয়েলকাম। তুমি অনেক ভালো করতেছ। প্রত্যেকটা কোশ্চেন সবার আগে দিচ্ছে। আচ্ছা এই আঞ্জুমানা কই বলতো আঞ্জুমানা তারপর হচ্ছে বিকাশ সাহা এদেরকে তো আমি সব ক্লাসে আগে আগে দেখি। আজকে নাই নাকি? নিজামুদ্দিন শাকিল আলামিন খান আখি আলম আলামিন সাকিব তামিম মারিয়া আচ্ছা আজকে বেশ কিছু নতুন মুগো দেখতেছি। ফারিয়া তাসনিম মিতু আনিসা শিমু নাফিস হাসান সাজিদ ঠিক আছে থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ শোন ভাইয়া তুমি যদি বুঝে যাও না নোট না করো তুমি যদি বুঝে যাও বিষয়টা কিস এনাফ আমি সার্থক আমি যদি তোমাকে একটা ক্লাসে পুরো নাটকের কে পয়েন্টগুলো মাথায় ঢুকায়ে দিতে পারি যে তোমার আর পরীক্ষার আগে পড়তে হবে না তুমি এক্সাম হলে একটা ভালো পারফরমেন্স করবা এটাই আমার সার্থকতা বাট এই জন্য আমি

20:04 তোমাদের কমেন্ট করতে বলি কমেন্ট করলে তোমার নিজের একটা ব্রেনের চর্চা হয়ে যায় দেখো এরপরে তাহলে তাহলে আমি কি বললাম? নারায়ণ সিংহ ছিল হচ্ছে সিরাজুদ্দোলার প্রধান গুপ্তচর এবং উনার নাম কি? উনার ছদ্দনাম হচ্ছে রাইসুল জুহালা। তাহলে যিনি রাইসুল জুহালা তিনি নারায়ণ সিং। ক্লাইভে লর্ড ক্লাইভের নির্দেশে তাকে গুলি করা হয়। তাহলে ক্লাইভের নির্দেশে কাকে গুলি করা হয়? নারায়ণ সিংকে গুলি করে হত্যা করা হয়। দেখেন। উমে চিঠি ক্লাইভের কাছে দিতে গেলে ক্লাইভ তাকে গুপ্তচর কিনা জানতে চায়। সে ভুলে ঘুকু চোর। ঘুকু চোর শুনে। ও প্রতিবাদে ক্লাইভকে বলে, ইউ শাটআপ। মানে এ বুঝতে পারে নাই কি বলছে মানে বুঝতে পারছেন সে যখন লর্ড ক্লাইভের কাছে যায় যাওয়ার পরে ক্লাইভ জানতে চায় তুমি কি গুপ্তচর সে শুনছে গুকুচ্চর তখন সে কি বলছে সে বলছে ইউশাটপ এইবার কি হয় সাথে সাথে ক্লাইভ তার

20:51 গর্দান নিতে চায় সন্দেহ করাটা বুদ্ধিমানের কাজ কিন্তু বেশি সন্দেহে বুদ্ধি ঘুলিয়ে যেতে পারে এদেশে এদেশে থেকে এদেশকে ভালোবেসেছি গুপ্তচরের কাজ করেছি দেশের স্বাধীনতার খাতিরে সে কি বেঈমানির চেয়ে খারাপ তবু ভয় নেই সিরাজুদ্দৌলা বেঁচে আছে এটা কার কথা এটা কার কথা কে বলল এটা নারায়ণ সিং বলল রাইসুল জোহলা বলল যিনি একজন দেশপ্রেমিক ছিলেন দুইদিকেই কাটছেন দুইদিকের গুপ্তচরী করছে বাট সে দেশপ্রেমিক ছিল সে দেশের জন্য কাজ করছে এরপরে আসেন এই পেজটা আমি শেষ করে দিব আমি নেক্সট চরিত্রে যেতে চাচ্ছি আপনাদের এটা ক্লিয়ার ঝটপট সি লিখে দেন জাস্ট সি লিখে দেন আমি এরপরের পেজে যাব। এরপরের পেইজে চলে যাব। আপনারা এটা

21:39 ক্লিয়ার তো তাই না? ওকে। ঠিক আছে। থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ। আমাদের সাথে 46 জন যুক্ত হয়েছে। আমরা আশা করি এই সংখ্যাটা 100 ওভার করবে। জাস্ট আপনারা একটু শেয়ার করে দেন। এর পরের পেইজে দেখেন স্যার। সেইটা হলো সিরাজুদ্দৌলার পক্ষ চরিত্রসম। আমরা কিন্তু এগুলো বলতেছি যে আগের পক্ষ একটা বললাম। রাইসুল জোহালা ছিল। এর আগে তার দাদা নানা ছিল, তার মা ছিল। এইবার আমরা যে চরিত্রটাতে যাব সেইটা হলো স্যার আমাদের সিরাজুদ্দোলা নিজে সিরাজুদ্দোলা সম্পর্কে কোন ইনফরমেশন গুলো দাগিয়ে ফেলবেন সেটা আমি বলে দিচ্ছি সিরাজুদ্দোল্লার পিতার নাম ছিল জয়নুদ্দিন লিখে ফেলেন কমেন্টে লেখেন সবাই কমেন্টে লিখবেন পি জয়নুদ্দিন মা আমিনা জয়নুদ্দিন পিতা জয়নুদ্দিন পিতা জয়নুদ্দিন মাতা আমিনা লিখে ফেলেন ভাইয়া

22:27 এই নাটকটা না অনেক পেজ বাট আমরা এটাকে 10, 15 পেজের ভিতরে নিয়ে আসছি। জাস্ট শর্ট করতে করতে করতে অতএব আমরা যেইটা দাগাবো, যেইটা পড়াবো সেটাই এক্সাম হলে আসবে তোমার। এইটুকু যদি তুমি বোঝো যে ভাইয়ারা রাতদিন এনালাইসিস করে আমাদের জন্য স্লাইডগুলো রেডি করছে। অতএব তারা যা বলবে তাই আমাকে নোট করতে হবে। তাই লিখতে হবে। এইটুকু যদি বোঝো তাহলে তুমি অনেক ভালো করতে পারবা। দেখো তাহলে লিখছো সবাই? জয়নুদ্দিন। পিতার নাম কি ছিল? জৈনুদ্দিন। মাতার নাম কি ছিল? আমিনা। আমিনা বেগমের জ্যেষ্ঠ পুত্র ছিল। জ্যেষ্ঠ মানে কি জানো তোমরা? জ্যেষ্ঠ আর কনিষ্ঠ পার্থক্য বোঝো? জ্যেষ্ঠ মানে হচ্ছে বড়। আর কনিষ্ঠ মানে কি? ছোট। তাহলে এদের বড় পুত্র ছিল। 1733 সালে জন্ম 1756 সালে সিংহাসনে বসন যখন নানা মারা যায়। তাহলে সিরাজুদৌলা মৃত্যু

23:15 1757 সালে। জন্ম 1733 সালে। জন্ম 33। এটা লেখো। কমেন্ট বক্সে লেখো। জ লিখে লিখবা 1733। জ 1733। কিবোর্ড কিন্তু অল টাইম রেডি রাখতে হবে। য 1733 মি 1757 আর আমি আমি তোমাদের কমেন্টগুলো একটু পড়ি হ্যাঁ ওকে থ্যাংক ইউ এই দেখো যারা যারা লিখছো ভাইয়া তোমাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ রে তোমরা নিজেদেরকে অনেকটা আগায় রাখতেছ তোমরা বুঝতেও পারতেছ না যে বাংলাদেশের 14 লক্ষ এইচএসসি ক্যান্ডিডেট এর ভিতর থেকে তোমরা টপ ওয়ান লাখ বা 50 থা000 এর ভিতরে আছো এ প্লাস কিন্তু 14 লাখ পায় না রে ভাইয়া এ প্লাস পায় হচ্ছে তোমার সর্বোচ্চ এক লাখ সোয়া এক লাখ দেড় লাখ স্টুডেন্ট তো তুমি সবাই থেকে নিজেকে এগিয়ে রাখো

24:00 আচ্ছা যারা যারা কমেন্ট করেছ সবাইকে ধন্যবাদ সিরাজুদ্দৌলার পিতার নাম জয়নুদ্দিন সবার আগে লিখছো সাজিদ আচ্ছা এর আগে লিখছে ফিরোজ মাহমুদ ফিরোজ মাহমুদ তোমারে ধন্যবাদ ভাইয়া এমএসটি মারিয়া আলামিন নাফিজা জুনায়েদ সিদ্দিকী তানজিলা ইফজ ইতনা ফারিয়া তাসলিম নিতু ফিরোজ মাহমুদ আখি আলম মরিয়ম মিষ্টি মুস্তাকিম আহমেদ শিকদার আচ্ছা মনির হামজা তপু সবাই সবাইকে ধন্যবাদ ভাইয়া জোস তোমরা জোস আচ্ছা এরপরে দেখো 17 56 সালে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করেন। তাহলে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করেন কবে? 1756 সালে আক্রমণ করে কলকাতার নাম পরিবর্তন করে রাখেন আলীনগর। একটা মজার ব্যাপার। মজার ব্যাপার হলো। এই পৃথিবীতে

24:46 আজ পর্যন্ত যত শাসক এসেছে সবাই স্থানের নাম গুলো নিজের বাপ-দাদার নাম অনুযায়ী রাখত। সে তার নানার নামে আলীবর্দি থেকে আলীনগর রেখে দিছে। যেহেতু আলিবর্দি খার ছিল এইজন্য আসসালামু আলাইকুম ভাই। কি অবস্থা? এইতো আলহামদুলিল্লাহ। আমরা মাত্র শুরু করলাম ক্লাসটা। আমাদের অলরেডি 40, 44, 45 জন যুক্ত হয়েছে এবং সবাই খুব ভালো রেসপন্স করতেছে। আমরা আজকের একটা ক্লাসে পুরো নাটকটা শেষ করে দেব এবং চেষ্টা করব এই নাটকের যেগুলো কে পয়েন্ট যেগুলো দাগিয়ে ফেললে এমসিকিউ এবং সিকিউ সর্বোচ্চ ভালো করা যায় এটা আমরা আজকের ক্লাসটিতে নিশ্চিত করব ইনশাল্লাহ। তাই নাকি? এক ক্লাসে নাটক শেষ। এক ক্লাসে পুরো নাটক শেষ করব। কারণ এখন আর সময় নাই তো ভাই। এখন

25:31 ওয়ান শর্ট ক্লাসগুলো তো শেষ করব। আগামী সপ্তাহ থেকে তো আমাদের একটা কোর্স আসতেছে এবং সেই কোর্সে আমরা ফুল ফ্রিতে ছয় ঘন্টা সাত ঘন্টা করে এক একটা ম্যারাথন ক্লাস নিয়ে আসতেছি ভাই কিন্তু আপাতত আমরা আজকের ক্লাসটা একটু শর্ট করব খুব একটা লং টাইম করবো না যেহেতু আগামী সপ্তাহ থেকে ম্যারাথন আসবে এজন্য আমি চাচ্ছি একটু দ্রুত যেতে আজকের ক্লাসটাতে বড় ভাই আসছে সাইড দেন তারপরে ও ভাই কিবে আইন এ মনির হামজা তপু তুই কি কথা কইলি ভাইয়া গেদা ভালো আছিস আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া আনিসা শিমু ওকে সালাম দিছে অনেকেই গুরু আখি আলম আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া

