"শাসক ধর্ষকদের পক্ষ নেয়," বিস্ফোরক Dr সুবর্ণ গোস্বামী

বেপরোয়া www.youtube.com

সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ

এই ভিডিওটিতে ডক্টর সুবর্ণ গোস্বামী এবং ডক্টর নিলয় মলুমদার অভয় মঞ্চের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, বিচার পাওয়ার আশা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁরা ধর্ষণের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে নাগরিক সমাজের প্রতিরোধের গুরুত্ব এবং এই সমস্যা সমাধানের জন্য আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

  • অভয় আন্দোলনের এক বছর পূর্তি এবং বিচার পাওয়ার আশা।
  • ধর্ষণের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে নাগরিক সমাজের প্রতিরোধের গুরুত্ব।
  • রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা এবং ধর্ষণের রাজনীতি।
  • সমস্যা সমাধানের জন্য আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা।

ভূমিকা

ডক্টর সুবর্ণ গোস্বামী এবং ডক্টর নিলয় মলুমদার অভয় মঞ্চের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু করেন।

আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও মানুষের অংশগ্রহণ

ডক্টর সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, রাজ্যে যখনই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, তাঁরা প্রতিবাদ করেছেন। মানুষ এখন ভয় কাটিয়ে তাঁদের সঙ্গে পথে নেমেছে এবং সাহস জোগাচ্ছে। তিনি বলেন, মানুষ বুঝতে পেরেছে যে প্রতিবাদ না করলে দেওয়াল থেকে পিঠ ঠেকে যাবে।

সিজিও কমপ্লেক্স অভিযান ও শাসক দলের ভূমিকা

ডক্টর গোস্বামী জানান, তাঁরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চান, কিন্তু শাসক দল বল প্রয়োগ করে। তিনি বলেন, ধর্ষক ও খুনিদের পক্ষ নেওয়া শাসকরাই প্রতিবাদীদের ওপর দমন-পীড়ন চালায়। যদি কোনো অশান্তি হয়, তার জন্য শাসক ও প্রশাসন দায়ী থাকবে।

বিচার পাওয়ার আশা ও পিতৃতান্ত্রিক সমাজ

ডক্টর গোস্বামী বলেন, দেশের বিচার ব্যবস্থা দীর্ঘসূত্রিতার শিকার। বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্যে যারা শাসন চালাচ্ছে, তারা পিতৃতান্ত্রিক এবং লুটপাট চালায়। তারা নারীকে দমিয়ে রাখে এবং ধর্ষণ করে। এই শাসক যতদিন থাকবে, ততদিন কোনো অপরাধের বিচার সম্ভব নয়।

স্বাধীনতা দিবসে রাগ দখলের ডাক

ডক্টর গোস্বামী জানান, ১৪ই আগস্ট রাতে নারীদের মাধ্যমে রাগ দখলের ডাক দেওয়া হয়েছে। মাতঙ্গিনী হাজরার দেশে নারীরাই স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনবে। তিনি বলেন, শাসক তাদের স্বাধীনতা হরণ করতে চাইছে, তাই নারীরাই এর প্রতিবাদ করবে।

রাজনৈতিক দলের ভূমিকা

ডক্টর গোস্বামী বলেন, শাসকরা তাঁদের রাজনৈতিক দল হিসেবে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁরা অরাজনৈতিক আন্দোলন করছেন এবং ধর্ষণের বিরোধিতা করছেন। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসক উভয়ই ধর্ষণের সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক।

ডক্টর নিলয় মলুমদারের মতামত

ডক্টর নিলয় মলুমদার বলেন, আশা না ছাড়লেও খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছেন না। তিনি পার্ক স্ট্রিট ও কাটোয়ার ঘটনার উদাহরণ দেন, যেখানে নাগরিক সমাজ প্রতিবাদ করেও কোনো ফল পায়নি। ল কলেজে ধর্ষণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

