0:01 নমস্কার স্মার্ট লার্নিং চ্যানেলে সকলকে স্বাগত। আজকে আমি আগামী এসএলএসটি 19 11 12 জিওগ্রাফি সেপ্টেম্বর মাসে যে এক্সামটা হতে চলেছে সেই এক্সাম স্ট্র্যাটেজি আলোচনা করব। কিভাবে পড়তে হবে, কি কি করতে হবে এবং কি কি করতে হবে না পুরো বিষয়টা। একটা রুটম্যাপ আমি আপনাদের আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। তো বিষয়টা হচ্ছে আমাদের সিলেবাস সম্পর্কে খুব বেশি সচেতন থাকতে হবে। সিলেবাসের প্রত্যেকটা ছোট ছোট মাইক্রো টপিক আমাদের খুব ভালো করে ভেঙে নিতে হবে। একটা একটা টপিক ভেঙে নিতে হবে এবং ভেঙে নিয়ে আমরা সেগুলো চর্চা করব। তো এখানে আমি নালে 12
0:48 যে সিলেবাসটা ছিল সেই সিলেবাসটা এখানে রেখেছি। তো আপনারা কমবেশি এগুলো জানেন যে সিলেবাসে কোথায় কি রয়েছে। তো এই সিলেবাসটাকেই আমি কি করেছি? একদম ছোট ছোট ছোট ছোট করে ডিস্ট্রিবিউট করে দিয়েছি ভেঙে ভেঙে। যেমন এখানে দেখা যাচ্ছে ওসেনোগ্রাফি। সেকেন্ড জুন কন্টিনেন্টাল সেলফ এন্ড স্লোপ। পরের দিন ওসিন কারেন্ট। তো এটা জাস্ট একটা বোঝানোর জন্য যে কিভাবে আপনারা এই জিনিসগুলোকে করবেন। এবার এটা আমি ইন্স্টিটিউটে পড়ানোর জন্য করেছি। আপনারা কি করবেন? এইটাকেই খুব ছোট ছোট করে আপনাদের কাছে নিশ্চয়ই পিডিএফটা আছে বা বইতে কোথাও রয়েছে এটা। তো সেখানে ছোট ছোট ছোট করে এগুলো ভেঙে নেবেন। ভেঙে নেবেন এবং
1:33 ডেট ওয়াইজ আপনার নিজের মত করে অথবা আমি যেরকম করেছি সেভাবে একটা। পুরো রুটম্যাপ তৈরি করে নেবেন আপটু আগস্ট পর্যন্ত। আগস্ট পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে এটাকে রেডি করে ফেলতে গেলে কি কি করতে হবে সেইটা নিয়ে আমি কথা বলছি। তো ফাস্ট অফ অল আপনি এটা ভেঙে নিলেন। ছোট ছোট টপিক সাবটপিকে ভেঙে নিলেন। এইবার সেই টপিকগুলো আপনি পড়ছেন। ডেইলি পড়ছেন। এবার বিভিন্নজন বিভিন্ন রকম সমস্যা আছে। বিভিন্নজনের বিভিন্ন রকমের বাধা আছে। সেই বাধাগুলোকে অতিক্রম করে পড়াশোনা করতে হবে। তো সেইগুলো নিয়ে আমি ধাপে ধাপে আলোচনা করব। আমি শুধু এখানে ভুল যেটা বলতে চাইছি যে এইটুকু সময়ের মধ্যে আপনাদের ঠিক কি কি করা উচিত আর কি কি করা উচিত নয়। এখন
2:21 প্রথমেই আপনাদের ভাবতে হবে যে এত কিছু পড়ার পরে সেটা আমাদের মেমোরিতে ধরে রাখাটা কিন্তু সবথেকে বড় কাজ। সবথেকে ইম্পরটেন্ট কাজ। কারণ এই সিলেবাসটা কমবেশি সবার জানা। সকলেই পড়বেন। আগামী তিন মাসে প্রচুর পরিমাণে পড়বেন। এতদিন যা করেননি এখানে সেটা করবেন। এটা খুব স্বাভাবিক বিষয়। কারণ প্রত্যেকের কাছে এটা একটা অপ্রত্যাশিত সুযোগ। সেটা প্রত্যেকে কাজে লাগাতে চেষ্টা করবেন। কিন্তু ঠিক কিভাবে? সেইটার জন্য আমি এখানে কিছু বলবো। যেমন আপনাদের যেটা সবচেয়ে বেশি করতে হবে সেটা কিছু ট্রিক্স তৈরি করতে হবে। কিছু ট্রিক্স তৈরি করতে হবে। যাতে করে আপনারা সেই ট্রিক্স এর মাধ্যমে সহজে মনে রাখতে পারেন। সহজে মনে রাখতে পারেন। তো
3:07 এখানে আপনাদের আমি সেই মেথডগুলো বলব যে কিভাবে আপনারা ট্রিক্স এর মাধ্যমে কিভাবে আপনারা ট্রিক্স এর মাধ্যমে এগুলোকে মনে রাখতে পারবেন। তো আমি এখানে দেখুন একটা পিডিএফটা দেখা যাচ্ছে আশা করছি। দেখতে পাচ্ছেন ন্যাশনাল পার্ক লেখাটা রয়েছে দেখা যাচ্ছে তো হ্যাঁ স্যার ঠিক আছে দেখা যাচ্ছে হ্যাঁ দেখুন ন্যাশনাল পার্ক অনেকগুলো ন্যাশনাল পার্ক রয়েছে অনেকগুলো ন্যাশনাল পার্ক রয়েছে 107 টার উপরে ন্যাশনাল পার্ক রয়েছে তো সেইগুলো আমরা কি করে মনে রাখবো এককটা স্টেট ওয়াইজ কোথায় কি ন্যাশনাল পার্ক এবং সেই তার কি ইম্পরটেন্স রয়েছে সেই ন্যাশনাল পার্কে পার্টিকুলার কি পাওয়া
3:54 যায় যেটা পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যায় না এরকম ধরনের কিছু প্রশ্ন আসে তো সেটা এখানে দেখুন আমি টোটালি ইমেজ ফরম্যাটে করে নিয়েছি ইমেজ ফরম্যাটে কনভার্ট করে নিয়েছি আন্দামান নিকোবার দ্বীপপুঞ্জে এখানে যা যা ন্যাসেল পার্ক রয়েছে বামদিকে লেখা রয়েছে এবং ডানদিকে প্রত্যেকটা কিন্তু ইমেজ ফরম্যাটে কনভার্ট করা আছে স্যাডল পিক এখানে একটা স্যাটেলাইট ছবি দেয়া রয়েছে স্যাডেল মানে যেটা সুরিপথ যেখান দিয়ে যাওয়া সম্ভব পর্বতকে পার করে যাওয়া সম্ভব ঝাঁসির রানী মহাত্মা গান্ধী নর্থ বাটন, সাউথ বাটন, মিডল বাটন, মাউন্ট হ্যারিয়েট এখানে হ্যারি পটারের একটা ছবি রয়েছে। ক্যাম্প একটা ক্যাম্প রয়েছে বেল রয়েছে। তো ক্যাম্প বেল বে এবং এখানে একটা গলির ছবি দেখতে পাচ্ছি। সেখান থেকে
4:40 গালাথিয়া। তো এই যে এই যে ইমেজটা আমরা কি করবো? এখানে এটা মনে হতে পারে যে এটা আবার কি জিনিস। অনেকের কাছে হয়তো মনে হতে পারে। কিন্তু এটা হচ্ছে সবথেকে বেস্ট মেথড। কোন টপিক খুব ভালো করে মনে রাখার জন্য। সবথেকে বেস্ট মেথড। তো আমরা কি করব? প্রত্যেকটা টপিককে ইমেজ ফরম্যাটে যতটা কনভার্ট করা যায় কনভার্ট করে নেব। সেটা আমাদের মেমোরিতে সবথেকে বেশি স্ট্রাইক করবে। এই ছবিটাই কিন্তু পরীক্ষার সময় আপনাকে বাঁচাবে। এই ছবিটা। এখানে প্রত্যেকটা প্রত্যেকটা স্টেট ওয়াইজ কোন ন্যাশনাল পার্ক আছে আর কোন স্টেটে সেই ন্যাশনাল পার্কটা রয়েছে সেটা ছবি ইমেজ ফরম্যাটে কিন্তু যতটা সম্ভব এখানে করা রয়েছে। তো এটা একটা মেথড যে কিভাবে আমরা
