সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ
এই ভিডিওটিতে ডাইসুকে নামক এক জাপানি নাগরিকের কথা বলা হয়েছে, যিনি মাত্র ৩০ মিনিট ঘুমিয়েও সুস্থ জীবনযাপন করছেন। তিনি জাপানে কম ঘুমের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছেন এবং এ বিষয়ে একটি সংস্থাও প্রতিষ্ঠা করেছেন। ভিডিওটিতে কম ঘুমের সুবিধা এবং অসুবিধাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- ডাইসুকের দৈনিক ঘুমের পরিমাণ মাত্র ৩০ মিনিট।
- তিনি জাপানে শর্ট স্লিপার ট্রেনিং অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেছেন।
- তিনি ২১০০ এর বেশি শিক্ষার্থীকে কম ঘুমানোর প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।
ভূমিকা
ডাইসুকে নামক এক জাপানি নাগরিক গত ১২ বছর ধরে প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট ঘুমাচ্ছেন, কিন্তু তার কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। তিনি মনে করেন, জীবনের এক-চতুর্থাংশ সময় যদি ঘুমিয়েই কাটাতে হয়, তাহলে কাজ করার সময় পাওয়া যাবে কিভাবে?
শারীরিক চাহিদা ও ডাইসুকের ব্যতিক্রম
সাধারণভাবে, মানুষের শরীরকে সচল রাখতে প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। কম ঘুম হলে ক্লান্তি, মানসিক সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তের শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। তবে ডাইসুকে ব্যতিক্রম, কারণ তিনি এত কম ঘুমিয়েও সুস্থ আছেন।
ডাইসুকের ঘুমের দর্শন
ডাইসুকে মনে করেন, কাজের লক্ষ্য স্থির রাখার জন্য লম্বা ঘুমের চেয়ে ভালো ঘুম বেশি জরুরি। তার দাবি, অল্প ঘুমের কারণে তার কাজের মনোযোগ বাড়ে।
শর্ট স্লিপার ট্রেনিং অ্যাসোসিয়েশন
ডাইসুকে ২০১৬ সালে জাপান শর্ট স্লিপার ট্রেনিং অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংস্থার মাধ্যমে তিনি ২০০০-এর বেশি জাপানিকে কম ঘুমের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর অনেকেই তাদের ঘুম ৮ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ৯০ মিনিটে নিয়ে এসেছেন।
ডাইসুকের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডাইসুকে ধীরে ধীরে তার মস্তিষ্ক এবং শরীরকে কম ঘুমে অভ্যস্ত করেছেন। এটি একদিনে সম্ভব হয়নি, ক্রমাগত প্রচেষ্টা ও ছোট ছোট ঘুমের মাধ্যমে তিনি ঘুমের সময় কমিয়েছেন।
ঘুম পেলে ডাইসুকের কৌশল
ডাইসুকে জানান, ঘুম পেলে তিনি খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে কফি খান অথবা খেলাধুলা করেন, যা তার ঘুম ঘুম ভাব কাটিয়ে দেয়।