26:19 ওয়ালাইকুম সালাম ভাইয়া এটা কোন ব্যাচের এটা সব ব্যাচের 25 ব্যাচ 26 ব্যাচ সব ব্যাচের ম্যাগনেট ভাই আসসালামু আলাইকুম ওয়ালাইকুম সালাম সবার জন্য আসসালামু আলাইকুম ম্যাগনেট ভাই ওকে এসেছে আমাদের ভাইয়া রাফিজা রহমান ওকে আমি তোমাদেরই ভাইয়া ইয়া ঠিক আছে এই যে তোমরা যে আপন করে ভাবতে পারো এটার জন্য থ্যাংক ইউ আমরা তোমাদের জন্যই আছি ঠিক আছে একদম তোমাদের যে সিলেবাস সব সিলেবাস এক পরীক্ষার আগে তো শেষ করবে পাশাপাশি প্র্যাকটিসটাও কিন্তু আমরা করায় দিব তোমাদের তোমরা দেখা যাচ্ছে যে একা একা প্র্যাকটিস করতে গিয়ে অনেক সময় প্রবলেম ফেস করো বিশেষ করে এমসিকিউ পার্টে তো এমসিকিউ পর্যাপ্ত পরিমাণে এমসিকিউ সলভ করাবো যাতে চার 500 করে এমসিকিউ রাখবে একটা ক্লাসে 500 এমসিকিউ যাতে তোমার কি কোন এমসিকিউতে যাতে কোন প্রবলেম না থাকে ওকে নাফিজা রহমান কেমন আছেন দাদা এই আমাকে দাদা বানা দিলি কিরে ভাই

27:05 আমাকে বিয়ে করলাম না দাদা বানা দিছস ঠিক আছে নিজামুদ্দিন শাকিল আসসালামু আলাইকুম ওয়ালাইকুম মোসাম্মদ মারিয়া সালাম দিয়েছে ওকে ভাই মাইক্রোফোনটা নিয়ে নেন মাইক্রোফোনটা ওখানেই আছে জোরে বলতেছি শোনা যাচ্ছে তো নাকি মেহেদী হাসান ব্রো কাইয়ুম ওবায়দুল হক মোস্তাকিম শিকদার আহমেদ শিকদার ওকে সিলেবাস একেবারে কপায় দিব ইয়েস তোমরা একটু জাস্ট আমাকে বলো যে তোমরা কি এই যে এক দুই ঘন্টার ক্লাস চাও নাকি ছয় সাত ঘন্টার ক্লাস চাও সবাই কমেন্টে লেখেন তোমরা যেভাবে চাও সেভাবে আমরা রুটিনটা সাজাবো বলো আমাদের এনার্জি আছে ভাই আমরা চাচ্ছি আমরা পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা করে দেবো কিন্তু আপনারা নিতে পারবেন কিনা ম্যাগনেট ভাই সারারাত ক্লাস নেবে আমি সারারাত ক্লাস নেব আমি তো রেকর্ড করব বুঝছো যতক্ষণ নেওয়া যাক হ্যা ওরা থাকতে পারবে কিনা ভাই ওরা যে

27:53 এখানে 20 30 জন আছে যারা তুমি সারাদিন আর 24 ঘন্টা ক্লাস নিলেও থাকবে ভাই এমন স্টুডেন্টই তো দরকার ভাই আমাদের কারণ আমরা দেব রে ভাই তোমার ভালো রেজাল্টের জন্য তোমার আব্বু আম্মু রাত জেগে দোয়া করে না তোমরা তাদের জন্য দোয়া করো না জাস্ট আমাদের জন্য দোয়া করবা ভাইয়া আমরা সন্ধ্যা থেকে রাত 11 12টা একটা দুইটা তিনটা পর্যন্ত ক্লাস নেব এক একটা ক্লাস মিনিমাম ডিউরেশন ছয় ঘন্টা করে হবে আগামী সপ্তাহ থেকে যে ফাইনাল গিয়ার আসতেছে ফাইনাল গিয়ারের এক একটা ক্লাস এটলিস্ট ছয় ঘন্টা হবে বাট নিতে পারবা কিনা সেটা বল দুই এক ঘন্টা করে ক্লাস যারা চাচ্ছে তাদের ক্লাস করার দরকার নাই দুই এক ঘন্টা ক্লাস করলে হবে এখন ঠিক আছে অনেক ফাইনাল গিয়ার ব্যাচের নাম দিছি কি বলতো ফাইনাল গিয়ার এই সবাই কমেন্টে লেখো ব্যাচের নাম কি ফাইনাল গিয়ার ঠিক আছে তো ফাইনাল গিয়ারে কিন্তু একদম ফাইনাল

28:38 গিয়ারে যাইতে হবে ঠিক আছে তাহলে ওইভাবে পড়াইতে হবে এক গিয়ারে মনে করে থাকলে হবে না একদম ফাইনাল গিয়ারে যেতে হবে এবং নামটা আমরা এইজন্যই দিয়েছি ফাইনাল গিয়ার যে ভাই তুমি দেড় বছরে কিচ্ছু পড়ো নাই তোমার জন্যই আমার এই কোর্স ফাইনাল গিয়ার কথা ওটা না কথা হল যে আজকের উপস্থিতি একটু কম তোমাদের সাথে একটু গল্প করতে আসলাম পড়তে পড়তে তোমরা অনেক সময় বিরক্ত হয়ে যাও এজন্য মাঝে মাঝে গল্প করতে আসি অনলাইনে পড়েও তোমরা যাতে অফলাইনের ফিল্ডটা পাও হ্যা তো তোমরা তো পড়বাই পড়ার পাশাপাশি তোমাদের এই জিনিসগুলা মাঝে মাঝে একটু মজা করি এটা আমরা ইচ্ছা করেই করি এমন না যে তোমার মানে আমরা মনে অদান্ত করি তা না ইচ্ছা করেই করি যাতে তোমরা কি অনলাইনে যে পড়তেছো তোমাদের যাতে বোরিং না লাগে তাহলে যেহেতু আমি আসছি যদি আমি যদি ক্লাসে উপস্থিত হই কি করতে হয় তোমরা তো জানোই যেহেতু আমি আসছি তাইলে ক্লাসে আমি আসা মানে কি করতে হবে এটা কি আমার বলতে হবে মুখ দিয়ে না ভাই কিন্তু

29:24 শেয়ার করতে বলে নাই ঠিক আছে ভাই বলে নাই যে আমি আসছি তার মানে শেয়ার করো বাট আমাদের স্টুডেন্ট বুঝে গেছে তারা অলরেডি শেয়ার করে শেয়ার ডান লেখা শুরু করে দিছে সবাই শুরু করে দেন জাস্ট লিখবেন শেয়ার শেয়ার লিখে শেয়ার ডানটা কে শেয়ার করতেছো এটা কিন্তু এখানে শো করে হ্যাঁ শেয়ার না করে যদি বল শেয়ার করছি এটা কিন্তু বোঝা যায় বুঝছো সবাই সবাই শেয়ারটা করবেন সবাই শেয়ারটা করবেন গুগল মিটে এ আড্ডা হওয়া হবে Google মিটে আড্ডা হবে ঠিক আছে সো ভাইয়ের মজা মানেই শুধু হাসি আর হাসি ওকে কালকে কালকে তোমাদের একটা আইসিটি ক্লাস কালকে একটা আইসিটি ক্লাস নিয়ে নেই নাকি নিয়ে নেন ভাই ফাইনাল গিয়ার আসার আগে

30:10 দুই একটা ক্লাস নিয়ে নেন ফাইনাল গিয়ার আসলে তখন তো চাপ নিতে পারবে না ছেলেরা ও আচ্ছা আরেকটা নিউজ ভাই সেটা আমি বলে দেই সেটা হলো ফাইনাল গিয়ার ব্যাচে কিন্তু আরেকটা কাজ থাকবে আজকে ছয় ঘন্টা টানা ম্যারাথন ক্লাস হবে যেই টপিকের উপর কালকে দুপুরবেলা আবার সেই টপিকের উপর 100 মার্কের এক্সাম হবে এবং রেজাল্টটা আমরা রাত্রের ভিতরে দিয়ে দেব এবং যারা এই পরীক্ষাগুলোতে ভালো করবে প্রত্যেকদিনের পরীক্ষাগুলোতে ভালো করবে আমরা তাদেরকে মাস শেষে মান্থলি যে মেগা টেস্ট নিব আমরা প্রত্যেককে ক্রেস্ট পাঠাবো ক্রেস্ট তোমারে ভাইয়া সেই লেভেলের একটা ক্রেস্ট পাঠাবো এই তোমারে একটা স্টুডেন্ট পাইছি বুঝছো তোমার ক্লাসে বলছে কি ভাই আমি আমার বউয়ের বদলে ক্লাস করতেছি মনির হামজা তপু আচ্ছা এইযে মনির হামজা তপু বউয়ের বদলে কি এক্সাম দিবা বউয়ের বদলে গিয়ে পরীক্ষাটা

30:56 দিবি তুই হল কি বলতো এই পৃথিবীর এই পৃথিবীর একমাত্র মানুষ ঠিক আছে একমাত্র মানুষ একমাত্র এই পৃথিবীর যোগ্য স্বামী মেয়েদের ঠিক আছে তহলে তোর মত ছেলে যারা আছে ছেলেদেরকেই মেয়েরা খোঁজে যে সে নিজে কিছু করবে না কিন্তু তার কি বলতো অন্যজন করে দিবে এই স্যার নোয়াখালীর না আমরা দুজনেই কিন্তু উত্তরবঙ্গের আমরা দুইজনই সিরাজগঞ্জের ওকে আচ্ছা আমাদের সাথে তোমরা তোমরা যদি ভাইয়া এই টেস্টগুলো জাস্ট দেও না মানে ডেইলি ভাই এই লেভেলের তুমি কোন একটা পেইড কোর্স দেখাও বাংলাদেশের কোন পেইড কোর্সটা আছে যে তোমাকে ডেইলি টেস্ট নিচ্ছে 100 মার্ক করে তোমাকে ক্রেশ দিচ্ছে আমি জানিনা

31:42 এরকম কোন কোর্স বাংলাদেশে আছে কিনা বাট আমরা এটা তোমাদের সাথে ইন্ট্রোডিউস করার চেষ্টা করতেছি সম্পূর্ণ ফ্রিতে ভাইয়া কিচ্ছু চাই না জাস্ট ইডু কাটুমের জন্য আর আমাদের জন্য তোমাদের ভালোবাসাটা চাই কারণ আমরা এই প্লটফর্মে অনেক কোর্সে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারি ভাই বাট আমরা ভালোবাসার জন্য কিছু করতে চাই জাস্ট স্টুডেন্টদের জন্য তোমাদের দোয়ার জন্য তোমাদের ভালোবাসার জন্য এই কোর্সটা ডেডিকেশন কাকে বলে তোমরা দেখতে পারবা বাট তোমাদের ডেডিকেশনটা যদি আমরা না পাই একতরফা ভালোবাসা দিয়ে পৃথিবীতে কোন ভালোবাসাই টেকে না সাইড লাভ চলবে না রে ভাই মনির হামজা তোপুর মত ছেলে যেই দেশে আছে সেই দেশে আসলে আমাদের কপালে বউ থাকবে না ভাই আপনি ওদিকে চলে যাচ্ছেন কেন আমরা তো ছোট আমরা দুইজনই ছোট মানুষ আমাদের এটা আরো অনেক ভবিষ্যতের প্লান বাট এই মুহূর্তে এইযে ক্লাস এত বড় একটা প্রাণ তোমাদের নিয়ে আমরা কালকে