5:29 এগুলোকে মনে রাখতে পারি। অনেক হাস্যকর পদ্ধতিতে মনে রাখতে পারি কোন কোন বিষয়। কিছু ছড়া বানিয়ে মনে রাখতে পারি। কিছু ইমেজ ফরম্যাটে পারি। কিছু চার্ট বানিয়ে মনে রাখতে পারি। এরকমভাবে আমাদের মেমোরিটাকে কিন্তু এই তিন মাসের মধ্যে এমন একটা উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে যাতে করে আমাদের এত পরিশ্রমের এত কিছু সেটা যেন ফাইনালি আমরা এক্সামের খাতায় তার প্রতিফলনটা দেখাতে পারি। না হলে এই পরিশ্রমটা কিন্তু বৃধা হয়ে যাবে। সেইটা যেন না হয়। তার জন্য যা যা করা দরকার সেগুলো করব। তাহলে এটা একটা মেথড। যে এইভাবে আমরা জিনিসগুলোকে মনে রাখবো। ইমেজ ফরম্যাট যতগুলো এখানে আমি জাস্ট ন্যাশনাল পার্কটা করেছি। এটা অনেক
6:15 অনেক ন্যাশনাল পার্ক রয়েছে সেটা মনে রাখাটা সহজ নয় বলেই এভাবে এটা করা হয়েছে। আর কি করা যেতে পারে? কিছু যেমন ধরা যাক আমাদের যে খনিজ উত্তোলন ক্ষেত্রগুলো রয়েছে সেই ক্ষেত্রগুলো কোথায় কোনটা সেটা কিন্তু আমরা চট করে মনে রাখতে পারি না। তো সেটা কি করে মনে রাখবো? কিছু ছড়া বানিয়ে নিতে হবে ছোট ছোট করে। যেমন আমি এর আগে যখন ওই খনিজ সম্পদ লৌহ আকরিকগুলো সেটা কিভাবে করলাম? উড়িশা। উড়িশা হচ্ছে সবথেকে বেশি লৌহ আকরিক উত্তোলন সেখানে করা হয়। প্রথম স্থান
7:01 অধিকার করেছে। কোথায় কোথায় রয়েছে? উড়িসার সেন্টারগুলো কোন একটা পার্টিক এখানে কিরকম প্রশ্ন হতে পারে কোন একটা পার্টিকুলার জায়গা সেটা দিয়ে বলা হতে পারে যে এটা কোন রাজ্যে রয়েছে বা এই ক্ষেত্রটা কোথায় তো সেটা শর্টকাটে মনে রাখার জন্য গুরু মহিশানী সোলাইপাত বাদাম পাহাড় বাঁশপানি কিরিবুরু বোনাই সম্বলপুর এতগুলো সংখ্যা এটা কি করে মনে রাখবো তা আমি এটা শর্টকাট করে নিলাম গরু বুরু বাদাম বাসী বোনা সম্ব সোলাই পুট গরু বুরু বাদাম বাঁসি তো এই একটা ছন্দে যখন এটা আসবে তখন গুরু মহিশানী বাদাম পাহাড় বোনাই সোলাইপাত কোরাপুট এগুলো কিন্তু একসাথে মনে পড়ে যাবে আবার কর্ণাটক কর্ণাটক একটা বড় উত্তোলন ক্ষেত্র বাবাবুদান সান্দুর হাসপেট
7:50 কুদ্রেমুখ এগুলো এটা কিভাবে মনে রাখবো বিজাপুরের দুর্গধারে হাঁসের বাবা ডিম পাড়ে কর্নাটকের কুদ্রেমুখ কুমার স্বামীর যত সুখ তো একটা হাস্যকর জিনিস বিজাপুরের দুর্গধারে হাঁসের বাবা ডিম পাড়ে তো এখান থেকে কি এলো বাবা বুদান হসপেট সান্দুর হসপেট তো এই যে হাঁস হাঁস থেকে হসপেট দুর্গ কুদ্রেমুখ কুমারস্বামী এতগুলো এখান থেকে আমরা এক্সট্রাক্ট করে নিতে পারছি ছত্তিসগড় ছত্তিসগড় যদিও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডলিরাজহারা রাওঘাট তো এটাকে রাওঘাট বলো দিল্লি চলো। এরকমভাবে
8:38 আমরা শর্টকাট করে নিলাম। তাহলে রাওঘাট আর দালি রাজারা এটা যে ছত্তিসগড়ে রয়েছে সেটা আমাদের মনে থাকবে। গোয়া সিরিগাও সাতারি পিরনা এরকম কিছু নাম আছে। তো সেটাকে কনভার্ট করে 12 পিড়ি সাত সিড়ি গোয়া যাওয়ার রেলগাড়ি সেখান থেকে কিন্তু এক্সট্র্যাক্ট হয়ে যাবে। আমি বলতে চাইছি যতটা সম্ভব যতটা সম্ভব আপনারা যারা ওই আমাদের ভলকানিজমের যে অধ্যায়টা সেটা যারা ক্লাস করেছেন সেখানেও আমি যতটা ভাবে মনে রাখা সম্ভব সেগুলো কিন্তু আপনাদের বলেছিলাম যে এভাবে এভাবে করা রয়েছে তো
9:24 আপনারা এটা মনে রাখবেন যেমন নুয়ারদেন্তি নুয়ারদেন্তি কোন মাউন্টেন থেকে আসে বা সেটা সেটা কোথায় রয়েছে সেটা কি করে মনে রাখবেন তো সেটা বলেছিলাম যে পিলিপিলি কোথায় ছিলি ছিলাম মাটিনিক দ্বীপে জ্বলন্ত শিলাচূর্ণ গড়িয়ে পড়ে নুয়ারদেন্তি রূপে তাহলে এখান থেকে আমরা কিন্তু নুয়ারদেন্তিটা পেয়ে যাচ্ছি কোথা থেকে আছে না মার্টিনিক দ্বীপে রয়েছে এটা এবং পিলি ধরনের অগ্নুৎপাত থেকে এটা দেখা যায় তাহলে এইভাবে যতটা সম্ভব যতটা সম্ভব আমি কিন্তু এটা আপনাদের করে দেব আপনারাও চেষ্টা করবেন এরকমভাবে কিছু ছোট ছোট ছোট ছোট এমনভাবে করা যাতে করে খুব সহজে এটাকে মনে রাখা সম্ভব হয়। তো এটা কিন্তু
10:11 মেমোরিটা মেমোরির কথা কিন্তু একটু ভাববেন যে হ্যাঁ আমাকে মেমোরিটা কিন্তু সবসময় সারপ রাখতে হবে। এটা হবেই। এবং এর মধ্যে আরো অনেকগুলো মেথড আছে। প্রথমত ম্যাপের কথা বললাম, ডায়াগ্রামের কথা, ছবির কথা বললাম, ইমেজ ফরম্যাটের কথা বললাম। দ্বিতীয়ত এরকম ছড়া তৈরি করে মনে রাখতে পারেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে চার্টের মাধ্যমে মনে রাখতে হবে চার্ট তৈরি করে। বিভিন্ন রকমের চার্ট হয়। তো আপনারা সেটা তৈরি করবেন। বিভিন্ন ভৌগোলিক কি বলেছেন সেটা একটা চার্টের মাধ্যমে আমরা করে নিলাম। খুব শর্টে শর্টকাটে সেটা মনে রাখার সম্ভব হবে আমাদের পক্ষে। আবার কিছু জিনিস একত্রিত করা। পরপর পর পর পাশাপাশি একত্রিত করে চোখের সামনে বারবার দেখা। চোখের সামনে বারবার দেখা ম্যাপ
