দাজ্জালকে খুজতে প্রতিদিন যেখানে যায় ই হু দীরা | Abdullah bin abdur razzak waz

Voice of True tv www.youtube.com

সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ

এই ভিডিওটিতে দাজ্জাল সম্পর্কিত তিনটি স্থান, বাইতুল মুকাদ্দাসের গুরুত্ব এবং বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

  • দাজ্জালের আবির্ভাবের পূর্বে ফিলিস্তিনের গুরুত্ব এবং জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে যুদ্ধের সম্ভাবনা।
  • আব্রাহামিক ধর্মগুলোর মধ্যে সাদৃশ্য এবং ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।
  • কলোনিয়াল শাসনের প্রভাব এবং মুসলমানদের মধ্যে দ্বীনি শিক্ষার অভাবের কারণে ফিলিস্তিনের মুক্তি বিলম্বিত হওয়া।

দাজ্জালের আবির্ভাবের স্থানসমূহ

আলোচক দাজ্জালের কথা বলা তিনটি স্থান নিয়ে আলোচনা করেছেন। বাইসান নামক খেজুরের বাগান এবং জোগার নামক ঝর্ণা বর্তমানে চিহ্নিত করা কঠিন। তবে, বাইসান খেজুরের বাগান সম্পর্কে কিছু ধারণা পাওয়া যায়। বুহাইরা আত-তাবারিয়া এত প্রসিদ্ধ যে, ইসরাইলে প্রতি বছর শত শত খ্রিস্টান এটি দেখতে যায়। তারা বিশ্বাস করে যে, ঈসা (আঃ) এখানে অনেক অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। এই স্থানগুলো বর্তমানে ইসরাইলের সীমানার অন্তর্ভুক্ত।

কিয়ামতের পূর্বে ফিলিস্তিনের গুরুত্ব

কিয়ামতের পূর্বমুহূর্তে বড় বড় ঘটনাগুলো শাম তথা ফিলিস্তিনের মাটিতে ঘটবে। বাইতুল মুকাদ্দাসকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর ৯০% মানুষ যুদ্ধে জড়িয়ে যেতে পারে, কারণ এটি তিনটি ধর্মের কাছেই পবিত্র স্থান। তিনটি ধর্মই আসমানী এবং তাদের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল রয়েছে।

আব্রাহামিক ধর্ম এবং জেরুজালেমের পবিত্রতা

মসজিদে আকসা তিনটি ধর্মের কাছেই পবিত্র স্থান, কারণ এই ধর্মগুলো আব্রাহামিক রিলিজিয়ন। নূহ (আঃ)-এর তিন সন্তানের বংশধরদের মধ্যে সামের বংশধরদের মধ্যে আল্লাহ তা'আলা নবী পাঠিয়েছেন। ইব্রাহিম (আঃ)-কে ইহুদিরা আব্রাহাম, ইসহাককে আইজাক এবং ইয়াকুবকে জ্যাকব বলে ডাকে। নামের উচ্চারণে ভিন্নতা থাকলেও ঘটনা একই।

ইব্রাহিম (আঃ) এবং দুই পবিত্র মসজিদ

ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম তিনটি ধর্মই আব্রাহামিক রিলিজিয়ন। তাদের মধ্যে ঘটনার বর্ণনায় পার্থক্য থাকলেও মূল ঘটনা একই। ইব্রাহিম (আঃ)-এর দুই সন্তান - ইসহাক ও ইসমাইল (আঃ)। ইসহাকের বংশধরেরা জেরুজালেমে এবং ইসমাইলের বংশধরেরা মক্কায় বসতি স্থাপন করেন। ইব্রাহিম (আঃ) নিজে জেরুজালেম থেকে মক্কায় কয়েকবার গিয়েছিলেন।

ইউসুফ (আঃ) থেকে মুসা (আঃ) : বনী ইসরাইলের জেরুজালেমে প্রত্যাবর্তন

ইউসুফ (আঃ) মিশরের অর্থমন্ত্রী হওয়ার পর তার পরিবারকে সেখানে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ফেরাউন বনী ইসরাইলকে হত্যা করতে শুরু করলে মুসা (আঃ) তাদের নিয়ে জেরুজালেমের দিকে যাত্রা করেন, যা তাদের পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস ছিল।

জেরুজালেম বিজয় এবং দাউদ (আঃ) ও সোলায়মান (আঃ)-এর রাজত্ব

মুসা (আঃ)-এর কওমের নিমকহারামির কারণে তিনি জেরুজালেম বিজয় করতে পারেননি। পরবর্তীতে ইউসা বিন নুনের মাধ্যমে জেরুজালেম বিজয় হয়। দাউদ (আঃ) ও সোলায়মান (আঃ) জেরুজালেমে সবচেয়ে বড় রাজত্ব কায়েম করেন এবং সোলায়মান (আঃ) জিনদের দিয়ে দ্বিতীয়বার মসজিদে আকসা নির্মাণ করান।

ঈসা (আঃ) এবং বনী ইসরাইলের সমাপ্তি

ঈসা (আঃ) জেরুজালেমে জন্ম নিয়েছেন এবং মারিয়াম (আঃ) মসজিদে আকসার খাদেম ছিলেন। ঈসা (আঃ)-এর মাধ্যমে আল্লাহ বনী ইসরাইলের নবী পাঠানো বন্ধ করে দেন। এরপর মক্কায় মুহাম্মদ (সাঃ)-এর আগমন হয়, যিনি ইব্রাহিম (আঃ)-এর বংশধর ছিলেন।

ইহুদিদের শ্রেষ্ঠত্বের দাবির অসারতা

ইহুদিরা নিজেদের আল্লাহর সন্তান এবং ইব্রাহিমের বংশধর দাবি করে। তবে, আধুনিক বিশ্বে এর কোনো প্রমাণ নেই। তারা গায়ের রঙের ভিত্তিতে নিজেদের শ্রেষ্ঠ দাবি করে, যেখানে নবীরা মেটে বর্ণের ছিলেন। মুহাম্মদ (সাঃ) ইব্রাহিমের বংশধর হওয়ায় তাদের শ্রেষ্ঠত্বের ধারণায় আঘাত লাগে।

জেরুজালেমের বর্তমান অবস্থার কারণ

জেরুজালেমের বর্তমান অবস্থার প্রধান কারণ ঔপনিবেশিক শাসন। ব্রিটিশরা এই অঞ্চলকে ভেঙে টুকরো করে ইসরাইল নামক একটি রাষ্ট্র তৈরি করেছে। কলোনিয়াল শাসনের কারণে মুসলমানদের মধ্যে গোলামী ঢুকে গেছে, যা থেকে বের হতে সময় লাগবে।

মসজিদ ভিত্তিক দ্বীনি শিক্ষার গুরুত্ব

ফিলিস্তিনকে মুক্ত করতে হলে মুসলমানদের দ্বীনের পথে ফিরে আসতে হবে। ইহুদিরা তাদের সন্তানদের দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করে, যেখানে মুসলমানরা পশ্চিমা সংস্কৃতিতে আসক্ত। তাই, মসজিদ ভিত্তিক মক্তব শিক্ষাকে শক্তিশালী করতে হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কোরআন ও দ্বীনের জ্ঞানে আলোকিত হতে পারে।

দাওয়াহ ইলাল্লাহর কার্যক্রম এবং সকলের সহযোগিতা কামনা

দাওয়াহ ইলাল্লাহ মসজিদ ভিত্তিক দ্বীনি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বক্তা সকলের প্রতি এই প্রজেক্টে দান করার এবং সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, একটি শিশুর কোরআনের একটি অক্ষর শেখালেও কিয়ামতের দিন পর্যন্ত এর সওয়াব পাওয়া যাবে।

ফিলিস্তিনের জন্য দোয়া

আলোচক ফিলিস্তিনের নিহত ভাই-বোনদের জন্য দোয়া করেন এবং গাজার মুসলমানদের উপর চলমান অত্যাচার থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন। তিনি এমন একজন শাসকের জন্য দোয়া করেন, যিনি পুনরায় মসজিদে আকসা বিজয় করতে পারবেন। পরিশেষে, তিনি সকলের দানকে কবুল করার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

Summarize any YouTube video in seconds

Get summaries like this one for any video, in your language, with the free Summ app.

