পান্ডবা নির্জলা একাদশী ব্রতকথা | কেন এত মহাপুণ্য এই একাদশী?ভাগবত পাঠ | শ্রী বিল্লমঙ্গল দেবনাথ বাবাজি

জয় রাধে www.youtube.com

সংক্ষিপ্ত সারাংশ

এই ভিডিওতে "দশমী বিদ্যা" এবং "একাদশী ব্রত" সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। প্রধান আলোচ্য বিষয় হল এই ব্রত পালনের সময় কোন নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

  • দশমী বিদ্যা কখনো একাদশী পালন করা উচিত নয়।
  • একাদশীতে উপবাস ও নিরামিষ ভোজনের নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

দশমী বিদ্যা একাদশী ব্রত কখনো

ভিডিওর প্রথম অংশে দশমী বিদ্যা এবং একাদশী পালনের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সূর্যোদয়ের চার দণ্ডের এক ঘণ্টা 36 মিনিট পূর্বে অরুণোদয় হয়। যদি দশমী অরুণোদয়ের মধ্যে আসে তবে তা দশমী বিদ্যা হিসেবে গণ্য হবে। এরপর ধৃতরাষ্ট্রের শতপুত্রদের মৃত্যুর কারণ হিসাবে মৈত্রী ঋষির কথার উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে পূর্বজন্মে দশমী বিদ্যা পালন করার জন্য পাপের ফলে তারা মারা গেছে।

একাদশীতে চারটি কাজ করতে হয়

এই অংশে একাদশীতে চারটি বিশেষ কাজ করতে হবে বলে বলা হয়েছে। এর মধ্যে শ্রীমদ্ভাগবৎ গীতা পাঠ, হরিবাসর এবং নিশি জাগরণ অন্তর্ভুক্ত। একাদশীর সময় ব্রহ্মঘাতী বা গুরুপত্নিগামী পাপ থেকে মুক্তির জন্য নিয়ম সহকারে উপবাস এবং জাগরণের গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে।

দুর্বল প্রজন্ম ও নেশার হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করা

মৌলিকভাবে বলা হয়েছে বর্তমান প্রজন্মের সন্তানদের নেশার হাত থেকে রক্ষা করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নেশা অত্যন্ত মারাত্মক এবং এটি মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ভিডিওতে বিভিন্ন নেশার প্রভাব এবং সন্তানদের নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজনীয়তা পরিষ্কার ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

একাদশীতে নির্জলা উপবাসের গুরুত্ব

একাদশীতে নির্জলা উপবাসের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বলা হয়েছে, একাদশীতে একবারের বেশি ভোজন করা উচিত নয় এবং এটি যদি শারীরিকভাবে সম্ভব না হয়, তবে জল বা ফল আহার করার নিয়ম সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অর্থের প্রয়োজনীয়তা ও আনুগত্যের গুরুত্ব

অর্থের উপার্জনের প্রকৃতি এবং জীবনযাপনের উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর আলোচনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, অর্থ উপার্জন মূলত ধর্ম কর্মকাণ্ডের জন্য এবং সবার কল্যাণে ব্যয় করা উচিত, না হলে তা অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে। আনুগত্যের গুরুত্বেও লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

ভক্তি ও আনুগত্যের অনুশাসন

ভক্তি ও আনুগত্যের উপর সম্পর্কিত বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে যেখানে বিবৃত হয়েছে যে, বৈষ্ণবের আনুগত্যের মধ্যে থেকেই ভক্তির ফল প্রাপ্ত হয়। বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে বোঝানো হয়েছে কেন আনুগত্য জরুরি।

বিভিন্ন দৃষ্টান্ত ও উদাহরণ

ভিডিওর এই অধ্যায়ে বিভিন্ন মহাপুরুষের উদাহরণ দিয়ে আনুগত্যের আদর্শ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বিনম্রতা ও ত্যাগের মাধ্যমে একাধারে ভক্তি পাওয়া যায় এবং ঈশ্বরের কৃপা লাভ হয়।

ভক্তি জীবনযাপন

এই অংশে ভক্তি জীবনযাপনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভক্তি ও সরলতার সঙ্গে জীবনযাপন কিভাবে জীবনকে অর্থবহ করে তোলা যায় তা নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে এবং কীভাবে সাধুদের সঙ্গে থাকা প্রয়োজনীয়।

সমাপ্তি ও ক্রিয়াকলাপের নির্দেশনা

ভিডিওটি শেষের দিকে পৌঁছে একটি উপসংহার তৈরি করা হয়েছে যেখানে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, মহাপ্রভুর আনুগত্যের মধ্যে স্থির থাকা এবং আশ্রমে দীক্ষা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

Summarize any YouTube video in seconds

Get summaries like this one for any video, in your language, with the free Summ app.

Download on the Apple Store
Get it on Google Play

Transcript

YouTube Transcript Generator

0:00 দশমী বিদ্যা একাদশী ব্রত কখনো >> করবে না। ব্রত নির্ণয় প্রসঙ্গে বলা আছে যে দশমী বিদ্যা যে একাদশী সেই একাদশী কখনো >> করবে না। তো বলা আছে যে সূর্যোদয়ের চার দন্ড এক ঘন্টা 36 মিনিট পূর্বে অরুণোদয় হয় সেই অরুদয়ের মধ্যে এক মিনিট বা দুই সেকেন্ডও যদি দশমী এসে থাকে তবে তাহা দশমী বিদ্যা। সেই দশমী বিদ্যা স্পৃষ্টা একাদশী পরিত্যাগ করে দ্বাদশীদের দিনে শেষ তিথির দিনে ব্রত করবে। ধৃতরাষ্ট্রর শতপুত্র মরে যাওয়ার কারণ মৈত্রী ঋষিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। কে জিজ্ঞেস করলেন? দ্বিতরাষ্ট্র যে আমার এক

0:46 শতপুত্র >> কেন মারা গেল? কাকে জিজ্ঞেস করলেন? মৈত্রী ঋষিকে। তো শতপুত্র কেন আমার মারা গেল? মত্রীষী বললেন তুমি পূর্বে অর্থাৎ পূর্বে জন্মে ভারজাসহিত দশমী বিদ্যা একাদশী ব্রত করেছিলে এই পাপটার কারণে আছে আমরা অন্যতাও শুনেছি না যে গান্ধারী প্রজাপতি বা কিছু 100টা মেরে মালা করেছিলেন তো এরকম যে শুনি তুমি আবার এটা বলছো যে না দশমী বিদ্যা একাদশীকরণের শতপুত্র মারা গেলেন ধরুন আমি অপরাধ করেছি তিন চারটে অপরাধে আমি অভিযুক্ত তো বিচারক কোর্টে বললেন এর সবথেকে থেকে মারাত্মক যে অপরাধ তাতে ওর ফাঁসি হওয়ার কথা। আর যে দুটি অপরাধ আছে তাতে 20 বছর এবং 10 বছর জেল হওয়ার কথা।

