সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ
এই ভিডিওটিতে ইউটিউবে ভাইরাল হওয়া ভিডিও তৈরি করার পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। এখানে মূলত একটি গল্প ব্যবহার করে কিভাবে ছবি তৈরি করতে হয় এবং সেই ছবিগুলোকে ভিডিওতে রূপান্তরিত করে কিভাবে ভিউ পাওয়া যায়, সেই বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে।
- ইউটিউব থেকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওর গল্প কপি করা।
- চ্যাট জিপিটি (ChatGPT) ব্যবহার করে সেই গল্পের ওপর ভিত্তি করে নতুন গল্প তৈরি করা।
- প্রতিটি দৃশ্যের জন্য ছবি তৈরি করা।
- গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio) ব্যবহার করে ছবিগুলোকে ভিডিওতে রূপান্তর করা।
- Eleven Labs ব্যবহার করে ভয়েস ওভার তৈরি করা।
- ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যমে ভিডিওটিকে আকর্ষণীয় করে তোলা।
ভাইরাল ভিডিও তৈরির ধারণা
বর্তমানে ইউটিউবে কিছু ভিডিও খুব দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে দেখা যায় একটি বানর বরফের স্পর্শ দিয়ে একজন মানুষকে শান্ত করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের ভিডিওগুলো মিলিয়ন ভিউ পাচ্ছে এবং অল্প সময়ে একটি চ্যানেল প্রায় ২০,০০০ সাবস্ক্রাইবার অর্জন করেছে। এই ভিডিওগুলি তৈরি করা খুব সহজ।
গল্প নির্বাচন এবং সংগ্রহ
এই ধরনের ভিডিও তৈরি করার জন্য প্রথমে একটি গল্পের প্রয়োজন। গল্পের জন্য অন্য কোনো ভাইরাল ভিডিওর গল্প কপি করা যেতে পারে। এরপর ইউটিউব ট্রান্সক্রিপ্ট (YouTube Transcript) ব্যবহার করে সেই ভিডিওর স্ক্রিপ্ট বের করে নিতে হবে।
নতুন গল্প তৈরি করার কৌশল
যদি একই গল্প ব্যবহার করতে না চান, তাহলে চ্যাট জিপিটি (ChatGPT) এর মাধ্যমে সেই গল্পের ওপর ভিত্তি করে নতুন এবং ভিন্ন ধরনের গল্প তৈরি করা যেতে পারে। চ্যাট জিপিটিকে একই ধরনের ১০টি আলাদা গল্প তৈরি করতে বললে, এটি নতুন গল্প তৈরি করে দেবে।
দৃশ্যের জন্য ছবি তৈরি
গল্প তৈরি করার পর, চ্যাট জিপিটিকে (ChatGPT) সেই গল্পের প্রতিটি দৃশ্যের জন্য ছবি তৈরি করতে বলতে হবে। চ্যাট জিপিটি প্রতিটি দৃশ্যের জন্য আলাদা ছবি তৈরি করে দেবে, যা ভিডিওতে ব্যবহার করা যাবে।
চ্যাট জিপিটি থেকে ছবি তৈরি
চ্যাট জিপিটি থেকে ছবি তৈরি করার জন্য প্রথমে ডাল-ই (Dall-E) ওয়েবসাইটে যেতে হবে। তারপর একটি প্রম্পট (prompt) ব্যবহার করে ছবি তৈরি করতে হবে। চ্যাট জিপিটি একটি জিমেইল আইডি (Gmail ID) থেকে দিনে তিনটি ছবি তৈরি করতে পারে, তাই একাধিক জিমেইল আইডি ব্যবহার করে অনেক ছবি তৈরি করা যেতে পারে।
ছবি থেকে ভিডিও তৈরি
ছবিগুলোকে ভিডিওতে রূপান্তর করার জন্য গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio) ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে গুগল এআই স্টুডিওতে গিয়ে ছবি আপলোড (upload) করতে হবে এবং ভিডিওর রেশিও (ratio) নির্বাচন করতে হবে। এরপর ছবিগুলোকে ভিডিওতে রূপান্তর করতে হবে। একটি জিমেইল থেকে দিনে চারটি ভিডিও তৈরি করা যায়, তাই একাধিক জিমেইল ব্যবহার করে অনেক ভিডিও তৈরি করা সম্ভব।
ভয়েস ওভার তৈরি এবং ভিডিও সম্পাদনা
ভিডিওর জন্য ভয়েস ওভার (voice over) তৈরি করার জন্য Eleven Labs ব্যবহার করতে হবে। Eleven Labs-এ গল্পটি পেস্ট (paste) করে ভয়েস তৈরি করে ডাউনলোড (download) করতে হবে। এরপর ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার যেমন ভিএন (VN) ব্যবহার করে ভিডিও ক্লিপগুলো যুক্ত করতে হবে, ভয়েস ওভার যোগ করতে হবে এবং ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক (background music) দিয়ে ভিডিওটি আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে।

