ছেলেটি বার বার তার ভালোবাসার মানুষ কে হারিয়ে ফেলে | Tamil Movie Explained In Bangla

Brief Summary

The video presents a poignant love story where the protagonist, Idhaya, navigates the complexities of love throughout his life. He experiences four significant love stories, each marred by misunderstandings and his inability to express his true feelings.

  • Idhaya's school days are filled with innocent crushes and misinterpretations about affection.
  • His adolescence sees him falling for twin sisters, leading to confusion about his feelings.
  • In adulthood, Idhaya's encounters with medical student Kaidu and his prior crush Samantha unfold as he grapples with love and missed opportunities.
  • As the narrative progresses to the present, Idhaya is on the verge of marriage, yet he feels the pull of his past loves.

Childhood Innocence

The story opens with Idhaya, who recounts his childhood and the bonds he formed with friends. After moving to India from America, he shares light-hearted moments centering around misunderstandings about romantic gestures. One incident involving his teacher, Gita, leads to comedic yet troubling assumptions about relationships in Idhaya's young mind. This period reflects his innocent curiosity about love and the misconceptions he encounters as a child.

Adolescent Affection

As Idhaya matures, the story shifts to his teenage years in 2004, where he develops a crush on a girl named Shyam but mistakes her for her twin sister. The narrative shows Idhaya's growing feelings and the support from his friends, who encourage him to confess his love. However, a pivotal birthday party reveals the twins' identities in a humorous twist, leading to Idhaya's heartbreak and confusion over who he actually loved.

Young Adult Turmoil

By 2011, after finishing school and college, Idhaya finds himself in Chennai managing a TV channel. Here, he meets Kaidu, a medical student, who cares for him after an accident. The bond deepens as they share experiences, but Idhaya hesitates to express his feelings for Kaidu. The story portrays the struggles of self-expression amidst a backdrop of friendship and mutual respect.

The Illusive Present

Fast-forwarding to 2019, the narrative shows Idhaya's professional success but highlights his emotional turmoil upon learning about Thaman's wedding. He encounters his first crush, Shyam, again, reigniting past feelings. However, the reunion is bittersweet, leading to the same pattern of missed opportunities when Shyam announces her imminent departure to America, leaving Idhaya unresolved in his affections.

A Second Chance at Love

As Idhaya prepares for his arranged marriage with Aditi, he unexpectedly runs into Kaidu at a mall. They share fond memories but revealingly, Kaidu discloses that he also harboured feelings for Idhaya during their time together. This moment of revelation forces Idhaya to confront his unresolved feelings and his decision regarding his forthcoming marriage.

The Final Decision

The story culminates in a dramatic wedding scenario, where Idhaya grapples with adhering to tradition versus following his heart. With support from friends and shared experiences, he ultimately decides to voice his feelings for Samantha, leading to a climactic moment where a video call connection provides a final chance for confession just as it is about to slip away. The story closes on the uncertain yet hopeful note of unspoken love.

Summarize any YouTube video in seconds

Get summaries like this one for any video, in your language, with the free Summ app.

Download on the App Store
Get it on Google Play

Transcript

YouTube Transcript Generator

0:00 বন্ধুরা জীবনে এমন কাউকে কি কখনো ভালোবেসেছেন যার সামনে দাঁড়িয়ে হাজার বার বলতে চেয়েও মাত্র তিনটি শব্দ আমি তোমাকে ভালোবাসি বলতে পারেননি? যদি এমন হয়ে থাকে তাহলে আজকের সিনেমাটি আপনার জন্যই। কারণ আজকের গল্পে আমরা দেখবো এমন একজন ছেলেকে যে জীবনে চারবার প্রেমে পড়েছিল। কিন্তু প্রতিবারই নিজের ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে ভাগ্যতার সঙ্গে এমন খেলা খেলেছে যে শেষ মুহূর্তে সবকিছু বদলে গেছে। কখনো ভুল বুঝাবুঝি, কখনো সময়ের নিষ্ঠুরতা আবার কখনো নিজের ভয়। সবকিছু মিলিয়ে তার প্রতিটি প্রেমী হয়ে উঠেছে অসম্পূর্ণ। তাহলে শেষ পর্যন্ত কি সে সত্যিই তার মনের মানুষটিকে পেয়েছিল নাকি সারাজীবন নিজের ভালোবাসা বুকের মধ্যেই চাপা রেখে বেঁচে থাকতে হয়েছে। পুরো

0:47 গল্পটা জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত অবশ্যই দেখ। আর কোন দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক আজকের অসাধারণ সিনেমার গল্প। গল্পে শুরু হয় একটি প্লেন যাত্রা দিয়ে। এই যাত্রাতেই আমরা ইথয়া নামের একটি ছেলেকে দেখতে পাই। [মিউজিক] যে নিজের বন্ধুদের সাথে আমেরিকা থেকে ভারতে ফেরত আসছিল। এরই মধ্যে ইধার সঙ্গে পরিচয় হয় ফাহাদ ফাসিলের। অল্প সময়ের মধ্যেই দুজনের মধ্যে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায়। গল্প করতে করতেই ফাহাদ জানতে চান, [মিউজিক] তোমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর প্রেমের গল্পটা কি? তখন হালকা হাসি দিয়ে ইথয়া নিজের ভালোবাসার গল্প বলা শুরু করে। আর সেখান থেকেই গল্প আমাদের নিয়ে যায় 1990 এর দশকের ত্রিচি শহরে। সেই সময় ছোট্ট ইথয়া তার মামার সঙ্গে একটি ছোট্ট বাড়িতে খুব সুখে শান্তিতে থাকতো। আসলে ছোটবেলাতেই সে

