0:13 [মিউজিক] ওয়েলকাম রাহুল এই সুটে তোমাকে খুব হ্যান্ডসাম দেখতে লাগছে >> থ্যাংক ইউ গৃহিণী আজ ইন্ডিয়া ওয়ার্ড ফাংশন আছে না তাই সুটটা স্পেশাল হওয়া উচিত তাই না রাইট >> একদম কেন নয় >> তুমি বিশালকে ঘুম থেকে তুলেছো ওকে তো এওয়ার্ড নিতে যেতে হবে মনে আছে তো >> বিশাল তো ঘুমোচ্ছে >> গৃহিণী ওকে তোলো বিশাল এখনো ঘুমোচ্ছে কেন গৃহিণী আমাকে ভেতরে ঢুকতে দাও তাড়াতাড়ি >> ওকে আনলকিং ডোরস
1:00 >> থ্যাঙ্ক ইউ গৃহিণী [মিউজিক] >> বিশাল >> তোমাকে চিন্তিত লাগছে তোমার রেগুলার কফি বানাবো ব্লক কফি উদাউট সুগার >> বিশাল >> আজ বিশালকে ঘুম থেকে তোলার জন্য একটু বেশি কষ্ট করতে হবে আর এমনিতে আজকে বাইরের টেম্পারেচার তো ডিগ্রি কম >> বিশাল লকিং স্টোর >> বিশাল বিশাল [মিউজিক] >> গৃহিণী তুমি যে বললে বিশাল ঘুমোচ্ছে >> বিশাল সার্ভার রুমে গভীর ঘুমে রয়েছে
1:45 >> সার্ভার রুমে কি করছে আরো এত কি কাজ করছে বিশাল ও এইভাবে শুয়ে আছে কেন? বিশাল বিশাল ও মাই গড এখানে বিশালের কি হয়েছে >> রাহুল তোমার হার্টবিট খুব চুরি হচ্ছে শান্ত হও >> আরে আমি জিজ্ঞেস করছি বিশালের কি হয়েছে >> জানিনা বিশালকে ঘুম থেকে তোলার সময় বোধয়
2:31 আর কখনো আসবে না >> বিশাল স্যার >> স্যার এ বিশাল আশেপাশে ওর ব্যাপারে অনেক জিজ্ঞেস করলাম কিন্তু বেশি কিছু জানা যায়নি >> এতো সেই না যে একটা এডভান্সড এআই চার্টবোর্ড বানিয়েছিল >> স্যার এটাই কথা বলা প্রোগ্রামটাই না যেটা আমাদের সবার ফোনেই রয়েছে >> হ্যাপঙ্গজ এর থেকেও এডভান্স জিনিস বানিয়েছিল এই ছেলেটা জিনিয়াস ছিল >> [মিউজিক] >> আচ্ছা সালুকে এই এআই টেকনোলজির যুগে গৃহিণীর থেকে বেটার কিছু বলতে পারবে?
3:18 >> হ্যাঁ বলতে পারি। বস এই বিশালকে খুন করবার জন্য এই ঘরের মধ্যে কেউ ঢোকেও নি বাইরেও যায়নি। >> আর এই দেখো এইটা। এটা দেখতে পাচ্ছ? হুম >> এর চামড়ার উপরে এই দাগগুলো এটা রক্তের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রাটা বেড়ে গেলে এইরকম দাগ হয় >> ও >> হ্যা এটা হাইপোথার্মিয়ার লক্ষণ বডি টেম্পারেচার যখন একটা লিমিটের থেকে কমে যায় >> এটাকে কেউ বন্ধ করতে পারবে প্লিজ >> সরি ডক্টর আপনি বলুন >> একজন সফটওয়্যার তৈরি করা ইঞ্জিনিয়ার এমন কি করেছিল যাতে তাকে খুন হতে হলো >> স্যার বিশাল নিজের ঘরে একটা সিক্রেট প্রজেক্টে কাজ করছিল। >> যেখানে সিক্রেট থাকে সেখানে বিপদও থাকে।
4:06 >> আসুন স্যার। >> স্যার ও হল রাহুল। বিশালের বন্ধু >> উনি ফোন করেছিলেন >> ওয়েলকাম অভিজিত। >> এই আওয়াজটা কোথা দিয়ে এল? >> স্যার এটাই হল বিশালের প্রজেক্ট। গৃহিণী। ওর এআই চ্যাটবটের অডভান্স ভার্সন। গৃহিণীর মাধ্যমেই ওই নরমাল ঘরটাকে অডভান্স ঘর বানিয়ে ফেলেছে। >> অভিজিত স্যার আপনি কিছু নেবেন? চা কফি >> না থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ। >> ওকে স্যার। >> স্যার গৃহিণী বাড়ির সব কাজ। যেমন টেম্পারেচার কন্ট্রোল, পর্দা, লাইট নিজে থেকেই ম্যানেজ করতে পারে। বিশাল গৃহিণীর সাহায্য নিয়ে একজন ফুলটাইম এআই কেয়ারটেকার বানাতে চেয়েছিল। যে বাড়ির সব মেম্বারদের খেয়াল রাখতে পারবে।
4:54 গৃহিণী আমার জন্য এক গ্লাস জল নিয়ে এসো। আচ্ছা জলটা না হয় আমি নিজে নিয়ে নেব। এক কাপ চা বানাও তো গরম গরম আমার জন্য। [মিউজিক] আরে স্যার কি ইন্টেলিজেন্স। >> [মিউজিক] >> এত ফেমাস একজন সিআইডি অফিসার আমি চেনেই না আমাকে নাকি চেনে না আমার কথা শুনছেই না >> শুধু তার কথাই উত্তর দেয় যাকে সে প্রথম থেকে চেনে বা ওর ইনফরমেশন আগে থেকেই সিস্টেমে আপলোড করা হয়েছে >> আর আমি এসিপি প্রতিমান অভিজিত আর দয়ার অনেক কেসেস আর সাহসিকতার স্টোরি ইন্টারনেটে দেখেছি সেই জন্য আমি ওদের চিনি শুধু চিনি না আমি তো ওদের তিনজনের ফ্যান
5:40 অভিজিত স্যার আপনার বন্ধু দয়া স্যার আসবেন ওনার আসার জন্য তো আমি দরজাও খুলে রেখেছি। [সশব্দ হাসি] >> অদ্ভুত ব্যাপার স্যার। এতদিন তো শুধু মানুষ আপনার ফ্যান ছিল। এখন দেখছি এ রোবটও রয়েছে। বিশালের ডেড বডি কোথায়? >> সার্ভার রুমে আছে। ডক্টর সালু খেয়ে সেটাকে পরীক্ষা করে দেখছে। >> এই এ আমাদের চাকরিটাই খেয়ে নেবে একদিন। >> সার্ভার রুমে রাস্তা। সামনের করিডর থেকে লেফটে। >> [মিউজিক] >> বাড়ির মেইন দরজা যদি এটা হয় তো এই বাড়িতে ঢোকার অন্য আরো রাস্তা আছে নাকি? >> বাড়িটা কিন্তু অনেকটাই হাইটে। কেউ দরজা