1:32 এখন তিনটি অপরাধ বিচারক ঘোষণা করলেন। তো মূল অপরাধের কারণে ফাঁসি যার হয় তার 20 বছর 10 বছরের জেল ওর মধ্যে চলে যায় না। আলাদা করে তাকে আবার মরার পরে ভোগ দেয়। মূল অপরাধের কারণে যার ফাঁসি হলো তার 10 বা 20 বছর। ওই সাজা কি আর ভোগ করতে হয়? সে তো মারাই গেল। ফাঁসি দেয়া হল। ওইগুলো ওর সাথে চলে গেল। তেমন গান্ধারীর ওটাও পাপ ছিল। শত প্রাণীকে হত্যা করে গলার মালা করা। শতপুত্র মৃত্যুর কারণ এটা গৌণ মুখ্য হলো দশমী বিদ্যা একাদশী তারা পালন করেছিলেন। তো আমরা একটু হরিক কথা বলব। আজকে সময় তো বেশি। এইজন্য আমরা একটু বিনিয়ে বিনিয়ে বলছি। তো সময় ধরে একাদশীতে চারটি জিনিস অবশ্যই করতে হয়।

2:20 একটা হল শ্রীমদ ভাগবত গীতা পাঠ হরিবাসর নিশি জাগরণ এগুলি করতে হয় একটু রাত জাগতে হয় দেখুন একাদশীটা যারা এখনো সংকল্পপূর্বক গ্রহণ করেননি তাদের জন্য বলা হচ্ছে যে ব্রহ্মঘাতী সুরাপায়ী চোর গুরুপত্নিগামীর ধর্মশাস্ত্র মতে প্রাশ্চিত্যের বিধান আছে যত পাপ করো গুরুপত্নীতে গমন চোর আর সুরাপাই অর্থাৎ মধ্য্যপান মহাপাপের এর মধ্যে একটা আছে মদ পান করা। অতি পাপীও যদি গঙ্গায় যায় স্নান করতে পতিত পাবনী গঙ্গা তার পাপ ধুয়ে দেন। কিন্তু মদের কোন পাত্র যদি গঙ্গায় পড়ে গঙ্গা সেদিন নিজেকে অপবিত্র জ্ঞান করেন। এজন্য নেশাগুলো জীবন থেকে বাদ দেওয়ার জন্য সন্তানদের দিকে লক্ষ্য রাখুন। বর্তমান যুগ

3:08 সে যত বড়ই সাধু সন্ত হোক বর্তমান প্রজন্মের সন্তানদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা। কারণ স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গী সাথী সবকিছুই হয়ে গেছে বড় বিপদগামী এজন্য আপনি সাধু আপনি সজন কিন্তু আপনার সন্তানটা কুসঙ্গে মিশে এসে বিপদগামী হতেই পারে বর্তমানে এর পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে জীবনে এই নেশার হাত থেকে সন্তানদেরকে যেভাবে হোক বাঁচান মহাপাপের মধ্যে হলো এই নেশা এই একটা দেশ নয় সারা বিশ্ব এখন ধ্বংসের প্রান্তে ড্রাগ নেশার জন্য ভাগবতে বলেছিলেন যে মহাপাপের মধ্যে একটা হলো তো যদি কেউ সোরা পান করে ব্রহ্মঘাতী হয় চোর গুরুপত্নিগামী হয় তো ধর্মশাস্ত্রে তার প্রতিবিধান

3:57 দেওয়া আছে প্রাশ্চিত্রের বিধান আছে কিন্তু জেনে শুনেও যিনি শুধু জীভার লালসে উদার পরিপূরণের জন্য একাদশীতে অন্নপান তার মহাপাপের কোন প্রাশ্চিত্র শাস্ত্রে লিখে যায়নি লিখে যায়নি একাদশী দিনে একটা নিয়ম আপনি একটু শুনুন। চোখ খোলা রেখে শুনুন। একাদশীর দিনে একবারের বেশি ভোজন যদি আপনি যদি নির্জলা করতে পারেন সেটা তো সর্বোত্তম। যদি শারীরিক কারণে আপনি নির্জলা উপবাস নাও করতে পারেন তবে যদি ভোজন করেন একাদশীতে পুনঃ পুনঃ খাওয়া যাবে না। জল বা ফল যেটা পান একবারেই কি বললাম? দুপুরে খাবো, রাতে খাবো। একাদশীতে ভোজন কয়বার? মায়েরা বলুন একটু

4:43 আপনারা বলুন কয়বার আমরা খাই তো একবার দুপুরে একবার রাতে একবার আরে ব্রতইটা হলো কি ভোজন যদি করতে হয় তবে কি করতে হবে যা কিছু জল ফল অনুকল্প ভগবানের যেটা পেতে হবে ওটা পেতে হবে কবার >> একবার তা না হলে একাদশী হলোই না একটু সংযম করুন দেখুন ডাক্তার যদি বলে দেয় তোমার চর তোমার লিভারে চর্বি জমেছে ব্যাটা দুদিন তোমাকে একটু না খেয়ে থাকতে হবে জল ছাড়া কিছু যে বাজবাত তাগিদে মানুষ কি করে ডাক্তার বললে মানবে কিন্তু ভগবান বলছেন ভব্যাধি দূর করবার জন্য পাপ দূর করবার জন্য তাতে মানা নাই আমাদের কাছে ভগবানের

5:30 গুরুত্বপ নাই বিধায় এটা হয় ডাক্তার বললে আমরা সেটা মানি আর একাদশীতে একবার ভোজন করবেন তো কি ভোজন করবেন বললেন একাদশীর দিনে ভগবানে অনিবেদিত কিছু মুখে দেওয়া ওই একবার যা নেবেন সেটাও ভগবানকে নিবেদন করে তবে পেতে হবে অনিবেদিত একাদশীর দিনে কিছু নেওয়া যাবে না পদ্মপুরাণে ভগবান শিব পার্বতীকে বলে দিছেন যে অন্যমাত্রই পরিত্যাগ করবে আর কি বলেছেন শ্যামাচাল আজকাল এটা খুব বিক্রি হয় আমাদের প্রবৃদ্ধা আছেন আমাদের প্রহ্লাদ আছেন শ্যামাচাল আজকাল খোঁজে তো একাদশীর দিনে আচ্ছা এইটা ঘাসের দানা অমুক তমুক বলা হয় অমুকরা নেয় ওর মধ্যে একটা চালের কণা যদি

6:16 মিশে যায় আপনার করার আছে কিছু এক বালতি দুধে এক বিন্দু গোছানা পড়লে কি হয় দেখবেন একটা জলের পাত্রে এক বিন্দু তেল দিলে পুরো তেলটা জলের উপরে একটা পদ্ব বিস্তার করে প্রভাব বিস্তার করে এইজন্য শ্যামাচাল মাসকলাই মসুর ডাল জব গম তিল অনেক কিছুই এখানে বলা আছে ভুট্টা সোয়াবিন চিনা বাদামও নিষেধ করা আছে। এসব ঝামেলায় না গিয়ে একটু ফল দুগ্ধ পাওয়াই ভালো। কিন্তু যারা পারে না মোটে তাদেরও বলা হয়েছে উত্থান, স্বয়ন, জয়া আর একটা কি যেন পারশ্ব এই চারটে অন্তত যেন তারা বাদ না দেয়। যাদের পারতপক্ষে অসুস্থ শরীর দূর বা যারা রোগগ্রস্ত মোটেও পারে