1:33 বাবা-মাকে হারিয়েছিল। তাই তার মামাই তাকে বাবা-মা দুজনেরই ভালোবাসা দিয়ে বড় করে তুলেছিলেন। স্কুলে ইধার আরো দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। তারা তিনজন সবসময় একসঙ্গে থাকতো। দুষ্টুমি করতো আর আনন্দে সময় কাটাতো। একদিন তারা তিন বন্ধু মিলে টিভি দেখছিল। হঠাৎ টিভিতে একটি রোমান্টিক গান শুরু হয়। যেখানে নায়ক নায়িকা একে অপরকে কিস করছিল। নিরীহ ইধায়া অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, আরে ওরা কি করছে? এক বন্ধু সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেয়, পোকা ওরা কিস করছে। আরেকজন আরো গম্ভীর মুখে বলে, আর যদি কোন মেয়েকে কিস করো তাহলে তার বাচ্চা হয়ে যায়। ইধয়া বিস্মিত হয়ে বলে সত্যি বন্ধুটি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলে অবশ্যই আমাদের সিনিয়র এই কথা বলেছে এই কথাটা

2:19 ছোট্ট ইধয়ার মনে এমনভাবে গেঁথে যায় যে সে সত্যিই বিশ্বাস করে ফেলে কাউকে কিস করলেই নাকি বাচ্চা হয়ে যায় কিছুদিন পর স্কুলে একটি ফ্যান্সি ড্রেস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় ইংরেজি শিক্ষিকা গীতা ম্যাডাম তখন সেখানে ইধয়াকে মঞ্চে পারফর্ম করার জন্য পাঠান কিন্তু স্টেজে উঠতেই ভয়ে তার মুখ দিয়ে একটি কথাও বের হয় না তখন গীতা ম্যাডাম তাকে কে সাহস দিয়ে বলেন, ইধায়া তুমি পারবে। আমি যা বলবো তুমি শুধু সেটাই রিপিট করো। শিক্ষিকার উৎসাহে ইধার সব ভয় দূর হয়ে যায়। সে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে। [মিউজিক] পারফরম্যান্স শেষে খুশি হয়ে গীতা ম্যাডাম তার সঙ্গে হাত মেলান এবং স্নেহ করে গালে একটি চুমুও দেন। তখন খুশিতে আত্মহারা হয়ে ইথয়া এই ঘটনাটা বন্ধুদেরকে বলে। কিন্তু

3:05 বন্ধুরা আবারও তাকে ভয় দেখায়। এবার তো তুই শেষ। ম্যাডাম তোকে কিস করেছে। এখন ওনার বাচ্চা হবে। আর তার জন্য দায়ী থাকবি তুই। এই কথা শুনে ছোট্ট ইদয়া ভয়েই কাঁপতে শুরু করে। এরপর থেকে সে প্রতিদিন গীতা ম্যাডামের দিকে নজর রাখতে থাকে। তবে এর কিছুদিন পর স্কুল কিছুদিনের জন্য বন্ধ থাকে। কিছুদিন পর স্কুল খুললে সে দেখে গীতা ম্যাডাম সত্যিই গর্ভবতী। এটা দেখেই ইধার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। [মিউজিক] সে বিশ্বাস করে বসে সবকিছু তার কারণেই হয়েছে। সেদিন থেকে সে গীতা ম্যাডামের প্রতি আরো বেশি যত্নশীল হয়ে ওঠে। এরপর এক রাতে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎই ধরায়া জানতে পারে গীতা ম্যাডাম বাড়িতে একা আছেন। এক মুহূর্ত দেরি না করে সেই দুই বন্ধুকে নিয়ে ম্যাডামের বাড়িতে ছুটে যায়। তবে সেখানে গিয়ে দেখে গীতা ম্যাডাম প্রেগনেন্সি পেইনে ছটফট করছেন। বারবার ফোন

3:53 করেও কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন তিন বন্ধু মিলে দ্রুত পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করে। ইধ্যায়া দৌড়ে একটি অটোরিক্সা নিয়ে আসে। তারপর তিনজন মিলে গীতা ম্যাডামকে হাসপাতালে ভর্তি করায়। হাসপাতালে ভর্তি করার সময় একটি ফর্ম পূরণ করতে হয়। সেখানে স্বামীর স্বাক্ষরের জায়গা খালি ছিল। নিরীহ ইধায়া কিছুই না বুঝে নিজের নামেই সেখানে সই করে দেয়। কিছুক্ষণ পর অটোরিক্সা চালক এসে জানায় ম্যাডামের পরিবারের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়েছে তারা খুব শীঘ্রই চলে আসবে। তারপর তিনি তিন বন্ধুকে বাড়ি ফিরে যেতে বলেন। কিন্তু ইধয়ের চোখ তখনো হাসপাতালের ভেতরেই। তার শুধু একটাই চিন্তা গীতা ম্যাডাম যেন ভালো থাকেন। ছেলেটার সরলতা দেখে অটোচালক মুচকি হেসে বলে বাবা স্কুল জীবনে প্রায় প্রতিটি ছেলেরই নিজের শিক্ষিকার উপর প্রথম