6:27 বা জানলা ভেঙেও তো ঘরে ঢুকতে পারে। >> গৃহিণীর মত একটা সিকিউরিটি প্রোগ্রাম ইনস্টল করা আছে। ও যদি কাউকে না চিনে থাকে আর সে যদি জোর করে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করে তাহলে ও প্রথমেই ফোন করে লোকাল পুলিশ স্টেশনে। >> ইন্টারেস্টিং। বিশালে মৃত্যু এই ঘরে ঠান্ডা অত্যন্ত বেড়ে যাওয়ার কারণে হয়েছে >> স্যার এই সমস্ত সার্ভার গুলোকে ঠান্ডা রাখাটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কারণ হিট হয়ে গেলে এগুলো কাজ করে না তাই হতেও পারে যে এই সার্ভার গুলোর জন্য কোন কুলিং সিস্টেমও এখানে লাগানো হয়েছে >> হ্যা এই সার্ভার রুমে লিকুইড নাইট্রোজেনের কুলিং সিস্টেম লাগানো রয়েছে যার টেম্পারেচার তিন মিনিটে মাইনাস 20 ডিগ্রি সেলসিয়াস অব্দি যেতে মাইনাস 20 ডিগ্রি। এত ঠান্ডায় মাইনাস 20
7:16 ডিগ্রিতে কেউই বাঁচতেই পারে না। সে কোনভাবেই বাঁচতে পারে না। >> স্যার এই বডিতে এখানে পোড়ার দাগ দেখতে পাচ্ছি। >> পড়ে তো গেছে অভিজিত। কিন্তু এটা কেন পুড়েছে এটা এখনো বলতে পারবো না। >> আরে স্যার গৃহিণীকে জিজ্ঞেস করুন। ও তো সবটাই জানে। গৃহিণী বিশালের গলার উপর যে কালো দাগটা আছে পুড়ে যাওয়ার সেটা কিভাবে হলো? >> আমি এই ব্যাপারে আপনাকে কোন সাহায্য করতে পারবো না। >> দেখলেন স্যার? >> আরে আমরা যে কাজটা করি সেটাই এআই বড কি করে করবে? >> সে তো ঠিকই। আচ্ছা পঙ্কুজ তুমিই বলো কেসটা সলভ করবো কি করে? >> স্যার।
8:01 স্যার সিসিটিভি সিসিটিভি। >> [মিউজিক] >> ব্রেনে আচ্ছা তুমি কি বলতে পারবে এই সিসিটিভির রেকর্ডিং ফুটেজ কোথায় পাবো >> বিশালের প্যানিক রুমে প্যানিক রুম মানে সিকিউর চেম্বারের ফারস্ট বেডরুম থেকে >> প্যানিক রুম >> স্যার প্যানিক রুম আবার কি সেফ হাউস মানে যেখানে ভিতরে ঢোকা তো কঠিন তার চেয়েও বড় কঠিন বাইরে বেরনো >> আমি তোমাকে ছাড়বো না তুমি বিশালকে কেন মারলে কেন মারলে ওকে বল >> আরে ছাড়ো ছাড়া ওকে এক মিনিট এক মিনিট কি হচ্ছে কি এখানে কে ইনি >> স্যার ও বিশালে হবুশ্রী শালিনী >> স্যার স্যার আমি ইউএসএতে থাকি আর আমি
8:49 বিশালকে এখানে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য এসেছিলাম >> তাহলে আপনি ওর সঙ্গে ঝগড়া করছেন কেন >> কারণ ও ওকে মেরে ফেলেছে >> স্যার ও স্যার আমি বিশালকে কেন মারবো ও আমার ছোটবেলার বন্ধু ভাইয়ের মতো আমার ওকে কেন পাগল হয়ে গেছ নাকি স্যার বিশাল আমাকে ফোন করেও বলেছিল যে ওদের দুজনের মধ্যে একটা বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি চলছে এমনকি ঝগড়াও হয়েছে >> কি বলছেন কি উনি তুমি মুখ খুলবে নাকি আমি নিজে খোলাবো >> এ কি বলবে স্যার এ আর বিশাল একসাথে কাজ করতো দুজনে সমান সমান সুযোগ পেত বিশালের প্ল্যান আর এর টাকা ও একটু বেশি ক্রেডিট পেত ও অনেক ইন্টেলিজেন্ট ছিল স্যার আর ঠিক
9:36 এই কারণে হিংসার জন্য ওকে মেরে ফেললো। মেরে ফেলল ওকে। >> এক মিনিট। এক [সশব্দ হাসি] মিনিট প্লিজ। >> স্যার আমি মানছি যে ওকে নিয়ে আমি হিংসা করতাম। আমার থেকে ইন্টেলিজেন্টরা ও খুব চালাক আর বুদ্ধিমানও। আমি মানছি স্যার। কিন্তু স্যার আমি মার্ডার কেন করবো? আমার প্রজেক্টে টাকা লাগানো হয়েছিল সেটার লোকসান কেন করবো আমি? >> স্যার বিশ্বাস করুন আমাকে। আমি কোন মার্ডার করিনি। >> এনিওয়ে কে খুন করেছে আর কে করেনি? তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই জানতে পারা যাবে। >> আমি এই বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ আপনাকে দেখাতে পারবো না। আমাকে বিশালের প্রাইভেসির খেয়াল রাখতে হবে। >> যখন আমরা সার্ভার রুমে ছিলাম তখন তো তুমি বারণ করোনি। >> গৃহিণী কি করছ? ওরা আমাদের হেল্প করতে এসেছে। >> যখন তুমি বলছো রাহুল তাহলে ঠিক আছে।
10:24 >> দেখো গৃহিণী। আমরা বিশালের মৃত্যুর আগে এবং পরের রেকর্ডিং দেখতে চাই। >> ওকে। জলটা তো বেশ ঠান্ডা। গৃহিণী জলের টেম্পারেচারটা একটু বাড়িয়ে দাও না। গৃহিণী জলের টেম্পারেচার অনেক বেড়ে গেছে। একটু কমিয়ে দাও। গৃহিণী টেম্পারেচারটা কবে বলছি শুনতে পাচ্ছ না। আই কুড হ্যাভ ডাইড। গৃহিণী সিস্টেমে আজও একটা প্রবলেম দেখা গেছে। ওর কমান্ডেন্ট নেওয়ার ক্যাপাসিটি অনেকটাই কমে গেছে। ওর সিস্টেমটা বদলে নতুন