কার্যকরী পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা

ডক্টর মলুমদার মনে করেন, মিছিল ও স্লোগানের বাইরে গিয়ে এমন কিছু করতে হবে, যাতে মূল অপরাধীকে সরানো যায়। রোগের মূল উৎপাটন করতে হবে। নাগরিক আন্দোলন যথেষ্ট নয়, এর বাইরে গিয়ে আরও কিছু ভাবতে হবে।

রাজনৈতিক আন্দোলন বনাম নাগরিক আন্দোলন

ডক্টর মলুমদার বলেন, শাসকদল নিজেদের বাঁচাতে যুক্তি দেবে, কিন্তু তিনি শাসক বিরোধী কোনো দলকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তিনি সমাজ থেকে অন্যায় দূর করতে চান।

সিজিও কমপ্লেক্স অভিযান ও ভবিষ্যৎ

ডক্টর মলুমদার বলেন, নাগরিক সমাজের আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা আছে। এই ঘটনার পেছনের ব্যবস্থাপনা উৎপাটিত করতে হবে। যতক্ষণ না মানুষ সঠিক অস্ত্র ব্যবহার করে পুরো ব্যাপারটাকে ছুড়ে ফেলছে, ততক্ষণ এই ঘটনা ঘটতেই থাকবে। শুধু মিছিলে হাত-পা ছুড়ে কোনো লাভ হবে না।

Summarize any YouTube video in seconds

Get summaries like this one for any video, in your language, with the free Summ app.

Download on the Apple Store
Get it on Google Play

Transcript

YouTube Transcript Generator

0:00 আজকে আমাদের সঙ্গে এখানেও রয়েছেন আগামী দিনেও থাকবেন ডক্টর সুবর্ণ গোস্বামী ডক্টর সুবর্ণ গোস্বামীকে ডেকে দিচ্ছি স্যার আমাদের সঙ্গে উপস্থিত আছেন ছিলেন আছেন থাকবেন নামের না অভিনন্দন জানাই যে আপনারা আজকে প্রায় এক বছর ঘটনা তারপরে এই রাস্তার পরে ব্যস্ত রাস্তার পরে আপনারা এসে জমা হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন যেই ঘটনার পরিবার এখন বিষয়টা হল প্রায় এক বছর

0:46 নমস্কার বন্ধুরা আপনারা দেখছেন বেপরোয়া প্রশ্ন হলো সোজাসুজি আমাদের সঙ্গে এখন আছেন অভয় মঞ্চের ডক্টর ডক্টর সুবর্ণ গোস্বামী উনার কাছে কিছু প্রশ্ন থাকবে স্যার প্রথমেই বেপরোয়া চ্যানেলে আপনাকে স্বাগতম স্যার কতটা সাহস জোগাচ্ছে আপনাদেরকে যে এক বছর বাদেও এই আন্দোলনটা করে যাচ্ছেন। দেখুন এক বছর পরে বলে নয় আমরা এ রাজ্যে প্রথম যখন এই ধরনের ঘটনা ঘটে এবং সরকার সরাসরি ধর্ষকদের অপরাধীদের পক্ষ নেয়শিটের ঘটনা পরবর্তীকালে কামরের ঘটনা কবিশংখ ঘোষ প্রয়াত কবিশংখ ঘোষ ডাকে তখন আমরা প্রতিবাদ করেছি। ফলে এমন নয় যে হচ্ছে আমরা আমাদের একটা মেডিকেল কলেজে একজন চিকিৎসকী রয়েছেন বলে প্রথম আমরা রাস্তায় নেমেছি তা নয় দ্বিতীয়ত হচ্ছে

