সিগারেটের অজানা ইতিহাস | Reality Of The Smoking Industry | Bioscopewala

Bioscopewala www.youtube.com

সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ

এই ভিডিওটিতে সিগারেট শিল্পের উত্থান, এর পেছনের মার্কেটিং কৌশল, এবং কীভাবে এটি মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করেছে তা আলোচনা করা হয়েছে। মূলত, ভিডিওটি দেখায় যে কীভাবে সিগারেট কোম্পানিগুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ও কৌশল ব্যবহার করে সিগারেটকে জনপ্রিয় করেছে, এমনকি ডাক্তারদেরকেও প্রভাবিত করেছে।

  • সিগারেটের যাত্রা এবং জনপ্রিয়তা।
  • মার্কেটিং কৌশল এবং প্রোপাগান্ডার ব্যবহার।
  • স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং প্রতিরোধের প্রচেষ্টা।

ভূমিকা

ভিডিওর শুরুতেই বলা হয়েছে যে সিগারেট স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক, এটা সবাই জানে। একসময় ডাক্তাররাই রোগীদের সিগারেট খাওয়ার পরামর্শ দিতেন এবং কোন কোম্পানির সিগারেট খেতে হবে তাও প্রেসক্রিপশনে লিখে দিতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আহত সৈন্যদের ব্যথা কমানোর জন্য সিগারেট দেওয়া হতো। আজ থেকে ৮০ বছর আগে সিগারেটের দৃষ্টিভঙ্গি অন্যরকম ছিল, সিগারেট খাওয়াকে দেশপ্রেমের প্রতীক হিসেবেও মানা হতো। ১৯২৪-২৫ সালের দিকে নারীদের অধিকার আদায়ের হাতিয়ার ছিল এই সিগারেট।

ধূমপান শিল্পের উত্থান

বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রায় ১.২৫ বিলিয়ন মানুষ কোনো না কোনোভাবে তামাক সেবন করে এবং প্রতি বছর প্রায় ৮০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এই ইন্ডাস্ট্রি নিজের কাস্টমারদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিলেও তাদের রেভিনিউ বাড়ছে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই ইন্ডাস্ট্রির টোটাল রেভিনিউ ছিল ৯৬৫ বিলিয়ন ডলার এবং ধারণা করা হচ্ছে ২০৩২ সালে এটা ১.২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। আধুনিক সিগারেট ১৪০ বছর আগে এলেও, কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কারের সময় সেখানকার আদিবাসীরা তামাক পাতা ব্যবহার করত। তারা বিশ্বাস করত এটা খেলে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা সেরে যায় এবং নেশা হয়। এরপর তামাক পাতা ভেষজ ঔষধী হিসেবে ছড়িয়ে পরে। ১৮৮০ সালে জেমস আলবার্ট বনসেক সিগারেট রোলিং মেশিন তৈরি করার পর সিগারেট বানানো সহজ হয়ে যায়।

কুখ্যাত বিপণন কৌশল

১৯০০ সালেও আমেরিকাতে একেকজন মানুষ বছরে মাত্র ৫৪টা সিগারেট খেত, কিন্তু ১৯65 সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪,২৪৯-এ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় সিগারেট কোম্পানিগুলো সৈন্যদের রেশনের সাথে ফ্রিতে সিগারেট পাঠাতো এবং বলত এটা তাদের শান্ত রাখবে ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। সৈন্যরা সিগারেটকে যুদ্ধের "হাই ডোজ" হিসেবে বিশ্বাস করত। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর সিগারেট কোম্পানির ব্যবসা ফুলেফেঁপে ওঠে। ১৯২৯ সালে আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির সিইও উইলিয়ামস জে এলি দেখেন যে তাদের বেশিরভাগ কাস্টমারই পুরুষ। তখন তিনি প্রোপাগান্ডা এক্সপার্ট এডোয়ার্ড বার্নাসের সাথে যোগাযোগ করেন। বার্নাস মহিলাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে সিগারেটকে নারীদের "টর্চ অফ ফ্রিডম" হিসেবে প্রচার করেন। সিগারেট কোম্পানিগুলো মিথ্যা মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে মহিলাদের বোঝাতে থাকে যে সিগারেট খেলে ওজন কমে যায়, যা তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেবে।