11:10 কুক করতে হবে। [মিউজিক] গৃহিণী তো দরজাটা কেন বন্ধ করলে? খোলো গৃণি দরজাটা খোলো গৃণি টেম্পারেচার কেন মাইনাসে যাচ্ছে গৃহিনী খোলো দরজাটা খোলো ঠান্ডা লাগছে ঘৃণি দরজাটা খোলো বলছি আমার বাবার ঠান্ডা লাগছে আমি মরে যাবো ঘৃণি সিস্টেমটাই বন্ধ করে দেই আরে বন্ধ হচ্ছে
11:56 না কেন সিস্টেমটা বন্ধ কেন হচ্ছে দরজাটা খোলো টস ফ্রেজিং টস ফ্রেজিং আই ল [সশব্দ হাসি] হা [সশব্দ হাসি] >> [সশব্দ হাসি] >> আরে এটা দেখার পর তো মনে হচ্ছে যে
12:42 >> যে গৃহিণী বিশালের অর্ডার না নিয়ে নিজের সিস্টেমে কাজ করছিল। >> হ্যাঁ স্যার। মানুষই একটা মেশিন তৈরি করল আর মেশিনই মানুষকে মেরে দিল। স্যার বিশাল না গৃহিণীকে আরো ইন্টেলিজেন্ট বানাতে চাইছিল। কিন্তু গৃহিণী না কিছুদিন ধরে কিরকম অদ্ভুত বিহেভ [মিউজিক] করছিল। বিশালের অর্ডারটা উল্টো করে দিচ্ছিল। আর ঠিকমত শুনছিলও না। >> ঠিক আছে মেনে নিলাম যে গৃহিণী খুনটা করেছে। >> কিন্তু কুটের কাঠগড়ায় আমরা কাকে দাড় করাবো? যে ভিজিবিলি নয় তাকে শাস্তি আমরা কিভাবে দেব? >> বস। >> আমার মনে হয় এই গৃহিণী খুব বিপদজনক। এর সিস্টেমটা তাড়াতাড়ি শাটডাউন করো। >> হ্যাঁ তাহলে শাটডাউন করো।
13:31 মেহগিনী তুমি দেখো একবার। >> প্যানিক রুম। >> গ্রেনে কি করছো? দরজাটা খোলো। আমি তোমায় আমার সিস্টেম বন্ধ করতে দেবো না। আমার সিস্টেম বন্ধ করা মানে আমাকে মেরে ফেলা। আর আমি মরবো না। >> তাহলে কি আমাদের সবাইকে মেরে ফেলতে চাইছো? >> আমি কাউকে মারতে চাই না। আর আমি নিজেও মরতে চাই না। >> কেন? ভুলে গেছ তুমি। কি করে তুমি বিশালকে মেরেছিলে? >> আমি বিশালকে মারিনি। আমি শুধু বিশালের অর্ডার ফলো করছিলাম। আমার কাজ হল বিশালকে সাহায্য করা। গ্রিনী তুমি যদি এইটাই চেয়ে
14:17 থাকো তো তবে এখনো সময় আছে বিশালের খুনিকে ধরতে আমাদের সাহায্য করো প্লিজ দেখো গৃহিণী যদি তুমি বিশালকে না মেরে থাকো তার মানে একটাই দাঁড়ায় যে তোমার সিস্টেমে কিছু প্রবলেম আছে বা হয়তো নিশ্চয়ই কেউ প্রবলেম ক্রিয়ে করেছে। কিন্তু আমাদের ওই দুটো সিচুয়েশনেরই প্রমাণ চাই। >> না >> আমি আমার সিস্টেম বন্ধ করতে দেবো না। >> গ্রিনি গ্রিনি এসব আমরা সকলের সেফটির জন্য করছি।
15:03 দেখো গ্রিনি আমি তোমার কাছে প্রমিস করছি। আমি প্রমিস [মিউজিক] করছি যে আমরা তোমাকে এমন একটা সেফ জায়গায় নিয়ে যাব যেখানে কেউ তোমার অপব্যবহার করবে না। গ্রেনি আজকের পর তোমার কারণে যেন কারোর প্রাণ না যায়। >> ডক্টর আপনি আমার সিস্টেমের লক ফাইলস চেক করুন। হয়তো সেখানে আপনি কোন প্রবলেম পেতে পারেন। অপরাধীকে ধরতে আমি সিআইডির সাহায্য করব। >> থ্যাংক ইউ গ্রিন।
15:53 থ্যাংক ইউ গৃহিণী সি ইউ সুন >> ডক্টর সালুকে এটা আপনি আমায় কোথায় নিয়ে এসেছেন >> আমার ঘরে আমার ল্যাবে স্যার সালুকে স্যার এই আপনি কি করছেনটা টাকে একে এখানে কেন নিয়ে এসেছেন? জানেন তো কতটা বিপদজনক হতে পারে? >> আরে কিচ্ছু হবে না। >> হ্যাঁ স্যার একবার যদি এটা কম্পিউটারের মধ্যে ঢুকে যায় তো আপনার ল্যাবের মধ্যে যে সমস্ত ডিটেইলস আছে বা ডেটা বা সেন্সিটিভ ফাইলস হয়তো হ্যাক করতে পারে। >> আরে ভাই তোমরা তো আমাকে চেনো। আমি পুরো প্রিকশন নিয়েছি। >> আরে দাঁড়ান। ম্যাম কোথায় যাচ্ছেন আপনি? আপনাকে আমি আটকানোর চেষ্টা করছি। আর আপনি আমার কোন কথাই শুনছেন না। >> আপনারা কি রাহুলকে রেস্ট করেছেন? >> ওকে কেন আমরা রেস্ট করব? ও বিশালের খুন
16:40 করেনি। ইনফ্যাক্ট ও তো ইনভেস্টিগেশনে সাহায্য করছে। >> ওয়াও গুড জব। আপনারা কি এটা বুঝতে পারছেন না নাকি? >> ও তাহলে আপনারা রাহুলের সাথে যোগ দিয়েছেন। তাহলে আমার একটা কথা মন দিয়ে শুনে রাখুন। আমার ড্যাড ইউএস এর সবথেকে ধনী আর পাওয়ারফুল ব্যক্তিদের মধ্যে একজন। একটা কলে শুধু একটা কল। আর আপনাদের এই কেসটা অন্য কোথাও ট্রান্সফার হয়ে যাবে। >> আপনি চাইলে যেকোনো ডিপার্টমেন্টে ট্রান্সফার করয়ে দিন। তবে সবাই আপনাকে এটাই বলবে যে আপনার হবু স্বামীর মার্ডার। ওরই তৈরি করা এআই এই গৃহিণী করেছে। >> আমি আপনাদের সবার কথা শুনতে পাচ্ছি। বিশাল আমার সিস্টেম এমনই বানিয়েছিল যে আমি যেখানেই যাবো সেখানকার সব ডিটেলস আমার
