সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ
এই ভিডিওটিতে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা এবং বিজেপির প্রতিক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী থাকাকালীন ভোটার তালিকা নিয়ে সরব ছিলেন, কিন্তু এখন শাসক হয়ে বিরোধিতা করছেন।
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির লোকে ভর্তি বলে অভিযোগ করেছেন।
- বিজেপি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকা থেকে হটানোর কথা বলছে।
- তৃণমূল বলছে, বুথ লেভেল এজেন্টদের (বিএলও) মাধ্যমে যাচাই করে নাম ঢোকানো বা বাদ দেওয়া উচিত।
দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন শুরু হয়েছে, যার তীব্র বিরোধিতা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে বলেছেন, "ইলেকশন কমিশনে পুরো বিজেপির লোক ভর্তি।" মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটার লিস্ট থেকে নাম কাটা এবং গুজরাট থেকে নাম কাটার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি এই লড়াই দিল্লি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বিজেপি পাল্টা অভিযোগ করে বলেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী থাকাকালীন ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতার অভিযোগ করতেন এবং ভুতুরে ভোটার বাদ দেওয়ার দাবি জানাতেন। বিজেপি প্রশ্ন তুলেছে, ক্ষমতায় থাকাকালীন কেন তিনি ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরোধিতা করছেন। বিজেপির একজন নেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দিচ্ছেন এবং ভবিষ্যতে গালিগালাজ করবেন।
বিজেপি ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের হটানোর প্রসঙ্গ তুলেছে। তারা মনে করিয়ে দিয়েছে, বাম আমলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। এমনকি লোকসভার স্পিকারের দিকে কাগজ ছুঁড়ে প্রতিবাদ করেছিলেন।
ভোটার তালিকা নিয়ে বিভিন্ন অসঙ্গতি দেখা গেছে, যেমন একটি এপিক কার্ডে বহু ভোটারের নাম, মৃত মানুষের নাম থাকা, এবং ভুতুরে ভোটারদের অস্তিত্ব। এই কারণে ভোটার তালিকা সংশোধন জরুরি।
তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, বুথ লেভেল এজেন্টদের (বিএলও) পর্যাপ্ত অধিকার আছে এবং তাদের মাধ্যমে যাচাই করে যেন নতুন নাম ঢোকানো বা বাদ দেওয়া হয়। কোনো রকম যাচাই ছাড়া যেন কোনো নাম বাদ না দেওয়া হয়।
রাজনৈতিক তরজার মধ্যে সকলের দাবি, একজনও অনুপ্রবেশকারী যেন ভোট দিতে না পারে এবং কোনো প্রকৃত ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না পড়ে।
Summarize any YouTube video in seconds
Get summaries like this one for any video, in your language, with the free Summ app.
Transcript
YouTube Transcript Generator
0:01 দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন। এরই মধ্যে এই প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। >> ইলেকশন কমিশনে পুরো বিজেপির লোকে ভর্তি। মনে রাখবেন ভোটার লিস্টে নাম কাটে। গুজরাটে বসে বসে এখানকার নাম কাটছে। জেনে রাখবেন এ লড়াই দিল্লি পর্যন্ত যাবে। আর আমি কিন্তু ছেড়ে দেবার লোক নই। পাল্টা বিজেপি মনে করিয়ে দিচ্ছে এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তো বিরোধী আসনে থাকাকালীন বারবার ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতার অভিযোগ করতেন ভুতুরে ভোটার বাদ দেওয়ার দাবি জানাতেন সচেত্র ভোটার পরিচয়পত্রের দাবিতে 1993 সালের 21শে জুলাইয়ের আন্দোলন ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তাতে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন যুব কংগ্রেসের 13
0:47 জনের মৃত্যু হয়েছিল। তাহলে আজ ক্ষমতায় থাকাকালীন সেই মমতা বন্দোপাধ্যায় ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের বিরোধিতা করছেন কেন? প্রশ্ন বিজেপির। >> এতটা এখন অসহায় হয়ে পড়েছে। এখন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। এতো সবে শুরু। এরপরে দেখবেন আপনি কিভাবে ইলেকশন কমিশনের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করতে শুরু করবে। এটাই ওনার নীতি। এটাই উনার ভবিষ্যৎ এবং অতীতের রণকৌশল। >> আজ ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের অন্যতম কারণ হিসেবে বিজেপি ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের হটানোর প্রসঙ্গ তুলে ধরছে। বাম আমলে এই অনুপ্রবেশকারীদের
1:32 বিরুদ্ধেই সরপ হয়ে 2005 সালে লোকসভার স্পিকারের আসন লক্ষ্য করে কাগজ ছুড়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। >> এমনিতেই ভোটার লিস্ট আপনারা দেখেছেন একটা এপিক কার্ডের নাম্বারে 500টা ভোটার। কেন বাংলায় এ জিনিস হবে? >> তাই নানা বহলে প্রশ্ন উঠছে বিরোধী থেকে শাসক হয়েই কি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অবস্থান পাল্টে গেল? >> ভোটার তালিকায় এভারেজে 20 25 জন মৃত মানুষের নাম। এভারেজে এরকম 15, 20, 25, 30 এমন মানুষ যাকে কেউ চেনে না। ভুতুরে ভোট এবং জেনুইন ভোটারের নাম নেই। এক একটা বুথে গড়পর্তা 40 50 60 65 জন করে এরকমের তালগোল রয়েছে। তো কারেকশন তো করতেই হবে। সেই
2:18 কারণে তো রিভিশন। >> পাল্টা যুক্তি দিয়েছে তৃণমূল। >> বুথ লেভেল এজেন্ট তাদের সমপরিমাণ অধিকার বা দায়িত্ব বিএলওদের মতনই যে একটা বুথের কোন নাম নতুন করে ঢুকলো কোন নাম বেরলো তার সরজীবনে তদন্ত। যেটা বলা হচ্ছে ভেরিফিকেশন বলা হচ্ছে কি ম্যানুয়ালে উইদাউট প্রপার ভেরিফিকেশন একটা নামও নতুন ঢোকানো যাবে না কিংবা একটা নামও বাদ দেওয়া যাবে না। >> এই রাজনৈতিক তরচার মধ্যেই প্রত্যেকের দাবি একজনও অনুপ্রবেশকারী যেন ভোট দিতে না পারে আবার একজনও প্রকৃত ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাধ না পড়ে। ঝিলংকরণ জয়
3:03 পার্থপ্রতিম ঘোষ ও অর্ণব মুখোপাধ্যায়ের রিপোর্ট এবিপি আনন্দ