ডাক্তারদের ফাঁদ

১৯৩০ সাল থেকে বিজ্ঞানীরা সিগারেটের সাথে লাং ক্যান্সারের যোগসূত্রের কথা বলতে থাকেন। ১৯৫৩ সালে সিগারেট কোম্পানিগুলো ডাক্তারদের টার্গেট করে এবং বিজ্ঞাপনে তাদের ব্যবহার করে। ক্যামেল নামের একটি সিগারেট ব্র্যান্ড ডাক্তারদের ফ্রিতে সিগারেট পাঠাতো এবং তাদের দিয়ে নিজেদের ব্র্যান্ডের প্রচার চালাতো। জন ডব্লিউ হিলের পরামর্শে ১৯৫৩ সালে টোবাকো ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ কমিটি গঠন করা হয়, যারা সিগারেটের ক্ষতিকর দিক নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিত। অবশেষে ১৯৬৪ সালে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেন যে সিগারেট থেকে লাং ক্যান্সার হয়।

উপসংহার

সিগারেট কোম্পানিগুলো মানুষকে বোকা বানিয়ে সিগারেট খাইয়েছে। ২০০৩ সালে ডব্লিউএইচও ওয়ার্ল্ড টোব্যাকো অ্যাক্ট নিয়ে আসে, যেখানে সিগারেটের বিজ্ঞাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় এবং প্যাকেটের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা লেখার নিয়ম করা হয়। তবে ততদিনে সিগারেটের নেশা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে।

Summarize any YouTube video in seconds

Get summaries like this one for any video, in your language, with the free Summ app.

Download on the Apple Store
Get it on Google Play

Transcript

YouTube Transcript Generator

0:00 স্মোকিং ইজ ইনজুরিয়াস টু হেলথ অথবা ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। এই বিজ্ঞাপনটা মোটামুটি আট থেকে 80 আমরা সবাই দেখেছি। আমরা সবাই জানি সিগারেট আমাদের জন্য কতটা ক্ষতিকারক। এমনকি সিগারেটের প্যাকেটের গায়েও বড় বড় করে লেখা থাকে স্মোকিং কজেস ক্যান্সার। কিন্তু আপনি কি জানেন একসময় ডাক্তাররাই তাদের পেশেন্টদেরকে সিগারেট খাওয়ার পরামর্শ দিতেন। শুধু তাই নয় প্রেসক্রিপশনে লিখেও দিতেন কোন কোম্পানির সিগারেট খেতে হবে। এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আহত সৈন্যদের ব্যথা কমানোর জন্যও দেওয়া হতো এই নিকোটিন। আগে হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সিগারেট বা স্মোকিং বিষয়টাকে আমরা যে নজরে দেখি আজ থেকে মাত্র 80 বছর আগেও এই দৃষ্টিভঙ্গিটা ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম। আপনি হয়তো বিশ্বাস করবেন না একসময় এই সিগারেট খাওয়াকে দেশপ্রেমের প্রতীক মানা হতো। আর শুধু তাই

0:46 নয় আজকের দিনে দাঁড়িয়ে রাস্তাঘাটে মেয়েদেরকে সিগারেট খেতে দেখলে অনেকেই নাক শিটকায়। অথচ 1924 25 এর দিকে এই সিগারেটই নারীদের অধিকার আদায়ের একটা হাতিয়ার ছিল। সেই সময় গোটা আমেরিকা জুড়ে মহিলারা সিগারেটকে নিজেদের টর্চ অফ ফ্রিডম বলে মনে করতেন। আর এই সমস্ত কিছু শুরু হয়েছিল একটা প্রোপাগান্ডা থেকে। আর সেটা হল স্মোকিং কিলস এনিমিস নট দা ফাইটার। নমস্কার আমি অপূর্ব। আর আপনারা দেখছেন বায়োস্কোপলা। আর আজকের ভিডিওতে আমরা কথা বলবো এই স্মোকিং ইন্ডাস্ট্রির সমস্ত খুঁটিনাটি নিয়ে। জানবো কিভাবে 100 বছরেরও বেশি সময় ধরে এই সিগারেট কোম্পানিগুলো একের পর এক দুর্দান্ত মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির মাধ্যমে আমাদের বোকা বানিয়ে আসছে। তার সাথে সাথে জানবো