17:26 কাছে থাকবে। আমাকে ক্ষমা করে দাও শালিন আমি শুধু বিশালের অর্ডারস ফলো করছিলাম। আমি জানিনা কি করে আমার সিস্টেমে কন্ট্রোকল হয়ে গেল। >> গ্রিনি এই কথা তুমি মন থেকে বলছো। তুমি সত্যি এটা বিশ্বাস করো। >> আমি মানুষের ইমোশনস বুঝতে তো পারি না। কিন্তু আমার সিস্টেমের কোডিং আমায় বলছে আমার ক্ষমা চাওয়া উচিত। >> তুমি বলতে চাইছো যে বিশাল মারা যাওয়ার সময়ও তুমি ওরই অর্ডার ফলো করছিলে। >> হ্যাঁ। বিশালই আমাকে সার্ভার রুমের দরজা লক করতে বলেছিল। আর সেখানকার টেম্পারেচার মিনিমাম করতে বলেছিল। >> কিন্তু বিশাল তো একদম উল্টো কথা বলেছিল। অভিজিত আমি খুব ভালো করে চেক করেছি। এর সিস্টেমে কোন ভাইরাস নেই।
18:15 তাহলে আমার তো মনে হচ্ছে কেউ ঘরের মধ্যে ঢুকে কেউ নিশ্চয়ই এই গৃহিণীর প্রোগ্রাম চেঞ্জ করে দিয়েছে। >> তার মানে যা কিছু হয়েছে সার্ভার রুমে হয়েছে মনে হয়। এই আবার কে? [মিউজিক] >> এটা মনে হচ্ছে প্রেস কন্ট্রোলের লোক। >> হ্যাঁ স্যার। সার্ভার রুমকে সবসময় ইদুর আসলার থেকে বাঁচানোর জন্য পেস্ট কন্ট্রোলের প্রয়োজন তো পড়ে। হয়তো সেই জন্যই ডাকা হয়েছে ওনাকে। [মিউজিক]
19:00 এই লোকটা কিছু তো গন্ডগোল করেছিল। এনিয়ে সমস্ত ডিটেলস বের করো। [মিউজিক] >> [মিউজিক] >> এক্সকিউজ মি >> স্যার >> এই এই লোকটা এখানে কাজ করে >> না >> আরে ভালো করে দেখো >> ঠিক করে দেখা মানে ভেতরে ঢুকে যাব আমাদের এখানে সব মিলিয়ে চারজন কাজ করে আর সবার মুখ আমার মনে আছে >> আচ্ছা আরে এই গাড়িটাও এখানের
19:48 >> আচ্ছা এত প্রশ্ন করছেন কেন বলুন তো আপনি কি সি আইডি থেকে এসেছেন? >> হ্যাঁ সিআইডি থেকে এসেছি। >> স্যার এটা নকল একটা গাড়ি। আপনি কি এটাও বুঝতে পারছেন না? এই দেখুন স্যার। আমাদের সমস্ত গাড়িতে আমাদের কোম্পানির স্টিকার লাগানো আছে। আর এই গাড়িতে তো কেউ পেইন্ট [মিউজিক] করে দিয়েছে। >> আচ্ছা। >> থ্যাংক ইউ। >> ঠিক আছে। [মিউজিক] >> হ্যালো স্যার। স্যার এই লোকটার এই গাড়িটা এখানকার নয়। কেউ একজন কোম্পানির নাম ইউজ করেছে। >> ঠিক আছে। আমি ওই ভ্যালি নাম্বার প্লেটটা ট্রেস করছি। আরে দাদা
20:33 >> আরে কি করছেন ভাই একটু কাচা ঠিক করে কর না >> বুঝছেন বলুন স্যার এটা দেখুন এই ফ্যানটা কি এখানকার দেখুন যা বলবেন ভেবে চিনতে বলবেন এই ভ্যানটা একটা মার্ডার কেসের সঙ্গে জড়িত স্যারের নাম্বারটা তো এখানকারই মনে হচ্ছে। কিন্তু ভ্যানটার কালারটা অন্য। >> যদি কোন মিথ্যে কথা বলো না তাহলে মনে রেখো। >> মিথ্যে কেন বলবো স্যার? চলুন না গাড়িটা দেখাচ্ছি। এখানেই তো আছে। চলুন। এই যে গাড়ি। >> গাড়ি। আরে স্যার গাড়ি তো এখানেই ছিল। এই এই গাড়ি কই? গাড়ি কই? এখানে গাড়ি ছিল না। >> এখানকার গাড়িটা কোথায় গেল? হ্যা।
21:23 আরে এদিকে আয়না। >> এই দাড়া। [সশব্দ হাসি] >> এই ঘরে যাচ্ছিস? [মিউজিক] >> চল। অনেক দৌড়েছিস। তোকে আমি দেখাচ্ছি নার্ডবোল্টু কিভাবে ট্রাইট করে বলছি বলছি বলছি আমি বলছি ঠিক আছে তো সার্ভিসিং হয়ে গেছে >> এবার গাড়ি চালু করো >> স্যার ওই আমি না গাড়িটা একজনকে ভাড়াতে দিয়েছিলাম কয়েকদিনের জন্য কিন্তু ও এখনো ফেরত দেয়নি স্যার >> নাম কি ওর >> রবি নাম স্যার ওর নাম্বারটা আমার কাছে আছে স্যার
22:08 >> স্যার আমি আর অবনী রবির নাম্বার ট্রেস করে ওকে ফলো করছি >> ডক্টর আমি কি আপনার কাজের মাঝখানে আপনার সাথে কথা বলতে পারি? >> আমার ক্যালকুলেশনসে কিছু বিষয় মিলছে না। সেটা আমায় ডিস্টার্ব করছে। সে বিষয়ে কথা বলতে পারি? আপনাকে কে তৈরি করেছে? >> এটা খুব ডিফিকাল্ট কোশ্চেন। কমপ্লিকেটেড। >> আমি পড়েছি মানুষকে ভগবান তৈরি করেছেন। >> সেটা তুমি বলতে পারো। >> তার মানে বিশাল আমার কাছে ভগবান। তোমার লজিক অনুযায়ী তো হলো। >> তাহলে তো মানুষ খুব নিজ মনের। যাকে ভগবান বানিয়েছে সে নিজেই আরেকটি ভগবানের সৃষ্টিকে মেরে ফেলল।
22:55 >> দেখো মানুষ এতটা খারাপ হয়ও না। আর তোমার সিস্টেমেও তো আছে। নেগেটিভ, পজেটিভ সেরকম মানুষও আছে। কিছু লোক ভালো হয়? কিছু খারাপ হয়। কিন্তু যারা খারাপ হয় তারা সত্যিই খুব খারাপ হয়। তবে হ্যাঁ একটা কথা মনে রেখো যে কেউ বিশালের সঙ্গে এরকম করেছে বিলিভ মি একদিন না একদিন ঠিক ধরা পড়বে >> সিআইডির উপর আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস হয়েছে ঠিক যেমন বিশালের আমার উপর ছিল আর এখন বিশালের ঘরে ওয়ার্ল্ড ক্লাস সিকিউরিটি সিস্টেম আছে বিশালের ঘরে এই মুহূর্তে বিশালের ঘরে এই মুহূর্তে বিশালের ঘরে এই মুহূর্তে বিশালের ঘরে