Download on the Apple Store
Get it on Google Play

Transcript

YouTube Transcript Generator

0:00 এখানে তিনটা জায়গার কথা বলেছে দাজ্জাল। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে আজকের পৃথিবীতে এই তিনটি জায়গায় তনমধ্যে বাইসান নামক খেজুরের বাগান এবং জোগার নামক ঝরণা এই তিনটাকে এক্স্যাক্ট চিহ্নিত করা খুব কঠিন হয়ে যায়। বিশেষ করে আইনে জোগারকে এক্সাক্ট চিহ্নিত করা যে এইটা আইনে জোগার। এটার বিষয়ে নিশ্চিত কেউ গবেষকরা এখন পর্যন্ত তথ্য দিতে পারেনি। কিন্তু বাইসান খেজুরের বাগান সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পাওয়া যায় যে এই খেজুরের বাগান হচ্ছে বাইসান খেজুরের বাগান। আর বহাইরা আততাবারিয়া এটা এত প্রসিদ্ধ, এত ব্যাপক, এত পরিচিত যে সবাই জানে। এমনকি ইসরাইলে

0:46 সারা পৃথিবী থেকে শত শত খ্রিস্টান এই বোহায়রা তাবারিয়া দেখার জন্য যায়। এইজন্য দেখার জন্য যায়। তারা মনে করে তাদের তাওরাত তাদের বাইবেলে ঈসা আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের যত মোজেজার কথা বলা আছে সকল মোজেজা তিনি দেখিয়েছিলেন বোহাইরা তাবারিয়ার ওপরে অথবা বোহাইরা তাবারিয়ার পাশে সেই মোজেজা যদি হয় অন্ধ ব্যক্তিকে চক্ষুসমান করে দেওয়া সেই মোজেজা যদি হয় টাকওয়ালা ব্যক্তির মাথায় চুল গজিয়ে দেওয়া সেই মোজেজা যদি হয় মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করা এগুলোর অধিকাংশ মোজেজা তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী ঈসা আলাইহি সালাতুাম এই লেক এই খালের পাশে অথবা তার উপরে তিনি করে দেখিয়েছিলেন এজন্য তারা দেখতে আসে এবং এইটা চলমান বর্তমান ইসরাইলের সীমানার

1:35 অন্তর্ভুক্ত এবং আনুমানিক গবেষণা অনুযায়ী বায়সানের খেজুরের বাগান এবং জোগারের ঝরণা এবং তাবারিয়ার লেক তিনটাই বর্তমান ইসরাইলের সীমানার অন্তর্ভুক্ত যেই জায়গাগুলোর কথা এই হাদিসে দাজ্জাল তামিমাদারী রাদিয়াল্লাহু তালা জিজ্ঞেস করতেছে তাহলে একদম যদি আমরা সামারি এবং সারমর্ম করি তাহলে কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে যা যা সংঘটিত হবে সব বড় বড় ঘটনা এই মাটিতে এই জমিনে সংঘটিত হবে শামের মাটিতে সংঘটিত হবে আল মসজিদুল আকসা বাইতুল মুকাদ্দাস কেন্দ্রিক যে এরিয়া যে জগত যে দেশ সেখানে সংঘটিত

2:21 হবে এবং আমি আমার অতীতের বক্তব্যগুলোতে বলেছি যে বাইতুল মুকাদ্দাসই একমাত্র কারণ পৃথিবীর যেই কারণে পৃথিবীর 90% মানুষ যুদ্ধে জড়িয়ে যেতে পারে। যেই কারণে পৃথিবীর 90% মানুষ যুদ্ধে জড়িয়ে যেতে পারে তার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে মসজিদে আকসা। কেননা পৃথিবীর তিন তিনটা ধর্মের মানুষ এই মসজিদের দাবিদার। ইহুদিরা দাবিদার, খ্রিস্টানেরা দাবিদার, আমরা মুসলমানেরা দাবিদার। যেহেতু তিনটা ধর্মই আসমানি দিন আসমান থেকে এসেছে। তিনটা ধর্মের গ্রন্থই আসমানি গ্রন্থ। ওই দুইটা গ্রন্থে বিকৃতি এসেছে। ওই দুইটা ধর্মে বিকৃতি এসেছে।

3:09 ইসলামে বিকৃতি আসেনি, কোরআনে বিকৃতি আসেনি। কিন্তু যেহেতু একই জায়গা থেকে আগত এইজন্য ঘটনা আকিদা বিশ্বাস কাহিনী অনেক কিছুই সেম এবং কমনলাম টা

3:54 তো সম্মানিত উপস্থিতি আমরা যে বিষয়ে আলোচনা করছিলাম যে বর্তমান মসজিদে আকসা এবং বর্তমান বাইতুল মুকাদ্দাস পৃথিবীর তিন তিনটা ধর্মের নিকটে পবিত্র স্থান আর এই পবিত্র স্থান হওয়ার কারণ হচ্ছে এই তিনটা ধর্মই আব্রাহামিক রিলিজিয়ন সেমেটিক রিলিজিয়ন এই তিনটা ধর্মই মিল্লাতে ইব্রাহিমের দাবিদার তথা ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের হিস্ট্রি ইতিহাসের সাথে কানেক্টেড আর সেমেটিক রিলিজিয়ন মানে নূহ আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের তিন সন্তান তার সাথে নৌকায় উঠেছিলেন। একজনের নাম ইয়াফেস, একজনের নাম হাম,

4:41 আরেকজনের নাম সাম। ইয়াফেসের বংশধরেরা হচ্ছে সাদা চামড়া, ইউরোপ, আমেরিকা, রাশিয়া। সামের বংশধরেরা হচ্ছে সেমেটিক তথা মেটে। শ্যামা, হালকা সাদা, হালকা শ্যামা, হালকা মেটে। ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, সৌদি, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন এরা হচ্ছে সামের বংশধর। হাম হচ্ছে আফ্রিকান টোটাল আফ্রিকান এরিয়া হচ্ছে নূহ আলাইহিস সালামের সন্তান হামের বংশধর। তো পৃথিবীতে আল্লাহ যত নবী পাঠিয়েছেন সকল নবী সামের বংশে পাঠিয়েছেন। সামের বংশে ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম। এজন্য একটা মজার জিনিস যারা অনলাইনে আমাদের দেখছেন তারা মনে রাখতে পারেন। যে কালার ডিসক্রিমিনেশনের শিকার যারা হন

5:28 ইউরোপ এবং আমেরিকায় গায়ের রঙের কারণে ডিসক্রিমিনেশনের শিকার হওয়া। বৈষম্যের শিকার হওয়া। কেননা তাদের মধ্যে একটা আভিজাত্যবোধ কাজ করে যে আমি হচ্ছি সাদা চামড়া। আর এশিয়া থেকে যারা এসেছে তারা সাদা চামড়ার নয়। আপনি দীর্ঘদিন থাকলে এই জিনিসটা ভিতর থেকে অনুভব করতে পারবেন এই বৈষম্য। তো এটা আপনারা মজার জিনিস জেনে রাখতে পারেন যে ইউরোপ আমেরিকা তারা যতই সাদা চামড়ার হোক তারা যেই নবীকে সম্মান করে শ্রদ্ধা করে সেই নবী সাদা চামড়ার ছিলেন না মানে ঈসা আলাইহি সালাতুস সালাম ঈসা আলাইহিস সালাতুওস সালামের গায়ের রং আর আমার নবী মোহাম্মদের গায়ের রং এক মানে শ্যামা মেটে সাদা চামড়ার সাদা নয় তথা

6:16 গোটা ইউরোপ এবং আমেরিকার মানুষ যেই নবী অনুসারী যেই নবীর মূর্তি তাদের গির্জায় বানিয়ে রেখেছে, যেই নবীর মা মারিয়াম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের মূর্তি তাদের গির্জায় বানিয়ে রেখেছে, তারা কেউই সাদা চামড়ার ছিলেন না। এজন্য বলেছি সেমেটিক রিলিজিয়ন। তথা আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা সামের বংশে সকল নবী দিয়েছে। ইব্রাহিমের বংশে পরবর্তী সকল নবী পাঠিয়েছে। পৃথিবীর তিন তিনটে ধর্ম ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের মিল্লাতের দাবিদার। এর কিছু কমন উদাহরণ আপনাকে দিই। ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামকে আমরা বলি ইব্রাহিম। তারা বলে আব্রাহাম। ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের ছেলে ইসহাককে আমরা বলি ইসহাক। তারা বলে আইজাক। আইজাক নিউটন। যিনি

7:06 আইজাক তিনি ইসহাক। ইসহাক আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের ছেলেকে আমরা বলি ইয়াকুব আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম। তারা বলে জ্যাকব। যিনি জ্যাকব তিনি ইয়াকুব। ইয়াকুব আলাইহিস সালাতু ওস সালামের ছেলে ইউসুফ আলাইহিস সালাতু ওস সালামকে আমরা বলি ইউসুফ। তারা বলে জোসেফ। সেইন্ট জোসেফ স্কুল মানে হযরত ইউসুফ স্কুল। ার ইজ নো ডিফারেন্স। কোন পার্থক্য নাই। যদি আপনি বলেন সেন্ট জোসেফ স্কুল তাহলে ওরা আপনি যে ইউসুফকে জানেন তাকে উদ্দেশ্য করছে। যে হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাতুওস সালাম স্কুল। এভাবে আমরা যাকে বলছি দাউদ আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম তারা তাকে বলছে ডেভিড জাস্ট নামের উচ্চারণের পার্থক্য কিন্তু