1:32 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং নারীদের আন্দোলনে ঠিক কি এমন ভূমিকা রেখেছিল এই সিগারেট যে এটাকে দেশাত্মবোধের প্রতীক মনে করা হতো। আর কেনইবা সেই সময় ডাক্তাররা তাদের পেশেন্টদের সিগারেট খাওয়ার পরামর্শ দিতেন? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করবো আমাদের আজকের ভিডিওতে এবং আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি এই ভিডিওটা শেষ হতে হতে আপনি খুব ভালোমতোই বুঝতে পারবেন এই সিগারেট খাওয়া শুধু একটা নেশা বা খারাপ অভ্যাস নয় বরং অনেক অনেক বছর আগের একটা সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তাই আপনার যদি সিগারেটের নেশা থেকে থাকে বা নাও থেকে থাকে তাও এই ভিডিওটা শেষ অব্দি দেখুন। কথা দিচ্ছি এমন এমন সব স্ট্র্যাটেজির ব্যাপারে জানতে পারবেন শট হয়ে যাবেন। তবে ভিডিওটা শুরু করার আগে আমি আপনাদের উদ্দেশ্যে কয়েকটা কথা বলতে চাই। এই ভিডিওটা আমার কাছে খুব স্পেশাল। কারণ 100 কে কমপ্লিট হওয়ার পর এটা আমাদের প্রথম ভিডিও। তাই

2:18 ভিডিওটা শুরু করার আগে আমি আপনাদের সবাইকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ এই জার্নিটাতে আমার সাথে জুড়ে থাকার জন্য। আশা করি আগামীতেও এভাবেই আপনাদের সাপোর্ট, স্নেহ এবং ভালোবাসায় এই চ্যানেলটা আরো বড় করে তুলতে পারব। আমিও আপনাদের কথা দিচ্ছি। আমিও আমার তরফ থেকে 100% চেষ্টা করবো নিজের কন্টেন্ট নিয়ে আরো দায়িত্ববান হওয়ার যাতে বেস্ট থেকে বেস্ট কোয়ালিটি ভিডিও আপনাদের জন্য নিয়ে আসতে পারি। অসংখ্য ধন্যবাদ সবাইকে। তাহলে চলুন আজকের ভিডিও শুরু করা যাক। আরো একবার নমস্কার আমি অপূর্ব। আর আপনারা দেখছেন পায়স্কোপওয়ালা। 2024 সালের একটা রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে সারা বিশ্বজুড়ে প্রায় 1.25 বিলিয়ন মানুষ কোন না কোন ভাবে তামাক সেবন করে। সেটা হতে পারে সিগারেট, বিড়ি, খৈনি, গুটকা আরো যা যা তামাক জাতীয় প্রোডাক্ট

3:04 হয় এবং গোটা বিশ্বজুড়েই তামাকের জন্য প্রতিবছর প্রায় 80 লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। মানে এটা এমন একটা ইন্ডাস্ট্রি যেটা নিজের বেস্ট কাস্টমারদেরকেই মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। তবে এত মানুষের মৃত্যুর পরেও এই ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু প্রত্যেক বছর তাদের রেভিনিউ বাড়িয়েই চলেছে। 2024 পর্যন্ত এই ইন্ডাস্ট্রির টোটাল রেভিনিউ ছিল 965 বিলিয়ন ডলার। এবং অনুমান করা হচ্ছে 2032 সালে এই ইন্ডাস্ট্রির রেভিনিউ গিয়ে দাঁড়াবে 1.26 26 ট্রিলিয়নে এবং সবথেকে মজার ব্যাপার এই তামাক ইন্ডাস্ট্রির টোটাল রেভিনিউ 80%ই আসে সিগারেট থেকে। অথচ তামাক বাজার যত হয়েছে সিগারেটের জন্মের প্রায় 400 বছর আগে। অন্যদিকে মর্ডার্ন সিগারেট মানে যেটা এখন বাজারে পাওয়া যায় সেটা এসছে আজ থেকে মাত্র 140 বছর আগে। তাহলে এমন কি ছিল এই আধুনিক সিগারেটে যে কয়েক