1:32 যে মানুষ এত মানুষ আমাদের সঙ্গে নেমেছেন যেটা অতীতে আমরা পাইনি তার কারণ হচ্ছে মানুষের দেওয়ালে পিঠ থেকে গেছিল পিঠ থেকে যেয়ে গেছিল মানুষ প্রথম দিকে একটু ভয় পেয়ে টুকরেছিল মানুষ এখন ভয় হচ্ছে যে দেওয়ালে পিঠ থেকে গেলে মানুষ দেওয়াল ধরেই ঘুরে দাঁড়ায় সেজন্য দেওয়াল ধরেই মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে মানুষ পথে নেমেছে সমস্ত ভয় কাটিয়ে এবং তারা আমাদের সঙ্গে থেকেছেন তারাই আমাদের অধয় দিচ্ছেন বলছেন যে আপনারা হচ্ছে যে আমরা সঙ্গে আছি আপনারা এ লড়াই ছাড়বেন আশা করছেন সিজিও কমপ্লেক্সে যাচ্ছেন সিজিও কমপ্লেক্সের যে অভিযানটা আপনাদের কাছে খুব মানে শান্তিপূর্ণ কিংবা কিছু হবে শাসকদল যেভাবে প্রত্যেক কটা আন্দোলনকে প্রত্যেক কটা মিছিলকে যেভাবে মানে পুলিশ দিয়ে প্রতিরোধ করার চেষ্টা

2:17 করছেন ভাবছেন যে এরকম প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হবে তার জন্য কি আপনারা প্রস্তুত আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চাই আমরা গণতান্ত্রিক পথে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমাদের সংবিধান মেনে শান্তি মেনে আমাদের যে প্রতিবাদের অধিকার দেওয়া হয়েছে সেই অধিকারটুকু আমরা চর্চা করতে চাই কিন্তু শাসক সেটা চায় না আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ থাকতে দেয় না আমাদের উপরে বল প্রয়োগ করে অকারণে তারা বল প্রয়োগ করে যে শাসক ধর্ষক খুনিদের পক্ষ নেয় সেই শাসকই প্রতিবাদীদের উপরে দাত নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন নামিয়ে আনে ফলে হচ্ছে যে যদি অশান্তিকে কিছু হয় সেটা শাসকের দায়িত্ব প্রশাসনের দায়িত্ব আমাদের অশান্তি বাঁচানোর কোন পরিকল্পনা আমি গত 21শে জুলাই গিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম সবার কাছে যে আপনারা আশা রাখছেন যে বিচার

3:06 পাবেন আমাকে কটাক্ষ করা হয়েছিল যে কেন এই প্রশ্নটা সে সময় করছি কারণ 21শে জুলাই শহীদ দিবস বলে ঘটনা হচ্ছে যে আশা রাখছেন এই বিচার পাবেন দেখুন আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থা দীর্ঘসূত্রে আমাদের দেশের অনেক সমস্যা কিন্তু এই মুহূর্তে যারা কেন্দ্রে এবং রাজ্যে যারা শাসন চালাচ্ছে তারা হচ্ছে চূড়ান্ত পিতৃতান্ত্রিক আদর্শ মতাদর্শ নিয়ে চলে এবং হচ্ছে যে একটা ধান্দার লুট তারা ধান্দার পুঁজিবাদ যদি যেটাকে আমরা বলি ক্যাপিটালিজম তারা হচ্ছে লুট করতে চায় লুট করতে চায় বলে তারা নারীকে বমিয়ে রাখে ধর্ষণ করে তারা বমিয়ে রাখলে এইটা যতদিন এই শাসক থাকবে ততদিন আপনি এই করণ কোন অপরাধের কোন বিচার সম্ভব নয় এইটা

3:53 সবাই আমরা মানুষের গেছি ওই ঘটনার পর অভয়ের ঘটনার পর তারপরেও কসবা কান্ড হয়েছে তাতেও সেই জায়গাতে তারা বলছে বিচার পায়নি অথচ এনারা অন্যভাবে দেখছে আপনারা কি ভাবছেন যে এই বিচারগুলো মানে রাজ্যের পক্ষে ভবিষ্যতে রাজ্যের ভবিষ্যতের পক্ষে কত দেখুন আজকে অভয়ের বিচারের জন্য যখন এত মানুষ রাস্তায় নেমেছেন তারপরেও কিছু মানুষ শাসকের সমর্থনেই ছিলেন তারা রাস্তায় নামেননি তাদের মধ্যে একজন একটা বাড়ির মেয়ে ধর্ষিটা হল কিন্তু আজকে গেল হাসপাতালে অকলে শাসকের সঙ্গে পাগলাই যেন যাপ তা নয় এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে শাসক তার নিজের দলের লোককে ছাড়বে না ছাড়ছে না এটা হচ্ছে যে এটা বুঝতে যত যত বেশি মানুষ