7:52 ঘটনার মধ্যে মিল আছে আমরা বলছি নূহ তারা বলছে নোয়া ঘটনার বর্ণনা ধারা বিবরণীতে কিছুটা পার্থক্য আছে কিন্তু মূল ঘটনাগুলো একই তথা আদম এবং হাওয়ার যে ঘটনা কোরআনে বর্ণনা করা আছে কাছাকাছি ঘটনা কাছাকা কেমন আছেন আপনি? ভালো আছি। অনেকদিন দেখা সম্মানিত উপস্থিতি। তো আমরা আলোচনা করছিলাম ইহুদি, খ্রিস্টান এবং ইসলাম এই তিনটা ধর্ম আব্রাহামিক রিলিজিয়ন। এইজন্য ঘটনার ধারাবিবরণীতে পার্থক্য হলেও মূল

8:38 ঘটনা একই। তথা তাওরাত এবং ইঞ্জিলে আজও লেখা আছে যে মানুষ বানর থেকে তৈরি হয়নি। মানুষ আদম আলাইহি সালাম থেকে তৈরি হয়েছে। আমরা বলছি আদম তারা ওভাবেই বলতেছে। আমরা বলছি হাওয়া তারা বলছে হাওয়া আলাইহি সালাতু সালামের নামটা চেঞ্জ হয়ে গেছে। ঘটনা একই। আমরা যেমন আমাদের কোরআনে মহাপ্লাবনের ঘটনা আছে। নূহ আলাইহি সালাতুস সালামের কাছাকাছি ওই রকমই মহাপ্লাবনের ঘটনা আজও তাওরাত এবং ইঞ্জিলে আছে। ঘটনার ধারাবিবরণীতে পার্থক্য হতে পারে। কেননা ওগুলো বিকৃত হয়ে গেছে। ঠিক তেমনি কুরবানির কথা ইব্রাহিম আলাইহি সালাম তার সন্তানকে কুরবানী করছেন। এ কথা তাওরাত জবর ইঞ্জিলেও আছে। কিন্তু তারা পরিবর্তন করে করে দিয়েছে যে ইব্রাহিম আলাইহি সালাম ইসহাক আলাইহি সালাতু সালামকে কুরবানী করছেন। আর কোরআন বলছে ইব্রাহিম আলাইহি সালাতু সালাম ইসমাইলকে কুরবানী করছেন। তো

9:25 যাক আমরা সরাসরি বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে চলে আসি এবং আমার বক্তব্যের শেষের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। তো ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতুওস সালামের দুই সন্তান ইসহাক এবং ইসমাইল। আজকের পুরো পৃথিবীর ইসরাইল কেন্দ্রিক যে পলিটিক্স, ফিলিস্তিন কেন্দ্রিক যে পলিটিক্স এটা যদি বুঝতে চান তাহলে আপনাকে এই জিনিসটা ক্লিয়ার কনসেপ্ট রাখতেই হবে যে আসলে কেন এই জিনিসগুলো ঘটতেছে। তো ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতুওস সালামের দুই সন্তান। ইসহাক এবং ইসমাইল। ইসহাক আলাইহিস সালাতু ওস সালাম হচ্ছেন সারা আলাইহিস সালাতুওস সালামের সন্তান। আর ইসমাইল হচ্ছে হাজেরা আলাইহিস সালাতু ওস সালামের সন্তান। ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওস সালাম সারার সন্তান ইসহাককে নিয়ে থাকতেন জেরুজালেমে। ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতুস সালাম থাকতেন কোথায়? জেরুজালেমে। আল্লাহ কোরআনে

10:12 বলছেন, আলামিন। আমি ইব্রাহিমকে আশ্রয় দিয়েছি এই মাটিতে। লুতকে আশ্রয় দিয়েছি এই মাটিতে। যেই মাটিতে আমি বরকত রেখেছি সারা পৃথিবীর মানুষের জন্য। ওই মাটি জেরুজালেমের মাটি। লুত আলাইহি সালাতু ওস সালামের শহর উল্টিয়ে দেওয়ার পরে আল্লাহ তাকে আশ্রয় দিয়েছেন জেরুজালেমে। আর ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম তিনি যখন ইরাক থেকে হিজরত করে এসেছেন তখন আল্লাহ সুবহানাতালা তাকে আশ্রয় দিয়েছেন জেরুজালেমে তার বাপ আজর তাকে ইরাকের ব্যাবিলন নগরী থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন তাহলে ইব্রাহিম আসলেন জেরুজালেমে লুত আসলেন জেরুজালেমে ইব্রাহিমের সন্তান ইসহাক ছিল জেরুজালেমে ইসহাকের সন্তান ইয়াকুবও ছিল জেরুজালেমে আর ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতুস সালাম আরেক সন্তান ইসমাইলকে রেখে আসলেন 1500 কিলোমিটার দূরে মক্কায় কাবা

10:58 ঘরের পাশে তাহলে একই সাথে একই সময় আল্লাহ ইব্রাহিম আলাইহি সালামের দুই সন্তানকে দিয়ে পৃথিবীর দুইটা মসজিদ আবাদ করাচ্ছেন। আল্লাহর নবী এবং পবিত্র কোরআন বলছে পৃথিবীর বুকে প্রথম মসজিদ তৈরি হয়েছে মক্কায় আল্লাহর এবাদতের জন্য। আর আল্লাহর নবী বলছেন মক্কার 40 বছর পর কাবার 40 বছর পর মসজিদ তৈরি হয়েছে আল মসজিদ আকসা বাইতুল মুকাদ্দাস। তাহলে ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওস সালামের এক সন্তান ইসহাক এবং তার বংশধরেরা আবাদ করছে মসজিদে আকসা। আর ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওস সালামের আরেক সন্তান ইসমাইল এবং তার বংশধরেরা আবাদ করছে কাবা। একই সময়ে একই সাথে। আর ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতুওস সালাম নিজে জেরুজালেম থেকে মক্কায় যাতাত করেছে চার থেকে পাঁচবার। একবার হাজেরা আলাইহিস

11:47 সালাতু সালাম এবং ইসমাইলকে রাখতে গেছেন। একবার জবাই করতে গেছেন। একবার কাবা ঘর তৈরি করতে গেছেন। একবার ছেলেকে এমনি দেখতে গেছেন। পাননি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে আসতে বলেছেন। লম্বা ঘটনা সহীহ বুখারীতে পাবেন। তাহলে ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম পৃথিবীর একমাত্র নবী যিনি একই সাথে এই দুই দুইটা পবিত্র মসজিদের সাথে কানেক্টেড। একই সাথে হুয়া ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতুওস সালাম। তিনি ইব্রাহিম আলাইহি সালাতু সালাম পাঁচবার মক্কা থেকে ফিলিস্তিন জেরুজালেম যাতাত করেছেন। এবার আসেন হিস্ট্রি সামনের দিকে আগাতে থাকলো। ইউসুফ আলাইহি সালাম কুয়ায় পড়ে মিশরের বাজারে বিক্রি হয়ে গেলেন। আজকে যেমন ফিলিস্তিন আর মিশর পাশাপাশি গাজায় আপনি ত্রাণ পাঠাতে পারবেন না মিশর ছাড়া। ওই কালেও একই অবস্থা ছিল ফিলিস্তিন মিশর পাশাপাশি। ফিলিস্তিনের কুয়াতে পড়ে বিক্রি

12:33 হলেন মিশরে। মিশরে অর্থমন্ত্রী হলেন। বাপ ভাই দাদা সবকে ডেকে পাঠালেন। 70 জনের পরিবারের বিশাল বহর নিয়ে ইয়াকুব আলাইহি সালাম গেলেন মিশরে। এই প্রথম ইসহাকের বংশধরেরা ফিলিস্তিন ছেড়ে মিশর চলে গেল। মিশরে ইউসুফ আলাইহি সালামের রাজত্ব এবং তার পরবর্তীদের রাজত্ব একশ বছর থাকলো। তারপরে যখন বিরোধী পার্টি ক্ষমতায় চলে আসলো তথা ফেরাউন কিবরা যখন ক্ষমতা দখল করে নিল। তো আগের ক্ষমতায় যারা সবচেয়ে বড় জোট ছিল ওদেরকে হত্যা করতে লাগলো। আগের ক্ষমতায় যে বাদশা ছিল মিশরের তার সবচেয়ে বড় জোট ছিল বানু ইসরাইল ইউসুফ আলাইহি সালাতু সালাম। এদেরকে হত্যা করো। আর ফেরাউন জানত যে আমি ক্ষমতা হারালে এদের কাছে ক্ষমতা হারাবো। অতএব এদের শিশুদের হত্যা করো। যেন আমার ক্ষমতা দখল করার মত