10:57 স্টাডি করা ম্যাপটাও চোখের সামনে যদি রাখি আমরা সেটা কিন্তু খুব কাজের এবং আমি বলে দিচ্ছি ম্যাপ বেসড কোশ্চেন কিন্তু আপনারা দেখতে পারবেন ম্যাপ বেসড কোশ্চেন ধরুন হায়দ্রাবাদ থেকে দিল্লি পৌঁছালে আমরা কতগুলো রাজ্যকে অতিক্রম করে যাব এরকম ধরনের প্রশ্ন কিন্তু ইন্ডিয়ান জিওগ্রাফি থেকে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে খুব ভালো করে রাজনৈতিক হোক প্রাকৃতিক হোক যত রকমের ম্যাপ আছে সেটা কিন্তু আমাদের স্টাডি করতে হবে এবং এটা কিভাবে করবেন? এই যে পার ডে আমি এখানে জাস্ট এই এটা দেখাচ্ছি যে একটা রুটিন আপনার থাকলো প্রপার রুটিন এবং প্রপার টার্গেট একটা থাকলো। আমি এখানে ছোট একটা টার্গেট রেখেছি। এত ছোট টার্গেট নিজের পড়ার সময় আরেকটু বড় রাখতেই হবে। ধরুন এখানে কন্টিনেন্টাল সেভ সেলফ এন্ড স্লোপ। যেটা আমি আগের রুটিনে দিয়েছিলাম।
11:42 জুন মাসে। এটা করানো হবে এবং আমি সেপ্টেম্বরেরও কিন্তু একটা সিডিউল করেছিলাম। যেহেতু সেপ্টেম্বরের পরীক্ষা হচ্ছে। এই সিডিউলটা টোটালি শিফট হয়ে যাচ্ছে জুন মাস থেকে জুন, জুলাই, আগস্ট এই তিন মাসে। তাহলে আমি কি করব? এখানে ইন্ডিয়ান জিওগ্রাফি আর কার্টোগ্রাফি করানোর কথা ছিল। তাহলে রিলিফ ফিচারস অফ ইন্ডিয়া ভারতের ভ্রুপ্রকৃতি সেটা কি হবে? সেটা কিন্তু এখানে জুনে আমি সেকেন্ড জুন আমি শিফট করে দিলাম। তাহলে কন্টিনেন্টাল শিফ স্লোপ এটার সাথে আমরা ভারতের ভ্রুপ্রকৃতিটা এড করে নিলাম। এবার আমরা জানি ভারতের ভ্রূপকৃতি কিন্তু যথেষ্ট বড় একটা অধ্যায়। তার মধ্যে অনেক কিছু আছে। হিমালয় পর্বতমালা থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা ভ্রুপ্রকৃতির নানান রকমের টার্ম। নানা রকমের টার্মিনোলজি নানা রকমের ইনফরমেশন সেখানে রয়েছে। তাহলে সেটা আমরা কি করব? আমরা যেখান থেকে যা পাচ্ছি আমাদের সামনে আমরা কিন্তু একটা সোর্স থেকে শুধু পড়বো না। আমরা শুধু নোটস পড়বো না। শুধু এমসিকিউ পড়বো না। কোন একটা টেক্সট পড়বো
12:29 না। আমরা তিন চারটে একসাথে নেব। এটা দরকার আছে। এটা করতে হবে। কিন্তু সেটা নিয়ে কি করবো? আমরা নিজের একটা খাতা নিজস্ব একটা খাতা থাকবে। নিজস্ব একটা নোটস থাকবে। সেখানে আমরা সেটা তুলে রাখবো। এটা কিন্তু প্রত্যেকে করবেন। আমি প্রথম থেকে বলে আসছি। যারা আগে থেকে পড়ছেন যারা এখন আছেন তাদেরও বলছি আপনারা কিন্তু নিজের নোট বানাবেন এবং সেটা একটা অর্গানাইজড ওয়েতে বানাবেন যাতে করে পরে আপনার একটা সেকশন থাকে যে এটা জিওটেকনিকের পোরশন সেখানে জিওটেকনিকের যাবতীয় তথ্য আছে চ্যাপ্টার ওয়াইজ করতে পারলে সেটা আরো ভালো হয় আইসোস্ট্যাটেসির এই তথ্যগুলো আমি এখানে রেখেছি আমি সমস্ত জায়গা থেকে এখন যা পাচ্ছি সেটা এবং ভবিষ্যতে যেটা যা কালেক্ট করতে পারবো সেটা আমি এক জায়গায় করে রাখবো পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে দেখবেন এটা সব থেকে বেশি কাজে লাগবে আপনার সব থেকে বেশি কাজে লাগবে এবং আপনার কোন কিছু
13:16 হারিয়ে যাবে না। এখানে হাজার হাজার ইনফরমেশন আপনি পাচ্ছেন। নানা রকম সোর্স থেকে পাচ্ছেন। কোনটাই হারাবে না যদি একটা জায়গাতে সেটা হ্যাঁ একটু হয়তো সময় লাগবে যে একটু লিখতে সময় লাগছে। কিন্তু সেটাই দেখবেন আল্টিমেটলি সেটা থেকে যাবে এবং আমাদের মেমোরিতে থাকবে। তাহলে এটা অতি আবশ্যিক। আরেকটা বিষয় অতি আবশ্যিক রয়েছে। সেটা হচ্ছে প্রতিদিন রিভিশনের জন্য একটা রাখা। আপনি সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত পড়ছেন বা শুধুমাত্র দু তিন ঘন্টা পড়তে পারছেন যতটুকুই পারুন শেষে এটলিস্ট যতটা সময় পাচ্ছেন তার অন্তত 20% টাইম 20% এই কারণে বলছি কারণ প্রত্যেকের আলাদা আলাদা সময় আমি ঘন্টা তিন মিনিট ধরে বলতে পারি না 20% এটলিস্ট টাইম শুধুমাত্র রিভিশনের জন্য রাখবেন
14:04 রিভিশন এটা কিন্তু সবথেকে সবথেকে ইম্পর্টেন্ট বিষয় এত কিছু পড়বেন এত ইনফরমেশন এত কিছু সেটা মাথার মধ্যে রাখার একটাই মেথড সেটা হচ্ছে রিভিশন বারবার পড়া এবং সেটা পার ডে করতে হবে প্রতিদিন আপনি যদি দু ঘন্টাই সময় পান শেষের অন্তত 20 25 মিনিট আপনি যা পড়েছেন আগের দেড় ঘন্টাতে সেইটুকু রিভিশন করবেন এটা দরকার সবচেয়ে বেশি দরকার প্রতিদিন এটা করবেন আর সপ্তাহ শেষে সপ্তাহ শেষে দুটো দিন অন্তত রাখবেন সারা সপ্তাহে যা যা পড়েছেন সেটা টা রিভিশনের জন্য এবং শুধু পরের সপ্তাহতে কি হবে পরের সপ্তাহে কিন্তু ভারটা আরেকটু বেশি হবে কারণ আগের দুটো সপ্তাহ সবকিছু আপনাকে রিভিশন করতে হবে পার ডে রিভিশন করছেন পার উইক রিভিশন