32:28 সারারাত করলাম আমরা আগামী সপ্তাহ থেকে কাজ করব এই যে ফাইনাল গিয়ার নিয়ে আসবো এটা কিন্তু ওয়ান সাইড লাভ হওয়া যাবে না ঠিক আছে বোথ সাইড হতে হবে মানে আমাদের লেভেল থেকে যে লেভেলের ডেডিকেশন যাবে তোমাদের জায়গা থেকে ওই লেভেলের ডেডিকেশনটাই আসতে হবে ওকে তোমরা অনেকে শেয়ার দিছো একটু মেনশন দিয়ে দাও হ্যা জাস্ট মেনশন দিয়ে দাও আমরা ক্লাস শুরু করে দিচ্ছি পাঁচটা করে বন্ধুকে মেনশন করে খুব দ্রুত সবাই মিলে একসাথে ক্লাস করো পাঁচটা করে ফ্রেন্ডকে মেনশন করে দাও আমি এই যে তোমাকে হচ্ছে লোভ দেখাতে হবে ভাইয়া তোমারে এইটা দিব নারে ভাইয়া তুমি তোমার প্রয়োজনের জায়গা থেকে ভাইয়ারা তোমাদের জন্য যদি এতটা পরিশ্রম করতে পারে তোমরা যদি জাস্ট পাঁচটা ফ্রেন্ডকে মেনশন দাও কষ্ট মনে হয় তাহলে দিও না একদম দিবা না ক্লাস দেখো ওকে ঠিক আছে আমরা যেখানে ছিলাম ভাইয়া সেটা হল এই যে আলীনগর নাম রেখেছিল আমি কি বলেছিলাম যে পৃথিবীর যত শাসক ছিল সব শাসক সবাই আছোরে

33:15 নাকি দুষ্টগুলো আবার চলে গেছে ওকে দেখ তাহলে পৃথিবীর ইতিহাসে যত শাসক এসেছে হাসিনা কিন্তু অনেক ভালো ছিল কেমন ভালো ছিল জানো? এটলিস্ট বাংলাদেশের নাম মুজিব ল্যান্ড রাখে নাই। বাংলাদেশের নাম কি মুজিব ল্যান্ড রাখছিল? মানে হয়তো আর কিছুদিন পরে রাখতে পারতো। বাট রাখার আগেই আমরা তাকে নানীর বাড়ি দিল্লি পাঠায়া দিছি। বাট এইটা কিন্তু পৃথিবীর যুগ যুগ ধরে চলে আসতেছিল। যখন হচ্ছে কি হলো? যখন আমাদের এইখানে ইসলাম খাওয়া চলে আসলো সুবেদার। তখন সে এসে সে এসে ঢাকার নাম করে দিল জাহাঙ্গীরনগর। জাহাঙ্গীরনগর কেন রেখেছিল? কারণ কারণ তখন হচ্ছে সম্রাট জাহাঙ্গীর দিল্লির শাসন ব্যবস্থা চালাচ্ছে দিল্লির শাসক যেহেতু সম্রাট জাহাঙ্গীর ছিল তার নাম

34:02 অনুযায়ী একটা দেশের শহরের নামে চেঞ্জ করেছে কি জাহাঙ্গীরনগর তো সিরাজুদ্দলা যেটা করল সে বলে আমার নানাকে আমি অনেক ভালোবাসি স্বজন হারানোর বেদনা স্বজন হারানোর বেদনা কত কষ্টের কত ব্যথার সে জায়গা থেকে সে নানার নামে নাম রাখলো আলীবর্দি খার নাম অনুযায়ী কলকাতার নাম হয়ে গেল কি আলীনগর এরপরে দেখো শকজের এর বিশাল হারেম তাকে পালন করতে হয়। সিরাজকে সিরাজকে বন্দী করে মুর্শিদাবাদে আনা হলে মোহাম্মদী বেগ তাকে 10,000 টাকা চুক্তির বিনিময়ে জাফরাগঞ্জের কয়েতখানায় হত্যা করে। ভাইয়ারে এই ইনফরমেশনটা এই ইনফরমেশনটা অনেক দুঃখের ব্যথার বেদনার। আমি তোমাদের প্রিভিয়াস একটা ক্লাসে বলেছিলাম যে এই পৃথিবীতে তুমি একজন মানুষকে রাস্তা থেকে উঠে আনছো। বুকে

34:50 লালন পালন করছো। আদর সহক যত্ন দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে বড় করছো একদিন পিছন থেকে সে তোমাকে কি করল কাটাপ্পার মত পিছন থেকে তোমাকে ছুরি দিয়ে দিল কাটাপ্পা বাহুবলীকে পিছন থেকে ছুরি দিয়েছিল না বড় তলোয়ার দিয়েছিল না সেম কাজটা করল এই কাজটাই করেছে মোহাম্মদ বেগ জাস্ট একটু বাস্তব জীবনের জন্য জেনে রাখো এই মোহাম্মদী বেগকে এই মোহাম্মদী বেগকে কি করেছিল জানো সিরাজুদ দৌলার যে পিতা ছিলেন এই জয়নুদ্দিন এই জয়নুদ্দিন একদিন রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনেছিল মোহাম্মদকে এই গল্প তোমরা জানো কুড়িয়ে এনেছিল এনে নিজের সন্তান সিরাজকে যেরকম ভালোবাসা দিয়ে যত্ন দিয়ে মানুষ করেছে এই মোহাম্মদ বেগকেও সে আদর যত্ন দিয়ে নিজের ছেলের মত করে বড় করেছে বড় হওয়ার পরে তার রক্তে যেহেতু

35:36 আছে ছোটলোকী তার এই ছোটলকি ভাব যায়নি তার জন্য এত কিছু করেছে যে জয়নুদ্দিন সে জয়নুদ্দিনের সন্তানকে জাস্ট 10000 টাকার লোভে 10000 টাকার লোভে সে এই সিরাজুদ দৌলাকে জাফরাগঞ্জ কয়েদখানায় হত্যা করে তিনটা ইনফরমেশন লিখবা তিনটা ইনফরমেশন কমেন্ট বক্সে সবাই লিখবা তিনটা কমেন্ট নাম্বার ওয়ান লিখবা সিরাজের হত্যাকারী মোহাম্মদ ইবেক জাস্ট মোহাম্মদ ইবেক নামটা লেখো সিরাজের হত্যাকারী কে মোহাম্মদ এই ইনফরমেশনটা সবাই কমেন্ট বক্সে লিখবা এটা এক্সামে কোশ্চেন হবে সেকেন্ড কোশ্চেন ন্সারটা লিখবা সেটা হলো কয় হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে হত্যা করে কয় হাজার টাকা 10000 টাকা 20000 টাকা 50000 টাকা কয় হাজার টাকার বিনিময়ে সিরাজুদ্দৌলাকে হত্যা করে ইনফরমেশনটা কমেন্ট লেখ থার্ড যে ইনফরমেশনটা লিখবা সেটা হচ্ছে কোথাকার

36:23 কয়েতখানায় হত্যা করে সেটা তোমরা লিখবা জাফরাগঞ্জের কয়েতখানায় হত্যা করে তাহলে সিরাজকে নিয়ে সিরাজের হত্যা নিয়ে মোহাম্মদ বেগের সাথে স্মৃতি বিজড়িত তিনটা তথ্য একাধিক বোর্ডে আসে একাধিক ইউনিভার্সিটি এডমিশন টেস্টে আসে কি কি তথ্য ভাইয়া শুরুতে লিখবা কে হত্যা করেছে মোহাম্মদ বেগ হত্যা করেছে কত টাকার বিনিময়ে হত্যা করেছে 10000 টাকার বিনিময়ে হত্যা করেছে কোথায় হত্যা করেছে জাফরাগঞ্জের কুয়েতখানায় আমি ইনফরমেশন গুলো দেখবো কে কে লিখছে আচ্ছা নাসরুল্লাহ আল হাসানী লিখেছে আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া কেমন আছেন ওয়ালাইকুম আসসালাম আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি ভাইয়া আখে আলম ধন্যবাদ আখে আলম আখে আলম সবার আগে লিখছে সবার আগে লিখছে সেটা হচ্ছে 100 হাজার টাকা এরপরে এরপরে হচ্ছে আমাদের নাসরুল্লাহ আল হাসান লিখেছে কৃতজ্ঞ

37:08 মোহাম্মদ নাসরুল হাসান গ্রেট আমি প্রিভিয়াস ক্লাসে তোমাদেরকে পড়িয়েছিলাম কৃতজ্ঞ কাকে বলে আর কৃতজ্ঞ কাকে বলে কৃতজ্ঞ অকৃতজ্ঞ কৃতজ্ঞ এই তিনটা আমি তোমাদের একটু দেখাবো জাস্ট শর্ট টাইমে ওকে আমি একটু 10 সেকেন্ডে দেখাই তোমরা এই কমেন্টটা করো এর ফাকে আমি দেখা দে ইনফরমেশনটা হল কৃতজ্ঞ কৃতজ্ঞ অকৃতজ্ঞ এবং কৃতজ্ঞ অকৃতজ্ঞ আরেকটা নাম কি ভাইয়া কৃতজ্ঞ অর্থাৎ ঘয়ণ কৃতজ্ঞ হল তুমি যার উপকার করেছ সে যদি তোমার উপকার স্বীকার করে তুমি একজনের উপকার করেছ সে তোমার উপকারটাকে জাস্ট স্বীকার করল। তোমার উল্টো উপকার করার দরকার নাই। জাস্ট তোমার উপকার

37:54 স্বীকার করল। তাকে কি বলা? কৃতজ্ঞ। তুমি যার উপকার করেছ সে তোমার উপকার অস্বীকার করল। তাকে বলা হয় অকৃতজ্ঞ। আর কৃতজ্ঞ কি? এই যে কৃতজ্ঞন। আমি এখানে কৃতজ্ঞ লিখলাম। এই কৃতজ্ঞ হচ্ছে যে উপকারের অপকার করে। মানে তুমি তার উপকার করছো। সে শুধু তোমার উপকার অস্বীকারই করে নাই। সে তোমার অপকার করছে তোমারে হত্যা করছে এরে কি বলা হয় কৃতজ্ঞ বলা হয় তাহলে এই পেজটা শেষ সবাই লিখেছো থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ জাফরাগঞ্জের কয়েদখানায় এইটা তাহেরা বাগম লিখেছো আনিসা শিমু লিখেছো আখি আলম লিখেছো নিজামুদ্দিন শাকিল লিখেছো আব্দুল কাইয়ুম সবাইকে ধন্যবাদ অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া নেক্সট পেজে আসো এবার হল সিরাজের উপাধি দেখ সিরাজের নাম কি জানো সিরাজের নাম হল