4:41 যতটুকু এটা বুঝতে পারবেন তত মূল এই শাসকের অধীনে কেউ নিরাপদ নয় কেউ নিরাপদ নয় এই কথাটা বুঝতে স্বাধীনতা দিবসের পাঠকালে আপনারা রাগ দখলের আবার ডাক দিয়েছেন। সেই রাগ দখলে কতটা মানুষের সাড়া এক্সপেক্ট করছেন এবং মহিলাগণকে দিয়ে যে আপনারা স্বাধীনতা ফ্ল্যাট উত্তোলন করার চেষ্টা করছেন এই সিদ্ধান্ত না কেন আর কতটা মানুষ এক্সপেক্ট করছেন সেটা কতটা মানুষ মহিলাদের দিয়ে এই স্বাধীনতার পতাকা উত্তম আমাদের নতুন কিছু নয় মাতনী হাজরার দেশের মানুষ যিনি ব্রিটিশের গুলিকে রঙের পতাকাটাকে তুলে রেখেছিলেন হাতছাড়া করে এই মাদক দিনে হাজরার দেশে বিপিলতা বেদারের দেশে বেগম

5:29 রকিয়ার দেশে নারীরা ফসি হবে এই জিনিস চলতে পারে না আমার মাঝি আমার মাসিকদের হবে না সেইজন্যই নারীদের স্বাধীনতা সেটাকে রূপ তুলে রবার জন্যই হচ্ছে 14ই আগস্ট রাতে আবার রাজ্যগণ এবং 14ই আগস্ট রাতের রাত্র 12টাতে হলেই আগস্ট পড়ে যাবে স্বাধীনতার কথাটা বলবেন সর্বত্র মহিলারা ছাত্ররা যুবক যুবতীরা বিদারা যেখানে যারা যত আছেন মহিলা এবং মান্তিক দৈর্নিতার যারা মানুষ জান্স হতে পারেন পূজা হতে পারেন তারা প্রত্যেকে বলছে যে এরা এদের স্বাধীনতাইতো ধর্ম করতে চাইছে শাসক তার বিরুদ্ধে এটা প্রতিবাদ তাদেরকে দিয়েই আমরা পতাকালে তাদের স্বাধীনতা শাসকদল আপনাদেরকে রাজনৈতিক দলে দামি দেওয়ার চেষ্টা করছি এটা চিরকাল শাসকরা

6:15 করে তাদের সুবিধা হয় কিন্তু আমরা বারবার বলছি যে হ্যা আমরা অরাজনৈতিক আন্দোলন করছি শাসক প্রথমে বলছিল যে তোমরা রাজনীতি কেন করছো আমরা বলছি যে ধর্ষণটা তোমরা তোমাদের রাজনীতি আর তার বিরোধিতা করাটা আমাদের রাজনীতি পরে হচ্ছে আমরা রাজনীতিই করছি কিন্তু কোন দলের থেকে নয় আমরা হচ্ছে যে যারা এই কেন্দ্রের শাসক এবং রাজ্যের শাসক উভয়ই ধর্ষণের সংস্কৃতির মানে পৃষ্ঠপোষক তারা আমরা উন্নাও দেখেছি হাতস দেখেছি আমরা মণিপুরে গণধর্ষণ দেখেছি আমরা গুজরাতে বিলস বিলকিস ভানুর দর্শকদের বরণ করা রেখেছি ফলে হচ্ছে যে বাংলায় পাক স্ট্রিট কামধনী থেকে শুরু করে মধ্যমগ্রাম হাসখালি আরজিকর কস ল কলেজ দেখছি ফলে দুই শাসকের বিরুদ্ধে যত মানুষ আছেন তারা সবাই আমরা এই দুই শাসকের মিলিত রাজনীতির বিরুদ্ধে করছি আপনারা