14:49 করছেন এবং মাসের শেষে মাসের শেষে দু তিনটে তিনটে দিন এটলিস্ট রাখবেন শুধু রিভিশন করার জন্য এবং এখানেই আপনার ওই যে খাতাটা আপনি বানিয়ে রেখেছিলেন সেই খাতাটা আপনাকে হেল্প করবে আপনি ওইখান থেকে প্রপার সেই ইনফরমেশন গুলো কিন্তু পুনরুদ্ধে করতে পারবেন এবং এটা ব্যাপক ইফেক্টিভ একটা মেথড মনে রাখার জন্য কোন কিছু হারিয়ে যাবে না। অনেক সময় গুগ এর সাহায্য নিতে হয় আমাদের। অনেক ইনফরমেশন আপডেটের কারণে সেগুলো নিতে হয়। আরো নানা রকমের তথ্য সেগুলো আমরা সংগ্রহ করি। তো সেটা একটা জায়গাতে করে রাখবেন প্লিজ। না হলে কিন্তু সেইটা আপনার যে আপনি যে সময়টা নষ্ট করেছেন মানে আপনি যে সময়টা পড়েছেন সেটা আপনার টোটালি নষ্ট হয়ে যাবে। ওয়েস্টেজ হয়ে যাবে। থাকবে না। এটা কিন্তু বারবার
15:34 বলছি এটা করবেন। আর এর সাথে মক টেস্ট অবশ্যই দেবেন। কারণ শুধু পড়লে হয় না। আল্টিমেট পরীক্ষার খাতায় যেটা করতে হবে সেটাই আপনাকে প্র্যাকটিস করে যেতে হবে। শুধু পড়লে কখনোই সেটা পুনরুদ্ধে করতে পারবেন না বা আপনার পড়ার সাথে লজিক্যালি অনেক কিছু ক্যালকুলেশন করে আপনাকে এমসিকিউর আনসার বার করতে হবে। সবকটা আপনার জানা 100% জানা আসবে না। 100% জানা আসবে না। আপনাকে পরীক্ষার হলে বসে কিছু ক্যালকুলেশন করতে হবে। সেই প্র্যাকটিসটা এখন থেকে রাখতে হবে। সেই অভ্যাসটা এখন থেকে রাখতে হবে। না হলে কিন্তু আপনি অর্ধেকটা প্রিপারেশন নিলেন। অর্ধেকটা প্রিপারেশন নিলেন। তো আবশ্যিকভাবে বলছি প্রত্যেককে বলছি মক টেস্ট কিন্তু দেবেন। মক টেস্টটা
16:22 মাস্ট মাস্ট মাস্ট। ডেইলি প্রত্যেকদিন মক টেস্ট প্রত্যেকদিন একটা সময় রাখবেন পড়ার সময় কমে যাক পড়ার সময় কমে যাক যদি আপনার হাতে সময় কম থাকে পড়ার সময় কমে যাক কিন্তু মক টেস্ট দেবেন হাজারো বেনিফিট আছে সেটা দিলে তবে বুঝতে পারবেন আপনার একত প্রশ্ন সেখান থেকে প্রশ্নোত্তর অনেক তৈরি হবে আপনার সমস্যাগুলো বের করতে পারবেন নানা রকমের সেটাকে এনালাইসিস করবেন কোথায় গিয়ে সমস্যা হচ্ছে সেটা যেন পরীক্ষার খাতায় গিয়ে না হয় নয়তো সারা বছরের এত কিছু পড়া এত সমস্ত কিছু সেটা ওই এক ঘন্টার মধ্যে আপনি কিন্তু এক ঘন্টার মধ্যে পুরোটা 100% একিউরেসি আপনার থাকবে না। তাহলে এটাও করতে হচ্ছে। আর আপনাদের ডিসকাশনের কথা আগে বলেছি। ডিসকাশনটা
17:07 কিন্তু মাস্ট মাস্ট মাস্ট। আপনারা ভাবছেন হয়তো যে আর তো তিন মাস সময় আছে। কোথায় কি করবো কিছু খুঁজে পাচ্ছি না। এর মধ্যে ডিসকাশন করে সময় কেন নষ্ট করব। এটা কিন্তু বিরাট বড় ভুল ধারণা। আপনারা দুজন তিনজন পাঁচজন 10 জন যতজন আছেন একত্রিত হন। কোশ্চেন আন্সার করুন। এগিয়ে যান। কোশ্চেন আন্সার প্রত্যেকে করুন। এর থেকে ভালো মেথড পড়াশোনার আর হয় না। দরকার হলে ছোট ছোট গ্রুপ করে নিন যে আমার এই টাইমে হচ্ছে। আমি অন্য টাইমে পারবো না। ছোট দু তিনজনের একটা গ্রুপ করে নিন। নিজেরা ডিসকাশন করুন। এটা অনেকটা সময় আপনাকে সাশ্রয় করে
17:53 দেবে। সময় সাশ্রয় করে দেবে। তাহলে এটা আরেকটা বিষয়। আর কিছু বাহ্যিক বিষয় রয়েছে যেগুলো আমাদেরকে মেন্টালি পিছিয়ে দেয়। মানসিকভাবে আমাদের পিছিয়ে দেয়। সেই জিনিসগুলো যেন কখনোই আমাদের মস্তিষ্কে চড়াও না হতে পারে। অলরেডি হয়ে গেছে সেগুলো। প্রথম কথা হচ্ছে এক্সপেরিয়েন্সে এত নাম্বার দেয়া হচ্ছে ডেমোতে এত দেয়া হচ্ছে তাহলে আমি কি চারিদিকে তো আবার সেই গন্ডগোল হবে আমি কি আমার জায়গাটা পাবো এরকম ভাবনা ভাবার থেকে আপনি পরীক্ষা দিতে যাবেন না আপনি পরীক্ষা দিতে যাবেন না যদি এই সমস্ত মাথায় ঘুরে কারণ এইগুলো কি হয় কারা এ সমস্ত ভাবে বা এগুলো কি হয় যারা দেখবেন
18:40 পড়াশোনাটা শুরু এখনো করতে পারেননি সেইভাবে যেটা নিজের ইচ্ছা আছে যে আমি এতটা এভাবে করব নিজে শুরু করতে পারেননি পারার শুরু করার আগে একটু ঘাবড়ে যাচ্ছেন হ্যাঁ আমি এই পা ফেলবো কি ফেলবো না করবো কি করবো না এই করতে করতে এক মাস দু মাস অলরেডি চলে যাবে আবার দেখবেন দুটো চারটে কেস হয়েছে আরে কেস হয়েছে তো আবার কি পরীক্ষা হবে এই ভাবতে ভাবতে আরেকটা মাস চলে যাবে এগুলো ব্যাপকভাবে নেগেটিভিটি ছড়ায় আপনারা যারা পিএসসি অ্যাসিস্ট্যান্ট মাস্টারের জন্য পড়তে এসেছিলেন আমি জানিনা আপনাদের কতটা মনে আছে যারা ছিলেন আমি বলে দিয়েছিলাম ছিলাম আপনাদের আপনারা কিন্তু প্রশ্নটা নিজেকে করবেন আমি প্রস্তুত কিনা আমি কি প্রিপেয়ারড এই প্রশ্নটা আগে নিজেকে করবেন
19:25 পরীক্ষার যেকোনো সময় হতে পারে এটা আমি বলেছিলাম তো যারা সেই সেই সেই মানসিক প্রস্তুতিটা রাখতে চান পরীক্ষা যে সময় হোক যেমনই হোক আমাকে সেই জায়গায় পৌঁছাতে হবে আজকে হোক দু বছর পরে হোক আমি আমার জায়গায় প্রিপেয়ারড থাকবো পরীক্ষা হলেই আমাকে কিন্তু আমার সেরাটা দিতে দিতে হবে। আমার সেটা আমি কখন দিতে পারবো? যখন আমার মাথায় হাবিজাবি থাকবে না। আমি যখন আমার প্রিপারেশনটা শূন্য মস্তিষ্কে শান্ত মস্তিষ্কে করতে পারছি। এবং এটা আপনারা বারবার বলছি মনে রাখবেন এটা বিরাট বড় একটা মাইন্ড গেম। নিজেকে শান্ত রাখা। বিরাট বড় একটা মাইন্ড গেম। যত রকমই খারাপ পরিস্থিতি থাকুক না কেন নানান ব্যক্তির নানা রকমের সমস্যা আছে। অনেকে সময় দিতে পারছেন না। অনেকে নানা