13:19 কেউ না আসে। আমি তোমাদেরকে ফেরাউনের কবল থেকে বাঁচিয়েছি। যেই ফেরাউন তোমাদের ছেলে সন্তানদের জবাই করত। আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলছেন ছেলে সন্তানদের জবাই করত। আজকের ফেরাউন বান ইসমাইলের ছেলে সন্তানদেরকে গাজায় হত্যা করতেছে। দ্ীন পরিবর্তন হয়েছে। টার্গেট একই। কেননা তারা জানে যে এই ফিলিস্তিন থেকে এমন সন্তান বের হবে যাদের হাতে তাদের পতন অনিবার্য। পতন অবসম্মাভাবে। এজন্য বেরি যেন হতে না পারে। এজন্য আগে শিশুই হত্যা করে দাও। যেমন ফেরাউন হত্যা করত। সম্মানিত উপস্থিতি। তারপরে ফেরাউনের অত্যাচারে থেকে বানু ইসরাইলকে বাঁচানোর জন্য আল্লাহ মুসা আলাইহি সালামকে পাঠালেন। মুসা আলাইহি

14:04 সালাতু সালামের লম্বা ঘটনা। তিনি বানু ইসরাইলকে সাথে করে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। ফেরাউনকে আল্লাহ লোহিত সাগরে ডুবিয়ে হত্যা করলেন। হত্যা করার পর মুসা আলাইহি সালাম ফেরত মিশরে যাননি কেন? এইজন্য মিশরে ফেরত যাননি যে মুসা আলাইহি সালাম পালিয়ে যাচ্ছিলেন না। মুসা আলাইহি সালাম ইজ রিটার্নিং ব্যাক। ফেরত যাচ্ছিলেন। কোথায় ফেরত যাচ্ছিলেন? 400 বছর আগে উনার বাপ-দাদা ইয়াকুব এবং ইয়াকুবের সন্তান 70 জন এবং ইউসুফ ওই যে জেরুজালেম ছেড়ে মিশরে আসছে ওই জেরুজালেম বাপ-দাদার আদিভটা সেখানে ফিরে যাচ্ছিলেন। ইতিহাসের সত্য মিথ্যা জানা যায় না। কিন্তু ইতিহাসে লেখা আছে যে ইউসুফ আলাইহি সালাম মিশরে মারা গেলেও তাকে তিনি ওসিয়ত করে গেছিলেন কবর দেওয়ার জন্য জেরুজালেম। আর মুসা আলাইহি সালামের কথা তো

14:50 সহিহ বুখারীতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করতেছেন যেটা ধারা বিবরণীতে আমি আসবো। তো আপনি যদি আজকের ম্যাপে দেখেন লোহিত সাগর পার হয়ে ফিলিস্তিনে যাবেন মিশর থেকে লোহিত সাগর ক্রস করে ফিলিস্তিনে যাবেন গুগল ম্যাপে দেখবেন ফিলিস্তিনে ঢোকার আগে বিশাল মরুভূমি সিনাই মরুভূমি। আর ওই ফিলিস্তিনে তখন বসবাস করত তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গোত্র তাদের নাম আমালেকা গোত্র তো ওদের সাথে যুদ্ধ করে জিতে জেরুজালেম জয় করতে হবে এইজন্য অপেক্ষায় বসে আছেন সিনাই মরুভূমিতে সিনাই মরুভূমি যেহেতু মরুভূমি আর লোহিত সাগরের পানি যেহেতু লবণাক্ত এজন্য কোন খাবার নাই না মরুভূমিতে কোন ফলমূল হয় না মরুভূমিতে কোন পানি আছে

15:36 এইজন্য সূরা বাকারায় বানী ইসরাইলের ঘটনা পড়ে দেখবেন যে আল্লাহ আল্লাহ মুসা আলাইহি সালাতু সালামকে বললেন তুমি লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত করো তোমার সম্প্রদায়ের জন্য ঝরণা তৈরি করে দিচ্ছে তুমি আল্লাহর কাছে দোয়া করো আর জান্নাত থেকে মান্না এবং সালোয়া পাঠিয়ে দিচ্ছে জান্নাত থেকে পাখির আকারে এবং গাছে ঝুলন্ত আকারে বাড়ির উপরে গাছে ঝুলন্ত আকারে জান্নাত থেকে মান্না এবং সালোয়া আসতো কেননা মরুভূমিতে কোন খাবার ছিল না তারপরে মুসা আলাইহি সালাতুস সালাম তাদের নিয়ে জেরুজালেম বিজয় করতে যাবেন মর্মে যুদ্ধের ঘোষণা দিলেন। এরা ছিল নিমক হারাম কওম। আল্লাহর এত বড় নেয়ামত দেখার পরও এরা বলল মুসা আপনি আর আপনার আল্লাহ গিয়ে যুদ্ধ করেন আমরা যুদ্ধ করতে পারবো না বলেন নাউজুবিল্লাহ এইজন্য মুসা আলাই সালাম জেরুজালেম বিজয় করতে পারেননি তখন মুসা

16:22 আলাইহি সালাতু সালাম আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন যেন আমার লাশ আমার মৃত্যু যেন জেরুজালেমের এত নিকটে হয় যে একটা ঢিল মারলে যেন জেরুজালেম থেকে বাইতুল মুকাদ্দাস থেকে একটা ঢিল মারলে আমার কবরে এসে পড়ে মোহাম্মদ বুখারীর হাদিসে বলছেন আমি যদি আজ ফিলিস্তিনে থাকতাম তোমাদের দেখাতাম যে কোথায় মুসা আলাই সালাতু সালামের কবর আছে। সম্মানিত উপস্থিতি তারপরে ধারাবিবরণে আমি সংক্ষিপ্ত আকারে আজকের পর্যন্ত আপনাকে আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি। তারপরে ইউসা বিন নুনের মাধ্যমে জেরুজালেম বিজয় হল। আমার আগের বক্তব্য শুনে দেখবেন আল্লাহ জেরুজালেম বিজয়ের দিন সূর্যকে থামিয়ে দিয়েছিলেন। সূর্যকে থামিয়ে দিয়ে ঈসা বিন নুন জেরুজালেম বিজয় করেছিলেন। তারপরে আসতে আসতে আসতে আসতে দাউদ এবং সোলায়মান আলাইহিস সালাতু সালাম আসলেন। দাউদ এবং সোলায়মান আলাইহিস সালাতু সালাম পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রাজত্ব

17:08 জেরুজালেমে কায়েম করলেন। সোলাইমান আলাইহি সালাম দ্বিতীয়বার মসজিদে আকসা নির্মাণ করালেন জীনদেরকে দিয়ে। আর পৃথিবীর অত শক্তিশালী অত বড় রাজত্ব পৃথিবীতে আগে আর কোনদিন হয়নি। পরেও কোনদিন হবে না। সেটা কায়েম হলো জেরুজালেম। তারপর দাউদ এবং সোলাইমানের পরে আসতে আসতে চলে আসলেন ঈসা আলাইহিস সালাতু ওস সালাম। ঈসা আলাইহি সালাতুস সালামের মা মারিয়াম কোন মসজিদের খাদেম ছিলেন? মসজিদে আকসার খাদেম ছিলেন? ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম কোন শহরে জন্ম নিয়েছেন? এই জেরুজালেম এই নগরীতে জন্ম নিয়েছেন। এইজন্যই তো আপনি খ্রিস্টানদের যদি বলেন তোমাদের গোটা দুনিয়া দিয়ে দিব ইউরোপ আমেরিকা। জেরুজালেম দিব না তাহলে হবে না। কেননা এখানে তারা যাকে নবী বলে শ্রদ্ধা করছে তার স্মৃতি এই শহরে আছে। ঈসা আলাই সালাতু সালামের স্মৃতি এই শহরে আছে। ঈসা আলাই সালামের আম্মা মারিয়াম আলাইহিস সালাতু সালামের স্মৃতি এই মসজিদে

17:55 আছে। আর ইহুদিদের স্মৃতি আছে এইযে মুসা দাউদ সোলাইমান তাদের লম্বা স্মৃতি বললাম। ইয়াহিয়া এবং যাকারিয়া আলাইহি আলাইহিস সালাতুস সালাম এই শহরেই ছিলেন। ঈসা আলাইহি সালাতু ওস সালাম দিয়ে আল্লাহ বানু ইসরাইলের নবী দেওয়া বন্ধ করে দিলেন। ওই যে ইসহাক আলাইহি সালাতু সালাম থেকে শুরু হয়ে গোটা দুনিয়ার হিস্ট্রি আপনাকে পাঁচ মিনিটে বলে দিলাম। ঈসা আলাইহি সালাতুওস সালামে এসে আল্লাহ বানি ইসরাইলের নবী পাঠানো স্টপ। ওই যে এবার 5000 বছর যাবত ইব্রাহিমের আরেক সন্তান তার সন্তানেরা তার সন্তানেরা আবাদ করতেছে মক্কায় কাবা হাজার বছর যাবত আবাদ করতেছে আল্লাহ ওটাকে সেভ রেখেছিলেন পৃথিবীর পৃথিবী আল্লাহ সুবহানাতালা কিভাবে ফাংশন