3:50 বছরের মধ্যেই এতটা জনপ্রিয় হয়ে গেল। এটা জানতে গেলে আপনাকে ফিরে যেতে হবে আজ থেকে কয়েকশ বছর আগে। যখন তামাক পাতা চিবিয়ে খাওয়া হতো। আগে হ্যা সাল 14 92 শোনা যায় কলম্বাস যখন আমেরিকা আবিষ্কার করে সে শুধু আমেরিকা আবিষ্কার করেনি করেছিল এই তামাক পাতা আমেরিকায় গিয়ে তিনি লক্ষ্য করেন সেখানকার আদিবাসীরা এক বিশেষ ধরনের পাতার চাষ করে আর এই পাতা তারা উৎসর্গ করে তাদের দেবতার উদ্দেশ্যে তাদের বিশ্বাস এই পাতা চিবিয়ে খেলে সর্দি কাশি গলা ব্যথা এই ধরনের বিভিন্ন শারীরিক অসুবিধা সেরে যায় আর একটু বেশি মাত্রায় পুড়িয়ে খেলে একটা অদ্ভুত নেশার অনুভব হয় ব্যাস এখান থেকে তামাক পাতা সবার প্রথমে ভেসজ ঔষধী হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে দিকে দিকে। এরপর বেশ কয়েকশ বছর বিভিন্ন জায়গায় চিবিয়েই খাওয়া হতো

4:35 এই তামাক। কিন্তু তারপর ধীরে ধীরে মানব সভ্যতার সার্বিক উন্নতির সাথে সাথে উন্নত হয় তামাক খাওয়ার ধরণও। হুগো কিংবা পাইপ। এই ধরনের কিছু যন্ত্রের মাধ্যমে তামাক পাতা পুড়িয়ে খেতে আরম্ভ করে মানুষ। তারপর তৈরি হয় হাতে বানানো সিগারেট। যেটাকে আমরা এখন সিগার বলে চিনি। এই সিগার তৈরি করা একটা বিরাট সময় সাপেক্ষ এবং কঠিন কাজ ছিল সেই সময়। তাই সিগারেটের দামও হতো সেই রকমই। তাই আমেরিকার বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ সেটা এফোর্ড করতে পারতো না। তারপর আসে 1880। আজ থেকে প্রায় 200 বছর আগে। আমেরিকার জেমস আলবার্ট বনসেক তৈরি করেন পৃথিবীর প্রথম সিগারেট রোলিং মেশিন। যার ফলে সিগারেট বানানো হয়ে গেল অনেকটা সহজ। কিন্তু সহজ হয়েও লাভ কি? আমেরিকার সাধারণ মানুষ সহ সারা বিশ্ব তখন তামাক পাতা চিবিয়ে খেতেই বেশি পছন্দ করে। তাই

5:20 তামাকের এই বিরাট মার্কেটে সিগারেটের ব্র্যান্ডিং প্রতিষ্ঠা করার জন্য এমন এক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি এপ্লাই করা হয় যা মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে সিগারেটকে গোটা বিশ্বে জনপ্রিয় করে তুলে। কি ছিল সেই মার্কেটিং? এবার সেটাই বলব ভিডিওর নেক্সট চ্যাপ্টারে। সিগারেট যখন প্রথম বাজারে আসে তখন সেভাবে কেউ সিগারেট খেত না বা কিনতো না। এই দেখুন 2022 এ প্রকাশিত এই রিপোর্ট অনুযায়ী 1900 সালেও আমেরিকাতে একেকজন মানুষ বছরে মাত্র 54 টা সিগারেট কনজিউম করত। কিন্তু মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই এই গ্রাফটা বিরাটভাবে বেড়ে যায় এবং 1965 আসতে আসতে 54 টা থেকে জনপ্রতি সিগারেট কনজিউমের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়ায় 4,249 টাতে। মানে একেকজন মানুষ প্রতিদিন প্রায়দেড় প্যাকেটের বেশি সিগারেট কনজিউম করতো আমেরিকাতে। আর এই

6:06 সবকিছু শুরু হয়েছিল 1914 অর্থাৎ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়। ওই সময় বড় বড় সিগারেট কোম্পানিরা বুঝতে পেরেছিল সিগারেটকে অন্যান্য তামাকের মত মার্কেটিং করলে চলবে না। তাই তারা খুব বুদ্ধি করে বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সৈন্যদের রেশনের সাথে ফ্রিতে সিগারেট পাঠাতো। আর বলত এইটা ব্যাটল ফিল্ডে আমাদের আর্মিদের শান্ত রাখবে এবং সঠিক সময়ে সঠিক ডিসিশন নিতে হেল্প করবে। আর তাদের এই একটা কথা সেই সময়ের আর্মিরা এতটাই বিশ্বাস করে নেয় যে তারা যুদ্ধে আহত সৈন্যদের সিগারেট দিয়ে শান্ত করাতো। অন্যদিকে একই সময় সিগারেট কোম্পানিগুলো সারা দেশ জুড়ে মার্কেটিং করতে থাকে। এই আর্মিদের দেখিয়ে সারা দেশ জুড়ে তারা সিগারেটকে ব্যাটেল ফিল্ডের হাই ডোজ বলে মার্কেটিং করতে শুরু করে। আর দেশের মানুষের কাছে আর্মিই তখন হিরো। আর্মিই তখন সবার রোল মডেল। তাই রোল মডেলরা