20:12 রকমের অশান্তি মানসিক অশান্তির মধ্যে আছেন। অনেকের অনেক রকমের বাধা আছে। সবটা সরিয়ে রেখে শুধুমাত্র একটা স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখা যে আগামী কয়েক মাস পরে আমি স্কুলে চাকরি করতে যাচ্ছি। এই স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রাখা এটা সবচেয়ে বেশি দরকারি। যারা এই স্বপ্নটা দেখেছেন আগে এতদিন ধরে তারা কিন্তু একটা একটা মিনিট পার করতে দেবেন না একটা একটা ঘন্টা হিসাব করবেন টেনশন নিয়ে নয় টেনশন নিয়ে নয় যে আরে বাবা আমি তো দু ঘন্টা চলে গেল আমার তো কিছু পড়া হলো না আমি তো এগুতে পারলাম না নো এংজাইটি নো টেনশন এংজাইটির টেনশন
20:57 সরিয়ে রাখবেন আপনি ফলাফল নিয়ে ভাববেন না আপনি আপনার কাজটা নিয়ে ভাববেন ফলাফল নিয়ে ভেবেছেন কি মরেছেন টেনশনে পাগল হয়ে যাবেন যদি অতিরিক্ত ফলাফল নিয়ে ভাবতে আমি কি পাবো আমি কি পাবো না আমার কি হবে আমার কি হবে না একটা প্রশ্ন নিজেকে করবেন আমি কি আমার 100 শতাংশ দিচ্ছি যদি আমার প্রিপারেশনে ঘাটতি কোথাও কি আছে সেটা খুঁজে বার করুন তার উপর কাজ করুন আপনাকে ফলের কথা ভাবতে হবে না কেন ভাববেন কিছুই ভাবতে হবে না আপনাকে আপনি সিডিউল করে নিয়েছে আপনার একটা প্রপার স্ট্র্যাটেজি রয়েছে প্রপার একটা রুটিন রয়েছে। রুটিনের কথায় আসছি। প্রপার একটা রুটিন রয়েছে। আপনাকে আর কিচ্ছু ভাবতে হবে না। আপনার ওয়ে আউট তৈরি। আপনার রাস্তাটা তৈরি। শুধু সেই রাস্তায় হাঁটবেন। আর কিচ্ছু ভাববেন না। মজা করে হাঁটবেন। আনন্দ
21:44 করে হাঁটবেন। আমি শিখে যাচ্ছি। আমি জেনে যাচ্ছি। আমি গতকাল 10 টা এমসিকিউ জানতাম। 10 টা ইনফরমেশন জানতাম। 10 টা বিষয় সম্পর্কে ধারণা ছিল। আজকে আমার 100 টা বিষয় সম্পর্কে ধারণা হয়ে গেছে। আমি এগিয়ে গেছি। এই এই এই ছোট ছোট স্যাটিসফ্যাকশন গুলো যেন থাকে না হলে কিন্তু টেনশনে পাগল হয়ে যাবেন সেটা কাম্য নয় যারা অতিরিক্ত ভাববেন আমার কি হবে আমার কি হবে আমি কি পাবো এতদিন পরে আর তো সুযোগ আসবে না আর কি হবে এই ভেবেছেন কি হয়ে গেল আপনাকে নিজের ভেতরের ভেতরের কথা ভাবতে হবে আমি কতটা পারছি দিতে আমি কতটা এগোতে পারছি আজকের টার্গেটটা কি ফুলফিল হয়েছে যদি না হয়ে থাকে কেন হয়নি যদি আমি পড়েও মনে রাখতে পারছি না কেন
22:31 পাচ্ছি না মনে রাখার জন্য আর কি কি মেথড হতে পারে আমার মেমোরিটা একটু কম ছোট থেকেই আমি আর কি কি মেথড এপ্লাই করতে পারি মনে রাখার জন্য পরীক্ষা আমাকে ভালো দিতেই হবে না বললে হবে না রাস্তা বের করতে হবে রাস্তা খুঁজে বার করতে হবে না বলে হবে না হবে না বলে কিছু নেই রাস্তাটা খুঁজে বার করতে হবে রাস্তাটা আমাদের কাছে থাকে না আমরা অনেক সময় জানতে পারিনা আমাদের কাছে ইনফরমেশনের ঘাটতি থাকে আমরা নিজেরা নিজেরা ভাবনা চিন্তা করে বিষয়গুলোকে পাকিয়ে ফেলি সুতরাং মাইন্ডটাকে 100 পারসেন্ট ফ্রেশ রাখবেন প্রত্যেকদিন প্রত্যেকটা মুহূর্তে এবং আবারো বলছি হাজারো নেগেটিভিটি আসবে প্রতিটা মুহূর্তে মনে হবে আমার দ্বারা হবে না কিন্তু আপনি এগিয়ে যাবেন
23:18 টেনশন রাখবেন না যিনি এই মাইন্ড গেমটাতে জিততে পারবেন কারণ এখানে হাজার হাজার যোগ্য প্রার্থী আছেন হাজার হাজার আজকের নয় আপনি নিজেকে অনেক পড়ুয়া ভাবেন আপনার সব জানা আছে এরকম ধরনের সংখ্যক মানুষ 500 এক লাখ রয়েছে আপনার সাবজেক্টে তাহলে জিতবে কে যে মাইন্ড গেমটা জানে কিভাবে খেলতে হয় জানে সে জিতবে যে রোজ নেট প্র্যাকটিস করছে সে মাঠে গিয়ে ভালো করবে এখানে নেট প্র্যাকটিস মানে মক টেস্ট দেওয়া রেগুলারিটি মেনটেইন করা। হাজার বই পড়ে নিন। হাজার এমসিকিউ করে
24:03 নিন। আপনার কাজটা এমসিকিউ ম্যাথ মক টেস্ট দেয়া প্র্যাকটিস না করলে আপনি পারবেন না পরীক্ষার গিয়ে। পারবেন না বলে দিলাম। এবং কিভাবে পরীক্ষার খাতায় কাম এন্ড কুল থাকতে হয়। মাথাটাকে ঠান্ডা রাখতে হয়। এটা হচ্ছে এই পরীক্ষার সবথেকে বড় স্কিল। এমসিকিউ পরীক্ষার সবথেকে বড় স্কিল হচ্ছে এটা। এই কথাগুলো মিলিয়ে নেবেন। আমি বহুদিনের বহু অভিজ্ঞতা বহুজনকে দেখার পরে বলার পরে আপনাদের এইগুলো বলছি। আপনারা কিন্তু যা যা আমি বলছি আজকে সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে করুন। আমি আরো কিছু বলব। সেটা হচ্ছে রুটিন। একটা আপনার রুট ম্যাপ তৈরি হয়ে
24:49 গেল। সিলেবাসটা আমি এইভাবে শেষ করব। এবার প্রপার একটা রুটিন থাকবে আপনার। রুটিন মানে আজকে কি করবো এইটুকু নয়। রুটিন মানে আপনি প্রতিটা মিনিটে কি করবেন তার পরিকল্পনা। এটা মধ্যে শুধু পড়ার সময় আসে না। এটার মধ্যে আসে আপনি কখন ঘুম থেকে উঠছেন, আপনার ফ্রেশ হতে কতটা সময় লাগছে, তারপরে আপনি খাওয়া-দাওয়া করছেন, বাড়ির কাজ করছেন, বাইরের কাজ করছেন সেই সমস্ত জিনিস কতটা সময় আপনার লাগছে সেটা হচ্ছে একটা প্রপার রুটিন। প্রপার রুটিন সেটা। আর যদি আপনি ফ্রেশার হন তাহলেও আপনার সবকটা স্লটকে ডিভিশন করে নিতে হবে। ফার্স্ট স্লট, সেকেন্ড স্লট, থার্ড স্লট, ফোর্থ স্লট