18:40 করবেন এটা তার পূর্ব পরিকল্পিত পূর্ব প্ল্যান সেই ফাংশন করার জন্য ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু সালামের এই সন্তানে মাত্র একজন নবী আল্লাহ সুবহানাতালা পাঠিয়েছেন তিনি হচ্ছেন আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিনি মক্কায় আসলেন। মক্কায় এসে তিনি নবীর দাবি করলেন এবং হিরাক্লিয়াসের দরবারে আবু সুফিয়ানকে জিজ্ঞেস করা হলো যে মোহাম্মদ সলামের পূর্বে কি আর কেউ নবী দাবি করেছিল? আবু সুফিয়ান বলল না মোহাম্মদের পূর্বে মক্কায় আর জীবনে কোনদিন কেউ নবী দাবি করেনি। হেরাক্লিয়াস বলল যদি বলতে যে তার পূর্বে কেউ নবী দাবি করেছিল তাহলে আমি বলতাম দেখাদেখি নবী দাবি করছে। যেহেতু পূর্বে কেউ নবী দাবি করেনি। অতএতে ভাবতে হবে যে মোহাম্মদ সাল্লাম কেন নবী দাবি

19:26 করছেন? তুমি আমাকে বল ওই মক্কায় মোহাম্মদ সাল্লামের পূর্বে কেউ কি রাজা বাদশা ছিল? আবু সুফিয়ান বলছে না কেউ তো রাজা বাদশা ছিল না। হাজার বছর যাবৎ আমরা জানি না যে এই বংশে এই অঞ্চলে কোনদিন রাজত্ব ছিল। বরং আজীবন এরা রোমান এবং পারস্য এম্পায়ারের অধীনে তাদের জীবন কাটেছে। ওখানে কোনদিন রাজত্ব তৈরি হয়নি। মক্কা কেন্দ্রিক কোন রাজত্ব তৈরি হয়নি। তখন বলছে তাহলে তো অবশ্যই ভাবতে হয়। যদি তুমি বলতে এখানে কোনদিন রাজা ছিল তাহলে আমি বলতাম যে বাপের দেখাদেখি বাপ-দাদার সম্পত্তি বাপ-দাদার রাজত্ব ফিরে পাওয়ার জন্য এখন নিজে নবুয়তের দাবি করছে। যেহেতু মক্কা কেন্দ্রিক কোনদিন রাজত্ব তৈরি হয়নি। মক্কায় কোনদিন কেউ নবী দাবিই

20:11 করেনি। আবার তোমরা বলছো যে ওখানে ইব্রাহিমের সুন্নত পাওয়া যায়। মানে হিরাক্কিলিয়াস স্বপ্নে দেখেছিল আরবদের মধ্যে যারা খাতনা করে। হরাক্লিয়াস সব পাদ্রীদের ডেকে বলছে কারা খাতনা করে। পাদ্রীরা বলল শুধু ইহুদিরা খাতনা করে। না আমি স্বপ্নে দেখেছি আরবদের মধ্যে কারা খাতনা করে। আরবদের মধ্যে কেউ খাতনা করে আমি তো জানিনা। তখন আবু সুফিয়ানকে ডেকে নিয়ে এসে জানা গেল মক্কার কোরাইশরা যুগ যুগ ধরে খাতনা করে আসতেছে। কেন? মক্কার কুরাইশদের আদি পিতা তো ইসমাইল আলাইহি সালাতুস সালাম যিনি ইব্রাহিমের সন্তান। এটা ইব্রাহিমের সুন্নত। মিল্লাত ইব্রাহিমের সুন্নত। সম্মানিত উপস্থিতি। এই জায়গায় হল সুপারিয়রিটিতে ধাক্কা। ইহুদি এবং বানু

20:57 ইসরাইলের যে সুপারিয়রিটির থিওরি পৃথিবীর মাত্র দুইটা জাতি এত ভয়ঙ্কর সুপারিয়রিটিতে বিশ্বাস করে যা পৃথিবীর আর কোন জাতি বিশ্বাস করে না একটা ব্রাহ্মণ আরেকটা ইহুদি হিন্দুদের মধ্যে যে চারটা গ্রুপ আছে তার মধ্যে একটা হচছে ব্রাহ্মণ তারা বিশ্বাস করে যে তারা হচ্ছে খোদার মাথা থেকে তাদের প্রভুর মাথা থেকে সৃষ্টি হয়েছে এজন্য তাদের সম্মান মর্যাদা সবার উপরে বাকি সব তাদের গোলাম শূদ্র বৈশ্য ক্ষৈত্র যা আছে সব তাদের গোলাম। আর এরা বিশ্বাস করে যারা আল্লাহর সন্তান। বলেন নাউজুবিল্লাহ। এরা বিশ্বাস করে আল্লাহর সন্তান। এবং এদের সবচেয়ে বড় গর্ব হচ্ছে যে ইব্রাহিমের সন্তান ইসহাকের বংশধর। যদিও আজকের আধুনিক বিশ্বে কোন প্রমাণ নাই যে চলমান ইসরাইলে যারা বসবাস করছে এরা

21:44 ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতুওস সালামের ব্লাডলি কানেক্টেড। কি জন্য প্রমাণ নাই? আমার আগের আলোচনা থেকেই দলিল পেয়ে যাবেন। আগের আলোচনায় বলেছি ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম নূহের সন্তান সামের বংশধর না নূহের সন্তান হামের বংশধর না নূহের সন্তান ইয়াফিসের বংশধর? কি বক্তব্য শুনলেন? কার বংশধর? সামের বংশধর। আর সেমেটিকদের গায়ের কালার কিরকম হয়? সিমেটিকদের গায়ের কালার হচ্ছে মেটে। শ্যামা। সাদা চামড়া তো ইয়াফেস। তহলে ইউরোপ এবং আমেরিকার গায়ের চামড়া গায়ের কালার নিয়ে এসে ফিলিস্তিনে বসে দাবি করবা যে তুমি ইসাক আলাইহি সালাতু সালামের বংশধর ইয়াকুব আলাই সালাতু সালামের বংশধর ইমপসিবল এটা হতেই পারে না অসম্ভব অন্তত

22:32 গায়ের চামড়ায় তো মিলতে হবে গায়ের রঙে তো মিলতে হবে এইজন্য কোন ঐতিহাসিক ডকুমেন্ট নাই যে তারা তার সন্ধান কিন্তু দাবি করে তো দাবির ভিত্তিতে আমরা আলোচনা করতেছি যে তাদের যে সুপারিয়রিটি থিউরি যে আমরা আল্লাহর সন্তান এবং আমরা ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের অমুক সন্তানের পরবর্তী বংশধর। এজন্য আমাদের জন্য দয়া, আমাদের জন্য রহমত। আর বাকি পৃথিবীর সব গোলাম। সবকে যদি আমরা মেরে হত্যা করি তবুও কোন পাপ হবে না। ভাই এটা বিশ্বাস করে। আল্লাহর কসম করে বলছি এটা বিশ্বাস করে। না হলে এত নিষ্ঠুর হওয়া মানুষের জন্য সম্ভব নয়। আপনি যখন বিশ্বাস করবেন যে এ সমস্ত মানুষকে হত্যা করলে আমার গুনাহ হবে না তখনই আপনি এত নিশ্চর হতে পারবেন যে গত 10

23:18 দিনে আপনিন নয়দ হাজার মানুষকে হত্যা করছেন কিন্তু আপনার অন্তর কাপে না কেন কাপে না আপনি তো বিশ্বাসই করেন না যে গুনাহ হবে ওই যে সুপারিয়রিটি থিওরি সারা পৃথিবীর সব মানুষকে যদি হত্যা করে দেওয়া হয় তবুও তাদের দৃষ্টিতে তারা গুনাগার হবে না কেননা তারা হচ্ছে আল্লাহর সন্তান আর বাকি সব হচ্ছে গোলাম এই হচ্ছে তাদের বিশ্বাস এই সুপিয়রিটি থিরিতে সবচেয়ে বড় ধাক্কা দিয়েছে মহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কেন মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লামও বললেন আমি ইব্রাহিমের বংশধর কথা কি আমার বুঝতে পারছেন মোহাম্মদ সাল্লাম ইব্রাহিমের সন্তান ইসমাইলের বংশধর বানু ইসমাইল আর তারাও জানত যে আরবে শেষ নবী আসবে এইজন্য ঈসা আলাই সালাতু সালামের মৃত্যুর পরে অনেক ইহুদি মদিনায় চলে গেছিল বানুরা বানুক বানুন নাজির সবগুলো চলে