6:51 যা করত তারাও সেটাই ফলো করত। যার ফলে আমেরিকাতে রাতারাতি সিগারেটের কনজামশন প্রায় তিন গুণ বেড়ে যায়। এরপর যখন যুদ্ধ শেষ হলো ততদিনে গোটা আর্মি মোটামুটি সিগারেটের প্রতি আসক্ত হয়ে গেছে। আর তাদের সাথে সাথে একটা আস্ত জেনারেশন। তাই যুদ্ধ শেষ হবার পর সিগারেট কোম্পানির ব্যবসাও একদম ফুলে ফেপে উঠলো। তখন সবাই ভেবেছিল এটাই হয়তো সিগারেট ইন্ডাস্ট্রির সবথেকে হাই। এর উপরে আর কোনদিন যাবে না। কিন্তু এরপর এই সমস্ত টোবাকো কোম্পানি যে ইভিল মার্কেটিংটা করে সেটা গোটা তামাক ইন্ডাস্ট্রিকে আজীবনের জন্য বদলে রেখে দিয়েছে। সাল 1929 আমেরিকান টোবাকো কোম্পানি বা এটিসির সিইও উইলিয়ামস জে এলি লক্ষ্য করেন তাদের কোম্পানির বেশিরভাগ কনজিউমারই পুরুষ। মানে পুরুষরাই শুধু সিগারেট কনজিউম করে। মানে একটা আস্ত নারী সমাজ তখনো তাদের

7:38 কাস্টমার হয়ে উঠেনি। তখনই উইলিয়াম এখানে একটা বড়সড় মার্কেট গ্যাপ বুঝতে পারে এবং তিনি সরাসরি যোগাযোগ করেন তখনকার আমেরিকার সবথেকে বড় প্রোপাগান্ডা এক্সপার্ট এডোয়ার্ড বার্নাসের সাথে। বার্নাস সার্ভে করে জানতে পারে যেসব মহিলারা স্মোকিং করে সমাজে তাদেরকে একটু অন্য দৃষ্টিতে দেখা হয়। সিগারেটটা ততদিনে সমাজে একটা মাসকুলিনিটির প্রতীক হয়ে উঠেছে। যেন সিগারেট না খেলে সে পুরুষই না। এরকম একটা ব্যাপার। এখানে অপরচুনিটি খুঁজে পায় বার্নারস। সেই সময় আমেরিকাতে মহিলাদের অধিকার নিয়ে আন্দোলন চলছিল সারা দেশ জুড়ে। মহিলারা মাঝে মাঝেই নিউইয়র্ক শহরে নিজেদের অধিকারের দাবিতে প্যারেট করতেন। যেখানে হলিউড অ্যাক্ট্রেস থেকে শুরু করে বড় বড় ফ্যামিলির মহিলারা যোগ দিতেন এবং তাদের কথা জানাতেন মানুষের কাছে সরকারের কাছে। তখন বার্নাজ কি করেন? বেছে বেছে ওই আন্দোলনের যারা মাথা তাদেরকে ডেকে পাঠান

8:26 এবং তাদেরকে বোঝান সমাজে পুরুষের মত সমান অধিকার পেতে গেলে সমাজকে দেখাতে হবে যে তারাও পুরুষের সমান। আর এটা বোঝানোর জন্য সিগারেট একটা বড় হাতিয়ার হতে পারে তাদের এই আন্দোলনে। এরপর প্যারেটের যারা মাথা মানে যারা এই আন্দোলনটাকে লিড করত তারা সিগারেট ধরিয়ে প্যারেট করতে শুরু করে। সিগারেটকে এই আন্দোলনের টর্চ অফ লাইফ বা টর্চ অফ ফ্রিডম এর নাম দেওয়া হয় এবং সত্যি কথা বলতে এই ঘটনাটা কিন্তু সত্যি সত্যি একটি বিরাট বুস্ট দিয়েছিল এই আন্দোলনকে। মহিলারা যখন প্যারেডের মধ্যে প্রকাশ্যে এভাবে সিগারেট খেতে শুরু করল খবরটা আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়লো চারিদিকে এবং রাতারাতি মহিলাদের মধ্যেও জনপ্রিয় হয়ে গেল এই সিগারেট। এরপর শুরু হলো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্রেইন ওয়াশ। বিভিন্ন রকমের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মহিলাদের এটা বোঝাতে থাকে একমাত্র সিগারেটই পারবে এই পেট্রিকিকে শেষ করে তাদের অধিকার ফিরিয়ে