25:36 মাঝে ছোট ছোট ছোট ছোট ব্রেক। যারা কাজ করছেন বা যারা বিভিন্ন ফ্যামিলির মধ্যে ইনভল্ভ হয়ে গেছেন প্রত্যেকের জন্য কিন্তু এই প্রপার টাইমিংটা থাকবে। কেন আমি এগুলো বলছি? কারণ দেখবেন হয়তো আপনি বাইরে কাজ করেন কোন একটা অফিসে কাজ করেন বা যেকোন জায়গাতে কাজ করেন সেখানে হয়তো পাঁচ মিনিট আপনি ব্রেক পাচ্ছেন বা আপনার কাজটা এমন যেখানে আপনি কানে ইয়ারফোন দিয়ে শুনতে পারেন সেই সুযোগ আপনার আছে আপনি কি করলেন আপনি সেখানে সেই সময়টুকুকে কাজে লাগিয়ে দিলেন কিভাবে শুনে শুনে অথবা পাঁচ মিনিট আপনি সময় পেয়েছেন আপনার শোনা সম্ভব নয় পাঁচ মিনিটে আপনি কি
26:22 করবেন? পাঁচ মিনিটে আপনি ছোট্ট করে যেটা আপনার চার্ট করা ছিল সেই চার্টটা আপনার খাতা থেকে বের করে একবার চোখ বুলিয়ে নিলেন পাঁচ মিনিটে। এই যে ছোট ছোট বিন্দু বিন্দু বিন্দু বিন্দু পড়া এইগুলো জমা হয়ে কিন্তু একটা বড় সিন্ধুতে পরিণত হবে। এটা মিলিয়ে নেবেন। সময় নেই। এই অজুহাতটা নিজেকেও দেবেন না। বাইরের কাউকেও দেবেন না। সময় আছে। আপনাকে বের করে নিতে হবে। এবং এর জন্য এই প্রপার প্ল্যানিংটা চাই যে আজকে আমার এই রুটিন আমি কোন স্লটে কোথায় কখন কি করব সেটা আমার প্রিপ্লান রয়েছে তবে আপনি পারবেন প্ল্যানিং ছাড়া এগুলো হয় না হঠাৎ হঠাৎ মনে হলো এটা পড়লাম ওটা পড়লাম সেটা পড়লাম দ্যাট ইজ নট দা প্রপার
27:09 ওয়ে হয় না এরকম ভাবে আর যদি আপনি ফ্রেশার হন তাহলে সাবধান যারা কাজ কাজের মধ্যে আছেন তারা জানেন কখন তার কাজটা পড়ে ফাঁকা হবে তখন তিনি কিন্তু সেই টাইমে তার প্রপার টাইমিং তিনি করে নিতে পারবেন। আর যদি আপনি ফ্রেশার হন আপনার হাতে যদি অকাত সময় থাকে তাহলে কিন্তু সাবধান। কারণ এইখানে আপনি আচ্ছা ঠিক আছে আমি তো সারাদিন পড়বো। আজকে আট ঘন্টা 10 ঘন্টা পড়ে নেব। আজকে জিও টেকটনিক এই কভার করে দেব। ওই করে দেব। ওই করে দেব সেই করে দেব। এইখানে হচ্ছে সমস্যা। এখানে একটা হোল তৈরি হয়। একটা খাত তৈরি হয়। নিজের তৈরি খাতে নিজে পড়ে যেতে হয়। এখানে প্রপার প্ল্যানিং দরকার। আমি আগামী এক ঘন্টা ফাস্ট এক ঘন্টাতে কি করব বা এক ঘন্টা দু ঘন্টা স্লট এক একটা স্লটে ডিভাইড করে নেয়া। সেই সময়ের মধ্যে কি করব? কোন কোন মাইক্রোটপিক পড়বো সেটাকে ডিভিশন করে নেয়া এবং এর
27:58 মধ্যে নানা রকম ভ্যারাইটিজ রাখা। শুধু আমি টপিকটা পড়ছি না। শুধু টেক্সট থেকে পড়ছি না। আমি এমসিকিউ প্র্যাকটিস করছি। আমি কোশ্চেন অন্সার সলভ করছি। আমি একটু ম্যাপ স্টাডি করে নিচ্ছি। এর মধ্যে আমি এর মধ্যে একটু চার্ট দেখে পড়ে নিচ্ছি। কে কোন ভৌগোলিক কি বলেছেন সেটা দেখে নিচ্ছি। এইরকমভাবে ছোট ছোট ছোট ছোট মাইক্রো টপিক আমি কি কি পড়বো সেটা কিন্তু আমাকে এইখানে রুটিনের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে হবে। হয়তো একটু ছোট করে রিভিশন করে নিলাম। এরকম নয় যে পড়ার শেষে আমি রাত্রিবেলা রিভিশন করতে বসবো। আমি বলছি না হতেও পারে আপনার সেটা সুবিধা সেটা করতে পারেন। কিন্তু মাঝখানে আপনার মনে হলো গতকালের যা যা পড়েছি একটু রিভিশন করে নেব থার্ড স্লটে। আপনি রিভিশন করে নিলেন। এইটা হচ্ছে স্মার্ট ওয়ে পড়ার। এটা স্মার্ট ওয়ে। তো এভাবে
28:45 পড়বেন। আর এটা করতে গিয়ে যা সমস্যার সম্মুখীন হবেন সেটা আমাকে কিন্তু সরাসরি জানাবেন যে স্যার আমার এই এই সমস্যা আছে আমি পারছি না এটা করতে এটা কিভাবে করব। পড়াশোনার অনেক মেথড হয়। সেই মেথডগুলো সেগুলো জানা দরকার। শুধু বই খুলে বসলে হয় না। কারণ বলছি প্রত্যেকটা মিনিট প্রত্যেকটা ঘন্টা ইম্পরটেন্ট। আপনাকে ঝড়ের গতিতে এগিয়ে যেতে হবে। তা না হলে কিন্তু আপনি পারবেন না পুরোটা কভার করে একটা পুরো রিভিশন দেয়া শেষ দু সপ্তাহ রিভিশন দিতে হবে শুধু রিভিশন দিতে হবে প্রচুর পরিমাণে রিভিশন দিতে হবে এবং প্রচুর প্র্যাকটিস করতে হবে শেষ এক সপ্তাহ আর কোন মক টেস্ট নয় তার আগের এক সপ্তাহ প্রচুর মক টেস্ট ফুল লেন্থ একদম 60 নাম্বারের টোটাল ফুল লেন্থ মক
29:34 টেস্ট এবং তখন মজা করে পড়তে হবে এখন একটু বেশি বেশি করে চাপটা টা নিন। শেষদিকে চাপ নিতে যাবেন না। এখন সমস্যা কি হয়? আমাদের দীর্ঘদিনের তো এত পড়ার অভ্যাস নেই। এত কিছু নেই। ধাপে ধাপে ধাপে ধাপে উঠতে উঠতে আপনার এখন মনে হচ্ছে এখন এখন যারা আট ঘন্টা পড়বো টার্গেট রাখছেন তারা আট ঘন্টা পড়তেই পারবেন না। তিন চার ঘন্টা এমনি চলে যাবে। তো এই জিনিসগুলো যেন না হয়। মেন্টালি অনেকটা এগিয়ে যাবেন। আর সারাদিনের শুরুতে আপনি যে রুটিনটা ডিটেইল রুটিন বানিয়েছেন এই যে বললাম ঘন্টা মিনিটের রুটিন এটা হচ্ছে প্রপার রুটিন। সেই যে রুটিন বানিয়েছেন সেটার রুটম্যাপটা চোখে কল্পনায় ভেবে নেবেন যে আমি সারাদিন এই এই ঘটনাগুলো ঘটাচ্ছি। এই এইগুলো করছি। কল্পনা করে নেবেন চোখে। দেখবেন আপনি সেগুলো করতে পারবেন। কল্পনা না করলে করতে