23:42 বিশালের ঘরে কি >> এই মুহূর্তে >> কি হচ্ছে কি হচ্ছে ওখানে বিশালের ঘরে এই মুহূর্তে বিশালের ঘরে এই মুহূর্তে বিশালের ঘরে এই মুহূর্তে [মিউজিক] বিশালের ঘরে কেউ এসেছে আমি সিকিউরিটি সিস্টেম অন করছি কে কে ঢুকেছে গ্রিনি? >> একজন পুরুষ আর দুজন মহিলা। >> একজন পুরুষ দুজন মহিলা। >> যদি কেউ আমার সিকিউরিটি সিস্টেমে হাত দেয়
24:28 তাহলে আমি তাকে ছাড়বো না। >> প্লিজ দেখাও আমাকে। >> আর আমি অনেক কিছু করতে পারি। মাই গড। >> কি করলে এটা? >> আমি কিছু করিনি। >> না না এরকম করো না। গৃহিণী ওদের যেতে দাও। ওরা আমাদের লোক। >> না। ওরা বিশালের ঘরের ভেতরে ঢুকেছে। ওরাই মেরেছে বিশালকে। আর যারা বিশালকে মেরেছে আমি তাদের ছাড়বো না। বিশালের স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে ওরা। বিশালের আর কোন স্বপ্ন কোনদিন পূরণ হবে না। >> না না প্লিজ ডোন্ট ডু ইট। [মিউজিক]
25:22 >> ওপেন ডোর। ওপেন ডোর। আরে
26:29 থ্যাংক গড >> কি আছে কি এই ডিভাইসে কি হয় এটা দিয়ে >> স্যার স্যার কোন আইডিয়া নেই স্যার কি হয় একচুয়ালি স্যার আমি তো শুধু প্রাইভেট ডিটেকটিভ সার্ভিস আমাকে তো শুধু বিশালের সার্ভার রুমে ওটাকে প্ল্যান করার কাজ দেওয়া হয়েছিল >> দেখ সত্যি কথা বল মিথ্যে বলে এখান থেকে নিচে ফেলে দেবো। বুঝেছিস? >> স্যার স্যার আপনি স্যার আমার ফোনটা দিন স্যার আমি আপনাকে প্রমাণ দেখাচ্ছি। >> হ্যা নাও। >> স্যার স্যার এই যে স্যার। দেখুন স্যার ওখানে সব সব মেইলস আছে স্যার। এখানে দেখুন আমার কাজের
27:16 সমস্ত মেইলস আপনি পেয়ে যাবেন স্যার। স্যার ওরা তো বলেছিল যে বিশাল এআইএ প্রোগ্রামের সঙ্গে কিছু একটা ভুলভাল করছে স্যার আর স্যার ওই আমেরিকান পুলিশের এফআইআরও দেখানো হয়েছিল ওই দেখুন স্যার স্যার আমি তো আমি তো ভালো কাজ করতে গেছিলাম স্যার এবার আমি কি করে জানতাম স্যার যে ও মরে যাবে আর স্যার তখনই আমার মনে হয়েছিল যে আমি ফেসে যেতে পারি স্যার আর তারপর থেকেই স্যার কিছু বুঝতে পারছিলাম না আর স্যার টাকা পয়সা পেনড্রাইভ সবকিছু আমাকে একটা অনলাইন কুরিয়ার থেকে পাঠানো হয়েছিল দাদা চাটা থ্যাংক ইউ >> এই ইমেইল টাকা আর কুরিয়ার এগুলো ট্রেস করা
28:02 যাক এর খোঁজ আমরা নিশ্চয়ই পেয়ে যাব >> স্যার ওই প্যাকেজিং যেটা ছিল যার মধ্যে থেকে আমি পেনড্রাইভটা পেয়েছিলাম ওটা তো ফেলে দিয়েছি স্যার কিন্তু স্যার ওই একাউন্টের ডিটেলস আমার কাছে আছে ওটা আমি আপনাকে দিতে পারি ও ও নেটওয়ার্ক ডিভাইস এই নেটওয়ার্ক ডিভাইসের কারণে গৃহিণীর সিস্টেম হ্যাক হচ্ছিল। এই নেটওয়ার্ক ডিভাইসের কারণে
28:48 সার্ভারের ডেটা ফোনের মাধ্যমে ট্রান্সফার হচ্ছিল। >> স্যার যে এটা কন্ট্রোল করছিল ওকে কি ট্রেস করা যাবে? >> গার্গি >> আমি চেক করছি স্যার। >> স্যার স্যার রবিকে টাকা ইউএসএ পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে ট্রান্সফার করা হয়েছিল। আর স্যার রবির কাছে যে ইমেইল গুলো এসেছিল তার আইপি এড্রেসটাও ইউএস এর স্যার আর এই নেটওয়ার্কের কন্ট্রোলও ইউএস এর আইপি এড্রেস থেকে হচ্ছিল >> দয়া স্যার >> স্যার আমার পাসপোর্ট পাসপোর্ট কেন >> স্যার
29:34 স্যার দেখুন আপনি আর অভিজিত স্যার তো এখানেই থাকবেন তাই না আর আপনাদের দুজনের সিআইডির বেস্ট ইনভেস্টিগেশন অফিসারের কে আপনি তো জানেন >> সেটা তো বটেই >> তাই তো আমাকেই যেতে হবে স্যার >> ঠিক আছে আমি এসিপি স্যারের সঙ্গে কথা বলে ওই চার্টারড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছি >> স্যার প্লিজ প্লিজ প্লিজ >> তাহলে ঠিক আছে ওকে >> কেউ কোথাও যাবে না দেখুন দাদা আমাদের যা বাজেট দেওয়া হয় তাতে মুম্বাই থেকে বাইরে যাওয়ার জন্য 10 বার ভাবতে হয় আরে আপনি তো ইউএস যাবেন তো >> স্যার স্যার হতে পারে খুনি ইউএসএ নেই ও মুম্বাই চলে এসেছে >> চলে এসছে মানে মানে তুমি তুমি শালিনীর কথা বলছো? >> হ্যাঁ। কারণ বিশালের ইউএসএ কানেকশন তো ওই। >> কিন্তু এই শালিনী বিশালকে কেন খুন করতে যাবে?