7:01 না। তারা যেন এই চারটি করে। এজন্য এইটার বিধান বলা আছে। আমাদের জীবনের বেঁচে থাকার উদ্দেশ্য অর্থরোজগার। অর্থ রোজগারের উদ্দেশ্য ভোগ সম্ভব সঞ্চয়। ভোগ সম্ভব সঞ্চয় করার উদ্দেশ্য হলো ইন্দ্রতৃপ্তি। আরো আরো বাড়িয়ে আরো আরো ইন্দ্রতৃপ্তি। এটা মানুষের জীবনের লক্ষ্য নয়। বেদ ভগবান কি বলেছেন? জীবস্ব তত্ত্ব জিজ্ঞাসা। এর একেকটি কথা আমাদের জীবন পরিবর্তনে খুব প্রয়োজন। বলেন তুমি বেঁচে আছো কেন? বেঁচে আছো। জীবস তত্ত্ব জিজ্ঞাসা। সেই ঈশ্বরকে জানার জন্য তত্ত্বকে জানার জন্যই বেঁচে আছো। কিন্তু অর্থ প্রয়োজন নেই বলে আছে এটা গৌণ মুখ্য হলো ঈশ্বরকে জানা তত্ত্বকে জানা আর গৌণ হলো অর্থ উপার্জন এটাকে মুখ্য করতে যেও না

7:48 আর অর্থ কেন প্রয়োজন অর্থের দ্বারা ধর্ম করবে বলে ধর্ম কেন করব জীবজগতের কল্যাণ হবে বলে অর্থ নিজে ভোগ করব এই উদ্দেশ্যে অর্থ সঞ্চয় করো না অভিশাপ দেখা দেবে অর্থের দ্বারা ধর্ম করব দেশ ওদশের কল্যাণ করব এই উদ্দেশ্যেই অর্থ সঞ্চয় করো আজকে যারা এই অনুষ্ঠানের পেছনে অর্থ নিয়োগ করেছেন। যারা অর্থ পরিশ্রম নিয়োগ করেছেন তাদের অর্থটা সার্থক। কারণ অর্থ যদি দেশও যাতে ধর্মের কল্যাণে সমাজ কল্যাণে মঙ্গল কাজে ব্যয় না হয় সে অর্থ অভিসব হয়ে দেখা দেয়। জীবস তত্ত্ব জিজ্ঞাসা। বেঁচে থাকার একমাত্র লক্ষ্য হল তত্ত্ব জিজ্ঞাসা। ঈশ্বরকে তত্ত্ব তো জানা। সুধীজন

8:38 আচ্ছা কোন ধনী সামার্থ্যবান ব্যক্তি রাজভোগ খাচ্ছে তার পেছনে এক দিন দুঃখী কাঙাল ভিখারী চেয়ে আছে ওনার দিকে মনে মনে সাহস পাচ্ছে না চাইতে কিন্তু মনের ইচ্ছা বাবু যদি আমাকে একটু দিত মুখ ফুটে বলেই বসলো বাবু ওই আশ্বাদ্য রাজভোগ যদি কিনছেন আমাকে দিতেন অনুরোধের আর আকুতি নিয়ে চাইল আপনি পারবেন তাকে উপেক্ষা করতে এই হলো আনুগর্ত হে সাধুগণ হে বৈষ্ণবগণ আপনি যে আস্বাদন করছেন পরম রসত তত্ত্ব আমি ভিখারী আমি কাঙ্গাল আমার তত্ত্ব নেই আমার রসবোধ নেই আপনি কৃপা করে আমাকে যদি একটু দিতেন এই হলো আনুগর্ত বাড়ির কুকুরটা

9:23 কিন্তু মালিককে খেতে দেখে মালিক আস্বাদন করছে পরিবারের সবাই নিয়ে আস্বাদন করছে ও কিন্তু ঝাপ দিয়ে ওটা ছিনিয়ে নেয় না মালিকের জন্য প্রতীক্ষা করে আমি যখন তার আনুগর্ত নিয়ে পড়ে রয়েছি তার গৃহে তার চরণ নিশ্চয়ই শেষে আমাকে একমুট উচিষ্ট দেবেই মালিক দেয় কিনা পোষা কুকুরটাকে দেয় কিনা এজন্য আমাদেরও পড়ে থাকতে হবে হে গুরুদেব হে আচার্য হে তত্ত্বজ্ঞ আমি আপনার দাস কুকুর হয়ে পড়ে রয়েছি যদি এক কণ আস্বাদন যে আস্বাদন আপনি পেয়েছেন যে ভজন রসে আপনি ডুবে রয়েছেন সেই রস সামান্য যদি আমাকে দিতেন আমি তো আপনার চরণেই পড়ে রয়েছি এই হলো আনুগর্ত এখানে স্বতন্ত্রতার রাস্তার কুকুর কি কোন মালিক দেবে ডেকে ডেকে দেবে না রাস্তার

10:10 কুকুর বরঞ্চ ভাগ বসাতে আসলে তাড়িয়ে দেবে লাঠি পেটা করবে আনুগত্য নিয়ে পড়ে রয়েছেই বলে তো এক মুষ্টি ওর জন্য দেয় যেদিন আপনি আমি শ্রীগুরু বৈষ্ণবের আনুগত্য নিয়ে পড়ে থাকব সেদিন তারা যে আস্বাদন করছে সেই ভজন অনুভূতি রস আমাকেও কিঞ্চিত দেবেন তারা বঞ্চিত করবেন না আনুগত্য চাই আনুগত্যের একটি দৃষ্টান্ত আমাদের এসেছে লক্ষ্য করুন যেখানে যোগ্য হয় বৃহত্তম কোন ভাগবতীয় কর্ম হয় সেখানে অনেক পন্ডিত ব্যক্তি আসেন তাকে আহ্বান করা হয় এখন এই পন্ডিত ব্যক্তি যারা আসেন যাদের আহ্বান করা হয় চিঠিতে কিন্তু সেই আশ্রমের অধ্যক্ষ বা পন্ডিত ব্যক্তির নাম