4:38 ক্রাশ থাকে। তোমার অনুভূতিটা আমি খুব ভালো করেই বুঝতে পারছি। এরপর তিনি তিনজনকে নিয়ে সেখান থেকে চলে যান। এতটুকু বলেই মুভির দৃশ্য আবার বর্তমান সময়ে ফিরে আসে। তখন ইধয়া হেসে ফাহাদের দিকে তাকিয়ে বলে, দেখেছেন স্যার মাত্র 10 বছর বয়সেই আমি আমার [মিউজিক] শিক্ষিকার স্বামীর জায়গায় হাসপাতালে সই করে দিয়েছিলাম। কথাটা শুনে ফাহাদ হেসে ওঠেন। তারপর মজা করে জিজ্ঞেস করেন, আচ্ছা তখন তোর ম্যাডামের আসল স্বামী কোথায় ছিলেন? উত্তর দেয় তিনি বিদেশে চাকরি করতেন। এ কথা শুনে তার বন্ধুরা মজা করে বলে, গর্ভবতী স্ত্রীকে একা রেখে বিদেশে চাকরি। লোকটা কেমন স্বামী ছিল? এভাবেই শেষ হয় ইথয়ার স্কুল জীবনের সেই মজার নিষ্পাপ ভালোবাসার গল্প। এরপর সে বলতে শুরু করে তার কিশোর বয়সের প্রেমের গল্প। গল্প

5:24 আবারো ফ্ল্যাশব্যাকে ফিরে যায়। সময়টা 2004 সাল। এখন ইধয়া বড় হয়ে গেছে। তার দুই শৈশবের বন্ধু রক্ষণ আর দ্রাবেরও যুবক হয়ে উঠেছে। তবে তাদের বন্ধুত্ব আগের মতোই অটুট। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ইধার আচরণে একটা অদ্ভুত পরিবর্তন এসেছে। প্রতিদিন বিকেল ঠিক পাঁচটা বাজলে সে বন্ধুদের রেখে অন্য এক ছেলের সঙ্গে কোথাও চলে যায়। ছেলেটির নাম সুধাকর। সে ইধার স্কুলে পড়ে না বরং পলিটেকনিক কলেজের ছাত্র। প্রতিদিন স্কুল ছুটির পর ইথয়া তার সঙ্গে কোথায় যায় সেটা কোনভাবেই বুঝতে পারে না তার বন্ধুরা। অবশেষে একদিন তারা সিদ্ধান্ত নেয় তারা ইথয়াকে গোপনে অনুসরণ করবে। অনেকদূর অনুসরণ করার পর তারা পৌঁছে যায় একটি টেনিস কোর্টে। >> [মিউজিক] >> প্রথমে তারা ভেবেছিল ইধায়া হয়তো টেনিস খেলতে এসেছে। কিন্তু কয়েক মুহূর্ত পরই আসল

6:11 সত্য সামনে আসে। ইধয়া সেখানে খেলতে নয়। শ্যাম নামের একটি মেয়েকে দেখার জন্য প্রতিদিন আসে। [মিউজিক] অনেকদিন ধরেই সে দূর থেকে চুপচাপ শ্যামকে ভালোবেসে আসছে। কিন্তু মজার বিষয় হলো, শ্যাম তো উধয়ের অস্তিত্ব সম্পর্কেই কিছু জানে না। তবুও প্রতিদিন শুধু এক ছলক শ্যামকে দেখার জন্য সে টেনিস কোর্টে হাজির হয়। শুধু তাই নয়, শ্যাম যে টিউশন সেন্টারে পড়ে, ইধয়ও সেখানে ভর্তি হয়। তাই এখন পুরো রুটিনটাই বদলে গেছে। স্কুল শেষ হলেই প্রথমে টেনিস কোর্ট তারপর টিউশন সেন্টার সবকিছুই শুধু শ্যামকে আরো কিছুক্ষণ দেখার জন্য। যখন তাদের দুই বন্ধু পুরো বিষয়টা জানতে পারে তখন তারাও ইধয়াকে সাহস দিতে শুরু করে। তারা বলে স্কুলে ভয়ে নিজের মনের কথা বলতে পারিস নি। কিন্তু এবার সুযোগ হাতছাড়া করিস না। সঠিক সময় গিয়ে নিজের ভালোবাসার কথা বলে

6:58 দিস। ইধাও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলে, হ্যাঁ। এবার আর পিছিয়ে থাকবো না। সঠিক সময় এলেই আমি নিজেই ওকে আমার মনের কথা বলে দেব। আর এভাবেই ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে তাদের কিশোর বয়সের সুন্দর প্রেমের গল্প। ইধ প্রতিদিনই টেনিস কোর্ট আর টিউশন সেন্টারের চক্কর কাটতে থাকে। তার একটাই উদ্দেশ্য একবার হলেও শ্যামকে দেখা। এভাবেই একদিন টিউশন সেন্টারে হঠাৎ করেই শ্যাম নিজেই ইথার কাছে এসে বলে, কাল আমার জন্মদিন। তুমি আর তোমার বন্ধুরা অবশ্যই আসবে। এ কথাটা শুনে ইথের আনন্দ যেন আর ধরে না। সে মনে মনে ভাবতে থাকে শ্যাম যদি নিজে থেকে আমাকে নিমন্ত্রণ করে তাহলে হয়তো তার মনেও আমার জন্য কিছু একটা অনুভূতি আছে। তাই সে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে জন্মদিনের দিনই নিজের মনের সব কথা বলে দেবে। কিন্তু

7:44 সমস্যা একটাই। সামনাসামনি দাঁড়িয়ে ভালোবাসার কথা বলার সাহস তার এখনো হয়নি। [মিউজিক] তাই সে নিজের অনুভূতিগুলো একটি সিডিতে নিজের কন্ঠে রেকর্ড করে। সেই সিডিটাকেই সুন্দর করে গিফট প্যাক করে জন্মদিনের পার্টিতে নিয়ে যায়। কিন্তু বন্ধুরা এখানেই গল্পে আসে এমন এক টুইস্ট যা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কেক কাটার সময় সবাই অবাক হয়ে থাকে। এক নয় হুবহু একই রকম দেখতে দুইজন মেয়ে একসাথে দাঁড়িয়ে আছে। তখনই জানা যায় শ্যাম আসলে একজন নয় দুজন। তারা জমজ বোন একজনের নাম সামান্থা আর অন্যজন সংযুক্তা। আসল রহস্যটা তখন সামনে আসে। টেনিস কোর্টে যাকে ইধায়া প্রতিদিন দেখতো সে ছিল সংযুক্তা। আর টিউশন সেন্টারে যাকে দেখতো সে ছিল সামান্থা। কিন্তু ইধয়া এতদিন ধরে দুজনকেই একই মেয়ে