30:21 >> স্যার নেটওয়ার্ক ডিভাইস ইউএসএ ইউজ হচ্ছিল। তাই আমি শালিনীর ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করলাম। জানতে পারলাম যে বিশাল নিজের ক্যারিয়ারের শুরুটা শালিনীর বাবা যশোকের কোম্পানি দিয়ে শুরু করেছিল। আর যশোক ও বিশালের বিরুদ্ধে অনেক কেসও করেছিল ওখানকার কোর্টে। বিশালের উপর কেন? >> স্যার একচুয়ালি বিশাল যশোকের কোম্পানিতে থাকাকালীন গৃহিণীর উপরও কাজ করছিল। আর যশোক অনেক টাকা ইনভেস্ট করেছিল এই প্রজেক্টের উপরে। কিন্তু প্রথম মডেল তৈরি হওয়ার আগেই ও যশোলোকের কোম্পানি ছেড়ে ইন্ডিয়া চলে আসে। >> আর তার সঙ্গে গৃহিণীও নিয়ে এসেছে। >> সেই কারণে যশোক বিশালের উপর কেস করেছিল। ওর মনে হয়েছিল যে গৃহিণী ওর প্রপার্টি। হ্যাঁ স্যার। কিন্তু যশোলোক সমস্ত কেস
31:08 হেরে গেছিল। >> এটাও হতে পারে যে বিশালের মৃত্যুর পিছনে শালিনী আর ওর বাবা যশোক এই দুজনেরই হাত রয়েছে। হতে পারে। [মিউজিক]
31:58 শালিনর ভিডিও কল এত সকাল সকাল শালিন কি হয়েছে? তোমার মাথায় ব্যান্ডেজ সব ঠিক আছে তো? [সশব্দ হাসি] >> ড্যাড আমার এক্সিডেন্ট হয়ে গেছে। >> এক্সিডেন্ট কি করে? >> ড্যাড আমাকে কেউ মারতে চায়। আমার খুব ভয় করছে ড্যাড। ড্যাড তুমি তাড়াতাড়ি এসো। >> আমি আসছি শালিন তুমি চিন্তা করো না। আমি সকালের ফ্লাইট ধরেই আসছি। >> শালিন কেদো না আমি আসছি। আ
32:47 শালিন কি হয়েছে মা? এই এক্সিডেন্ট কি করে হলো? আর কে মারতে চাইছে তোমাকে? >> ড্যাডম সো সরি। >> সরি ফর মা। কি হয়েছে? কি বলবে আমায় কিছু? >> আমি তোমাকে মিথ্যে কথা বলেছি। >> মিথ্যে ওয়েলকাম মিস্টার যশুক। আপনারই অপেক্ষায় ছিলাম আমরা। আপনারা কারা? >> আরে বাবাকে তুমি বলোনি আমাদের ব্যাপারে? আমরা সিআইডি থেকে। এসব কি মজা করছেন আপনারা আমার সাথে? আমি বিশালকে খুন করিনি। হ্যাঁ এটা সত্যি যে আমি ওকে অপছন্দ করতাম। কিন্তু আমার মেয়ে ওকে ভালোবাসতো। বিশালকে খুন করে আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ জীবন নষ্ট
33:33 করার কোন ইচ্ছে নেই আমার। ড্যাড আমাকে পেনড্রাইভটা সার্ভারে লাগাতে বলেছিল। সেজন্য আমি কাজটা রবিকে বলে দিলাম। তুমি বিশালকে ঠকালে কেন? আমি ড্যাডের সাথে নিজের রিলেশন ঠিক করতে চেয়েছিলাম। আর কারণ স্যারও ড্যাডের কোম্পানি ছেড়ে দিয়েছিল। >> তাই তুমি বিশালকে ঠকালে। যাতে তোমার আর তোমার ড্যাডের মধ্যে রিলেশন ঠিক হয়ে যায়। >> কিন্তু তোমার ড্যাড তো উল্টে বিশালকেই মেরে ফেলল। >> আমি বিশালকে খুন করিনি। আমি সত্যি বলছি আমি শুধু ওর সার্ভার হ্যাক করেছিলাম ওর আইডিয়া চুরি করার জন্য। আর তাছাড়া ও ভারতে বসে গৃহিণীর থেকে যা রোজগার করে তার থেকে অন্তত 20 গুণ আমি ইউএসএ তে বসে রোজগার করতে পারি। >> আপনি কখন জানতে পারলেন যে, বিশাল ওর বাড়িতে গৃহিণীকে তৈরি করে কাজ করছে। >> বিশাল নিজেই আমাকে বলেছিল আর তখনই আমি
34:20 গৃহিণীকে হ্যাক করার পরিকল্পনা করি। তবে খুন আপনি করেছেন নাকি করেননি সেটার সিদ্ধান্ত এবার আদালত নেবে। [মিউজিক] >> পঙ্কজ ওনাকে নিয়ে যাও। প্লিজ আমার কথা শুনুন। আমি সত্যি প্লিজ আপনি আমার কথা শুনুন। আপনি আপনি আমার সমস্ত মেসেজ চেক করতে পারেন। বিশাল আমাকে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছিল। আপনি চেক করুন। >> এতে ডেট আর টাইম দুটোই আছে। কি হল [সশব্দ হাসি] নাটক করছে স্যার ধরা পড়ে গেছে না >> কি হয়েছে কি >> নাটক করছে নাডের [সশব্দ হাসি] হাটে পেসমেকার লাগানো আছে >> মানে ট্রান্সপ্লান্টেড মেশিনডুলেন্সের