10:57 দিয়েই ঠিকানা দিয়েই নিমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয় কিন্তু এই পন্ডিত ব্যক্তির সাথে তার আনুগত্যময় কোন ছাত্র বা শিষ্য যখন আসে যজ্ঞের শেষে নিয়ম হলো যজ্ঞের যারা কর্তা তারা কি করেন যজ্ঞের যারা পরিচালনা করেন তারা পন্ডিতকে বিদায়ের সময় বস্ত্র মিষ্টি ফলাদি তাকে দেন এবং উনার সাথে যে ছাত্ররা এসছে ওনার যে শিষ্য এসছে তাকে কিন্তু নিমন্ত্রণপত্র দেওয়া হয়নি কিন্তু বলুন তো পন্ডিতের পাশে তার শিষ্য তার ছাত্রকেও ওই মৃষ্টি কাপড়ের একটা অংশ দেয়া হয় কিনা তাকে তো নিমন্ত্রণ করা হয়নি। কিন্তু যেহেতু তিনি আচার্যদেবের আনুগর্তে তার শিষ্য হয়ে তার পেছনে দাঁড়িয়েছেন তাকে কিছু দেয়া হয়।

11:43 যখন আপনি শ্রীগুরু বৈষ্ণবের আনুগর্ত নিয়ে পেছনে দাঁড়াবেন তখনই গুরুদেব যা যা পাবেন ওই ভগবত প্রেম রস আস্বাদন আপনাকেও ভগবান বঞ্চিত করবেন। আপনাকেও কিছু দেবেন। কিছু অন্তত পাওয়া যাবে। এইজন্য দেখুন এই ভাগবতটাও আনুগর্তে। এই ভাগবতও সাতন্ত্রভাবে পল্লভ হবে না। ভাগবতও আনুগত্যে শ্রবণ করতে হবে। সবকিছু আনুগত্যময়। সাতন্ত্র এই জগতে কিছুই নাই। অর্থাৎ আমাদের এই ভজন জগতে সাতন্ত্রের কোন স্থান নাই। সুধীজন ভাগবতে নিমন্ত্রণ দিয়েছিলেন ভগবান সুখদেব ব্যাসদেব কাদেরকে? বলছেন

12:28 যে রসিকজন এবং ভাবুকজনকেই নিমন্ত্রণ করা হলো। নিগম কল্পতর গলিতং ফলাং সুখ মুখদা দ্রব সংযুত আসমদনাম পিবত ভাগবত রসমালয়াম মোহরহ রসিক ভবি ভাবুকা আহবান করা হলো কাদের ভাগবতে রসিকজন আর ভাবুকজনকে রসিক কারা যারা রাধাকৃষ্ণ মিলিত তনু শ্রী গৌরঙ্গের প্রেমরসের সাথে পরিচিত হয়েছেন ওই রসে অবগাহন করেছেন এরা রসিকজন আর ভাবকজন কারা যারা ভগবানকে জানার জন্য ভজনের জন্য প্রেম প্রাপ্তির জন্য এই মনুষ্য জন্ম পেয়েছে এই ভাবনাতেই যারা একটি ক্ষণ অবার্থ রূপে কাল কাটান না প্রতিটি সময়কে

13:16 কাজে লাগান ভজনে ঈশ্বর স্মরণে মননে নামচিন্তনে লীলা চিন্তনে নিত্য নিরন্তর ভগবত স্মৃতি অনুধ্যানে যারা সময়টা কালকে ব্যর্থ হতে দেন না এরা ভাবুকজন এখন নিমন্ত্রণ হলো ভাবুক এবং রসিকের আমি ওর একটার মধ্যেও পড়ি না আমার তবে নিমন্ত্রণ নেই ভাগবতে আমি বঞ্চিত হব বলেন না তুমি বঞ্চিত হবে না তুমি ওই রসিক আর ভাবুকজনের আনুগর্ত নিয়ে পেছনে দাঁড়াও উনি যেটা আস্বাদন করছেন দেখুন মোবাইলে এখন অনেকেই পাঠ শোনেন আমি মাঝে ভারতে পাঠে গিয়ে দেখি সেখানেও হাজার হাজার ভক্ত বললাম আমাকে চিনেন কি করে ওয়াজ পাড়া গায়ে পড়ে রয়েছি বল বাবা আমরা নেটে পাঠ শুনি এখন এই যে নেটে পাঠ শোনা বা আপনারা যন্ত্রে পাঠ

14:02 শোনেন এতে কিন্তু প্রেম ভক্তি হবে না। ভালো লাগবে। ভজনে আপনাদের স্প্রিহা জাগবে। কিন্তু প্রেম ভক্তি পেতে গেলে সাধুদের মধ্যে এসে বসে শুনতে হবে। >> হ্যাঁ। আপনি সময়টা কাজে লাগান। এই আধুনিক যন্ত্র এর মাধ্যমে আপনি হরিকথা এবং আপনি ভজন সংগীতাদি শুনুন। তত্ত্ব জ্ঞান তথ্য তত্ত্ব এগুলি জানুন। আপত্তি নেই। এগুলো কাজে লাগান। অন্য কিছুতে সময় না দিয়ে কাজে লাগান। কিন্তু যদি আনুগর্ত না নেন, সাধুগুরু বৈষ্ণবের মাঝে এসে ভাগবত না শোনেন তাহলে কি হবে? প্রেম হবে না। অনুভূতি হবে না। কেন হবে না? ঠাকুর মহাশয় তার উত্তর দিয়েছেন প্রেমভক্তি চন্দ্রিকার শ্রী শ্রী ঠাকুর নরোত্তম দাস মহাশয়। ইনি

14:48 বলছেন কৃষ্ণ ভক্ত সঙ্গ করি কৃষ্ণ ভক্ত অঙ্গ হেরি শ্রদ্ধান্বিত শ্রবণ কীর্তন যদি শ্রবণ কীর্তন করতে হয় কৃষ্ণ ভক্তের সঙ্গে বসে করো আর কৃষ্ণ ভক্তের বদনের দিকে তাকিয়ে করো বলে তাতে কি হবে দেখুন এখানে যারা এসছেন এর মধ্যে একজনও যদি ভাবুক থাকেন একজনও যদি ওই রসের রসিকজন থাকেন তবে তিনি এখানে অবস্থান করছেন তার হৃদয়ের ওই অনুভূতি ওই প্রেম ভক্তির রস জীবাণু আকারে এর মধ্যে যারা এসছে সবার মধ্যে ছড়িয়ে যাবে। এইটা নেটের মধ্যে ছড়াবে না। এইযে এখানে যারা এসছেন এর মধ্যে একজনও যদি একজনও যদি আছেন বিধায়িত ভাগবত হচ্ছে। আরো একটা কথা আমি গতদিন বলেছিলাম যেখানে শুদ্ধ

15:34 ভজনানন্দী নির্মল চরিত্র ভাগবত তত্ত্ববেত্তার দ্বারা ভাগবত হন সেখানে শুধু আপনারা আসেন না। অলক্ষে অনেক মনিঋষিদের আত্মাও এখানে নেমে আসে। শুধু আত্মাগান ন্যায় ধ্রুব প্রহ্লাদ রাধারানীকে নিয়ে স্বয়ং ভগবানও এসে দাঁড়ান। শুধু ওনারা না স্বয়ং হনুমানজি সবার পেছনে কোন একটা রূপে দাঁড়িয়ে থাকেন। ওদের ওই চিত্তের ভজন অনুভূতিকলা আপনার আমার মধ্যে ছড়িয়ে যায়। যেমন রোগ জীবাণু সংক্রামিত হয়। আগেকার দিনে এক গ্রামে একজনের রোগ হলে সারা গ্রাম ছড়িয়ে পড়তো রাতের মধ্যেই। এটা রোগ বিছানোর যেমন সংক্রামিত ক্ষমতা ওই রসিক ভাবকজনের পেছনে বসলে ওদের মধ্যে বসে হরিকথা শ্রবণ করলে ওই অনুভূতিগুলো আপনার ভিতরেও সংক্রামিত হবে।