8:29 ভেবে ভালোবেসে এসেছে। এখন তার অবস্থা এমন হয়ে যায় যে সে নিজেই বুঝতে পারে না সে আসলে কাকে ভালোবেসেছিল। পরে সে জানতে পারে দুই বোন পালা করে টেনিস কোর্ট আর টিউশন সেন্টারে যেত। আর সেই কারণে এতদিন ধরে সে ভয়ঙ্কর এক ভুল বুঝাবুঝির মধ্যে ছিল। এখন একটু ভাবুন তো ভালোবাসায় অন্য কোন সমস্যা হলে হয়তো তার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু যদি এটাই না বোঝেন যে যাকে ভালোবেসেছেন সে আসলে কে? তাহলে সেই সমস্যার সমাধান কিভাবে করবেন? এভাবে একটি জন্মদিনের পার্টির সঙ্গে ইধয়ার দ্বিতীয় প্রেমের গল্পটাও চিরদিনের জন্য শেষ হয়ে যায়। আর মন ভাঙ্গা অবস্থায় সে বাড়ি ফিরে আসে। বর্তমান সময়ে ইধয়া যখন পুরো ঘটনাটা ফাহাদ ফাসিলকে শোনায় তখন ফাহাদ হেসে বলে দোস্ত তোর লাভ স্টোরিতে যত টুইস্ট আছে তত তো কোরিয়ান সিনেমাতেও থাকে না। তারপর

9:16 মুচকি হেসে আবার জিজ্ঞেস করে আচ্ছা এগুলো বাদ দে। এরপর কি তোর জীবনে আর কোন মেয়ে এসেছিল? ঈদ হয়া হালকা হাসিতে উত্তর দেয় এসেছিল স্যার আর সেই মানুষটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর কিন্তু সবচেয়ে অসম্পূর্ণ ভালোবাসা এরপর গল্প আমাদের নিয়ে যায় 2011 সালে স্কুল আর কলেজের পড়াশোনা শেষ করে ইথয়া তার মামা এবং দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে নিয়ে থ্রিজি ছেড়ে চেন্নাইয়ে চলে আসে চেন্নাই এসে তার মামা ডিটিভি নামে একটি ছোট লোকাল টিভি চ্যানেল চালাতে শুরু করেন [মিউজিক] ধীরে ধীরে পুরো পরিবারই সেই চ্যানেলের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এমন সময় শুরু হয় 2011 সালের ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা বিশ্বকাপ ফাইনাল। [মিউজিক] স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখার সুযোগ না থাকায় ইথয়া তার মামা নিজেদের বিল্ডিং এর ছাদে বিশাল একটি স্ক্রিন লাগিয়ে পুরো

10:02 এলাকার মানুষের জন্য একসাথে ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা করে। চারদিকে তখন উৎসবের আমেজ। কিন্তু হঠাৎই এলাকার কাউন্সিলর তার লোকজন নিয়ে সেখানে হাজির হয়। সে রাগে চিৎকার করে বলে, আমার অনুমতি ছাড়া এত বড় স্ক্রিন লাগানোর সাহস হলো কিভাবে? কথা কাটাকাটি একসময় ভয়ঙ্কর মারামারিতে রূপ নেয়। সেই লড়াইয়ের মাঝেই জ্বলন্ত একটি আগুনের স্ফুলিঙ্গ সেই হৃদয়ের চোখে লাগে যার ফলে মুহূর্তের মধ্যেই তার চোখ গুড়োর ভাবে আহত হয়ে যায় তখন তার বন্ধুরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় সেখানেই তার জীবনে প্রবেশ করে নতুন একজন মানুষ হাসপাতালে তার পরিচয় হয় এক মেডিকেল স্টুডেন্ট কাইরুর সঙ্গে সে খুব যত্ন করেই ধার চোখের চিকিৎসা করতে থাকে সে খুব মিষ্টি গলায় বলে ধীরে ধীরে চোখ খুলুন ভয় পাবেন না সব ঠিক হয়ে যাবে কাইডুর এই

10:47 মায়া ভরা কন্ঠ আর আন্তরিক ব্যবহার ইধয়ার হৃদয় ছুয়ে যায়। আর প্রথমবার চোখ খুলে যখন সে কাইডুকে দেখে ঠিক সেই মুহূর্তেই সে আবারও প্রেমে পড়ে যায়। হ্যাঁ বন্ধুরা এটাই এই গল্পের আসল নায়িকা। একই হাসপাতালে ইধয়ার দেখা হয় তার পুরনো সিনিয়র থামানের সঙ্গে। যে এখন একজন ডাক্তার। তাকে দেখে ইধয়া হেসে বলে, ভাইয়া মনে আছে ছোটবেলায় আপনিই তো বলেছিলেন কাউকে কিস করলে নাকি বাচ্চা হয়ে যায়।" থামানো হেসে উত্তর দেয়, আরে পাগল ওগুলো তো ছোটবেলার গল্প ছিল। এরপর সে পরিচয় করিয়ে দেয় তার প্রেমিকা লেডো আর কাইডুর সঙ্গে। ধীরে ধীরে এই চারজনের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব হয়ে যায়। এক পর্যায়ে তারা একসঙ্গে ঘুরে বেড়ায়, আড্ডা [মিউজিক] দেয়, হাসিট্টা করে এবং জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে থাকে। কিন্তু ইধার একটি পুরনো অভ্যাস এখনো