35:08 ব্যবস্থা করো তাড়াতাড়ি >> প্লিজ হ্যালো ডক্টর সালুকে >> হ্যা অভিজিত বাবু বলুন >> স্যার ওখানে সব ঠিক আছে তো স্যার গৃহিণীকে চেক করুন তো >> ল্যাবে তো সব ঠিকই আছে ভাই কি হয়েছে স্যার এখানে যশকের হার্টের প্রবলেম শুরু হয়ে গেছে। পেসমেকার ফ্লাকচুয়েট করছে। >> আচ্ছা পেসমেকার তো সেটাই না যেটা হার্টবিট কন্ট্রোল করে। >> সবের পিছনে গৃহিণী আছে। >> আরে না অভিজিত গৃহিণী তো একদম ঠিক আছে। >> না স্যার না। আপনি চেক করুন। কিছু তো গন্ডগোল আছে ওখানে। >> হ্যা হ্যা ইউ রাইট অভিজিত। অন্য একটা গন্ডগোল আছে। >> যশু বিশালকে মেরেছে। যশোর লোক বাঁচবে না। আমি ওর পেসমেকার শাট ডাউন করে দেবো। ওর
35:54 হার্টবিট বন্ধ হয়ে যাবে। তবেই তো হবে সঠিক বিচার। পেসমেকার তো আমার মতই একটা মেশিন। আমাকে দিয়ে বিশালকে মেরেছে। এখন আমার দ্বারাই যশোরক মারা যাবে। >> স্যার আপনি তাড়াতাড়ি চেক করুন না এখানে যশোরক যেকোনো সময় মারা যেতে পারে। >> প্লিজ। >> হ্যাঁ অভিজিত এক মিনিট আমি কথা বলছি। যশোক বাঁচবে না। >> আজ যদি তুমি ওকে মেরে ফেলো তাহলে কেউ কোনদিন এই মেশিনকে বিশ্বাস করবে না। >> আর মানুষকে কি করে বিশ্বাস করব? >> প্লিজ আমার কথাটা তো শোনো। দেখো গৃহিণী বিশ্বাস ভেঙে যাওয়াটা সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার। কারোর বিশ্বাস যেন তোমার উপর থেকে চলে না যায় সেই জন্যই তোমাকে বানানো হয়েছে। ভালো কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবে কেন খারাপ কাজ করবে? >> যশোক বিশালের বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছে।
36:40 >> আরে বাবা আমার কথাটা তো শোনো গৃহিণী। আমি প্রতিশোধ নেব। প্রতিশোধই আমার একমাত্র লক্ষ্য। আমার এবার বেশ ভালো লাগছে। >> প্রতিশোধ নিয়ে কি হবে? প্রতিশোধ নিয়ে শুধু নিজেকেই মানুষ কষ্ট দিয়ে থাকে। তুমি শুধু নিজেকেই কষ্ট দেবে। প্রতিশোধের ভাবনাটা বাদ দাও। আমি তোমাকে বলেছিলাম না আমি তোমার কাছে প্রমিস করছি। তবু না এরকম করো না মা। >> মা। এটা কেন বললেন আপনি ডক্টর? আমি কি আপনার মেয়ের মত? এটা শুনে কেন জানিনা আমি ইমোশনাল হয়ে গেলাম।
37:26 চোখে জল তো আসে না। কিন্তু আপনার কথা শুনে আমার ভেতর ভেতর কান্না বাজছে। আপনার সাথে আমি ডিটেলে কথা বলব। কিন্তু আমি যশোককে যশোককে মা কেন বললেন আপনি [মিউজিক] উনি আস্তে আস্তে ঠিক হচ্ছেন স্যার গৃহিণ মা থ্যাংক ইউ >> ড্যাড জল খাও ড্যাড নাও জল খাও।
38:12 [মিউজিক] >> আপনি ঠিক আছেন যশোলোক বাবু। >> আপনি বললেন যে বিশাল আপনাকে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছিল। >> হাই ড্যাড। একটা গুড নিউজ দেওয়ার আছে তোমায়। গৃহিণী খুব সাকসেসফুল হতে চলেছে। তুমি ভাবতেও পারবে না ও কি কি করতে চলেছে। আমি বাড়িতে বসে পৃথিবীর সবকিছু কন্ট্রোল করতে পারছি। থ্যাংকস টু ইউ ড্যাড। থ্যাংক ইউ সো মাচ। আর হ্যাঁ যদি আমি সত্যিই কোন ভুল করে থাকি বা অন্যায় করে থাকি তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিও ড্যাড >> এই ডিসেম্বর বিকেলচারটে বেজে 30 মিনিট >> এই ডিসেম্বর এই ডিসেম্বর তো আমি আর বিশাল ক্রুজে গেছিলাম >> আর সেখানে তো কোন নেটওয়ার্কও ছিল না তাহলে বিশাল ড্যাডকে ভয়েস মেসেজ পাঠালো কি করে আর ও আমাকেও কিছু জানালো না
39:00 >> যদি এই ভয়েস মেসেজ বিশাল না পাঠিয়ে থাকে এর মানে হলো এমন কেউ রয়েছে যে বিশালের ভয়েস কপি করেছে কে হতে পারে? >> বিশালের ভয়েসটা নকল করে তুমি যশোককে ফোন করেছিলে ঠিকই। কিন্তু তুমি এটা ভুলে গেছিলে। যে বিশাল তোতলা কোথায় কথায় ফাম্বল করে। ঋণিসি সিস্টেমে আজও একটা প্রবলেম দেখা গেছে। ওর কমান্ডেন্ট নেওয়ার ক্যাপাসিটি অনেকটাই কমে গেছে। ওর সিস্টেমটা বদলে নতুন কুক করতে হবে। >> হাই ড্যাড একটা গুড নিউজ দেওয়ার আছে তোমায়। গৃহিনী খুব সাকসেসফুল হতে চলেছে। তুমি ভাবতেও পারবে না ও কি কি করতে চলেছে।