16:20 এজন্য মাঝে মাঝে কষ্ট হলেও ঘাম ঝললেও পরিশ্রম হলেও সাধুদের মধ্যে বসে ভাগবত শুনুন। সুধীজন এজন্য বলছেন আনুগর্ত নিয়ে ভজন করো। এই আনুগর্তময়ী ভজনের দ্বারা আমরা সেই পরম শ্রেয়কে পরম প্রেয়কে পেতে পারি। দেখুন আমাদের নন্দদাসের একটি চরিত্র ভক্তমালে বড় উজ্জ্বল হয়ে আছে। আনুগর্তে কি হয় দেখুন। তিনি তার শ্রী গুরুর কৃপালব্ধ হয়ে এক শুদ্ধ বৈষ্ণবের সাথে ব্রজদর্শনে গিয়েছিলেন। আমি এটাও অনুরোধ করি আপনাদের। যদি ধামে যান শ্রীধাম নবদ্বীপ পুরুষোত্তম ক্ষেত্রে বা শ্রীধাম বৃন্দাবনে আমি একটা অনুরোধ করছি বিষয় লোকের সাথে যাবেন না

17:08 বলেন কোন না কোন শুদ্ধ ভক্তের সাথে অনুরাগীর সাথে ব্রজ প্রেমিকের সাথে ব্রজে যাবেন তা না হলে কিন্তু ওখানে অপরাধের সম্ভাবনা বেশি থাকবে কারণ বিষয় লোকের স্বভাব হলো তার ভাবনাটা আপনার চিত্তে আক্রান্ত করে দেবে বৃন্দাবনে গেছি চল না ওখানে ভালো খাদ্য পাওয়া যায়। হোটেলে চলো খাই। যমুনার জল চরণামৃত বলে নিলাম না। ব্রজবাসীদের দুয়ারে মাদুকরি রুটি নিলাম না। হোটেলে খেলাম। আরে রাধাকুন্ডের তীরে ঘরটা ঠিক বসবাসের উপযোগী না। কিন্তু ওই ঘরে ওই ভাঙ্গাচুর ঘরে থাকলে রাধাকুন্ডের ওই দ্রবময়ী রাধারানীর সেই রাধাকুন্ডের তরঙ্গের জলের হাওয়া লাগবে আমার গায়ে। আমি গিয়ে উঠলাম দুতলায়। বিষয় লোকের

17:54 ভাবনা তারা দেহ সুখ চাই। সাতন্ত্রভাবে একটু ভালো সুখে থাকতে চাই। এজন্য যদি কখনো তীর্থে যান, ধামে যান শুদ্ধ শ্রীগুরুর সাথে যেতে পারলে তো সোনাই সোহাগা আর না হলে কোন ভজনানন্দী ভজন প্রেমিকের সাথে যাবেন তার ভাবটা আপনার চিত্তে আক্রান্ত হবে। সুধীজন এইজন্য উনি শ্রীগুরু আজ্ঞা নিয়ে শুদ্ধ বৈষ্ণবের সাথে ব্রজদর্শনে গেছেন এই নন্দদাস। খুব খুব অপূর্ব চরিত্র। বারবার বললেও তৃষ্ণা মেরে না। তো নন্দদাস ব্রজে গিয়ে ব্রজের রেণু মেখেছেন। যমুনার জল পান করেছেন। বৃক্ষগুলোকে জড়িয়ে ধরিয়ে ধরিয়ে আকুতি জানাচ্ছেন। এইগুলো ব্রজবাসের নিয়ম। প্রথমে ধুলির কাছে, বৃক্ষের কাছে,

18:41 যমুনার জলের কাছে, ব্রজবাসীদের কাছে, ব্রজের প্রসাদের কাছে আনুগত্য নিতে হবে। তবে যদি ব্রজেন্দ্রনন্দন বা ব্রজেশ্বরী রাধারানী আপনাকে কৃপা করে। সুধীজন উনি পরিভ্রমণ করতে করতে চিলেকোটায় মানে একটা ছাদের উপরে এক সুন্দরী যুবতীকে দেখলেন। সুন্দরী যুবতীর অপরূপ রূপের জ্যোতিষটায় উনার চোখ আটকে গেল। উনি ওখানে দাঁড়িয়েই রয়েছেন। মাটি বুঝতে পারছিলেন এই সুন্দরী যুবতীত্ন বুঝতে পারছিলেন যে এক সাধু আমার দিকে তাকিয়ে আছে। যখন দৃষ্টি পড়লো দেখলেন উনি অপলক নয়নে উনার সেই যৌবন রস আস্বাদন করছেন। বড় লজ্জিত হয়ে নিচে নেমে এলেন। নিজেকে অপরাধবোধ করাতে লাগলেন। ব্রজ মায়েরা ঘুমটা বুক পর্যন্ত টেনে নেয়।

19:26 যারা ব্রজবাসী মা এদের মুখ আপনি দেখতে পাবেন না সহজে। আমাদের বাঙালি মায়েদের মতো নয়। ওদের দেশের নিয়ম হলো বুক পর্যন্ত ওরা ঘুমটাটা টেনে রাখে। মুখ দেখা যায় না। এক ব্রজবাসী মায়ের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল আপনাদের এই রীতি কেন? এই গোবিংশ শতাব্দীতে এই ভারত এত মানে উৎকর্ষ আধুনিকতার ছোঁয়া লেগে গেছে। আপনারা ঘোমটাটা বুক পর্যন্ত দেন কেন? কি বলেছিল জানেন? উত্তরে ঘর বাড়ি স্ত্রীপুত্র বিষয় বৈভব ছেড়ে কত সাধক কত ভক্তজন এই বৃন্দাবনে পড়ে রয়েছে তারা রাধারানীর চরণ কৈকার্য কৃপা কটাক্ষ পাবে বলে তাদের কত ত্যাগ না আছে ভালো আহার না আছে বস্ত্র কাঙ্গালের ন্যায় গৌর চরণ আশ্রিত হয়ে পড়ে আছে আমাদের মুখগুলো দেখে