11:35 বদলায়নি। সে কাইডুকে [মিউজিক] ভীষণ ভালোবাসে। কিন্তু আজও সে নিজের মনের কথা বলতে পারে না। দিন যত যায় তাদের বন্ধুত্ব তত গভীর হয়। আর ঠিক সেই কারণেই ভালোবাসার কথা বলা তার জন্য আরো কঠিন হয়ে পড়ে। এভাবেই সময় কেটে যায়। কাইডো মেডিকেলে পড়াশোনা শেষ করে ডাক্তারি ডিগ্রি পেয়ে যায়। এবার তার চেন্নাই ছেড়ে নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সময় হয়ে আসে। তাকে নিতে তার বাবাও চলে আসেন। ইধায়া বুঝতে পারে এটাই তার শেষ সুযোগ। আজ যদি সে নিজের মনের কথা না বলতে পারে তাহলে হয়তো কাইডুকে সে সারা জীবনের জন্য হারিয়ে ফেলবে। পরের দিন সে বন্ধুদের সঙ্গে কাইডুকে বিদায় জানাতে রেল স্টেশনে যায়। তখন বন্ধুরা তাকে সাহস দিয়ে বলে ভালোবাসার কথা বলার জন্য রেলস্টেশনের চেয়ে ভালো জায়গা আর হয় না। আজ না বললে আর কোনদিন বলতে পারবি [মিউজিক] না। ইধাও

12:21 মনে মনে সিদ্ধান্ত নেয় এবার যাই হোক নিজের মনের কথা বলবেই। >> [মিউজিক] >> ট্রেন প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে। কাইডো বুঝতে পারছিল ইধয়া তাকে কিছু বলতে চায়। [মিউজিক] কিন্তু আগের মতো এবারও একই ঘটনা ঘটে। তার ঠোঁট কাঁপে। সে বারবার চেষ্টা করে কিন্তু আই লাভ ইউ। এই তিনটি ছোট্ট শব্দ কোনভাবেই মুখ দিয়ে বের হয় না। ঠিক তখনই প্ল্যাটফর্মে বসে থাকা এক বৃদ্ধ এই পুরো দৃশ্যটি নীরবে দেখেছিলেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাধছিল বিখ্যাত ইথয়ম সিনেমার গান। বৃদ্ধ মনে মনে চাইছিলেন ইথয়া যেন অন্তত মুরলির মত একই ভুল না করে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে ট্রেন স্টেশন ছেড়ে চলে যায়। কাইডুও [মিউজিক] চলে যায়। আর ইথয়া আবারো নিজের ভালোবাসার মানুষটিকে কিছু না বলেই দূরে চলে যেতে দেখে। ট্রেন চলে যাওয়ার পর

13:06 বৃদ্ধ ইধার কাছে এসে বলেন বাবা জীবনে এমন সুযোগ একবারই আসে আজ তুমি সেই সুযোগটা হারিয়ে ফেললে তোমাকে দেখে আমার বহু বছরের পুরনো এক বন্ধুর কথা মনে পড়ে গেল আজ যেন আবার সেই একই গল্প চোখের সামনে দেখলাম এইভাবেই এয়ার তৃতীয় প্রেমের গল্পটাও অসম্পূর্ণ থেকে যায় বর্তমান সময় ফিরে ফাহাদ ফাসিল আবেগ নিয়ে বলে এখন বুঝতে পারছি নিজের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটাকে ভালোবাসার কথা বলা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ কেন তারপর সে আবার জিজ্ঞেস করে। কিন্তু এরপর এরপর কি আবারো কারো প্রেমে পড়েছিলে? ইথয়া মুচকি হেসে শান্ত গলায় বলে হ্যাঁ [মিউজিক] স্যার আবারো প্রেমে পড়েছিলাম। আর এবার যা ঘটেছিল সেটাই আমার পুরো জীবন বদলে দিয়েছিল। এরপর গল্প আমাদের নিয়ে যায় 2019 সালে। এরই মধ্যে

13:52 অনেক বছর কেটে গেছে। ইধের মামার ছোট্ট ডিটিভি চ্যানেল এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় [মিউজিক] একটি ন্যাশনাল টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়েছে। আর পুরো চ্যানেলের দায়িত্ব এখন ইধের কাঁধে। ক্যারিয়ারে সবকিছুই দারুণভাবে এগিয়ে চলছিল। ঠিক তখনই তার কাছে তার শৈশবের বন্ধু থামানের ফোন আসে। সে খুশির খবর দিয়ে থামান জানায় মাদুরাইতে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আর সে চায় ইধ যেন তার সব বন্ধুদের নিয়ে অবশ্যই বিয়েতে আসে। ইধ মজা করে জিজ্ঞেস করে আচ্ছা লেডোর কি খবর? থামান তখন হালকা হেসে উত্তর দেয় আমাদের ব্রেকআপ হয়ে গেছে। সম্পর্কটা আর ঠিকভাবে এগচ্ছিল না। তাই আলাদা হয়ে যাওয়াটাই ভালো মনে করেছি। পরের দিন ইথয়া নিজের বন্ধুদের নিয়ে মাদুরাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর পর বরপক্ষের পাঠানো একটি গাড়ি তাদের নিতে আসে। কিন্তু গাড়ির