7:02 দেখলেন ডক্টর সুবর্ণ গোস্বামী বললেন যে ধর্ষণ করার রাজনীতি শাসকের এবং ধর্ষণকে বিরুদ্ধে রাখার রাজনীতিটা করছেন ডাক্তাররা এবার এই জায়গাটায় দাঁড়িয়ে থেকে উনারা বড় বড় আন্দোলনের ডাক দিয়েছে আশা রাখব সেই আন্দোলন যাতে সফল হন অভয়ার পায় আমাদের সাথে আছেন এখন সনামধন্য ডাক্তার ডক্টর নিলয় মলুমদার ডাক্তার ডাক্তার প্রথমেই প্রশ্ন যে ডাক্তার বাবু এই যে অভয় আন্দোলনে এক বছরের সামনে একটা হতে চলেছে আশা রাখছেন বিচার পাবেন আশা আমরা কখনোই ছাড়ি না আশা ছাড়লে আমাদের হাতে আর কি থাকবে কিন্তু খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছি তার কারণ যদি আরো একটু আমরা পিছিয়ে যাই তাহলে আমি মনে করিয়ে দেব যে

7:48 পাক স্ট্রিটে একটা ঘটনা ঘটেছিল যে ঘটনায় তথাকথিত নেতারা বলেছিল যে খোজার কথা বলেছিল নেতারা বলেছিল যে এটা একটা ফুটবলের সাথে কোন একজন প্রফেশনাল লোকের একটা বোঝাপড়ার অভাবের ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছিল তারপরে কাটোয়ায় একটা ঘটনা ঘটেছিল তারপরে একটা ঘটনা ঘটেছিল প্রত্যেকটা ঘটনার পরেই নাগরিক সমাজ গরজে উঠেছিল রাস্তায় নেমেছিল মিছিল করেছিল প্রতিবাদে মুখর হয়েছিল মানুষ তারপরে আরো অনেকগুলো বছর পার হয়ে গেছে। আর অনেক জল বয়ে গেছে। দেখতে দেখতে আমরা গত বছর এসে দেখলাম যে আজ বিকালে এরকম একটা নিঃশংস হত্যাকাণড ঘটলো। যেখানে একজন এমডি পিজিটি

8:34 স্টুডেন্ট সে তার নিজের কর্মক্ষেত্রে নিঃশংসভাবে তাকে ধর্ষণ হতে হল এবং ফিন হতে হল। আমরা তারপরেও প্রচুর আন্দোলন করলাম। রাস্তায় অন্তত 1000 মিছিল মানুষ দেখেছে। ছাত্রছাত্রীরা দিনের পর দিন অনুষ্ঠানে এসেছিল। একটা সময় গিয়ে মনে হয়েছিল যে এই জিনিসটা কোথায় কোথাও একটা নাড়া খাবে। কোথাও একটা বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু কোন কিছুই থাকেনি। গত মাসেই আমরা দেখলাম যে ল কলেজে একটা পরীক্ষার একটা স্টুডেন্টকে একই রকমভাবে ধর্ষণের শিকার হতে। তার মানে ধর্ষণ খুন এই ধরনের ঘটনাগুলো এবং মানুষের কালচার এই ঘটনাগুলো কোনটাই বন্ধ হচ্ছে না। অতএব সমাজ যতই আন্দোলন করি আমরা যতই মিছিল করি যতই মিছিল করি যতই স্লোগান দিই। অতএব