30:20 পারবেন না। এটা হচ্ছে প্রপার ওয়ে পড়াশোনার। এটা হচ্ছে প্রপার ওয়ে প্র্যাকটিসের। আর যখন আপনি ঘুমাতে যাবেন সারাদিনের এত কিছুর পরে আপনার মস্তিষ্কে এটা নিয়ে যেন আর কোনরকম দুশ্চিন্তা দুর্ভাবনা দুঃস্বপ্ন না থাকে। শান্ত মনে ঘুমিয়ে যাবেন। এটা হচ্ছে সবথেকে কুল মেথড। এটা করা সহজ নয়। কিন্তু এটা করাই সবথেকে সহজ। আপনার যদি পরিকল্পনা না থাকে কি করব সারাদিনে কখন কি করব তাহলে আপনি কিন্তু কিছুই করতে পারবেন না সারাদিন রুটিন মাস্ট মাস্ট
31:07 মাস্ট যিনি দু ঘন্টা পড়তে পারবেন তারও রুটিন দরকার যিনি এক ঘন্টা পারবেন তারও রুটিন দরকার রেগুলারিটি আজকে আপনি করলেন কালকে পারলেন না পরশুদিন আবার আপনাকে উঠে দাঁড়াতে হবে হয় না 100% এই রুটিন ফলো প্রত্যেকদিন করতে পারবেন না কিছু না কিছু সমস্যা আসবে বাধা আসবে তার মানে নয় এরকম নয় যে ভেঙে পড়বো ছেড়ে দেব আবার উঠে দাঁড়াতে হবে কাল হয়নি আজ হবে কাল যেটা হয়নি আজকে তার দ্বিগুন গতিতে হবে কোন ব্যারিয়ার রাখবেন না কোন বাধা রাখবেন না আমি এইতো গ্রাজুয়েশনে সেকেন্ড ক্লাস পেয়েছিলাম আমি এইখানে এই সমস্যা ছিল আমার নার্ভাসনেস আসে পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমার এই হয় আমার সেই হয় এরকম ধরনের কোন ভাবনাকে স্থান দেবেন না আমি হিরো আমার আমার দ্বারাই হবে আমি পারবো
31:52 আমার দ্বারা হবে। এই ভাবনা সবসময় যেন মনের মধ্যে থাকে। কোন রকমের নেগেটিভিটিকে আসতে দেবেন না। স্থান দেবেন না। ঠিক আছে? তো মোটিভেশন খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আবার মোটিভেশনের থেকেও রুটিনটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এবং চলার পথে নানা রকমের নেগেটিভিটি আসবে। সেগুলোকে দূরে ছুড়ে ফেলে দিয়ে এগিয়ে যাওয়া। এগুলো আগামী তিন মাসের জন্য আপনাদের সম্পদ হয়ে থাক। নিজেকে যেন ধন্যবাদ দিতে পারেন সারাজীবন আগামী তিন মাস এমনভাবে কাটাবেন সেটা ঠিক করে নিন। সেটা ঠিক করে নিন। আমি প্রেশার নিতে বলছি না। আবারও বলছি আমি এত কিছুর মধ্যে আপনাদের ব্লাড প্রেসার বেড়ে যাবে।
32:37 মস্তিষ্কে একটা এমন টেনশন শুরু হবে যে সেই জিনিসটা একেবারে নয়। জিনিসটাকে এনজয় করুন। আমি এই তিন মাস এনজয় করব। পড়াশোনাটাকে এনজয় করবো। এগিয়ে যাওয়াটাকে এনজয় করব। আগামী তিন মাস। এই মাইন্ডসেটটা রাখুন। এই মনোভাবটা এরকম থাকবে আপনার। ভেতরে জ্বলন্ত আগুন থাকবে। কিন্তু আপনি এনজয় করবেন জিনিসটাকে। এরকমভাবে ভাবুন যে এতদিন যা করতে পারিনি। যেটা আমাকে করতেই হবে আগামী তিন মাস আমি সেটাকে করেই ছাড়বো। তার জন্য যা যা করতে হয় আমি তাই তাই করব। যা যা করতে হয় যা পসিবিলিটি আছে যা সম্ভাবনা আছে সমস্ত কিছুটা আমি করবো এই মাইন্ডসেট রাখবেন এবং আবারও বলছি
33:25 ফল নিয়ে ভাববেন না ফলাফল নিয়ে ভাববেন না নিজের সমস্যাগুলোকে ফোকাস করুন সবার আগে নিজের সমস্যা ঘাটতিগুলো দেখুন সেটা সাবজেক্ট টপিক ওয়াইজ কারো কাটোগ্রাফিতে সমস্যা কারো জিওগ্রাফিক্যাল থটের সমস্যা যেকোন জায়গাতে কোন সমস্যা আছে দেখুন সেটা ক্লাসে আমি যতটা সম্ভব দূর করে দেব তারপরেও আপনাকে কিন্তু সেটা নিয়ে ভাবতে যে আমি এই জায়গাটায় এই এইগুলোকে আমি কি করতে পারি কিভাবে করতে পারি কি সলিউশন আপনাকে ভেতরে ভেতরে মাইক্রোটপিক মাইক্রোটপিক আরো আরো ছোট ছোট ছোট ছোট মাইক্রোটপিকের ভেতর ঢুকে যেতে হবে এবং তার সাথে সাথে কোশ্চেন অন্সারের সাথে কানেকশন রাখতে হবে যেটা মক টেস্টের কথা আমি বললাম ফারদার এগুলো নিয়ে খুব বেশি ভাবার দরকার নেই কিন্তু ওই মাইন্ড গেমের ব্যাপারটা যেটা বললাম সেটা নিয়ে কিন্তু সবসময় আপনারা সচেতন থাকবেন কারণ পড়াটা সবাই পড়তে পারে বইকুলে পড়াটা কিছু ব্যাপার না
34:11 কিন্তু মস্তিষ্কের থেকে স্থির রেখে সমস্ত ভাবনা চিন্তাগুলোকে দূরে ছুড়ে ফেলে দিয়ে শান্ত মনে বসে পড়া একটা বয়সের পর সেটা কিন্তু সবথেকে টাফেস্ট সবথেকে টাফেস্ট তো সেই জায়গাগুলোকে কিন্তু সঠিকভাবে যেন রাখতে পারা যায় এবং এই ব্যাপারটাতে যদি সমস্যা হয় সেটা আমার সাথে সরাসরি কথা বলে নেবেন যে স্যার এই সমস্যা হচ্ছে এইভাবে করছি পাচ্ছি না বা আমি কিভাবে পড়ার পড়াশোনার আমার মেথড হচ্ছে এরকম আমি এভাবে এভাবে পড়ি। এখানে কি আরো কিছু ইমপ্রুভমেন্টেরর প্রয়োজন আছে? আমি এই জিনিসগুলো করছি। এখানে কি আর কিছু করতে হবে আমাকে? সেগুলো আমি দেব। আপনাদের যেমন বললাম কিছু জিনিস এরকম ইমেজ ফরম্যাট করা, কিছু ছড়া
34:58 বানিয়ে দেয়া, কিছু শর্ট ট্রিক্স বানিয়ে দেয়া। নানা রকমের এই যতগুলো যা সম্ভব সেগুলো আমি করে দেব। কিন্তু আপনাদের যে কাজ প্রতিদিনের রুটিনটা বানিয়ে প্রপার ওয়েতে এগিয়ে যাওয়া। এবং এনজয় করা ব্যাপারটাকে আবারও বলছি ব্যাপারটা এনজয় করবেন। আমি আগে যা জানতাম আজকে তার থেকে অনেক বেশি জেনে গেছি। এনজয় এইটা এনজয় করবেন। এগিয়ে যাওয়াটাকে এনজয় করবেন। কিছুদিন পর দেখবেন 10 15 দিন পর একটা কনফিডেন্স চলে আসবে অটোমেটিক্যালি যে আমি পারছি আমি এগোতে পারছি। তো এই হচ্ছে ওভারঅল বিষয়। আমি কমবেশি বললাম আপনাদের। এইভাবে এভাবে করবেন। এবার আপনারা বলুন যদি কিছু প্রশ্ন থাকে, কিছু