14:38 পেছনে সিটে বসে থাকা মেয়েটিকে দেখেই ইয়া কয়েক সেকেন্ডের জন্য একেবারে থমকে যায়। কারণ সেই মেয়েটি আর কেউ নয় তার [মিউজিক] স্কুল জীবনের প্রথম ক্রাশ শ্যাম। শ্যামও এখানে তাকে চিনে ফেলে। আর হাসি মুখে বলে, আর এই ধয়া কত বছর পর দেখা। কিন্তু ইধার মাথায় তখনো সেই পুরনো বিভ্রান্তি রয়ে গেছে। তাই সে প্রথমেই জিজ্ঞেস করে [মিউজিক] এক মিনিট তুমি সামান্তা নাকি সংযুক্তা শ্যাম হেসে উত্তর দেয় আমি সামান্তা সংযুক্তার বিয়ে হয়ে গেছে এখনো অস্ট্রেলিয়ায় আর থাকে [মিউজিক] এরপর সে আরো জানায় সে বর্তমানে নাসায় বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছে একথা শুনে ধয়া সত্যিই অবাক হয়ে যায় তার মনে হতে থাকে হয়তো ভাগ্য আবারো তাকে সেই অসম্পূর্ণ ভালোবাসার কাছেই ফিরিয়ে এনেছে পরের দিন খুব সুন্দর ভাবেই থামানের বিয়ে সম্পন্ন হয় সেদিন

15:23 রাতে হঠাৎ করেই সামান্তা বলে চলো কাউকে কিছু না বলে পানিপুরি খেতে যাই ইধাও এক মুহূর্ত দেরি না করে তার সঙ্গে বেরিয়ে পড়ে। দুজন একসঙ্গে চলে যায় ত্রিচির সেই পুরনো পানিপুরির [মিউজিক] দোকানে। যেখানে তারা ছোটবেলায় যেত। এরপর তারা ঘুরে আসে তাদের পুরনো টিউশন সেন্টার, পরিচিত রাস্তা আর শৈশবের অসংখ্য স্মৃতি বিজড়িত জায়গায়। পুরনো স্মৃতির ভিড়ে ধারের বুকের ভেতরে চাপা পড়ে থাকা ভালোবাসাটা আবারো জেগে ওঠে। তাই এবার সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে যাই হোক এবার আমি নিজের মনের কথা বলবই। কিন্তু ঠিক তখনই সামান্তা জানায় আমি কালই আমেরিকায় ফিরে যাচ্ছি। শুধু পুরনো স্মৃতিগুলোকে আরেকবার অনুভব করার জন্যই এখানে এসেছিলাম। [মিউজিক] এই কথা শুনে ধয়া ভাবে কোন সমস্যা নেই। এয়ারপোর্টে তো শেষবার দেখা হবেই। তখনই সব বলে দেবো। পরদিন সেই এয়ারপোর্টের

16:10 উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু [মিউজিক] ভাগ্য যেন আবারও তার সঙ্গে নিষ্ঠুর খেলা খেলতে শুরু করে। ইদারের টিভি চ্যানেল স্থানীয় এক দুর্নীতিবাজ নেতার কুকীর্তি প্রকাশ করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সেই নেতা তার গুন্ডাদের ইধের উপর হামলার নির্দেশ দেয়। তাই রাস্তায় গুন্ডারা তাকে ঘিরে ফেলে। তখন ইধা ও তাদের সাথে প্রাণপন লড়াই করতে থাকে। তখন পালাতে পালাতে সে একটি সিএসকে টিমের বাসে উঠে পড়ে। যেটি আসলে এয়ারপোর্টে খেলোয়াড়দের আনতে যাচ্ছিল। কিন্তু গুন্ডারাও তখন সেই বাসের ভেতরে ঢুকে পড়ে। চলন্ত বাসের ভেতর শুরু হয়ে যায় ভয়ঙ্কর মারামারি। শেষ পর্যন্ত মারাত্মকভাবে আহত হয়ে এই থয়া অজ্ঞান হয়ে পড়ে। অন্যদিকে সামান্থে তখন এয়ারপোর্টে পৌঁছে গেছে এবং আমেরিকার উদ্দেশ্যে বিমানে উঠে বসেছে। এদিকে বাসের ভেতরে অবচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা ইধয়ার

16:55 আতখোলা চোখের সামনে তখন আকাশে উড়ে যাওয়া সে বিমানটাই দেখা যায়। যে বিমানে চড়ে তার ভালোবাসার মানুষটি আবারও তার জীবন থেকে অনেক দূরে চলে যাচ্ছে। আর এবারও সে নিজের ভালোবাসার কথা বলতে পারলো না। এরপর আবার বর্তমান দৃশ্য দেখানো হয়। [মিউজিক] এখানে ফাহাদ ফাসিল এই পুরো গল্প শুনে অবাক হয়ে বলে দোস্ত তুই প্রতিবারই ভালোবাসার কথা বলার আগে কেন থেমে যাস? এভাবে চলতে থাকলে তো সারাজীবনই অবিবাহিতই থেকে যাবি। ইধ হালকা হেসে উত্তর দেয় [মিউজিক] স্যার আপনার মনে হচ্ছে আমি আমেরিকা ঘুরতে গিয়েছিলাম না। আমি গিয়েছিলাম বিয়ের আগে শেষবারের মতো নিজের মনের বোঝাটা হালকা করতে। ফাহাদ অবাক হয়ে বলে কি বিয়ে? এটা আবার কখন হলো? ইধ মুচকি হেসে বলে সেটা জানতে হলে আমাদের আবারও অতীতে ফিরে যেতে