9:22 আমাদেরকে এমন একটা কিছু রাস্তা ভাবতে হবে যেটা মিছিল এবং স্লোগান এই ধরনের নাগরিক প্রতিবাদের বাইরে গিয়ে আমাদের একটা কিছু করতে হবে যাতে মূল লোকটাকে অপসারণ করতে পারে। মানে কারো যদি মাথা ব্যথা হয় তাহলে তাকে একটা মাথা যন্ত্রণার ওষুধ দিলাম। তাহলে প্রতিদন্তনার ওষুধ দিলাম। সেইটা দিয়ে মূল চিকিৎসাটা হচ্ছে না। সমাজ থেকে এই রোগটাকে দূর করতে গেলে এটাকে মূলচ্ছেদ করতে হবে। রোগের প্রতি চিকিৎসা করতে হবে। সেইটার জন্য আমাদেরকে সবাইকে ভাবতে হবে। এই নাগরিক আন্দোলনকে আমি কিছুটা বলে মনে করছি। কিন্তু এটা সত্তা নয়। এর বাইরে কিছু একটা আমাদেরকে ভাবতে হবে। সমলে উৎপাদন করতে হবে এই। স্যার আপনার এই বক্তব্যের মধ্যে শোনা যাওয়ার তিনজন নাগরিক আন্দোলন কিন্তু শাসক তারা বলতে চাইছে আপনারা রাজনৈতিক আন্দোলন করছেন এ বিষয়ে কি বলবেন

10:08 দেখুন যখন কোন আন্দোলন হচ্ছে কোন ঘটনা ঘটছে সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে শাসকদলের বিরুদ্ধেই তো আন্দোলনগুলো উঠছে এবং শাসকদল তো নিজেকে বাঁচাবার জন্য তার যে যুক্তি সে যুক্তিগুলো অবহনা করবে সেটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি না আমি শাসক বিরোধী কোন দলকেই কোন গুরুত্ব দিচ্ছি না আমি চাই সমাজকে থেকে অন্যায় দুরভিত সমাজ থেকে এই অন্যায় দুর্ভিত হতে গেলে যেটা করতে হবে আমাদেরকে সেটাই করতে হবে আগামীদিন সিজিও কমপ্লেক্সে আপনারা অভিযানের ডাক দিয়েছেন ডাক্তার সমাজ অহ মঞ্চ থেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডাক দিয়েছে সেই সিজিও কমপ্লেক্সের যে অভিযানটা আপনারা মনে করছেন শান্তিপূর্ণ হবে দেখুন নাগরিক সমাজ তার আন্দোলন তার আন্দোলনের একটা সীমাবদ্ধতা আছে সে কখনোই

10:55 সেই আন্দোলনকে সেই ধন্য জায়গায় নিয়ে তে পারে না। কিন্তু নাগরিকের হাতে মানুষের হাতে নাগরিক এবং মানুষের হাতে যেটা আছে সেই অর্থটাকে তাকে প্রয়োগ করতে হবে। এই কান্ডগুলোর পিছনে যদি ঠান্ডা মাথায় ভাবা যায় যে একটা ব্যবস্থাপনা কাজ করছে সেই ব্যবস্থাপনাটাকে সময়ে উৎপাদন করতে হবে। যতক্ষণ না সেটা সময় উৎপাটিত হচ্ছে মানুষের হাতে যে অস্ত্রটা আছে সে অস্ত্রটাকে মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে প্রয়োগ করে পুরো ব্যাপারটাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত এই ঘটনা কিন্তু একের পর এক ঘটেই চলবে আমরা শুধু মিছিলে গিয়ে হাত পা ছুড়ব আশা রাখছেন শেষ বিচারটা সুবিচারটা এই আন্দোলন আপনাদেরকে এনে দিতে পারবে যতক্ষণ না মানুষ সমলে উৎপাদন করার

11:41 রাস্তায় এবে ততক্ষণ এইভাবে আন্দোলন করে এইভাবে মিছিল করে হাত পা ছুড়ে কোন ফল লাভ করা যাবে না। আপনারা শুনলেন সন্য ডাক্তার ডক্টর নিলাই মজুমদারের বক্তব্য বেপর চ্যানেলে প্রশ্ন করে সোজাসুজি নিরপেক্ষভাবে।

Share

YouTube Video Summaries