9:12 দিতে। পাতি কথায় বলতে গেলে সিগারেট খেলে নারী পুরুষ সমান হয়ে যাবে এই স্ট্যান্ডার্ডটা সেট করাই ছিল এই কোম্পানিগুলোর মূল উদ্দেশ্য। এমনকি মহিলাদের আরো ইনফ্লুয়েন্স করার জন্য নানান রকম মিথ্যে মার্কেটিং করতে শুরু করে এই সমস্ত সিগারেট কোম্পানি। সেই সময় বেশ বড় একটা টোবাকো কোম্পানি লাকি স্ট্রিক্স। ওরা ওদের বিজ্ঞাপনে দাবি করতে থাকে সিগারেট খেলে নাকি মহিলাদের ওজন কমে যায় এবং অদ্ভুতভাবে তাদের এই ক্যাম্পেইন এক মাসের মধ্যে ওদের সেল তিন গুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং এইভাবে শুধু পুরুষ নয় নারী পুরুষ সবার মধ্যে ছড়িয়ে গেল এই সিগারেট এবং মহিলাদের মধ্যেও স্মোকিং এতটা জনপ্রিয় হবার পর গোটা আমেরিকাতে সিগারেটের কনজামশন প্রায় ছ গুণ বেড়ে গেছিল কি ভাবছেন নারী পুরুষ সবাইকে তো ক্যাপচার করে নিল এখানেই শেষ ভাগের না এই টোবাকা কোম্পানির সবথেকে ইভিল মার্কেটিং

9:58 এখনো বাকি বাকি ছিল। সাল 1940 শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। সুযোগ বুঝে এ সমস্ত সিগারেট কোম্পানিগুলো আবার র্যাশনের সাথে ফ্রিতে আর্মি ক্যাম্পে সিগারেট পাঠাতে শুরু করে। কিন্তু 1941 সালে নাসি শাসক হিটলার জার্মানিতে সিগারেট এক প্রকার ব্যান করে দেয়। কারণ জার্মানির বিজ্ঞানীরা বুঝতে পেরেছিল এই সিগারেট আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। সিগারেট মানুষের ইমিউনিটি নষ্ট করে দেয়। কিন্তু এই ব্যানই আমেরিকান সিগারেট কোম্পানিগুলোর সামনে খুলে দিল এক নতুন দরজা। একদিকে ফেসিস্ট লিডার হিটলার এবং মুসলিনই কখনো স্মোকিং করতেন না। অন্যদিকে ফ্রি ওয়ার্ল্ডের লিডাররা যেমন চার্চেল, স্টালিন, রোজাবেল্ট ওরা ছিল হেভি স্মোকার। আর এই বিষয়টাকে কাজে লাগিয়েই সিগারেট কোম্পানিগুলো এমন একটা প্রোপাগান্ডা শুরু করে যে সিগারেট খেলেই আপনি প্রকৃত

10:43 আমেরিকান। আর না হলে আপনি নার্সি এজেন্ট। ভাবতে পারছেন সিগারেট না খেলে দেশদ্রোহীর তকমা লেগে যাবে। তাই অগত্তা যারা সিগারেট খেত না তারাও বাধ্য হয়ে নিজের দেশপ্রেম দেখানোর জন্য সিগারেট খেতে আরম্ভ করে। এবং এরপর এই ইন্ডাস্ট্রিকে আর কিছু ভাবতে হয়নি। এমন একটা সময় আসে যখন আমেরিকায় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেক পাঁচজনের মধ্যে চারজনই সিগারেট খেত এবং সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে আজ অব্ধ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে জলভাতের মত একটা বিষয় হয়ে যায় সিগারেট। কিন্তু এরকম না যে এই সিগারেট কোম্পানিগুলোর সামনে কখনো বাধা বিপত্তি আসেনি। বাধা অবশ্যই এসেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকায় লাং ক্যান্সারের পরিমাণ বিরাট হারে বেড়ে যায়। এবং একসময় সবাই বুঝে যায় যে সিগারেট থেকে এটা হচ্ছে। লাং ক্যান্সার ছাড়াও গলায় ইরিটেশন, কাশি, দুর্বলতা