17:41 হবে। এরপর গল্প আবারো ফ্ল্যাশব্যাকে ফিরে যায়। বারবার নিজের ভালোবাসার কথা বলতে না পারার কষ্টে ইথয়া ভেতর থেকে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল। তার মামাও বিষয়টি বুঝতে পারেন। তাই একদিন তিনি ইধ্যায়াকে বলেন, বাবা, আমি তো সারাটা জীবন একাই কাটিয়ে দিয়েছি। কিন্তু আমি চাইনা তুইও আমার মত একা থেকে [মিউজিক] যাস। এবার সময় এসেছে তুই নিজের সংসার শুরু কর। মামার কথার সম্মান রেখে অবশেষে অ্যারেঞ্জ ম্যারেজে রাজি হয়ে যায়। মেয়েটির নাম ছিল অদিতি। দুই পরিবারের সম্মতিতে খুব সুন্দরভাবে তাদের এঙ্গেজমেন্ট সম্পন্ন হয়। আর ঠিক হয় এক সপ্তাহ পরই তাদের বিয়ে হবে। কিন্তু ইধার জীবনে ভাগ্য যেন আবারও নতুন একটি মোড় নিয়ে আসে। একদিন একটি শপিং মলে হঠাৎ করেই তার দেখা হয়ে যায় কাইডুর সঙ্গে। এখানে অনেক বছর পর একে অপরকে দেখে দুজনেই ভীষণ

18:27 খুশি হয়ে যায়। কথা বলতে বলতে কাইডু জানায় সে এখন দিল্লির এইমসে একজন ডাক্তার হিসেবে কাজ [মিউজিক] করছে। পুরনো দিনের স্মৃতিগুলো আবারো ফিরে আসে। তখন হঠাৎ করেই কাইডু একটু থেমে যায়। তারপর শান্ত গলায় বলে ইধায়া আজ তোমাকে এমন একটা কথা বলতে চাই যেটা আমি এত বছর ধরে বুকের ভেতর লুকিয়ে রেখেছি। সে জানায় যখন তারা একসঙ্গে ছিল তখন সেও ইধ্যায়াকে গভীরভাবে ভালোবাসতো। রেলস্টেশনের সেইদিন সেও নিজের মনের কথা বলতে চেয়েছিল। কিন্তু সেও সাহস করে বলতে পারেনি। আজ এত বছর পর সে শুধু বুকের ভেতরে সেই না বলা কথাগুলো বলেই নিজের মনটা হালকা করতে এসেছে। [মিউজিক] এরপর সে মুচকি হেসে বলে এখন আমার বিয়ে হয়ে গেছে। একটা সন্তানও আছে। আর আমি আমার জীবন নিয়ে খুব সুখেই আছি। এখানে এই

19:13 কথাগুলো বলেই কাইডু চলে যায়। কাইডুর চলে যাওয়ার পর ইধা যেন ভেতর থেকে ভেঙে পড়ে। সে বুঝতে পারে সেদিন যদি রেলস্টেশনে মাত্র তিনটি শব্দ আমি তোমাকে ভালোবাসি বলে ফেলতে পারতো তাহলে হয়তো আজ তার পুরো জীবনটাই অন্যরকম হতো। এদিকে তার নিজের বিয়ের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। কিন্তু বিয়ের আগে সে জীবনের সবচেয়ে বড় একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। সে ঠিক করে যাই হোক একবার আমেরিকায় গিয়ে সামান্তার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মনের সব কথা বলে আসবে। সেটার উত্তর সে যাই পাক। তখন বন্ধুরা ইধায়াকে বারবার বোঝাতে থাকে [মিউজিক] সামনের সপ্তাহেই তোর বিয়ে। এখন আর গিয়ে কি বলবি? তখন ইধার শান্ত গলায় উত্তর দেয় ও আমাকে গ্রহণ করুক বা নাই করুক। আমি শুধু একবার নিজের মনের কথাটা বলতে চাই। তারপরেই আমি সৎভাবে আমার নতুন জীবন শুরু করতে

19:58 পারব। আর অবশেষে ইথয়া তার বন্ধুদের নিয়ে আমেরিকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সেখানে গিয়েই বহু বছর পর তার দেখা হয় সামান্থার সঙ্গে। তখন সামান্তা নাসায় একজন বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছে। [মিউজিক] এত বছর পর ইথয়াকে দেখে সামান্তা ভীষণ খুশি হয়ে যায়। সে ভাবে হয়তো কোন ব্যবসায়িক কাজেই ইথয়া আমেরিকায় এসেছে। যার পরের চারদিন দুজন একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। পুরনো স্মৃতিগুলো আবারো যেন নতুন করে জীবন্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু এত কাছাকাছি থাকার পরও ইথয়া একবারের জন্য নিজের ভালোবাসার কথা বলতে পারে না। অন্যদিকে তার বন্ধুরা প্রতিদিনই তাকে সাহস দিতে থাকে। এদিকে সামান্তার মনেও ধীরে ধীরে নতুন এক অনুভূতির জন্ম হয়। সে মনে মনে ভাবতে থাকে জানিনা কেন ইধয়া বারবার আমার জীবনে ফিরে আসে। হয়তো আমিও ওকে ভালোবেসে ফেলেছি। অবশেষে সেই রাতেই সে সিদ্ধান্ত নেয় এবার

20:45 সে নিজেই ইধয়াকে প্রপোজ করবে। [মিউজিক] কিন্তু ভাগ্য যেন আবারও তাদের সঙ্গে নিষ্ঠুর খেলা খেলতে শুরু করে। নিজের ভালোবাসার কথা বলার জন্য যখন সে ইধয়ের রুমের সামনে যায় তখন সে ভেতর থেকে বন্ধুদের কথা শুনে ফেলে। একজন বলছিল, দোস্ত আর মাত্র দুইদিন পরেই তোর বিয়ে। তাড়াতাড়ি সামান্তাকে সব সত্যি বলে দে। বিয়ের নিমন্ত্রণটা দিয়ে দেশে ফিরে যাই। এই কথাগুলো শুনে সামান্তার পৃথিবী যেন এক মুহূর্তে ভেঙে পড়ে। সে সঙ্গে সঙ্গে ঘরে ঢুকে রাগ আর কষ্টে বলে, আমি তোমার উপর বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু তুমি আমার কাছেই এত বড় সত্যিটা লুকিয়ে রেখেছ। এরপর আর এক মুহূর্তও সেখানে না থেকে সে চলে যায়। ইধা তাকে অনেকবার থামানোর চেষ্টা করে কিন্তু এবার সত্যিই অনেক দেরি হয়ে গেছে। তাই ভাঙ্গা মন নিয়ে সে ভারতে ফিরে আসে। [মিউজিক] বর্তমানে ফ্লাইটে বসে সে পুরো ঘটনাটা