38:43 মির্জা মোহাম্মদ এটা সবাই কমেন্ট বক্সে লেখো। এই ইনফরমেশনটা আমি নিজে এডমিশন টেস্টে কমন পেয়েছিলাম। মেবি রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে আমি এটা পেয়েছিলাম। রাজশাহী বা চিটাগং। রাজশাহী অথবা চিটাগং কোন একটা ইউনিভার্সিটিতে আমার এডমিশন টেস্টে আমি কোশ্চেনটা পেয়েছিলাম। সিরাজুদলার প্রকৃত নাম কি? তোমরা প্রিভিয়াস ইয়ারের কোশ্চেনগুলো সলভ করে দেখবা। কতবার এডমিশন টেস্টে, এইচএসসিতে এভরি বোর্ড এই কোশ্চেনটা আসে। লিখে ফেলো। সিরাজুদ্দৌলার প্রকৃত নাম কি? সিরাজুদ্দৌলার প্রকৃত নাম হল মির্জা মোহাম্মদ। মির্জা মোহাম্মদ। এটা কিন্তু পুরোটাই তার নাম। নবাব মনসুরুল মুলুক। নবাব মনসুরুল মুলুক। এই পুরোটা লেখার দরকার নাই। জাস্ট এইটা ইনফরমেশন আসে। এটা

39:30 বেশি ইম্পর্টেন্ট। মির্জা মোহাম্মদ তাকে কি বলা হয়? মির্জা মোহাম্মদ বলা হয়। নবাব মনসুরুল মুলুক সিরাজুদ্দৌলা শাহকুলি খা মির্জা মোহাম্মদ হাইতোজঙ্গ বাহাদুর এইটা হল তার উপাধি ছিল তাহলে তার এই যে মূল নামটা এইটা খুব ইম্পর্টেন্ট মির্জা মোহাম্মদ আচ্ছা এটা সবাই লিখছোরে এই কমেন্ট বক্সে লিখতেছো তোমরা নাকি আমি শুধু একা একাই বলে যাচ্ছি তোমরা লিখতেছো না হ্যাঁ লেখো লেখ ফাস্টে কে লিখছে ফাস্টে লিখছে হল মির্জা মোহাম্মদ লিখেছে তাসনিম জাহার আচ্ছা ফারিয়া তাসলিম ও নাফিস সাজিদ বলছে ভাই ভাই রানা মিধাকে ডাকেন একটা গান শোনান। রানা হচ্ছে বাসায় চলে গেল কিছুক্ষণ আগে ও থাকলে আচ্ছা নেক্সট ক্লাসে। নেক্সট ক্লাসে রানার একটা চমৎকার গান হবে। ওকে? গার্ললি বয় রানার গান হবে নেক্সট ক্লাসে। আজকে না ফারিয়া তাসনি

40:17 মির্জা মোহাম্মদ, নিজামুদ্দিন শাকিল, ওবায়দুল হক, সাকিব হোসাইন, নাফিজান সাজিদ, নাফিস হাসান সাজিদ, মুস্তাকিম আহমেদ শিকদার, এমএসটি মারিয়া, শোহানুর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, মরি ভাই তোমাদের জন্য বুক ভরা দোয়া। এই একটা কাজ আমি করতে পারি। তোমরা যারা রেসপন্স করতেছো না তোমরা এদেশের সম্পদ তোমরা যারা ক্লাস করতেছো আমাদের এই ইন্টারনেট দেশের ডিজিটালাইজেশন শুধু তোমাদের জন্যই সার্থক অসংখ্য ছেলেপেলে আছে পরীক্ষার আগের দিন রিলস দেখে সে তার প্রাইভেট অফিস করে গার্লফ্রেন্ডের সাথে তুমি ক্লাস দেখতেছো ধন্যবাদ রেসপন্স করবা এরপরে দেখো ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোক লোকের পক্ষে সব করাই সম্ভব এইটা হচ্ছে সিরাজের একটা কথা। ওকে? এরপরে

41:03 আসো। তোমার খুব কাছাকাছি বহুদিন আসতে পারি না। আমাদের মাঝখানে একটি রাজত্বের দেয়াল। মাঝে মাঝে ভেবেছি যদি এই বাধা দূর হয়ে যেত। আচ্ছা এগুলো এগুলো কার কথা বলতে পারো তোমরা? একটু লেখো তো এটা কার কথা? আচ্ছা আসো। আজ আমার ভরসা আমার সেনাবাহিনীর শক্তিতে নয়। মোহনলাল আমার একমাত্র ভরসা আগামীকাল যুদ্ধক্ষেত্রে বাংলার স্বাধীনতা মুছে এখানে কি একটা লিখেছে আমি দেখতে পাচ্ছি না ওকে সূচনা দেখে ওকে এরপরে এরপরে বেশ কিছু ইনফরমেশন আছে এইটা খুবই ইম্পর্টেন্ট তোমরা এই অংশটা একটু ভালো করে দেখবে আমি কিন্তু স্লাইডটা দিয়ে যাব কিছু কিছু জায়গায় না একটু কম গুরুত্বপূর্ণ ওগুলো আমি ব্যাখ্যা করবো না ওগুলো স্কিপ করে যাব বাট তোমরা ওগুলো দেখবা কারণ এই স্লাইডটা আমি পিডিএফটা আজকে আগেই নিয়ে

41:48 রাখছি ক্লাস এন্ড করব সাথে সাথে হ্যাপ গ্রুপে পিডিএফ পেয়ে যাবা দেখো ওয়ার সূচনা দেখে মিরজাফর রাইদুল্লাহ বা ওর দলের বাকিরা এখানে কমাধারা তাদের বোঝানো হয়েছে মনে আচ্ছা যদি দেশপ্রীতি জেগে ওঠে সেই সম্ভাবনাটুকু ওই একটি পথ সিপাহশালার দেশের কল্যাণ শুধু এই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি এটা হচ্ছে মীর জাফরের প্রতি গলেছিল নবাব সিরাদুলা প্রাণের ভয়ে আমি পালাইনি আচ্ছা তারপরে আসো লুতফুন্নেসা সম্পর্কে কি আছে? লুতফুন্নেসা তার প্রাণপ্রিয় স্ত্রী ছিলেন। এখানে মীর মিরনের বেশ কিছু কাহিনী আছে। একটু মনোযোগ দিয়ে দেখবা। লুতফুন্নেসাটা খুব ইম্পর্টেন্ট। কোনটুকু ইম্পর্টেন্ট সেটুকু

42:34 আমি বলে দিবো। এইটা হচ্ছে নবাব সিরাজুদলের স্ত্রী। এইটা তো সবাই জানো। তাহলে নবাব সিরাজুদ্দলের স্ত্রীর নাম কি ছিল? লুতফা। লুতফুন্নিসা। নবাব সিরাজুদলের স্ত্রীর নাম কি ছিল? লুতফুন্নিসা মির্জা ইরিজ খানের কন্যা তাহলে কার কন্যা মির্জা ইরিজ খানের কন্যা এইটা লেখো এইটা তোমরা লেখো তোমরা খাতা থাকলে খাতায় লিখে ফেলো আর যদি কমেন্ট বক্সে লিখতে চাও তাও লিখতে পারো বাট আমি যেগুলো বলব সেগুলো লিখে ফেলো যে নবাব শিরকদলের স্ত্রীর নাম কি লুতফুন্নেসা মিরজা ইরিস খানের কন্যা মিরন তাকে মীর মিরন মীর মিরন কে মীর জাফর আলী খান এই খানের খান খান সাহেবের ছেলের নাম কি মিরন খান এই মীর মিরন খান কি করে তাকে কে বিয়ে করতে চাইলে তিনি বলে আমি চিরকাল হাতির

43:19 পিঠে চড়ে বেড়িয়েছি সেই আমি কি করে একটি গাধার পিঠে চড়ে বেড়াবো কত বড় একটা কথা বলছে দেখছো মানে এটা হচ্ছে এভরি বয়েজ ড্রিমগার্ল মানে সব ছেলেরই এরকম একটা ড্রিম গার্ল কল্পনায় থাকে তাই না যে তার জন্য এভাবে লড়বে বলবে তার স্বামীকে এতটা প্রাউড করবে বলবে যে আরে মিরন তুই তো একটা গাধা আমার স্বামী ছিল একজন হাতি আমি চিরকাল হাতির পিঠে চড়ে বেড়িয়েছি সে আমি কি করে একটা গাধার পিঠে চড়ে বেড়াতে পারি তোমাদেরও কি ড্রিম গার্ল নাকি যাই হোক এইটা ইতিহাসের বিষয় বাট এটা সত্যি ওকে আচ্ছা সিরাজকে বন্দি করে মুর্শিদাবাদে আনা হয় এবং লুতফাকে কোথায় আনা হয় আমাদের এই ঢাকা নগরীতে আনা হয় এবং এইজন্য আমি খুবই ব্যথিত কারণ ঢাকা নগরীকে কি করা

44:07 হয়েছিল যাই হোক দেখো সবকিছু বলতে হয় না তাহলে এই লুতফুন্নেসা লুতফুন্নেসা হচ্ছে সিরাজের স্ত্রী ছিলে এটা একটা ইনফরমেশন নাম্বার দুই কি নাম্বার দুই হচ্ছে ইরিস খানের কন্যা শেষ খুব একটা আর বেশি ইনফরমেশন লাগবে না মোহনলাল নিয়ে পড় মোহনলাল হল নবাবের একজন বিশ্বস্ত সেনাপক্ষী কিন্তু নবাবের পক্ষের ছিল এই যে আমরা কি পড়তেছি এতক্ষণ যা পড়তেছি এগুলো সব পক্ষের চরিত্র সমূহ এর পরে দেখো আচ্ছা এটা কে লিখছে রে কে লিখছে এটা সাজিদ লিখছে সাজিদ বলে যে আমাদের কপালেই জানে কোন বেডি অপেক্ষা করতেছে আল্লাহই জানে আয় হায় না সাজিদ হতাশ হয় না দেখো তুমি যদি

44:53 ভালো থাকো পৃথিবীর কোন না কোন কোনায় এমন অনেক ভালো মানুষ আছে তুমি এজ এ বয় হিসেবে যদি নিজের সৎ থাকতে পারো এই বিশ্বাসটা রাখো পৃথিবীতে যদি স্রষ্টা থাকে পৃথিবীতে যদি স্রষ্টার সৃষ্টি থাকে বিধান থাকে তুমি যদি নিজেকে সৎ রেখে এইটা চিন্তা করো যে পৃথিবীতে ধ্বংস পৃথিবী পুরো দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সব মেয়েরা এরকম কিছু যদি ভাবো তাহলে এটাও মনে রেখো কোন একটা মেয়ে পৃথিবীর কোন কোনায় বসে এমনটা ভাবতেছে যে আমি তো অনেক ভালো হয়তো আল্লাহ আমার জন্য কোথাও একজন ভালো ছেলে রেখেছে অতএব হতাশ হওয়া যাবে না ব্যাটা বিশ্বাস রাখতে হবে দেখো শৌকত জং এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন দেশপ্রেমিক ছিলেন। এই মোহনলাল কি ছিলেন? মোহনলাল ছিলেন সিরাজুদ্দলার পক্ষে বাংলার পক্ষে ইংরেজদের বিরুদ্ধে