11:30 এরকম নানান সাইড ইফেক্ট দেখা যায়। যার ফলে ধীরে ধীরে সিগারেটের প্রতি আসক্তি মানুষের কমতে থাকে। আর এই সমস্যার সমাধানের জন্য সিগারেট কোম্পানিগুলো যে পথ বেছে নেয় সেটা হয়তো কেউ কল্পনাও করেনি। ভিডিওর নেক্সট চ্যাপ্টারে সেটাই বলব। এবার 1930 সাল থেকে বিজ্ঞানী এবং ডাক্তাররা এই সিগারেটের সাথে লাং ক্যান্সারের একটা কানেকশনের কথা বলে আসছে। কিন্তু তখনকার দিনে তো বিজ্ঞান এতো উন্নত ছিল না। তাই সেভাবে কোন তথ্য প্রমাণ সাবমিট করতে পারেনি। কিন্তু 1935 সালে একের পর এক জার্নাল আসতে থাকে। যার মাধ্যমে মানুষ কোথাও না কোথাও বিশ্বাস করা শুরু করে যে সিগারেট আমাদের শরীরের ক্ষতি করে। তখন এই সমস্ত সিগারেট কোম্পানিগুলো বুঝতে পারে এই দেশপ্রেমের প্রোপাগান্ডা দিয়ে আর বেশিদিন সারভাইভ করতে পারবে না। কারণ নতুন কিছু রিপোর্টে স্মোকিং এর সাথে লাং ক্যান্সারের একটা ডিরেক্ট লিংক দেখাতে সক্ষম হয়

12:16 বিজ্ঞানীরা। তাই 1953 সালে সমস্ত বড় বড় সিগারেট কোম্পানির সিইওরা একসাথে বসে মিটিং করে এবং তারা ঠিক করে এবার থেকে তারা একসাথে কাজ করবে। মানে নিজেদের মধ্যে কম্পিটিশন থাকবে কিন্তু মার্কেটে টিকে থাকতে গেলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাই সমস্ত টোবাকো কোম্পানি মিলে এবার টার্গেট করে ডাক্তারদেরকে এবং এরপর থেকে প্রত্যেকটা বিজ্ঞাপনে দেখা যেত ডাক্তারদের উপস্থিতি। ডাক্তাররা নিজেরাই সেই সমস্ত বিজ্ঞাপনের সিগারেট প্রমোট করতো এবং একটা সময় তো রীতিমত কম্পিটিশন চালু হয়ে গেছিল। কেউ তাদের ব্র্যান্ডকে প্রমোট করার জন্য ডাক্তারদেরকে দিয়ে বলতো আমাদের সিগারেট সবথেকে কম গলায় লাগে। কেউ বলতো আমাদের সিগারেটের সবথেকে কম কাশি হয়। আর এদের সবকিছুর ঊর্ধে ক্যামেল নামের একটা সিগারেট ব্র্যান্ড কি করে? তারা ডাক্তারদেরকে প্রত্যেক মাসে ফ্রিতে সিগারেট পাঠাতে থাকে। প্রত্যেকটা ডাক্তারকে প্রতি মাসে

13:02 কমপক্ষে 50 বাক্স সিগারেট। এবার ফ্রিতে সিগারেট পেয়ে ডাক্তাররা সবসময় সেটাই খেত। তাইতো ক্যামেল একদিন একটা বৈঠক করে ডাক্তারদের কাছে জানতে চান তারা কোন ব্র্যান্ডের সিগারেট সব থেকে বেশি খায়। স্বাভাবিকভাবেই উত্তর আসে ক্যামেল ব্র্যান্ড। ব্যাস এটুকুই যথেষ্ট ছিল। যখন প্রত্যেকটা ডাক্তারই সিগারেট খায় তখন রোগীরা খাবে না কেন? তাই এবারেও মার্কেটে ঠেকে যায় সিগারেট। কিন্তু একের পর এক মেডিকেল এক্সপেরিমেন্ট বাইরে আসার ফলে অনেক ক্ষতিও হয়েছে এই সমস্ত কোম্পানিগুলোর। তাই শেষে সমস্ত টোবাকো কোম্পানির মালিকরা যান জন ডব্লিউ হিলের কাছে। জন ডব্লিউ হিল ছিলেন সেই সময় আমেরিকার অন্যতম পিয়ার ফার্ম হিল্যান্টাসের প্রেসিডেন্ট। তারপর জনের পরামর্শ অনুযায়ী 1953 সালে টোবাকো ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ কমিটি নামে বিজ্ঞানীদের একটা দল গঠন করা হয়। যাদের মূল কাজ ছিল এটা দেখা যে সিগারেটের সাথে