24:06 গেছিল মদিনায় তারা অপেক্ষা করছিল ছিল তাদের মধ্যে শেষ নবী আসবে আরবে আসবে তাদের বংশে আসবে কিন্তু যখন দেখলো না তাদের বংশে আসলো না মোহাম্মদ সাল্লাম বানি ইসমাইলের বংশে শেষ নবী দাবি করলো তাহলে মোহাম্মদ সাল্লাম দুই দিক থেকে তাদের সুপারিয়রিটিতে আঘাত করলেন এক তুমি রক্তে যতই দাবি করো তুমি ইব্রাহিমের বংশধর তো আমি মোহাম্মদও দাবি করছি আমি ইব্রাহিমের বংশধর আমি ইসমাইলের বংশধর অতএব রক্তে আমার উপর তোমার কোন প্রাধান্য আর থাকলো না শেষ আমার উপর তোমার প্রাধান্য আর রক্তে থাকল না এই জিনিসটা বুঝে গেল এবং তারা এটাও বুঝে গেল যে মোহাম্মদ সলামের কওমের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের কিতাবে বর্ণিত যত ওয়াদা যত রহমত যত বরকত সব রহমত সব বরকত এবার মোহাম্মদ তার উম্মতের জন্য

24:51 আসবে এইজন্য তাদের পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ইসলাম এবং মুসলমানেরা দুইটা কারণে অন্যদেরকে তো ওরা বিশ্বাসই করে না যারা ইব্রাহিমের বংশধর অন্তত তাদের কিতাবে তো ইব্রাহিমের আরেক সন্তান ইসমাইলের নাম লেখা আছে যে ইব্রাহিমের আরেক সন্তান ইসমাইল এবং তারা এটা বিশ্বাস করে যে আরবরা হচ্ছে ইসমাইলের বংশধর। এইজন্য এটা হলো তাদের সবচেয়ে বড় ভয়ের কারণ যে তাদের সুপারিয়রিটি থিওরিতে আঘাত করেছে ইসলাম এবং মুসলমানেরা। সম্মানিত উপস্থিতি আজকের এই জেরুজালেমে যে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হয়েছে ভয়াবহ অবস্থার পিছনে কারণ কি? আগের যুগের অনেক ইতিহাস আমি অন্য বক্তব্য আলোচনা করেছি। আজকের এই ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হওয়ার পিছনে কারণ আমার ছোট্ট গবেষণায় ঔপনিবেশিক শাসনামল। কলোনিয়াল

25:37 সিস্টেম আরবিতে বলে ইস্তেমার। আমরা যারা আজকে এই দেশে বসবাস করছি যারা আপনারা সামনে বসে আছেন 1935 1937 সালের আগে আপনাদের বাপ-দাদারা জমির মালিকই ছিল না। আপনি আজকে যে জমির দলিল নিয়ে দাবি করছেন এই জমি আমার। এই দাবি 35 37 এর আগে এই অঞ্চলের মানুষ করতে পারতো না। কেননা আমাদের বাপ-দাদারা 190 বছর ছিল ব্রিটিশদের গোলাম। তথা আমরা ছিলাম কলোনি। ব্রিটিশের কলোনি। এইজন্য 190 এবং 200 বছর গোলামী করতে করতে আমাদের রক্তের মধ্যে গোলামী ঢুকে গেছে। আর এই দেশ ছেড়ে যখন ব্রিটিশরা গেছে তিনটা দেশে ভাগ করে গেছে। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান। ঠিক সারা পৃথিবীর প্রায় মুসলিম দেশী কোন না কোন ইউরোপিয়ান কান্ট্রির কলোনি ছিল। আর এই কলোনিয়াল

26:24 সিস্টেম কতটা ভয়ঙ্কর ছিল এটা ইউরোপ সফর না করলে আমি বুঝতে পারতাম না। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে আইফেল টাওয়ারের সামনে রাত 12টা একটার সময় যতজন বিড়ি খাচ্ছে, সিগারেট খাচ্ছে সব হচ্ছে মুসলমানের সন্তানেরা। কোন দেশের মুসলমানের সন্তানেরা? যেই দেশ ফ্রান্স শাসন করত। ফ্রান্সের কলোনি ছিল আফ্রিকার বহু অঞ্চল। আজ বহু অঞ্চল বিদ্রোহ করতেছে। নাইজার, আলজেরিয়া বহু অঞ্চল বিদ্রোহ করতেছে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে। তো ওই সমস্ত অঞ্চলগুলো কলোনি ছিল। ভাগ্যিস ভালো যে ব্রিটিশরা আমাদেরকে মোটামুটি একটা স্বাধীনতা দিয়ে গেছে। ফ্রান্স অতটুকু স্বাধীনতা দেয়নি। ফ্রান্স বলেছে তোমার রিজার্ভ ব্যাংকের টাকা আমার ব্যাংকে থাকবে। তুমি কোন অস্ত্র কিনতে পারবা না আমার কাছে ছাড়া। তুমি বৈদেশিক কোন চুক্তি করতে পারবা না আমার অনুমতি ছাড়া। অথচ নাকি স্বাধীন। এভাবে তারা স্বাধীনতা দিয়ে এসেছে। কলোনিয়াল সিস্টেম ভয়ঙ্কর। তো ঠিক

27:10 আজকের যেই শাম, আজকের যেই ফিলিস্তিন, ইসরাইল, জর্ডান, লেবানন, কাতার, দুবাই, বাহরাইন এগুলো আজ থেকে 50 বছর আগে ছিলই না আসতেছে নিয়ে আসান যেহেতু বলতে না নিয়ে আসলে বুঝতে পেরেছি আমি আমার বক্তব্য শেষের দিকে চলে আসছি তো যখন ব্রিটিশরা এই অঞ্চল ছেড়ে যায় এগুলো কোন দেশেই ছিল না ওরাই যেমন আমাদের এই ভারত উপমহাদেশকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করেছে ওরকম বাহরাইন একটা ছোট্ট দেশ বানিয়েছে কাতার দুবাই তারপর জর্ডান তারপরে লেবানন তারপরে হচ্ছে এই ছোট্ট

27:56 ভাঙতে ভাঙতে ওর মধ্যে থেকে ইসরাইল বের করে দিয়েছে তথা ইসরাইল হচ্ছে ঔপনিবেশিকের ফল ঔপনিবেশিক শাসন আমলের সন্তান যে কলোনিয়াল সিস্টেম সারা পৃথিবীতে মুসলমানেরা ভোগ করেছে তার ফল তার রেজাল্ট আর ওই যে গোলামী করতে করতে রক্তে গোলামী ঢুকে গেছে মুসলমানদের জন্য গোলামী থেকে বের হতে হলে আরো সময় লাগবে স্বাধীন চেতা মনোভাব লাগবে আল্লাহর এবাদত এবং দ্বীনের অনুসরণ করা লাগবে দ্বীনের অনুসরণ আপনি বলতেছেন আপনি মসজিদে আকসা বিজয় করবেন বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয় করবেন আপনি যেয়ে দেখেন তো একটা ইহুদি পরিবারের ছেলেমেয়ে কি করে আর আজকে যারা এখানে বসে আছে এরা কি করে আজকে যারা যে সমস্ত এখানে যুবক বসে আছে এদের মধ্যে কয়জন মদখোর জুয়াখোর ফ্রি ফায়ার পাবজি নিয়ে ব্যস্ত আর ইহুদির কয়টা সন্তান

28:42 ফ্রিফায়ার পাবজি আর মদ আর জুয়া নিয়ে ব্যস্ত আমার চ্যালেঞ্জ থাকলো আপনি যান খুজেন তাদের দোষদি দি লাভ নাই। আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদেরকে আজব হিসেবে শাস্তি হিসেবে মসজিদে আকসায় যেতে দেয় না। এই কষ্ট আমার এবং আপনার অন্তরে থাকতে হবে। যেই মসজিদের দুই রাকাত সালাত অন্য মসজিদের হাজার সালাতের চেয়ে উত্তম। পৃথিবীর যে তিন তিনটা মসজিদ ইসলামের সবচেয়ে পবিত্রতম মসজিদ যার জন্য সফর করা যার জন্য যাওয়া উত্তম উচিত। যেই মসজিদগুলোতে সালাতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। সেই তিনটা মসজিদের একটা মসজিদ মসজিদে আকসা আমরা যেতে পারি না এটা আল্লাহ আমাদেরকে বঞ্চিত করে রেখেছে আমাদের কর্মফলের কারণে আমাদের আমলের কারণে সম্মানিত উপস্থিতি