20:13 যদি তাদের ভজনে কোন ত্রুটি হয় অপরাধ হয় রাধারানীর কাছে কি জবাব দেব আমরা এবার ভাবনাটা দেখুন এইজন্য তারা ঘোমটাটা বুক পতনটি টেনে রাখে তো ব্রজবাসী মা তার মুখে কাপড়টা শুকাতে দিয়েছিল হয়তো ঘোমটা পড়ে গেছে যেই দেখেছে ওই রূপে আর আটকে গেছেন এই নন্দদাস ইনি বিট্টলনাথজির বিট্টল গোসায়ের শিষ্য সাধারণ গুরু শিষ্য না সামাতবান ভজনানন্দী মহাপুরুষের শিষ্য উনি নিজেও বুঝতে পারছেন না ওই রূপের মধ্যে কি আটকে গেল কেন আমি ওইদিকে তাকিয়ে রয়েছি মাঝে মাঝে অনেক কার্য ঘটে আমাদের জীবনে আমরা কারণ খুঁজে পাই না উনিও কারণ পাচ্ছেন না কি করেছেন জানেন এসে জানলা আগলা করছে

20:59 আরেকবার দেখবে বলে জানলাতে না পেয়ে দরজার সামনেই বসে গেছে উনার স্বামী দুইদিন কাজের জন্য বাইরে গিয়েছিলেন খুব মন দিয়ে শুনুন দুইদিন বাদে যখন এসছেন ওই মাটি দুইদিন ঘরের দরজা খুলতে পারেননি আনুষঙ্গিক কাজ মিটিয়েছেন কাউকে দিয়ে স্বামীকে বললেন উনারবে বেশভূষা দেখে মনে হয় কোনটি তিলক দেখে মনে হয় উনি ভক্ত কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না কেন উনি আমার এই রূপ দেখে দুয়ারেই আজ দুদিন বসেছেন খাওয়া নেই দাওয়া নেই স্নান নেই এইভাবে পড়ে আপনি যান তো একটু কারণটা জিজ্ঞাসা করুন তো ওরা তো ব্রজবাসী সহজে কাউকে অপমান করতে চান না এসে বলছে বাবাজি অপরাধ নেবেন না আপনি ভক্ত রূপেই ব্রজধামে এসেছেন আর আমরাও ব্রজেবাস করার সৌভাগ্য পেয়েছি রাধারানীর কৃপায় এতে

21:47 আপনারও বিব্রতবধ হচ্ছে আমাদেরও হচ্ছে আপনি কেন এভাবে বসে আছেন বলে একটাবার ওর মুখটা দেখতে দাও কোন ব্যাখ্যা খুঁজে না পেয়ে ফিরে এলেন সাধুকে তো আর গলা ধাক্কা দিতে পারেন না এসে বলছে এক কাজ করি গরজায় তালা লাগাও আজ রাত্রেই আমরা গোকুলে গুরুদেবের আশ্রমে সপ্তাখানি কাটিয়ে আসি পরে গৃহে ফিরব উনি চলে গেলে কিন্তু উনাকে বড় কথা বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয় সুধিবৃন্দ ওই রাত্রেই পেছনের দরজা দিয়ে গোকুলে চলে গেলেন বিট্টলনাথজি গোসায়ের সমস্ত শ্রী গুরুদেবের চরণে গিয়ে সব ঘটনা বললেন। গুরুদেব চোখ একেই বলে শ্রী গুরুদেব। অনুভূতির দ্বারা চোখ বন্ধ করে একটু ধ্যানস্থ হয়ে বললেন মারে তোর দুয়ারে যে তোকে দেখার জন্য বসেছে তার অসৎ কোন

22:33 উদ্দেশ্য নাই। এরাই তো শ্রী গুরুদেব যারা বলে দিতে পারেন অনুভূতির দ্বারা সুধীজন বাবা এ কথা বলছেন দুইদিন পড়ে রয়েছে কোথাও যাচ্ছে না। আমাকে দেখতে চাইছে ওইভাবে তাকিয়েছিল। বলল শোন মা ওর অন্তরে যদি অসৎ উদ্দেশ্য থাকতো তাহলে তোরা ওই গৃহ ছেড়ে গুরুদেবের আশ্রমে গোকুলে আসতিস না। কোন ঘটনার কারণে আপনি যখন গুরু আশ্রমে যাবেন কোন ঘটনায় আঘাত পেয়ে কষ্ট পেয়ে বা দুর্ঘটনা মনে করে যখন ধামে যাবেন তীর্থে যাবেন গুরুচরণে যাবেন জানবেন যেটা ঘটেছে ওটা আপনার মঙ্গলের জন্য অসৎ কোন উদ্দেশ্য হলে আপনি শহরে যেতেন আত্মীয়র বাড়ি যেতেন গুরুদেবের গৃহে যেতেন না একেই বলে অনুভূতি একেই বলে অনুভূতি

23:21 সুধীজন রাবণ বিনাশের জন্য রঘুবতী রামচন্দ্র বনে যাননি ওটা অযোধ্যা থেকেই করতে পারতেন উনি স্বয়ং ভগবান বনবাস স্বীকার করলেন কেন প্রভু বললেন সবরী যে বসে আছে দীর্ঘদিন ধরে তার আশায় রামচন্দ্রের বনে যাওয়াটা মঙ্গল মনে করছেন মঙ্গল মনে করছেন এইজন্য সবরীকে তো কৃপা করতে হবে আর ঋষি মুনিদের সঙ্গ পাব আমি রাজপ্রাসাদে থাকলে সাধুসঙ্গ হবে না এজন্য উনি মঙ্গল মনে করছেন বনে গমনকে কোন ঘটনার দ্বারা যদি সাধু দর্শন হয় গুরুদর্শন হয় কোন ধামে পৌঁছান জানবে যার দ্বারা ঘটনা ঘটেছে তিনি আপনার অমঙ্গল চাননি তিনি আপনার মঙ্গলই চেয়েছেন গুরুদেব বললেন ওখানে একটা আসন পদ এখনি সে আসবে উনি জানতে পারলেন উনি

24:07 চলে গেছেন সেই নন্দদাস ওখানে এসে যখন গুরুদেবের চরণে পড়েছেন প্রসাদ পাওয়ার বলছে বাবা আমাকে বল আসলে ঘটনা কি হয়েছে জানেন এই এর পূর্বজন্মে উনি ব্রজেই ছিলেন না হলে তার এরকম অনুভূতি আসে না ব্রজে উনি সখী রূপে যে ভজন করতেন। উনার ভজন সাথীটার রূপ অমনই ছিল। সেই পূর্বস্মৃতি মনে করে সেই সখী রূপে উনাকে দেখে আর নয়ন ফাড়াতে পারছেন না। উনার ভিতরে অন্য কোন উদ্দেশ্য নাই। গুরুদেব এটা ভেঙ্গে বললেন। আর সঙ্গে সঙ্গে ওই মাটি ওনার চরণে ক্ষমা চাইলেন। ক্ষমা করে দিয়েন। আমি ভুল বুঝেছি। শ্রী গুরুদেবের আনুগত্যে না গেলেই ভুল ভাঙবে কারো? নিজের বিচার বুদ্ধিতে এই সিদ্ধান্ত