13:48 লাং ক্যান্সারের সত্যিই কোন যোগাযোগ আছে কিনা। এবার পাবলিকলি এই সংস্থা দাবি করতো যে তারা স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষ একটা রিসার্চ করছে। কিন্তু ভেতর ভেতর ফান্ডিং আসতো টোবাকো কোম্পানিগুলোর থেকেই। যার ফলে গবেষণার যেসব রিপোর্ট বেরিয়ে আসতো সেগুলো হতো খুবই বিভ্রান্তিকর। কখনো বলতো রিসার্চে এমন কিছু পাওয়া যায়নি। কখনো বলতো আরো সময় লাগবে এবং এইভাবে বেশ কিছু বছর ধরে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হয় এই কমিটি। কিন্তু তারপর ফাইনালি 1964 সালে কয়েকজন বিজ্ঞানীরা মিলে খাতায় কলমে এটা প্রমাণ করিয়ে দেখিয়ে দেয় যে সিগারেট থেকে লাং ক্যান্সার হয়। কিন্তু ততদিনে অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে। সারা বিশ্বজুড়ে তখন ছড়িয়ে গেছে সিগারেট এবং সিগারেটের নেশা। আর এই এক এমন নেশা যে সাক্ষাৎ মৃত্যু জেনেও মানুষ এই নেশা ছাড়তে পারে না। তারপর 2003 সালে ডব্লিউএইচও নিয়ে আসে

14:34 ওয়ার্ল্ড টোবাকো অ্যাক্ট। যেখানে সাইন করে ভারত, আমেরিকা সহ আরো অনেকগুলো দেশ। এই অ্যাক্ট অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে কোথাও সিগারেট বা যেকোনো তামাক জাতীয় প্রোডাক্টের পাবলিকলি কোন বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না এবং প্রত্যেকটা প্রোডাক্টের গায়ে লিখে দিতে হবে যে এটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। কিন্তু কি লাভ? ততদিনে একটা আস্ত জেনারেশনের মধ্যে ছড়িয়ে গেছে এই সিগারেটের নেশা। আর এই নেশা এতটাই তীব্র যে এখন সিগারেট কোম্পানিগুলো পর্যন্ত বলে দিচ্ছে যে এটা ক্ষতিকারক। কিন্তু তাও মানুষ সিগারেট ছাড়তে পারে না। তাহলে বুঝতে পারছেন মার্কেটিং এর কি কালমা? তো এই ছিল সিগারেটের একদম শুরু থেকে আজ অব্দি জার্নি। এবার আপনিই বলুন আপনার কি মনে হয়? সিগারেট নিজের ইচ্ছায় খেয়েছে নাকি মানুষকে খাওয়ানো হয়েছে? কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। আর এই ভিডিওটা শেষ করার

15:20 আগে আরো কয়েকটা কথা বলতে চাই। আপনি যদি এখনো এই ভিডিওটা দেখছেন তাহলে আপনি এই চ্যানেলের একজন ডেডিকেটেড অডিয়েন্স। আপনাদের জন্যই আজকে আমরা এই এক লাখের মাইলস্টোন কমপ্লিট করতে পেরেছি। তাই এই জার্নিটা যতটা না আমার ততটাই আপনাদের বা তোমাদের। তাই আমি এই সাকসেসটাও তোমাদের সাথেই সেলিব্রেট করতে চাই। আমরা একটা মিটআপের আয়োজন করব। আমি চাই তোমরাও সেখানে উপস্থিত থাকো এবং এই মুহূর্তটা আমার সাথে ভাগ করে নাও। তাই যারা যারা এই ভিডিওটা একদম শেষ অব্দি দেখলে তোমাদের সবাইকে অনুরোধ রইল আমার ইমেইল এড্রেস দেওয়া রইল এখানে দাস অপূর্ব [email protected] এখানে প্লিজ নিজের নাম লোকেশন এবং ফোন নাম্বার লিখে পাঠাও। আমার টিম তোমার সাথে অবশ্যই যোগাযোগ করে নেবে। তাহলে সামনাসামনি দেখা হচ্ছে। ততদিন অব্ধি ভালো থেকো, সুস্থ থেকো। টাটা গুড বাই।

Share

YouTube Video Summaries