45:39 নিজের জীবন উৎসর্গ করে দিতে সে থেমে থাকেনি দেশের জন্য দেশপ্রেমের জন্য শওকত জং এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শওকত জং কে ছিল একটু পরে দেখবো শওকত জং কিন্তু হচ্ছে ঘষিটা বেগমের ক্লোজ ছিল এই শওকত জং এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন সিরাজ তাকে দেওয়ান খানার পেশকার বানিয়েছিলেন পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধ বন্ধ করতে তিনি কি করেননি রাজি হননি ওকে যুদ্ধ করতে তিনি ওকে এটা আসেন চাননি পলাশীর প্রান্তরে তিনি যুদ্ধ করতে চাননি ক্লাইভের আদেশে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় তাহলে মোহনলালকে কি করা হয় মোহনলালকে কিভাবে হত্যা করা হয় রে মোহনলালকে গুলি করে হত্যা করা হয় লর্ড ক্লাইভের নির্দেশে তার বিখ্যাত উক্তি আমার

46:26 শেষ যুদ্ধ পলাশীতে খুব ইম্পর্টেন্ট মোহনলালকে নিয়ে এতক্ষণ যা কিছু পড়াইছি কোন লাইন ইম্পর্টেন্ট নাই একটা লাইন ইম্পর্টেন্ট যদি প্রশ্ন হয় আমার শেষ যুদ্ধ পলাশীতেই এটি কার উক্তি অপশনে থাকলো সিরাজুদ্দৌলা মীর জাফর আলী খান মীর মিরন আলী খান আরেকটা কে আমাদের এই বিশেষ নায়ক সেনাপতি মোহনলাল তাহলে কার নাম তুমি দাগাবা আমার শেষ যুদ্ধ পলাশীতে মোহনলালের উক্তি খুবই ইম্পর্টেন্ট দেশপ্রেমিক সেনাপতি সিরাজের পক্ষের সেনাপতি বাংলার পক্ষের সেনাপতি আমাদের পক্ষের সেনাপতি কে ছিলেন আমাদের এই মোহনলাল ওকে আমরা নেক্সট পেজে চলে যাই আশা

47:13 করি তোমাদের ক্লিয়ার হয়ে গেছে এর পরের পেজে আসো এর পরের পেজে আসো ওকে থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ যারা যারা কমেন্টটা লিখতেছো আমি হয়তো আজকে একটু দ্রুত যাব এজন্য তোমাদের সবার কমেন্ট পড়তে পারতেছি না বাট তুমি যদি কমেন্ট লেখে ভাইয়া তুমি উপকৃত হবা আমি কমেন্ট পড়বো আমি মাঝে মাঝে পড়তেছি বাট সবটাইম এটার চেয়ে আমি পড়ানোটাকে বেশি গুরুত্ব দিতে চাচ্ছি একটু দেখ এরপরে ভাইয়া আজকে আমি 100টা এমসিকউ রাখি নাই কারণ নেক্সট উইক থেকে যে আমাদের ম্যারাথন ক্লাস শুরু হবে আমি 500 এমসিকিউ সলভ করাব 400 300 এমসিকিউ সলভ করব 300 400 500 তো এজন্য আজকে জাস্ট পুরো নাটকটা পড়াবো এমসিকিউ হয়তো আজকে শেষে ক্লাস শেষে আমরা

47:59 15 20 টার মত এমসিকিউ রাখতে পারি বাট আছে আমাদের এমসিকউ আজকে বানানো বাট আজকে আমরা 100 এমসিকিউ সলভ করাবো না ওকে খুব দ্রুত শেষ করবো শেষ পর্যন্ত থাকো মীর মর্দান ইনিও নবাবের পক্ষের শক্তি ছিলেন উনি ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক সেনাপতি নবাবের সবচেয়ে বিশ্বাস ভাজন কে ছিলেন এই মীর মর্দান ছিলেন তাকে শ্রেষ্ঠ বাঙালি সৈনিক বলা হয়েছে যদি কোশ্চেন হয় এই কোশ্চেনসার করো শ্রেষ্ঠ বাঙালি সৈনিক কে খুব ইম্পর্টেন্ট খুব ইম্পর্টেন্ট নারায়ণ সিংহের নাম ছিল রাইসুল জুহালা সে ছিলেন নবাবের প্রধান গুপ্তচর এইটা কমেন্ট করার দরকার নাই। এটা একবার কমেন্ট করাইছি। এরপরে পড়ালাম আমার শেষ যুদ্ধ পলাশীতে এটা বলেছিল মোহনলাল। আর আমাদের মীর মর্দানকে কি বলা হয়েছে? বাঙালির শ্রেষ্ঠ সৈনিক।

48:44 যদি বলা হয় শ্রেষ্ঠ বাঙালি সৈনিককে আবেগের বশবর্তী ভাববা এই নাটকের নায়ক যেহেতু সিরাজুদলা আমি আন্দাজে সিরাজুদ্দোলা দাগায় দিলাম। নো রং। হবে না। কে হবে আনসার? কে হবে আনসার? ঝটপট কমেন্ট বক্সে লিখে ফেলো। কমেন্ট বক্সে লিখে ফেলো। এই লিখতেছো রে লিখতেছো? মীর মর্দান থ্যাংক ইউ জুনাদ সিদ্দিকী তোমারে ধন্যবাদ জুনাদ সিদ্দিকী সবার আগে দিয়েছে। এরপরে দিয়েছে কেরে? এরপরে দিয়েছে হচ্ছে বিকাশ এই বিকাশ বিকাশ তুমি এত লেট করে আসলা কেন? আমি তোমাকে অনেক মিস করেছি জানো? বিকাশ শাহ আঞ্জুমানারা তারপরে নাসরুল্লাহ আল হাসান নাজমুস সাকিব তামিম আরো অনেকে আছে আমি তোমাদের এই যে ফারিয়া তাসলিম নিতু এদেরকে আমি প্রতিদিন ক্লাসে দেখি তো তোমরা কমেন্ট

49:30 না করলে কেমন যেন আর কি মনে হয় যে অনেকেই আসে নাই আরো অনেকে আছে আমি সবার নাম বলতে পারতেছি না আচ্ছা দেখো আর সবাই আছে তোমরাই শুধু ছিলা না দেখো তাহলে শ্রেষ্ঠ বাঙালি সৈনিক কে মীর মর্দান পলাশীর প্রান্তরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তার বিখ্যাত উক্তি ইংরেজদের ঘায়েল করতে হবে মোহনলাল সাফরে আর আমার বাহিনী যথেষ্ট আমার প্রাণ থাকতে নবাবের কোন ক্ষতি হতে দেব না তাহলে এই সাফরে সাফরে কোন দেশের ছিলরে সবাই লেখতো সাফরে সাফরে একজন বিদেশী ছিল এই সাফরে কিন্তু নবাবের পক্ষের শক্তি ছিল সাফের একটা বিখ্যাত উক্তি আছে কি উক্তি তোমরা বলতে পারবা সেটা ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে কোশ্চেন হয়েছিল স্ট্যান্ড লাইক পিলারস

50:18 সৈনিকদের সম্পর্কে বলেছিল যে আপনার সৈনিকরা যেন পিলারের মত দাঁড়িয়ে আছে। এটা হচ্ছে সাফরের একটা বিখ্যাত উক্তি। তাহলে এই সাফরে মীর মর্দান কি বলেছিল? ইংরেজদের ঘায়েল করতে মোহনলাল সাফরে আর আমার বাহিনী যথেষ্ট। আমার প্রাণ থাকতে নবাবের কোন ক্ষতি হতে দেব না। আমার প্রাণ থাকতে নবাবের কোন ক্ষতি। কে বলেছিল? মীর মর্দান বলেছিল আমরা ইসলামের ইতিহাসে বা যেকোন ইতিহাসে দেখেছি যে শাসকদের কিছু ক্লোজ কিছু অনুসারী থাকে যারা নিজের জীবন দিয়ে প্রাণ দিয়ে সেই শাসককে রক্ষা করে তেমনি একজন ছিল আমাদের এই মীর মর্দান এরপরে নিপীড়িত ব্যক্তি এই নিপীড়িত ব্যক্তি থেকেই কিন্তু মূলত কাহিনীটা শুরু হয় নিপীড়িত ব্যক্তিটা মূলত লবণ বিক্রি না করায় কঠিন লোকজন তার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় তার গর্ভবতী স্ত্রীর উপর

51:04 ইংরেজরা শারীরিক নির্যাতন করে এবং খুন করে ফেলে এই যদি কোশ্চেন হয় রে যে ইংরেজরা কার গর্ভবতী স্ত্রীকে খুন করে ফেলে? ইংরেজরা কার গর্ভবতী স্ত্রীকে কার গর্ভবতী স্ত্রীকে নির্যাতন করে এবং খুন করে ফেলে? কার স্ত্রীরে? লবণ বিক্রেতার স্ত্রীকে। কার স্ত্রীকে? লবণ বিক্রেতার স্ত্রীকে। তাহলে যদি কোশ্চেন হয় যে ইংরেজরা কার স্ত্রীকে নির্যাতন করে এবং হত্যা করে? কি হবে? লবণ বিক্রেতার স্ত্রীকে। ঠিক আছে? এখানে আবার মীর মর্দান মোহনলাল এগুলো লাগায় দিও না যদি বুঝে থাকো ক্লিয়ার চল আমরা আমরা এই পেজটা ক্লিয়ার রে আমরা নেক্সট পেজে যাব এ তোমরা বুঝতেছো বুঝতেছো পড়া লেখতো ভাইয়া লেখলে এই লিখেছে ব্রিটিশ তুমি ভুল লিখেছো

51:51 তামিম নাজমুস সাকিব তামিম তুমি ভুল লিখেছো এইটা ব্রিটিশ হবে না সাফ ব্রিটিশ ছিলেন না সাফ অন্য একটা দেশের ছিল আমি তোমাদের উপর প্রশ্নটা রেখে গেলাম আমি শেষে বলে দেব তোমরা এর ভিতর দিতে পারো কিনা সেটা হয়নি তোমার লবণ বিক্রেতার স্ত্রীকে ঠিক আছে ওকে এরপরে আসো এইবার আমরা শুরু করছি মীর জাফর আলী খান সাহেবের সেই পক্ষটা যেই পক্ষটা হচ্ছে ঘষিটে বেগমের পক্ষ যেই পক্ষটা হচ্ছে কার পক্ষ লর্ড ক্লাইভের পক্ষ দেখো ঘষিটে বেগম তার খালা ছিল রে খালা খালা কত খারাপ হতে পারে দেখো নবাব আলিবর্দি খার জেষ্ঠ কন্যা মানে আলিবর্দিখার সবচেয়ে বড় কন্যা ছিল কে এই ঘষিটি বেগম ঘষিটি বেগমের আসল নাম কি তোমরা জানো এই যে প্রকৃত নাম মেহরুন্নেসা