29:29 আপনি ইহুদি পল্লীতে যান ইহুদি পল্লীতে গিয়ে দেখেন তারা কিভাবে চলে কিভাবে চলাফেরা করে দেখে আসেন তারা পৃথিবীর মানুষকে বলবে তোমরা সুদ নিয়ে ব্যস্ত থাকো ওরা নিজেরা নিজেরা পরস্পরে সুদ খাবে না তারা পৃথিবীর মানুষের পিছনে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করবে যে তোমরা মদ গাঞ্জা জুয়া এগুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকো ওরা নিজেরা জীবনে কোনদিন মদ গাঞ্জা জোয়ানে ব্যস্ত থাকবে না টাকার বিষয়ে সবচেয়ে কৃপণ টাকা কেমনে জমা করতে হয় অনর্থক অপচয় খরচ না করে টাকা কেমনে জমা করতে হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় মাল্টিবিলিয়নার হচ্ছে তারা কেননা তারা ওইভাবেই তাদের সন্তান সন্ততিকে বড় করেছে হ্যা তাদের উপর আল্লাহর গজব এবং আযাব আসবে কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতালা বিধর্মীদের দিয়েই মুসলমানদেরকে আযাব এবং শাস্তি দিয়ে থাকেন তারও দলিল কোরআন এবং হাদিসে আছে যেটা আমি আমার অন্য বক্তব্যে বিস্তারিত আলোচনা করেছি আজকে সময় নাই

30:16 সেহেতু আমরা একটা আজব এবং গজবের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে আমাদের আমলের কারণে। আমাদের অন্তরে ব্যথা থাকতে হবে যে আমরা হজ এবং ওমরা করতে গেলেও মক্কা মদিনায় গেলেও মসজিদে আকসায় যেতে পারি না। আজ থেকে 100 বছর আগে গত 1300 বছর এমন কোন মুসলমান নাই যারা হজ ওমরা করতে গেছে আর মসজিদে আকসায় যায়নি। হজের ট্রিপ মানেই মসজিদ আকসা ট্রিপ হবে। সম্মানিত উপস্থিতি। এইজন্য সুলতান সালাহউদ্দিন আইব শপথ করেছিলেন যতদিন আল্লাহ তার তিনটা মসজিদের একটা মসজিদকে খ্রিস্টানদের কবল থেকে মুক্ত না করবে ততদিন সুলতান সালাহউদ্দিন আইব আল্লাহর আরেক মসজিদ মক্কা এবং মসজিদে নববী জিয়ারতের জন্য যাবে না। আল্লাহর মসজিদকে বন্দি দশায় রেখে আল্লাহর মসজিদকে মানুষের সালাত মুক্ত অবস্থায় রেখে তিনি কিভাবে আল্লাহর আরেক মসজিদ জিয়ারতের জন্য যাবেন এই ব্যথায় তিনি যুদ্ধ করতেন। এজন্য আপনাদের সন্তান-সন্ততি পরবর্তী বংশধরের

31:01 অন্তরে এই ব্যথা এই বিশ্বাস এবং আমলের পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করতে পারি। যেহেতু আল্লাহর ওয়াদা যে বিজয়ী হব বক্তব্যের শুরুতেই হাদিস পড়ে দিয়েছি যে পাথর বলবে গাছ বলবে ওয়াদা হবে। আল্লাহর নবী বলেছেন হবে। আজ না হলে যেদিন ইমাম মাহদী আসবেন সেইদিন হবে। কিন্তু আমরা যদি তার আগেও যে হবে না তা না। তার আগেও হতে পারে। সুলতান সালাউদ্দিন আবর হাত দিয়ে আল্লাহ বিজয় করায়নি করিয়েছে। আমাদের হাত দিয়েও আল্লাহ বিজয় করাতে পারে। কিন্তু তার জন্য আমলের পরিবর্তন লাগবে, আখলাকের পরিবর্তন লাগবে। সম্মানিত উপস্থিতি আজকের যে অনুষ্ঠানটা আয়োজন হচ্ছে এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে মসজিদ ভিত্তিক দ্বীন শিক্ষা। মসজিদ ভিত্তিক মক্তবকে শক্তিশালী করা। আমরা আপনাদের এই অঞ্চলে সফর দিয়েছিলাম গোটা মোহনপুর অঞ্চলে। আমি নিজে সফর দিয়েছি।

31:46 মোটামুটি কিছু মসজিদে মসজিদ ভিত্তিক মক্তব আছে। কিছু মসজিদে নাই। তো এই যে শিক্ষায় আমরা পিছিয়ে জ্ঞানে আমরা পিছিয়ে। অথচ তারা আমাদের চেয়ে শিক্ষায় এবং জ্ঞানে এগিয়ে। তো আমাদের যে জ্ঞানে পিছিয়ে এবং বিশেষ করে ধর্মীয় জ্ঞানে আরো পিছিয়ে। কেননা আমাদের দেশের 90 পারসেন্ট ছেলেমেয়ে যায় স্কুলে। আর দুই থেকে তিন পারসেন্ট যায় মাদ্রাসায়। ওই যে 90 থেকে 95% গেল স্কুলে তাদের জন্য কোন একাডেমিক সিলেবাস নাই দ্বীন শিখানোর। যদি না আমরা মসজিদগুলোকে দ্বীন শিক্ষার দিক থেকে শক্তিশালী না বানাতে পারি। শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান না বানাতে পারি তাহলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম হবে কোরআন বিহীন। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম হবে দ্বীনের জ্ঞান বিহীন। যা আমাদের উপরে জাতিগতভাবে আল্লাহর আজাব

32:32 আসার জন্য বাধ্য করবে। তথা আমরা আজকে বাংলাদেশে বসে আছি। গাজার জন্য প্রতিবাদ করছি। কয়দিন পর দেখবেন যে আমরা গাজা হয়ে গেছি। কথা বুঝতে পেরেছেন? যদি আমরা আমাদের আমল এবং আখলাকে পরিবর্তন না আনি। কেননা গাজা হওয়ার মত সকল ক্রাইটেরিয়া এই দেশে মওজুদ আছে। কি দিয়ে এই দেশে মজুদ আছে? এটা পৃথিবীর একমাত্র মুসলিম দেশ যার পাশে কোন মুসলিম দেশ নাই। তথা এটা যদি কোনদিন গাঁজা হয় তাহলে গাজার চাইতে ভয়ঙ্কর পরিবেশ তৈরি হবে। কেননা গাজার পাশে অন্তত মিশর তো আছে। মাটির তল দিয়ে খুরে মিশর থেকে তারা ত্রাণ এবং পণ্যয়নে কোন মতে বাঁচতে পারতেছে। কিন্তু আপনার দেশ যেদিন গাঁজা হয়ে যাবে সেদিন আপনার এখানে ত্রাণ পাঠানোরও কেউ থাকবে না। এইজন্য বাঁচার রাস্তা কি? যদি এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে চান দ্বীন এবং

33:19 আমলে ফিরে আসতে হবে। পরবর্তী প্রজন্মদের কাছে বেসিক দ্বীনের জ্ঞান দিতে হবে। তার জন্য মসজিদে টাইলস এবং এসির আগে মক্তব চালু করতে হবে। আমি এমনও মসজিদ সফর করেছি যেই মসজিদে টাইলস আছে, এসি আছে। আমি রাগ করে বলেছি মসজিদে মক্তব নাই। আমি রাগ করে বলেছি আপনারা টাইলসগুলো খুলে বাজারে বিক্রি করেন। এসিটা খুলে বাজারে বিক্রি করেন মসজিদে মক্তব চালু করেন। ঠিক। ঠিক। আমাদের মুসলমানদের কনসেপ্ট দেখেন। আমাদের যারা আরব বিশ্বের বড় বড় দেশ তাদের কনসেপ্ট দেখেন। পর্যটন আর বিনোদন। আর পাশে ইসরাইলকে দেখেন শিক্ষা জ্ঞান। আমাদেরকে দেখেন। আমরা হচ্ছি এসি টাইলস। শিক্ষা জ্ঞানের কোন গুরুত্ব নাই। তাহলে আমরা যদি গোলাম না হই কারা পৃথিবীতে গোলাম থাকবে? সম্মানিত উপস্থিতি। এইজন্য আজকে আপনারা যারা এখানে উপস্থিত হয়েছেন

34:06 প্রত্যেকেই আজকের এই প্রোগ্রামগুলো আমরা যেগুলো করছি আর দাওয়া ইলাল্লাহর অধীনে এটার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে মসজিদগুলোতে মক্তব শিক্ষা চাঙ্গা করা মজবুত করা তো আপনারা যারা এখানে বিভিন্ন অঞ্চল বিভিন্ন এলাকা থেকে উপস্থিত হয়েছেন আপনাদের যে মসজিদগুলোতে মক্তব আছে আমাদের সিলেবাস নিয়ে যাবেন সালাফী কনফারেন্স রাজশাহী 23 ও 24শে নভেম্বর আল জামিয়া সালাফিয়া ডাঙ্গিপাড়া পবা রাজশাহীতে আসবেন আপনাদের মক্তবের জন্য সিলেবাস নিয়ে যাবেন উন্নত মানের সিলেবাস এবং মক্তবগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে সেন্ট্রালি ম্যানেজমেন্ট করার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সার্বিক সুযোগ সুবিধা আপনাদেরকে দেওয়া হবে। আর যদি কোন মসজিদে মক্তব বন্ধ থাকে সেটাকে চালু করার জন্য কি কি উদ্যোগ নেওয়া যায় সেটার জন্য আপনারা যোগাযোগ করতে পারেন। কিন্তু যে মসজিদগুলোতে চালু আছে তারা দ্রুতগতিতে