21:31 ফাহাদ ফাসেলকে খুলে বলে। সবকিছু শোনার পর ফাহাদ তাকে বোঝায় যা হওয়ার হয়ে গেছে। এখন অতীত ভুলে যাও নিজের হতে যাওয়া স্ত্রীকে [মিউজিক] নিয়ে নতুন জীবন শুরু করো। ভারতে পৌঁছানোর পর ফাহাদকে নিতে বিমানবন্দরে তার স্ত্রী আসেন আর তাকে দেখে ইধার সম্পূর্ণ অবাক হয়ে যায় কারণ তিনি আর কেউ নন তার শৈশবের সেই গীতা ম্যাম গীতা ম্যামওয়াকে চিনে ফেলেন এবং খুব খুশি হয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন তখনই ফাহাদ বুঝতে পারে ফ্লাইটে বসে ইথয়া যে টিচারের স্বামীকে নিয়ে মজা করছিল সেই মানুষটা আসলে সে নিজেই এর কিছুক্ষণ পর ইথয়া বিয়ের মন্ডপে পৌঁছায় কিন্তু তার মুখে বিন্দুমাত্র হাসে নেই সে নিজের মামার কাছে সব সত্যি স্বীকার করে সে জানায় আজও আমার হৃদয়ে শুধু সামান্তের জন্যই ধরফর করে। সব শুনে মামা বলেন, বাবা তুই যদি সুখী না হস তাহলে এই

22:17 বিয়ের কোন অর্থই নেই। তাই তিনি বিয়ে [মিউজিক] থামিয়ে দিতে এগিয়ে যান। কিন্তু ইধয়া তাকে থামিয়ে দেয়। সে বলে আপনার সম্মান আমার কাছে সবচেয়ে বড়। আমি এই বিয়ে করব। [মিউজিক] অন্যদিকে তার বন্ধুরা শেষ চেষ্টা হিসেবে কোনভাবে বিয়েটা বন্ধ করার পরিকল্পনা করতে থাকে। [মিউজিক] ঠিক সেই সময় হঠাৎ করে বিয়ের মন্ডপে এসে হাজির হন ফাহাদ ফাসিল। তবে তিনি একা আসেননি। [মিউজিক] তার সঙ্গে ছিল সামান্তার জমজ বোন সংযুক্তা আসলে গীতা ম্যামের কাছ থেকে ফাহাদ জানতে পেরেছিলেন ছোটবেলায় ইধায়া তার স্ত্রী এবং সন্তানের জীবন বাঁচিয়েছিল তার প্রেগনেন্সির সময় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সেই ঘটনা জানার পর ফাহাদের মনে হয় এত ভালো একজন মানুষের জীবন এভাবে নষ্ট হতে দেওয়া যায় না তাই সে ইধয়ের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় ফাহাদ ইথের মামাকে বলেন যে বিয়েতে বরের মুখেই হাসি নেই সেটা বিয়ে নয় সেটা একটা

23:04 আপোষ এই কথাগুলো শুনে অবশেষে মামাও ইধের মনের কষ্টটা বুঝতে পারেন। তিনি সবার সামনে অদিতি এবং তার পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। অদিতিও তখন অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে সরে দাঁড়ায়। এরপর সবাই ইধয়াকে বলে এবার আর দেরি নয়। এবার নিজের ভালোবাসার কথা বলেই ফেলো। ঠিক তখনই ইথয়া হেসে বলে কিন্তু এতো সামান্তা নয়। এটা তো সংযুক্তা। যেটি শুনে সবাই অবাক হয়ে যায়। তখন ফাহাদ মুচকি হেসে বলে, সামান্তাকে আমেরিকা থেকে নিয়ে আসতে সময় লাগবে। তাই আপাতত তার বোনকে নিয়ে এসেছি। এবার সবাই মিলে ইধায়াকে কথা দেয়। এবার যাই হোক সামান্তার কাছে গিয়েই নিজের মনের কথা বলবি। [মিউজিক] এর এক বছর পরে সামান্তা তখন স্পেস স্টেশন থেকে পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছে। পুরো পরিবার ইথয়াকে উৎসাহ দিয়ে বলে আজ আর কোন অজুহাত নয় [মিউজিক] আজ বলেই ফেল। সামান্তাও মিষ্টি

23:51 হেসে বলে এবার কিন্তু আগে তুমি বলবে। ভিডিও কল শেষ হতে আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি। [মিউজিক] ইধ গভীর শ্বাস নেয়। জীবনে প্রথমবারের মতো সমস্ত সাহস একত্র করে ধীরে ধীরে বলতে শুরু করে আই লাভ। কিন্তু ঠিক তখনই সময় শেষ হয়ে যায়। ভিডিও কল কেটে যায়। তবে তবুও সামান্থের ঠোটে এক টুকরো হাসি ফুটে ওঠে। কারণ পুরো কথাটা না শুনলেও ইধরের চোখের ভাষা পড়তে তার আর একটুও ভুল হয়নি। [মিউজিক] আর এই সুন্দর দৃশ্যের সাথে এই মুভিটি এখানেই শেষ হয়ে যায়।

Share

YouTube Video Summaries