52:39 কত সুন্দর একটা নাম বলে না যে তোমরা নামেই নাকি অনেক কিছু হয় বলে ভালো নাম রাখতে হয় তাহলে সন্তানাদি অনেক ভালো থাকে ওদের ভবিষ্যৎ অনেক ভালো হয় নাম যদি সুন্দর হয় আমার নাম তো নো ম্যান আমি কি অমানুষ আমারে অমানুষ মনে হয় নো ম্যান তাতে কি হয়েছে আমি অনেক ভালো মানুষ তো একইভাবে এইযে এরা কি লিখেছে লিখেছে মেহরুন্নেসা কিন্তু আদতে কি সে মেহরুন্নেসা তার ভিতরে মেহুন্নেন্স নূনতম কিছু আছে ছিটাফোটা কিছু নেই পুরো একটা টাউট এই লেভেলের টাউট যে নিজের বোনের ছেলেকে ক্ষমতা থেকে নামানোর জন্য কত প্রকার কুকর্ম অকর্ম করা যায় সবকিছু করছে অতএব নামেই কিন্তু সবকিছু হয় না দেখো সিরাজকে ক্ষমতাচুত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তবে তুমি সিরাজের নজরবন্দি এই নামে অনেক কিছু হয় এইটা আবার তোমরা আবার

53:25 এটা সিরিয়াসলি নিয়ে না আমি কিন্তু ফান করে বললাম নাম অনেক গুরুত্বপূর্ণ মানুষের নামের অনেকটা আছর পড়ে তার উপরে এটা সত্যি আমি কিন্তু ফান করেছিলাম আগেরটা দেখো তাহলে তোমরা তোমরা এটা এটা এটা যদি কোশ্চেন হয় যে যে তোমার হচ্ছে মেহরুন্নেসা মেহরুন্নেসা আলিবর্দিখার কততম সন্তান ছিল মেহরুন্নেসা আলিবর্দিখার কততম সন্তান ছিল জেষ্ঠ কন্যা ছিল প্রথম কন্যা ছিল এবং আমিনা বেগম ছিল আমিনা বেগমের আলিবর্দিখার সবচেয়ে কনিষ্ঠা কন্যা এরপরে আসো এই তোমরা কমেন্ট বক্সে লিখতেছো নাকি দেখি তো হ্যা হ্যাঁ, বিশ্বাসঘাতক ছিল রে। বিশ্বাসঘাতক ছিল। এই বাদলা দিনে বৃষ্টির শব্দের সাথে আপনার ক্লাস সত্যি অসাধারণ। কে লিখেছে? লিখেছে হলে নাফিস হাসান সাজিদ। থ্যাংক ইউ

54:10 ভাইয়া। থ্যাংক ইউ। এই রীনা খান রাইট রাইট রাইট। এই আমি যদি কখনো এইটা নিয়ে চরিত্র নিয়ে কোন একটা মুভি বানাইতাম না। নবাবকে নিয়ে তাহলে রনা খানকে দিতাম। খুশি বেগমের চরিত্র। জোস মানাই। তো এইটা কে লিখছে? এইটা লিখছে হল আমাদের ফিরোজ। থ্যাংক ইউ ফিরোজ। এরপরে দেখ ওয়ালি খান। ওয়ালি খানকে নিয়ে কি আছে দেখো। ওয়ালি খান হচ্ছে 1756 সালে ক্যাপ্টেন ক্লেন্টনকে যুদ্ধ বন্ধ করার অনুরোধ করে। তাহলে কাকে? এই যে ক্যাপ্টেনের নামটা জেনে রাখিও। ক্যাপ্টেন ক্লেন্টনকে। ক্যাপ্টেন ক্লেন্টনকে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করে কে? ক্যাপ্টেন ক্লেন্টন কে। ক্যাপ্টেন ক্লেন্টন কে যুদ্ধ বন্ধ করার অনুরোধ করে কে? কমেন্ট বক্সে ঝটপট লিখে ফেলো। ঝটপট লিখে ফেলো। ওয়ালি খান। ওয়ালি খান। ওয়ালি খান কি করছে? ওয়ালি খান করছে হচ্ছে ক্যাপ্টেন ক্লেন্টনকে যুদ্ধ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। ভাইয়া আমি বলে যাব। তুমি কমেন্ট বক্সে লিখে যাবা

54:59 পড়াও লাগবে না নোটও করা লাগবে না রিভিশনও দেওয়া লাগবে না লেখো এরপরে দেখো তাহলে ওয়ালি খান ওয়ালি খান হচ্ছে কপ্টেন ক্লেন্টনকে ক্যাপ্টেন ক্লেন্টনকে 1756 সালে যুদ্ধ বন্ধ করার পরামর্শ দেয় বা অনুরোধ করে ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করেছে কোম্পানির টাকার জন্য তার বিখ্যাত উক্তি বাঙালি কাপুরুষ নয় এই দুটো লাইন যে কত ইম্পরটেন্ট এটা সবাই লিখবা বাঙালি কাপুরুষ নয় এটা কে লিখছে রে ওয়ালি খান বলছে ওয়ালি খান কি বলছে অলিখান বলছে বাঙালি কাপুরুষ নয় যা কিছুই হোক তোমাদেরকে পিঠ দেখায়া যাবে না বাঙালি তোমাদের বুক দেখিয়েছ কে বলছে ওয়ালি খান বলছে ওয়ালি খান কি বলছে ওয়ালি খান বলেছে বাঙালি কাপুরুষ নয় ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করেছে কোম্পানির টাকার

55:47 জন্য সে ওয়ালী খান ওয়ালি খান কিন্তু দেশপ্রেম ছিল বলে না যে অভাবে স্বভাব নষ্ট ওয়ালি খান হচ্ছে সেই লেভেলের ক্যারেক্টার মানে সে খুব ভালো মানুষ খুবই পরহেজগার টাকার অভাবে একটু চুরিচক্রামি করে বেড়ায় বুঝেন বিষয়টা খান এমন ওয়ালি খান বলতেছে যে আজকে আমার অভাব তাই টাকার জন্য তোমাদের হয়ে যুদ্ধ করতেছি তবে তোমরা জেনে রাখো আমি বলে দিচ্ছি যে বাঙালি কাপুরুষ নয় এবার আসলেন ক্লেনটন ওয়ালি খান ক্লিয়াররে সবাই কি কমেন্ট বক্সে লিখ কমেন্ট বক্সে লিখ সবাই কে লিখছে লিখছে কে ওকে এই নোমান আলী খান তো অসাধারণ উনি পাকিস্তান বংশধ আমেরিকান একজন ব্যক্তি জোস একজন পার্সন এটা কে লিখছে এটা হচ্ছে এমডি হোসাইন লিখছে হোসাইন থ্যাংক ইউ ভাইয়া এটা আমি জানি নোমান আলী খান অসাধারণ একজন

56:33 ব্যক্তি সাফরে কোন দেশের এটা জানি কিন্তু মনে পড়ছে না মনে পড়লে বলছে ওকে গ্রেট বলিও আচ্ছা বিকাশ বলেছে ওয়ালি খান তানজিরা মনি আখি আলম ওকে ওকে তাহ বেগম বলেছে নেটওয়ার্ক সমস্যা হচ্ছে ওয়ালি খান ওয়ালি খান সবাই নাফিসাজিদ নাফিজা রহমান ফারিহা তাসলিম নিতু আনিসামু জুনাদ সিদ্দিকী ফিরোজ মাহমুদ মারিয়া আবদুল আহ আব্দুল কাইয়ুম তানজিল মুনির মুন্নি আচ্ছা মরিয়ম মিষ্টি নাজম সাকিব তামিম যুদ্ধ হেরে গেছে ঠিকই কিন্তু মিমি কালচারে সিরাজ এখনো রাজা হয়ে আছে রাইট সিরাজ আজীবন রাজা হয়ে থাকবে বাঙালি কাপুরুষ ওয়াগ খানের উক্তি তবে বর্তমান বাঙালিরা এই জুনাদ সিদ্দিক তোমার একটা ছোট্ট কথা বলি হ্যা তুমি বলছো বর্তমানে বাঙালিদের নিয়ে আমার এটা পার্সোনাল টাক খাইলাম আমি

57:20 এখন তোমারে রিপ্লাই দেই শোন বাঙালি জাতি এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সাহসী জাতি ছোট্ট দুটা তথ্য দেই তাহলে বুঝবা গত 7 এপ্রিল আমরা স্ট্রাইক ফর গাজা করেছিলাম না গাজার ঠিক সীমান্তবর্তী একদম সীমানার সাথে লাগানো হচ্ছে মিশরের কাইরো একটা মুসলিম দেশ ওখানে একটা ইউনিভার্সিটি আল আজহার এখানে আমাদের দেশের মানুষজন আলেম ওলামা হতে বুঝছো এই কাইরো শহরে একটা প্রতিষ্ঠান সেদিন স্ট্রাইক করে নাই গাজার সাথে লাগানো সীমান্ত কিন্তু এত দূরের একটা দেশ আমার ঢাকা ইউনিভার্সিটি অফিশিয়ালি ইস্যু করে এডমিনিস্ট্রেশন থেকে ক্লাস অফ করে দিছে। জাস্ট ফর স্ট্রাইক ফর গাজা। এই বাংলাদেশের

58:06 মানুষ এই বাঙালি জনগোষ্ঠী এত দূরের একটা দেশের মানুষের জন্য কেঁদেছে। সেই দিনে ওই আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলোতে কনসার্ট হয়েছে। ওই আরব বিশ্বে মিশরের কায়র হচ্ছে গাজার সাথে লাগানো শহর। তোমরা ম্যাপে দেখবা যে মিশর আর গাজা ফিলিস্তিন লাগানো শহর। জাস্ট মানে আমরা এতদূর থেকে কান্না শুনতে পেয়ে আমরা রাস্তায় নেমে গেছি আমাদের বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ এটা আজকে না কিন্তু এটা শত বছর ধরে সেই 1920 সালের দিকে আমরা খেলাফত আন্দোলন করছি তুর্কিরাও করে নাই এরাবিয়ানরাও করে নাই বরং সৌদি আরবের মানুষজন তুর্কি খেলাফতের বিরোধিতা করছে ওরা খুব খুশি হইছে খেলাফত আন্দোলন করছে ভারত পাকিস্তান বাংলাদেশের মানুষ তো আমরা বাঙালিরা ভাইয়া শুধু তখন না যুগ যুগ ধরে আমরা কি সাহসী বীরের জাতি এবং আমরা অনেক ব্রডমাইন্ডের একটা জাতি

58:52 নিজের জাতির প্রতি নূনতম হীনমন্যতা আনবা না সবসময় মনে রাখবা যে আমরা কত বড় একটা জাতি নিজেকে চিনবা এটা শুধু একসময় না খেলাফত আন্দোলন করছি তোমরা আমি এডমিশনের সময় যদি জিকে ক্লাসে দেখা হয় আমি এটা তোমাদের বলব যে খেলাফত আন্দোলন হয়েছিল 1920 22 সালের দিকে তুর্কি খেলাফত মুসলিম খেলাফত এটা বাঙালিরা করছে তুর্কিরাও করে নাই আরবরাও করে নাই এরপরে যত জায়গায় হয়েছে বাংলাদেশ এমন একটা দেশ আমরা পাসপোর্টে লিখে রাখছি যে এক্সেপ্ট ফর ইসরয়েল ভিসা মানে আমরা ইসরাইলের ভিসা দেবো না। আর সেই সময় সৌদি আরব তিনটা বাণিজ্যিক চুক্তি করছে ইসরাইলের সাথে। বুঝতে পারছো? আমরা শুধু মুসলিম হিসেবে না আমরা মানুষ হিসেবে কতটা উদার। আমার বাংলাদেশের হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান সবাই ফিলিস্তিনের জন্য স্টাইখর গাজা করেছে। অতএব বাঙালিরা তখনও বড় হৃদয়ের ছিল।