24:53 আসবে আমাদের। কখনো আসবে না। তাই দয়া করে কৃপা করে সাধুগুরু বৈষ্ণবের আনুগর্তেই আমাদের জীবন সাতান্ত্রভাবে চলতে যাবেন না। দেখবেন আমাদের সৌরমন্ডলে প্রতিটি গ্রহ নক্ষত্র তার কেন্দ্রপথে চলছে। যদি চুত হয়ে যায় ওই কেন্দ্রপথ চুত হয়ে গেলে ধ্বংস আসবে। কিন্তু ওরা প্রত্যেকটি কেন্দ্রপথে কেন্দ্রায়িত হয়েতে ঘূর্ণিমান। এমনি আমাদের জীবনটাও শ্রীগুরু আনুগর্তেই কাটাতে হবে। সাধু বৈষ্ণব ধর্মের আনুগর্তেই কাটাতে হবে। স্বতন্ত্রভাবে যেন আমরা নিজেদেরকে পরিচালনা না করি। এই কথাটি বারবার বলছি কেন? কারণ আজ আমরা বড় স্বাধীন সত্তায় চলতে চাই। নিজের খেয়াল খুশি মত চলতে চাই।

25:39 আজ আমাদের আনুগর্ত নাই। সুধীবৃন্দ এই আনুগর্তময় ভজনের মধ্যেই আছে প্রেম প্রাপ্তির উপায়। মনুষ্য জন্মের তত্ত্ব প্রাপ্তির উপায়। মনে আছে আপনাদের? সনাতন গোস্বামী মহাপ্রভুর দর্শনে যখন মুক্তি বারানসীতে যাচ্ছেন তখন কে যেন সনাতন গোস্বামীর গায়ে একটা কম্বল জড়িয়ে দিয়েছিলেন দিয়েছিলেন না আচ্ছা শীতের দিনে কম্বল দিয়েছেন উনি আর ওটা খোলেননি মহাপ্রভু সেই তপন মিশ্র আলয়ে বসে আছেন। ওখানে চন্দ্রশেখর ভবনে চন্দ্রশেখরকে বলছেন যাও গৃহী একজন বৈষ্ণব আসছে তাকে নিয়ে এসো। আহা উনি গিয়ে দেখছেন আলু থালু বেশ আর খোচাখোচা

26:26 মুখে দাঁড়িয়ে কেশগুলো আলু করা মনে করেছেন কোন মুসলিম দরবেশ উনি গিয়ে মহাপ্রভুকে বলছেন প্রভু দুয়ারে বৈষ্ণব আসেনি দুয়ারে এক দরবেশ এসেছে বৈষ্ণব চেনার ক্ষমতা দেবতাদেরও নাই এজন্য কারোর বাইরের রূপ বা ভাব দেখে তাকে বিচার করবেন না তার ভেতরটার অনুভূতি দিয়ে বিচার করবেন কারো বাইরের রূপ দিয়ে বিচার করা ঠিক নয় য় কার মধ্যে কি লুকিয়ে আছে কার মধ্যে কি তত্ত্ব আর অনুভূতি আছে এটা বিচার করার সাধারণ ক্ষমতা আমাদের নাই এজন্য বৈষ্ণব চিনিবারে দেবতারও নাহে সকতি এজন্য কাউকে সহস উপেক্ষা করতে নাই পথে যেতে যেতে কাউকে উপেক্ষা এবং

27:13 কারো প্রতি খুব সহজ হালকা ভাব উপহাস ভাব দেওয়া উচিত নয় এজন্য এজন্য মনে হয় বিশ্বকবির অনুভূতিতে এই কথাটাই বারে বারে ধ্বনিত হয়। যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই, পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন। আচ্ছা, হীরাটা কয়লার খনিতে থাকে কিনা? দামি হীরা কিসের মধ্যে থাকে? এখন কয়লার আবরণে কালো কয়লার আবরণে হীরা আছে। এতো অস্বীকার করার উপায় নেই। হয়তো বাইরে কয়লা দেখছেন কিন্তু ভেতরে হয়তো হীরা লুকিয়ে আছে। এজন্য কাউকে উপেক্ষা করার অবকাশ নাই। সুধীজন এজন্য চন্দ্রশেখর ভবনে মহাপ্রভুকে বলছেন প্রভু দরবেশ এসছে বললে যিনি এসছেন তাকে নিয়ে এসো। সুধীবৃন্দ মহাপ্রভুর সামনে

28:00 গিয়ে অবনত মস্তকে আর দৈন্যতা নিয়ে যখন সনাতন দাঁড়িয়েছেন মহাপ্রভু আসন থেকে উঠে সনাতনের দিকে দৃষ্টিপাত করে যখন দৃষ্টিপাত করেছেন প্রভু হঠাৎ থেমে গেছেন। থেমে গেছেন কেন জানেন? থেমে গিয়ে সনাতন গোস্বামীর দিকে আর তার করুণার দৃষ্টিতে চাইছেন না। এখন সনাতন গোস্বামী অনুভবীজন মহাপ্রভুর নিজ প্রিয় পরিকর। উনি বুঝতে পারলেন মহাপ্রভু যেন না তাকিয়ে তাকে এই কথা বলতে যাচ্ছে সনাতন সবই যখন ছেড়ে এসেছো গায়ে কেন এই দামি কম্বলটা জড়িয়েছে। ওটা তো রাজকম্বল। আমার কি মনে হয় জানেন? প্রভু তোমার এটাও সহ্য হচ্ছে না। রাজমন্ত্রী সনাতন রাজ ঐশ্বর্য ছেড়ে পথের

28:47 ভিখারী হয়ে পরেরদ একটা কম্বল গায়ে দিয়েছে। এটাও তোমার সহ্য হচ্ছে না। বলেন সনাতন তোমরা যদি কাঙ্গাল না হও দনহীন না হও পরবর্তী গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণ এই ত্যাগ বৈরাগ্য শিক্ষা নেবে না। তোমাদের যদি ত্যাগ বৈরাগ্য তিরিক্ষা না থাকে তাহলে অন্যরা নেবে না। আমাদের এখন সবথেকে বড় সমস্যা সামনে পথ দেখাবার মানুষের খুব অভাব। আরে ঘরবাড়ি ছেড়ে সাধু হয়েছি তিনতলা এয়ার কন্ডিশনে থাকার জন্য। আজকে তো ওই অবস্থায় হচ্ছে। সংসারী মানুষ সকালে মঙ্গল আরতি দিয়ে ব্যবসায় অফিসে চাকরিতে যায়। কৃষি কাজে যায়। আর আমার মত যদি কেউ আশ্রমে যায় সংসার ছেড়ে সে কি করে? মঙ্গল আরতি দিয়ে ভজন করে একবেলা ঘুমিয়ে না। আরে ঘুমানোর জন্যই কি আশ্রমে গেছো? সামনে এখন