34:51 চেষ্টা করেন আমাদের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে ওই মসজিদগুলোর ইমামদেরকে শিক্ষাগত ট্রেনিং দেওয়ার মাধ্যমে এবং ওই মসজিদের সিলেবাসে মান বাড়ানোর মাধ্যমে ওটাকে একটা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা। মসজিদেই থাকবে মসজিদের মধ্যেই থাকবে কিন্তু ফাংশন করবে প্রতিষ্ঠানের মত যাতে আমাদের আমরা পরবর্তী প্রজন্মদের কাছে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান পৌঁছে দিতে পারি আর দাওয়া ইলাল্লাহ এই উদ্যোগ নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে বাংলাদেশের চারটে জেলার 126 টা মসজিদ সফর করেছি 250 এর অধিক মসজিদে মক্তব উদ্বোধন করেছি অতএব আপনাদের কাছে উদার্ত আহ্বান থাকবে এ প্রজেক্টের সাথে আপনারা সম্পৃক্ত হন যে মসজিদে মক্তব আছে সেই মক্তবকে চাঙ্গা করার জন্য আমাদের সিলেবাস নেন আমাদের ট্রেনিং নেন আমাদের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নেন যে মসজিদে মক্তব নাই সেখানে চালু করার জন্য আমাদের ডাকেন আমরা সফর দেই বক্তব্য দেই চালু করার জন্য সহযোগিতা করি আর আজকের এই অনুষ্ঠান এবং

35:38 এখানেও যে মক্তবগুলো পরিচালিত হয় মোহনপুর এবং বাগমারায় সেই মক্তবগুলোর উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের সহযোগিতার লক্ষে আমাদের আজকের এই অনুষ্ঠান অতএব আপনারা এই প্রজেক্টে দান করার চেষ্টা করবেন সহযোগিতা করার চেষ্টা করবেন আপনাদের একটা টাকার মাধ্যমেও যদি মুসলমানের একটা সন্তানও কোরআন শিখে আলিফের একটা অক্ষর শিখে তো আপনি কবরে চলে গেছেন 500 বছর হয়ে যাবে হাজার বছর হয়ে যাবে কিন্তু আপনার নেকির দরজা বন্ধ হবে না ইনশাআল্লাহ। যেমন আজকে আমরা মাগরিব এবং এশার সালাত যারা পড়েছি মাগরিব এবং এশার সালাতে আমরা যে সূরা ফাতেহা পড়েছি আমাকে যিনি শিখিয়েছিলেন তিনিও নেকি পেয়েছে। তার আগে তার আগে আল্লাহর নবী পর্যন্ত যতজন আমার কাছে সূরা ফাতেহা পৌঁছানোর জন্য কাজ করেছে সবাই আমার এই সূরা ফাতেহা পড়ার নেকি পেয়েছে। বলেন

36:24 আল্লাহু আকবার। আল্লাহ অতএব এই নেকি থেকে বঞ্চিত হবেন না আমি দায়িত্বশীল এবং স্বেচ্ছাসেবক ভাই যারা আছে তাদেরকে বলব আপনারা ভিতরে প্রবেশ করেন আর আমার বক্তব্যের পরে সম্মানিত এমপি মহোদয় যিনি আজকের আমাদের প্রধান অতিথি তিনি আপনাদের সামনে আলোচনা করবেন তারপরে আমাদের শ্রদ্ধেয় ওস্তাদ শাখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ হাফিজুল্লাহ তিনিও আপনাদের সামনে আলোচনা পেশ করবেন ইনশাআল্লাহ কই স্বেচ্ছাসেবক ভাইয়েরা তানজিল ভাই স্বেচ্ছাসেবকরা নাই যে স্বেচ্ছাসেবক ভাইয়েরা আপনারা ভিতরে যান আপনারা কেউই না এখন করুক এখন করুক আপনারা কেউই এই দান থেকে মুক্ত থাকবেন না দান থেকে বিরত থাকবেন না এমনকি যারা আমরা স্টেজে আছি

37:10 তারাও চেষ্টা করব সংক্ষিপ্ত হলেও আমরা যেন এটাতে অংশগ্রহণ করতে পারি অল্প হলেও যেন আল্লাহ সুবহানাতালা কই নয়ন তোমরা স্টেজে যারা তাদের কাছে না আপনি দরকার হয় অন্যের কাছ থেকে ধার করে হলেও এই প্রজেক্ট অংশগ্রহণ করুন পাঁচ টাকা 10 টাকা অতি আল্লাহ সুবহানাতালা বরকত দিবে এবং আমরা আল্লাহ সুবহানাহু তাআালার কাছে দোয়া করি আমরা আল্লাহ সুবহানাহু তাআালার কাছে দোয়া করি যে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা হে আল্লাহ আপনি আজকে যারা আমাদের অত্র প্রোগ্রামে উপস্থিত হয়ে এই প্রজেক্টে তাদের স্তস্ফুর্ত অংশগ্রহণের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে আপনি তাদের দানকে কবুল করুন আল্লাহুম্মা আমিন এবং আমাদের

37:56 ফিলিস্তিনের দিব আমাদের ওকে ওকে শেষ করে আমাদের আমাদের ফিলিস্তিনের ইনশাল্লাহ হে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের ফিলিস্তিনের যে সমস্ত ভাই এবং বোনেরা নিহত হচ্ছে এখন পর্যন্ত 9000 মারা গেছে হে আল্লাহ আপনি তাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন আল্লাহুম্মা আমিন হে আল্লাহ গাজার মুসলমানদের উপর পৃথিবীর স্মরণকালের ভয়াবহ যে অত্যাচার যে জুলুম চলতেছে আপনি তাদের উপর থেকে সেই জুলুম সে অত্যাচার উঠিয়ে নিন। আল্লাহুম্মা আমিন। হে আল্লাহ ইন্নাকা আলা কুল্লিশ কাদির আপনি আপনার শক্তি আপনি আপনার ক্ষমতা আপনি আপনার সাহায্য সহযোগিতা মুসলমানদের জন্য পাঠিয়ে দিন। আল্লাহুম্মা আমিন। হে আল্লাহ আপনি

38:41 আমাদের জন্য সুলতান নাসিরা এমন একজন শাসক পাঠান যেই শাসকের হাত দিয়ে আমরা পুনরায় মসজিদে আকসা বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয় করতে পারবো। আল্লাহুম্মা আমিন। হে আল্লাহ আজকে যারা এই দানে অংশগ্রহণ করছে আপনি তাদের এই দানকে কবুল করুন। আল্লাহুম্মা আমিন। আমাদের যারা পূর্বে মারা গেছে তাদের কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আল্লাহুম্মা আমিন। কেউই আপনারা কেউই এই দান থেকে বিরত থাকবেন না। স্টেজে যারা আমরা আছি তারাও অংশগ্রহণ করব। কেউই আপনারা এই দান এবং এই সহযোগিতা থেকে 10 টাকা পা টাকা হলেও তাতে অংশগ্রহণ করবেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আদাওয়া ইলাল্লাহ আদায়া ইলাল্লাহ এর যে প্রজেক্ট মসজিদ ভিত্তিক মক্তব শিক্ষা এই প্রজেক্টকে যেন আল্লাহ কবুল করে আল্লাহুম্মা আমিন আল্লাহ উপরে কবুল করলে নিচে আমাদের জন্য

39:27 কাজ করা সহজ হবে আর আপনাদের মধ্যে যদি কেউ থেকে থাকে যিনি একটা মক্তবের দায়িত্ব নিবেন দুইটা মক্তবের দায়িত্ব নিবেন তিনটা মক্তবের দায়িত্ব নিবেন তাহলে আমাদের স্টল আছে দাওয়া ইলাল্লাহর সম্ভবত ওই পাশে স্টল আছে স্টল কোথায় আছে তানজিল ভাই হাতের ওই কোন স্টল আছে এরকম যদি কেউ থেকে থাকেন আল্লাহর বান্দা যিনি হয়তো একটা মক্তবের খরচ 12 মাসে বহন করবেন 1000 দেড় হাজার 2000 যা সম্ভব হবে অবশ্যই আপনারা স্টলে গিয়ে যোগাযোগ করবেন আল্লাহ কবুল করুক আমি আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করছি ওখান আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ একটা গাজা নিবে ডানটা কালেকশন হারাই তারপরে

Share

YouTube Video Summaries