59:38 এখনো বড় হৃদয়ের আছে। আজীবন আমাদের এই রক্ত বড় হৃদয়েরই থাকবে। ঠিক আছে। নিজেদেরকে অনেক বড় ভাববা। এরপরে আসো ক্লেন্টন। আচ্ছা মাঝে মাঝে একটু রিলেটেবল কথা বললে তোমরা মাইন্ড করবা না। ওকে? এগুলো জানার বিষয়। তোমাদের জানতে হবে যখন ফ্রেন্ড সার্কেল বিভিন্ন গল্প করবা বিভিন্ন টপিক নিয়ে এই রিভার্টালগুলো যেন দিতে পারো এজন্য এগুলো জানতে হয় দেখো ক্লেন্টন কি 1756 সালে কলকাতা দুর্গ আক্রমণের সময় বাঙালি সৈন্যদের সিরাজের বিরুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেন কে এই ক্লেন্টন ঠিক আছে শুধু তাই না আমি না তোমাদের আরো অন্যান্য ক্লাসেও বলব যে মানে আরব জাতির থেকে বাঙালি জাতি কতটা উৎকৃষ্ট রক্তের এবং কতটা উচ্চ মর্যাদা সেটা আমি বলব কারণ এদের এরা এতটাই নষ্ট ছিল এদের জন্য মাঝে মাঝে নবী পাঠানো লাগতো বুঝছো তারপরে এরা

1:00:24 বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াতো বাট আমরা অনেক ভালো জাতি মিরন মিরন মিরনটা দেখো মিরন এই সবাই সবাই কি এতটুকু ক্লিয়ার ঘষির বেগম ওয়ালি খান ক্লেন্টন এই তিনটা ক্লিয়ার কিনা তোমরা একটু সি লেখো আমি নেক্সট পার্টে যাবো নেক্সট পার্টে যাবো তোমরা শুধু এইটাকে লেখো হ্যা এইটা যে ওয়ালী খান বলেছিল যে বাঙালি কাপুরুষ নয় এইটা আমি কলিজা দিয়ে বিশ্বাস করি আমি ভিতর থেকে বিশ্বাস করি ঠিক আছে আমি ভিতর থেকে বিশ্বাস করি বাঙালি কাপুরুষ নয় ভাই এইটা যুগ যুগ ধরে চলবে। বাঙালি যেমন সাহসী তেমনই বিশ্বয়কর। দেখো আশা করি তোমাদের ক্লিয়ার। তোমরা সি লেখো। এইযে থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ। আচ্ছা নিজামুদ্দিন শাকেল ধন্যবাদ। সে লেখছে ফ্রান্সের ছিল। থ্যাংক ইউ। সাফ কিন্তু ফ্রান্সের ছিল। ফ্রান্সের ছিল। ওকে এবার আসো দেখো।

1:01:10 মিরন কে ছিল? মিরন। মিরন হচ্ছে মীর জাফরের পুত্র ছিল। মীর জাফরের পুত্র কে ছিল? এই মিরন নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী ছিল। সে আমিনা বেগমকে বিয়ে করতে চাইছিল না সরি আমিনা বেগম না লুতফুন্নেসাকে বিয়ে করে লুতনেসা কি বলছিল মনে আছে আমি কিছুক্ষণ আগে পড়িয়েছি বলেছিল যে যেই আমি সারাজীবন হাঁটির পিঠে চড়েছি আমি কি গাধার পিঠে চড়বো কি পচানিটা দিয়েছে বুঝছো রোস্টিং কারে বলে যে মীর জাফরের পুত্র কে ছিল মীর মিরন সে যখন দেখল যে সিরাজুদ্দৌলাকে আমি রেস্ট করে ফেলেছি এর একটা সুন্দরী বউ আছে এরে উঠায় নিয়ে যায় জাফরাগঞ্জের কয়েতখানায় মোহাম্মদ বেগের হাত দিয়ে মোহাম্মদ বেগরে মাত্র হাজার টাকার বিনিময়ে যখন সিরাজুদ্দৌলাকে হত্যা করে ফেলল তখন লুতফুন্নেসাকে ঢাকায় নিয়ে আসলো বিয়ে করবে বলে কিন্তু লুতফুনেসা বিয়ে করছে করে নাই

1:01:56 এরপরে দেখো মীর মিরন হচ্ছে মীর জাফরের পুত্র মোহনলালের গুপ্তচর তার জীবন অতিষ্ট করে দেয় তাহলে তার জীবন অতিষ্ট করে দেয় কে মোহনলালের গুপ্তচর এটা খুব একটা ইম্পরটেন্ট না তার আদেশে সিরাজ ও তার ভাই মির্জা হামিদকে হত্যা করা হয় তার আদেশে মানে মীর মিরনের আদেশে কিন্তু সিরাজ যুদ্ধ দলেকে হত্যা কে হত্যা করেছে মোহাম্মদকে এই আমার প্রশ্নের উত্তর দিবা আমি যখন যেটা বলব উত্তর দিবা তোমার ক্লাসে মুখস্ত মোহাম্মদ হত্যা করেছে কাকে সিরাতুলাকে কার নির্দেশে মীর মেরুনের নির্দেশে মীর মেরুন কারে দিয়ে হত্যা করাইছে মোহাম্মদ বেককে দিয়ে হত্যা করাইছে কয় হাজার টাকার বিনিময়ে 10000 টাকার বিনিময়ে কোন কয়েতখানায় জাফরাগঞ্জের কুয়াতখানায় এরপরে আসো ভাইয়া সিরাজ মীর জাফরের মৃত্যুদণ্ড দেশ দেখতে চাইলে মিরন উক্তি করে আসামির আবার কিসের আসামির আবার সে

1:02:44 অধিকার থাকে নাকি আসামির এর আবার সে অধিকার থাকে নাকি? এই যে আমাদের দেশে না জুলাই বিপ্লবের পর এরকম একটা ঘটনা ঘটেছিল। অনেকে বলতো হ্যাঁ শেখ হাসিনা যে উনি যে হচ্ছে রিজাইন করেছে সেই পেপার দেখাও। কাগজ যদি না দেখাতে পারো কোনক্রমে যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হয়ে যায় তাহলে সেইদিনই হাসিনাকে দেশে ফিরাবে। এই মাঝে মাঝে হঠাৎ করে রাত্রে দেড়টার দিকে ঢুকে দেখি যে গুজব লিংক পোস্ট করেছে এই সবাই এয়ারপোর্টে চলে আসেন। আপা ফিরে এসেছে আমরা এক্সেপ্ট রিসিভ করতে যাব। তো কেন বলে যে আপার তো সেই পদত্যাগপত্র পাওয়া যায়নি তার মানে আপায় এখনো প্রধানমন্ত্রী ওরা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখে তো এই সেম কাজটা সেম কাজটা যদিও এইটা বৈধ ছিল সিরাজের চাওয়াটা বৈধ ছিল সিরাজ দেখতে চেয়েছিল যে আমাকে যে তুমি মৃত্যুদণ্ড

1:03:30 দিচ্ছো মৃত্যুদন্ডের আদেশপত্র কোথায় দেশে তো একটা আইন আছে কিন্তু মিরন কি বলেছিল মিরন বলেছিল যে আসামির আবার সে অধিকার থাকে নাকি আসামি আবার মৃত্যুদণ্ডের আদেশপত্র দেখতে চাইতে পারে নাকি এটা কে বলেছে কে বলেছে মিরন বলেছে মিরন শেষ মিরন থেকে দুই তিনটা ইনফরমেশন আসবে মীর জাফর আলী খানের পুত্রের নাম কি মীর মিরন আলী খান কার নির্দেশে সিরাজকে হত্যা করা হয় মিরনের নির্দেশে হত্যা করা হয় লুতফুনেসাকে কে বিয়ে করতে চায় মিরন বিয়ে করতে চায় মীর মিরন কাকে চুক্তি করে কত টাকার বিনিময়ে চুক্তি করে কোথায় হত্যা করার জন্য চুক্তি করে 100 হাজার টাকা দিয়ে চুক্তি করে মোহাম্মদ বেগকে চুক্তি করে জাফরগঞ্জের এর কয়েকখানে হত্যা করার জন্য। ওকে, চলে আসো, মীর জাফর আলী

1:04:17 খান। মীর জাফর আলী খান কি করছে দেখো। প্রকৃত নাম হলো জাফর আলী খান, খানের খান মীর মীর মীর মীর মীর মীর মীর মীর মীর মীর জাফর আলী খান। তাহলে এই জাফর আলী খান কি? তার প্রকৃত নাম সিরাজের প্রধান সেনাপতি ছিল এই মীর জাফর। এরপরে পারস্য থেকে, এই, পারস্য থেকে নিঃশ অবস্থায় হিন্দুস্থান এসেছিল। একদম নিঃস্ব অবস্থায়। একদিনের জন্য হলেও মসনদে বসার সে স্বপ্ন দেখতো। পারস্য থেকে খুবই নিঃস্ব অবস্থায় আসে। এসে একটা পর্যায়ে সে এই আমাদের যে আলিবর্দি খার ছিল আলিবর্দি খার হয়ে কাজ করেছে কাজ করার কারণে তার অনেক বেশি শুভাকাঙ্ক্ষী হয়েছিল এবং সে স্বপ্ন দেখতো যে আমার জীবনে আমি যেহেতু এত অসহায় ছিলাম অনেকটা অনেকটা আমাদের অনুপমের মায়ের মত অনুপমের মা কি করতো তারা যে এককালে গরীব ছিল এজন্য

1:05:02 তারা যে এখন ধনী সে নিজেও ভোলে না তার ছেলেকেও ভুলতে দিতে চায় না একই ভাবে একই ভাবে মীর জাফর আলী খান কি করে সে যেহেতু একসময় নিঃস্ব অবস্থায় পারস্য থেকে বাংলায় এসেছিল তার স্বপ্ন ছিল জীবনে একদিনের জন্য হলেও সে একটু মসনদে বসতে চায়। যদি কোশ্চেন হয় জীবনে একবারের জন্য হলেও একদিনের জন্য হলেও মসনদে বসার ইচ্ছা কার ছিল? কমেন্ট বক্সে লেখো। কমেন্ট বক্সে সবাই লেখো যে জীবনে একবারের জন্য হলেও একদিনের জন্য হলেও মসনদে বসার স্বপ্ন কার ছিল রে? এই মসনদে বসার স্বপ্ন দেখতো কে? একদিনের জন্য। মীর জাফর আলী খান লিখছো তোমরা? এই লিখছো? হ্যাঁ এইটা হচ্ছে আচ্ছা এইটা কে বলছে রে