29:35 আলো দেখাবার মানুষের খুব অভাব। এজন্য মহাপ্রভু জানছেন যে রূপ সনাতনের দ্বারা জগতে ভক্তি ধর্ম ভক্তি সিদ্ধান্ত শিক্ষা দিতে হবে। এরা ভালো খাওয়া, ভালো পড়া ঐশ্বর্যের মধ্যে থাকলে মানুষ এদের আদর্শ নেবে না। প্রভু যেন বলতে চাইলেন সব রোগ যখন সারতে এসেছো একটু রোগ কেন রেখে দিয়েছো? সে কাঙ্গাল হয়ে যখন এসেছো সর্বস্ব ত্যাগ করে কম্বলটা কেন এখনো গাড়ে চড়িয়ে আছো? এটা বলা লাগেনি। এই অনুভূতিতে সনাতন বাইরে চলে গেলেন। আহারে গিয়ে কি দেখলেন জানেন? এক বাঙালি ভিখারী তার গায়ের ছেড়া কাথাটা শতছিদ্র। সেই কাথাটা জলে চুবিয়ে রৌদ্রে শোকাতে দিয়েছে। রাজমন্ত্রী সনাতন

30:23 বৃহস্পতি সমজার জ্ঞান তিনি গিয়ে এই ইনার আনুগত্যে হাত জোড় করে ভিখারীর ন্যায় বলছে দেবে। আমাকে ভিক্ষা দেবে? আপাদমস্তক ভিখারী তাকিয়ে বলছে তোমাকে দেখে মনে হয় তুমি কোন রাজ যুবরাজ রাজার রাজা তুমি ঠাট্টা করছো ভিখারীকে পেয়ে বলে না গো আজ আমার থেকে বড় কাঙাল এ সংসারে কেউ নাই তুমি দাও না তোমার ছেড়া কাথাটা আমায় দাও না বিনিময় তুমি আমার এই কম্বলটি নাও মনে মনে ভাবছেন কে ইনি শতছিদ্র ছেড়া কাথাটা চেয়ে নিজের দামি কম্বলটা এই ভোট কম্বলটা দিতে চাইছেন কেন বিনা প্রশ্নে [নাক ডাকা] উনি দিয়ে দিলেন সনাতন গোস্বামী স্নান করে যখন কাপড় পড়বেন তখন

31:08 একটি নূতন কাপড় চন্দ্রশেখর তাকে এনে দিচ্ছেন এই দেখুন আমাদের আচার্যদের অনুভূতি নতুন কাপড়টা পেয়ে বলছেন এটা নেওয়ার আমি অধিকারী না আমি তো কাঙ্গাল কাঙ্গালের এরকম নূতন বস্ত্র পরিদেহ করা উচিত নয় আপনি যদি দিতে চান কৃপা করে আপনার পরিয়েও একটা পুরাতন বস্ত্র আমাকে দেন এই পুরাতন বস্ত্র টা দুভাগ করে কপিন করে পড়েছিলেন আর একটা গায়ে জড়িয়েছিলেন। এইখান থেকে আমাদের বাবাজীরা এইভাবেই এই বস্ত্র পরিধান রাধাকুন্ডে যারা আছে বাবাজী মহারাজ পরিধান করেন। এই অবস্থায় যখন মহাপ্রভুর সামনে গিয়ে বসেছে বৈরাগ্যের আনুগর্ত নেওয়ার জন্য আসন থেকে উঠে সনাতনকে জড়িয়ে ধরতে গেছে। সনাতন

31:53 বারবার অবনত মস্তকে ধন্য নিয়ে পিছিয়ে যাচ্ছেন। ছুয়ও না প্রভু আমার মত পামরকে আমার মত পাপীকে আমার মত ভোগীকে তুমি ছুও না সারাজীবন ঐশ্বর্য ভোগ করেছি প্রভু তোমার এই চিরসাৎশত আর পবিত্র অঙ্গ কলুষিত হবে আমাকে ছুও না মহাপ্রভু তখন একটি বিখ্যাত ভাগবত শ্লোক বলেছিলেন মহাপ্রভু সনাতনকে দেখে দুবাহু বাড়িয়ে বললেন অক্ষফলং তাদিশ দর্শনহে হে সনাতন তোমার মত ভক্তকে দর্শন করা এই চোখের ফল লাভ ভগবান আমাকে চক্ষু দিয়ে তোমার মত শুদ্ধ ভক্তকে দেখবার জন্য যতদিন সাধুগুরু বৈষ্ণবের প্রতি এই দৃষ্টি না যাবে ততদিন চোখের সফলতা নাই জিবা ফলং তাদিশ কীর্তন হে

32:43 সনাতন তোমার মত ভক্তের গুণকীর্তন করাই হল জিউভার ফল লাভ প্রাপ্তি লাভ এ জিউবা পেয়েছি ভক্তের গুণকীর্তন করার জন্য ভগবানের গুণমহিমা সংকীর্তন করার জন্য জিউবাটা শুধু পরনিন্দা পরচর্চায় আনকথায় কাটিয়ে দেওয়ার জন্য না জিবা ফলং তাদিশয় কীর্তনহী তোমার মত ভক্তের কীর্তন করাই হলো গুণকীর্তন হল জিবার ফল লাভ অম্বফলং গাত্রতাদি স্পর্শ আমার এই অঙ্গ সেইদিনই ধন্য হবে যেদিন তোমার মত ভক্তকে আমি আলিঙ্গন করতে পারব এস সনাতন প্রভু এ কথা কেন বলছেন >> প্রভু কেন বলছেন জানেন

33:29 দুর্লভতাহি ভাগবত লোকে সনাতন পৃথিবীতে কোন কিছুই দুর্লভ নয় আজ এই বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষ বৈজ্ঞানিক যুগে এসে কোন কিছুই আজ আর সব হাতের মুটই বিশ্বটা কিন্তু দুর্লভতাহী ভাগবত লোকে এই পৃথিবীতে এই চতুর্দশ ভুবনে একমাত্র দুর্লভ তোমার মত কৃষ্ণ ভক্ত তোমার মত ভক্তই হল জগতে দুর্লভ আর কিছু দুর্লভ নয় তোমার মত ভক্তই দুর্লভ। সারাটি জীবন ইনারা মহাপ্রভুর আনুগত্যে এই গোস্বামীগণ [নাক ডাকা] ছেড়া কাথা নাড়ামাথা কখনো চানা কখনো উপবাস 56পন্ডন ভজন করেছেন একাক বৃক্ষতলে বাস করে

34:14 কেন এই আনুগর্ত দেখিয়ে গেছেন আনুগর্ত বিনায় ভজন হবে না মহাপ্রভু কৃপা করে ব্রজে পাঠিয়েছেন তোমরা কাঙ্গাল হয়ে কাঙ্গাল ভক্তকে আশ্রয় দাও তোমাদের দিকে যেন মানুষ ত্যাগ বৈরাগ্য তিথিক্ষা শেখে আজকেই আনুগর্তই আমাদের নাই। সুধীজন এই আনুগর্তময় ভজনই আমাদের প্রেম প্রাপ্তি তত্ত্ব জিজ্ঞাসার পথে প্রগতির পথে এগিয়ে দেবে। তাই অনুরোধ করি আনুগর্তই আমাদের ভজন। আনুগর্তই আমাদের জীবন। আনুগর্তই আমাদের প্রেম প্রাপ্তির উপায়।

Share

YouTube Video Summaries