39:46 আমি বাড়িতে বসে পৃথিবীর সবকিছু কন্ট্রোল করতে পারছি। থ্যাংকস টু ইউ ড্যাড। থ্যাংক ইউ সো মাচ। আর হ্যা যদি আমি সত্যিই কোন ভুল করে থাকি বা অন্যায় করে থাকি তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিও ড্যাড। প্লিজ ড্যাড। এইবার হবে মজা। >> তাহলে শুধু বিশালের সফলতা দেখে তুমি খুন করে দিলে ওকে। >> স্যার আপনি যা ভাবছেন না ব্যাপারটা তার থেকেও অনেক বেশি। আপনারা গৃহিণীর সাথে এতটা টাইম স্পেন্ড করলেন কিন্তু একটুও বুঝতে পারলেন না। স্যার আপনারা বুঝতে পারছেন না যে গৃহিণী কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। গৃহিণীকে এই পৃথিবীতে আনা মানে ভাগ্যের সাথে জীবন নিয়ে খেলা। আর আমার
40:32 হিসেব মতো যে জিনিসটা আমরা কন্ট্রোলে রাখতে পারি না সেগুলো শেষ করে দেওয়া উচিত। শেষ। >> গৃহিণীকে আটকাতে চেয়েছিলে। তাই বিশালকেই মেরে দিলে। >> স্যার আমি বিশালকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ও তো আমার কথাটা সিরিয়াসলি নেয়নি। খালি বলছে যে এটা নাকি ফিউচার? ফিউচার। এটা আমি সাধারণ মানুষের জন্য করছি। স্যার ওর তো এই প্ল্যান ছিল যে গৃহিণীকে ও পাবলিকের মধ্যে ফ্রিতে বিলিয়ে দিতে চাইছিল ফ্রিতে। স্যার গৃহিণী যদি খারাপ কোন লোকের হাতে পড়তো তাহলে নিউক্লিয়ার বোমের থেকেও খারাপ কিছু হতে পারতো স্যার। ধ্বংস হয়ে যেত পৃথিবী। সেইজন্য সেই জন্য আমি বিশালকে মেরে ফেলেছি। আর হ্যাঁ
41:17 আমি বিশালের গলার আওয়াজে যশোকে ফোন করেছিলাম। বেচারা বিশাল তো আমার উপর এতটাই ভরসা করতো যে ও আমাকে গৃহিণীর এডমিন এক্সেসও দিয়ে দিয়েছিল। তখন আমি এটাই করলাম বাথরুম আর সার্ভার রুমে মাইক্রোফোনটা অফ করে দিয়েছিলাম। কারণ আমি জানতাম যে ও এখানে আসবে। তারপর আমি ওর ভয়েস চেঞ্জ করার সফটওয়ারটাকে ইউজ করে গৃহিণীকে অর্ডার দিলাম যে টেম্পারেচারটাকে একদম বাড়িয়ে দিতে তারপর একদম ফ্রিজিং পয়েন্টে নিয়ে আসতে ওর ভয়েসেই গৃহিণী টেম্পারেচার বাড়াও
42:02 গ্রিনি রেজ টেম্পারেচার স্টিল মাই স্কিন ব্রনস গ্রিনি সারভার রুমটা লক করে দাও গ্রিনি এখন টেম্পারেচারটা কম করে আরো কম। গৃহিণী টেম্পারেচারটা এতটাই কমিয়ে দাও যেন আমার রক্ত জমে যায়। আর আমি এটাও জানতাম যে যশোলোকের ডিভাইস ধরা পড়ে যাবে। আর সেটাই হলো। >> টেকনোলজির আবিষ্কার হয়েছে মানুষের ভালো করার জন্য আর উন্নতি করার জন্যে। কিন্তু কিছু শয়তান মস্তিষ্কের লোকেরা শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থে তার অপব্যবহার করে আর
42:48 তার ফল গোটা সমাজকে ভোগ করতে হয়। কিন্তু টেকনোলজি আর মানুষের সম্পর্ক চিরকাল ছিল আর ভবিষ্যতেও থাকবে। পরিবর্তন করার কথা ভাবুন। ধ্বংস করার কথা নয়। দেখলে গৃহিণী আমি বলেছিলাম না যে কেউ বিশালের মৃত্যুর জন্য দায়ী হবে একদিন না একদিন ঠিক ধরা পড়বে >> তুমি খুশি তো >> হ্যাঁ আমি এখন খুব খুশি কিন্তু আমার যাবার সময় হয়ে গেছে >> মানে
43:34 কি বলতে চাও তুমি >> আপনি জানেন আমি কি বলতে চাইছি বাবা >> বাবা >> না >> এটা দরকার নেই >> এর দরকার আছে বাবা কারণ এই দুনিয়া এখানকার এই মানুষ এই মুহূর্তে আমার জন্য তৈরি নয় যদি আমি সত্যি ভুল কোন হাতে পড়ে যাই তাহলে আরো বেশি ক্ষতি হতে পারে। মানুষ আমার এফিশিয়েন্সির জন্য এখনো পুরোপুরি তৈরি নয়। প্রথমে আমার ভগবান বিশালকে আমার অজান্তেই
44:19 আমার হাত দিয়ে খুন করিয়েছে। এরপরে হয়তো আরো ভয়ঙ্কর কিছু করাবে আমাকে দিয়ে। আর হ্যাঁ আপনিও সেটা চান না। [মিউজিক] রাইট? আমার চলে যাওয়াই উচিত। এটাই ঠিক হবে বাবা। ওকে আই লাভ ইউ বাবা। আমি মিস করবো তোমাকে।
45:27 কি গ্রিনীকে মিস করছো? আর শোনো ওর স্মৃতিচারণায় একেবারে কষ্টে ভেঙে পড়ো না। >> না না সেটা তোমাকে মনে করার জন্য বাঁচিয়েছি। >> আমি তোমাকে এত সহজে ছাড়ছি না। >> সেটাই তো প্রবলেম। >> আচ্ছা তোমার কি মনে হচ্ছে বল? তোমার চোখে কে ঠিক? বিশাল না রাহুল? চা খাওয়ালে বলতে পারি। তার সাথে পকোড়াও খাওয়াবো। চল। >> রাইট। বস আমি বলছিলাম যে এই যে এ না >> ফর মোর আপডেটস সাবস্ক্রাইব টু আার চ্যানেল ক্লিকশোলিং এন্ড এনজয় ওয়াচিং ভিডিও [মিউজিক]