1:05:49 এতদিন পরে ক্লাস সাদিয়া দেও এই সাদিয়া দেওন আপনি তো ক্লাসই দেখেন না আপনি আবার বলতেছেন এতদিন পরে কেন ওকে এই নামাজ পড়ে আসেন বুঝছেন নামাজ পড়ে আসেন ঠাস করে নামাজটা পড়ে আসেন আমরা কন্টিনিউ করতে থাকি বেশ বড় তো ঘন্টাখানিক লাগবে আরো প্লাস লাগবে আপনার নামাজটা পড়ে আসেন দেখেন তাহলে সিরাজ তাকে সন্দেহ করলে কোরআন ছুয়ে দেশের পক্ষে থাকা শপথ নেয় তাহলে সিরাজ সিরাজ কাকে কাকে দেশের পক্ষে থাকার জন্য কোরআন ছেয়ে শপথ নেওয়ার নির্দেশ দেন কাকে রে এটা হচ্ছে মীর জাফরকে এরপরে পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধ বন্ধের আদেশ দেয় তাহলে পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধ বন্ধের আদেশ দেয় কে কমেন্ট বক্সে লেখো কমেন্ট বক্সে লেখো পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আমাদের সিরাজুদ্দৌলারা

1:06:35 তারা চেয়েছিল যুদ্ধ হোক মীর মর্দান চেয়েছিল যুদ্ধ হোক মোহনলাল চেয়েছিল যুদ্ধ হোক সাফরে চেয়েছিল যুদ্ধ হোক সেনাবাহিনী নেমে যাক ইংরেজদের ধুলিসাদ করে দিক আমার হাজার হাজার সেনাবাহিনী ওদের পাঁচজন তো আমার 50 জন আমি ওদের সাথে পারবো না একদম ধানতুষ করে ফেলব পিটাইয়া কিন্তু মীরজাফর কি বলল মীরজাফর বলল যে আমার তো জীবনে একদিনের জন্য হলেও একটু মসনদে বসার শখ অতএব আমাকে ইংরেজদের গোলামী করতে হবে এই গোলামের বাচ্চা গোলাম কি করেছে জানেন এই গোলামের বাচ্চা হলো বলল যে পলাশীর প্রান্তরে তার সৈনিকদের যুদ্ধ বন্ধ করার নির্দেশ দিল। যখন যুদ্ধ বন্ধ করার নির্দেশ দিল তখন ইংরেজরা এসে এর উপর আক্রমণ করল। সিরাজের মৃত্যুর পর ক্ষমতায় বসে কিন্তু ক্ষমতা ক্ষমতায় বসেই তো হবে না এর মৃত্যু

1:07:22 হয়েছিল কুষ্ঠরোগে। কিভাবে? 1765 সালে মীর জাফর কুষ্ঠ রোগে মারা যায়। তাহলে মীরজাফর মারা গেছে কত সালে? কত সালে রে? 1765 সালে কিভাবে? কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত মারা যায়। আমাদের এই লাইনটা খুব ইম্পর্টেন্ট। এখন যে লাইনটা পড়াবো এইটা আমি একটা অন্য একটা ভিন্ন একটা কালার দিয়ে পড়াই ভাই। এইটা তোমার কতটা ইম্পরটেন্ট আমি বুঝাতে পারবো না। বাট তোমরা এইটা একটুখানি ই করে রাখো। হ্যাঁ। আমাদের কারো অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না। এইটা কার উক্তি? আমি একটু ভিন্ন কালার দিয়ে দিলাম। তোমরা বুঝতেছো কেন ভিন্ন কালার দিলাম? এটা খুব ইম্পর্টেন্ট। আমাদের কারো অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না। এটা কে বলেছে? আরেকটা কথা বলছি সেটা হলো সবাই

1:08:09 মিলে আমরা বাংলাদেশকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো সবাই মিলে আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো এটা কে বলেছে রে সবাই মিলে আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো কমেন্ট বক্সে লেখো সবাই মিলে আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো আমাদের কারো ভাগ্য আর কি থাকবে না অদৃষ্টি আর খারাপ অবস্থা এটা কি বলছে মানে এই দুটো উক্তি কে করছে কমেন্ট বক্সে লেখো লিখতেছো সবাই 39 তোমাদের এইযে সংখ্যা কমে যায় আপ ডাউন করে কিছুজন নামাজে গেছে বাট তোমরা এই আরেকটা কাজ করবা যারা যারা ক্লাসটাতে আছো জাস্ট পাঁচজন করে ফ্রেন্ডকে মেনশন দাও জাস্ট পাঁচজন করে ফ্রেন্ডকে মেনশন দাও ভাইয়া আমরা কিন্তু মূল পয়েন্ট এখনো ঢুকি না আমরা চরিত্রগুলো বিশ্লেষণ করতেছি এগুলোই মূল পয়েন্ট এখন যা পড়তেছি

1:08:55 এগুলোই ইম্পর্টেন্ট এগুলো থেকেই কোশ্চেন হবে আমরা এমসিকিউ সলভিং এ যাব আজকে 100 টা এমসিকিউ রাখি নাই বাট তোমরা একটুখানি তোমাদের ফ্রেন্ডদেরকে কি করে দাও একটুখানি মেনশন করে দাও ভাইয়ার জন্য একটু মেনশন করে দাও দেখো তাহলে এটা কমেন্ট করেছে কে কে আমি নামগুলো একটুখানি দেখব খুব দ্রুত মীর জাফর আনিসা শিমু লিখেছে ফারিয়া তাসলিম নিতু বলেছে মীর জাফর এমএসটি মারিয়া বলছে মীরজাফর বিকাশ সাহা বলেছে মীরজাফর শোহানুর রহমান মরিয়ম মিষ্টি তানজিলা মুনির মুন্নি ফারিয়া তাসলিম নিতু নাফিস হাসান সাজিদ জিএম নাজমুস সাকিব তামিম আনিসামু আব্দুল কাইয়ুম তানজিনা আফরোজ ইতনা আব্দুল কাইয়ুম নাবিলা ইসলাম নিজামুদ্দিন শাকিল আবদুল থ্যাংক ইউ থ্যাংক ইউ ভাইয়া তোমাদের সবাই সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আখি আলম সহ সাজ্জাদ সাজ্জাদ আলফুয়াদ মিরজাফুল লিখেছ

1:09:40 থ্যাংক ইউ এইটা তোমরা একটু ধরে রাখবা হ্যাঁ মানে এখন যা কমেন্ট বক্সে লিখতেছো সেটা এইখানে লিখে রাখো ব্রেনের ভিতরে লিখে রাখো ওকে আসো রায়দুল্লভ কে ছিল রায়দুল্লভ হল বিহারের ডেপুটি গভর্নর এই জানকিরামের ছেলের নাম কি ছিল রায়দুল্লভ ছিল তাহলে রায়দুল্লভ কে রে বিহারের যে ডেপুটি গভর্নর ছিলেন বিহারের ডেপুটি গভর্নর জানকিরামের ছেলের নাম কি জায়দুল সে ছিল উড়িশার পেশকার। তাহলে উড়িশার পেশকার কে ছিল? উড়িশার পেশকার কে ছিল? এই কমেন্ট বক্সে লেখো। উড়িশার পেশকার কে ছিলেন? উড়িশার পেশকার কে ছিলেন? রায়দুল্ল। তারপরে বিহারের বিহারের যে ডেপুটি গভর্নর জানকিরাম। সেই জাকিরামের ছেলের নামও কি ছিল? একজনই রায়দুল্লভ। পরে পরে দেওয়ানি

1:10:27 প্রাপ্ত হয়। সিরাজের সাথে বিরোধ থাকায় তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। সিরাজ তাকে পদোন্নতি দেয়নি। ষড়যন্ত্রের পূর্বে গোপন মঞ্চনায় একরার নামায় সই চায়। ছদ্দবেশে মিলনের দরবারে প্রবেশ করে মাসে মাসে জগৎশেঠের থেকে টাকা নিয়ে চলে যায়। সিরাজের পতনের পর তাকে সেনাপতির পথ দেওয়া হবে। এই লোভ দেখায় মিরন। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মিরন তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ইতিহাস খুবই ভয়ঙ্কর। মানে তুমি যার জন্য চুরি করবা তুমি যদি অবৈধ কাজ করো ওই তোমাকে চোর বলে হত্যা করবে মিরন ও সিরাজের শত্রু আবার আমাদের এই রায়দুল্লভ কে এই

1:11:13 রায়দুলভ হচ্ছে মিরাজের সিরাজের সিরাজের সিরাজের শত্রু সিরাজের শত্রু কে কে মিরন শত্রু রায়দুলভ শত্রু এজন গলায় গলায় পিরিত একটা পর্যায়ে যখন দেখলো যে একে বাঁচিয়ে রাখলে আমার সেনাপতির পথ চলে যাবে মিরনচ নিজে সেনাপতি হোক তার বাবা বাবা যখন নবাব হবে আমি হব সেনাপতি কিন্তু রায়দুল্লভ সেনাপতি ওকে ঠিক আছে ওরে সাইজ করে দিচ্ছি ওকে অর্থ আত্মসাতের ঈদে কি করে দিল রে সাইজ করে দিল হত্যা করে ফেলল আচ্ছা এরপরে দেখো কি হলো নবাবের দরবারে অসহায় ব্যক্তিকে দেখে তরবারি কোষবদ্ধ করেন তাহলে নবাবের দরবারে অসহায় ব্যক্তিকে দেখে তরবারি কোষবদ্ধ করেন কে রায়দুল্লভ করে কে করেন রায়দুল্লভ ওকে আমরা এগুলো তোমাদেরকে দিয়ে দেব স্লাইডটা ক্লাসটা শেষ হার সাথে

1:11:59 সাথে পেয়ে যাবা তোমরা আমরা নেক্সট পেজে যাই আসো রাজবল্লভ রাজবল্লভ কি করল রাজবল্লভ হচ্ছে বিক্রমপুরের বিক্রমপুর এই বিক্রমপুর কিন্তু বাংলাদেশ বিক্রমপুর কোথায় এই মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর বাংলাদেশ তাহলে এই বিক্রমপুরের বাঙালি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোক ছিল বৌদ্ধ বৌদ্ধ বৌদ্ধ নট বৌদ্ধ বৌদ্ধ আর বৌদ্ধ কিন্তু এক না ঠিক আছে এটা ভালো করে দেখে নিবা ঢাকায় জাহাজ ফৌজ বিভাগের কেরানী ও পরে গভর্নরের পেশকার হয় ঘষিটে বেগমের স্বামী যে নওয়াজ মোহাম্মদ গভর্নর থাকা অবস্থায় রাজ্ল্লভ হচ্ছে রাজা উপাধি পায় তাহলে রাজবল্লভ কে রাজা উপাধি কখন দেওয়া হয় রে রাজা উপাধি দেওয়া হয় যখন এই ঘুষি বেগমের স্বামীর নাম কি ছিল নওয়াজশ

1:12:45 মোহাম্মদ তাহলে নওয়াজিশ মোহাম্মদ কোথাকার গভর্নর ছিল ঢাকার গভর্নর ছিল ভাইয়া ঢাকার গভর্নরের নাম কি ছিল নওয়াজিশ মোহাম্মদ

…

Share

YouTube Video Summaries