35:43 বলার থাকে, কোন ডাউট থাকে সেটা করতে পারেন। স্যার বলছি যে আপনি যে রুটিনটার কথা বলছিলেন হ্যা। তো ওই রুটিনটা মানে সাবজেক্ট ধরুন যে আপনি যেগুলো পড়িয়েছেন ও জিওটেকটনিকে আপনার কমপ্লিট হয়ে গেছে জিওমরফোলজিও প্রায় কিন্তু আমার ওগুলো সবটা কমপ্লিট হয়নি এবার আমি পেছন আর সামনে মানে ক্লাস আর আগের গুলো দুটো নিয়ে করছি আমার সত্যি ঠিক আছে ঠিক আছে বুঝতে পেরেছি আপনি কি
36:30 বলতে চাইছেন দেখুন আমি এখানে একটা রুটম্যাপ করেছি সিলেবাসটাকে কিভাবে কভার করা যেতে পারে সেটা একটা রুটম্যাপ করেছি আপটু আগস্ট পর্যন্ত এবং যেটা বললাম যে ইন্ডিয়ান জিওগ্রাফি আর কার্টোগ্রাফিটা এর মধ্যে আবার ডিস্ট্রিবিউট হয়ে যাবে। তো পুরো সিলেবাসটা না হাতের সামনে রাখবেন সবসময়। সবটা সময় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সিলেবাসটা যেন 19 12 এর সিলেবাসটা যেন আপনার হাতের কাছে থাকে। আপনার হাতের কাছে থাকে। তো আপনি কি করলেন? ধরুন আজকে আপনি জিওমরফোলজির ওয়েদারিং আর মাস ওয়াস্টিং এটা পড়বেন। এটা ঠিক করেছেন জিওমরফোলজি থেকে। এবং তার সাথে সাথে আমার সেদিনে হয়তো ক্লাস আছে ওসেন কারেন্ট বা ওসেন কারেন্ট হয়ে গেছে। তার আগে যে মক টেস্টটা সে মক টেস্টটা রয়েছে।
37:18 আপনি কি করলেন? এইটা কখন পড়বেন? এটাকেও মাইক্রোটপিকে ভেঙে নেবেন। ওয়েদারিং এর মধ্যে কেমিক্যাল আর ফিজিক্যাল এটা ভেঙে নিলেন। মাস ওয়াস্টিং এর চারটে টাইপকে ভেঙে নিলেন। আর তার সাথে ওসেন কারেন্ট তিনটে ওসেনের ওসেন কারেন্ট ভেঙে নিলেন। নিয়ে সেটাকে রুটিনের মধ্যে ইনক্লুড করে দিলেন যে আপনার প্রপার পার ডে সেদিন আপনি এইভাবে এইভাবে এই স্লটে করবেন। এটা করতে বেশিক্ষণ লাগে না। এটা ম্যাক্সিমাম 10 মিনিট সময় লাগবে ভাবতে যে আমি এভাবে এভাবে আজকে সারাদিন এই এই স্লটে এইভাবে এভাবে পড়াটাকে কাভার করব। ঠিক আছে? সেখানে আপনার এমসিকিউ থাকবে। ওয়ান লাইনার থাকবে, টেক্সট থাকবে, সবকিছু থাকবে। সবকিছু পড়বেন। সবকিছু কভার করবেন।
38:04 কোনটা যেন বাদ না যায়। শুধু এমসিকিউ পড়ে নিলাম। হয়ে গেল। এটা খুব ক্যালকুলেটেড ওয়েতে করতে হবে। কিছু কিছু টপিকে হবে। করতে হবে। শুধু এমসিকিউ পড়া। কিছু কিছু টপিক করতে হবে। যেমন ইকোনমিক জিওগ্রাফির বেশিরভাগ জিনিসে কিন্তু খুব একটা সেখানে বোঝার জিনিস নেই। কিছু মডেল ছাড়া। তো সেখানে এমসিকিউ পড়তে হবে। সেখানে ইনফরমেশন পড়তে হবে। চার্ট পড়তে হবে। ম্যাপ বেসড স্টাডি করতে হবে। এইগুলো আলাদা আলাদা বিষয় করা। তো পিছিয়ে যাচ্ছেন কারণ আপনার প্রপার প্ল্যানিং নেই। প্রপার প্ল্যানিং নেই বা প্ল্যানিংটাকে এক্সিকিউট করতে পারছেন না। অনেকে প্ল্যান করে কিন্তু সেটা নিজে চলতে পারে না। প্ল্যানটা অবাস্তব প্ল্যান করবেন না যে আজকে আমি এই পুরো এতটা আমি কভার করে নিচ্ছি আজকে। হয়ে যাবে চাপ নেই। তাই সারাদিন পড়বো হয়ে যাবে। এটা খুব ভুল
38:51 ধারণা। এবং অস্বাভাবিক কিছু করবেন না। একসাথে 10 টা সিড়ি লাভ দিয়ে ওঠা যায় না। ইম্পসিবল পড়ে যাবেন। এখানে পড়ে যাবেন। মানে মানসিকভাবে আপনার ডিপ্রেশন চলে আসবে। আরে আমি এতটা টার্গেট নিলাম করতে পারলাম না। পিছিয়ে পড়ছি একটা নেগেটিভিটি কাজ করবে। ছোট ছোট টার্গেট রাখবেন। সেটাকে ফুলফিল করবেন। এবং আমি যেটা বারবার বলছি রুট ম্যাপ। তিন মাসে কটা দিন সময় পাচ্ছেন আপনার কটা টপিক আছে মাইক্রো টপিক ভেঙে নিন তিন মাসে কটা কটা টপিক কিভাবে শেষ করতে হবে সেটা করে নিন করে নিয়ে পার ডে আপনার একটা টার্গেট সেট করে নিন যে এইভাবে করব এবং ওইটা করা মানে ওইখানে একদম সেই চিরুনিী তল্লাশি করে নেয়া যেখানে যা আছে সবকিছু নিয়ে নেয়া এরকম ভাবে পড়তে
39:37 হবে এবং রিভিশন করতে হবে তার মধ্যে সেই দিনেই রিভিশন করে নিতে হবে গতকালেরটাও করে নিতে হবে রিভিশন তার আগের দিনটাও রিভিশন করে এভাবে এগিয়ে এগিয়ে যেতে হবে কোনটাকে পেছনে ফেলবেন না যেখানকার যত বই আছে গ্রাজুয়েশনের বই এইচএস এর বই আরো যা বই আছে বইপত্র আছে যেগুলো নোটস আমি দিচ্ছি এমসিকিউ দিচ্ছি ওয়ান লাইনার দিচ্ছি শর্ট নোটস দিচ্ছি যেখানে যা আছে এক জায়গায় করে আপনার নিজস্ব নোটস একটা থাকবে বানানো থাকবে এটলিস্ট যেগুলো মোস্ট মোস্ট ইম্পরটেন্ট বলে আপনার মনে হচ্ছে সেগুলো যেন খাতার মধ্যে থাকে বেশি বড় বড় ভাববেন না। আপনি ছোট করে ভাবুন। ছোট করে ভাববেন। বেশি বড় প্রথমেই অনেক বড় ভাবতে যাবেন না। আপনার হাতে
40:22 রুটম্যাপ আছে। আপনাদের সব আছে। আপনি ওইটুকু সময়ের মধ্যে ছোট্ট করে টার্গেট নিলেন যে আজকে ঠিক আছে সে জিও টেকটনিকের এই পোরশনটা এভাবে এভাবে করব। এভাবে করলেন। নতুন আমি যারা নতুন আসছেন তাদেরকে লাইভ ক্লাস করিয়ে দেব আলাদা সময়ে। যারা নতুন এসেছেন আসবেন তারা সব লাইভ ক্লাসই পাবেন। যারা আগে থেকে করছেন তাদের যেমন রুটিন দেয়া ছিল সেইভাবেই ক্লাসগুলো হবে। যেটা আমি বললাম ধরুন এখানে জুনের রুটিন আছে। কন্টিনেন্টাল সেলফ এন্ড আগামীকাল ক্লাস করাবো। এর সাথে ইন্ডিয়ান রিলিফ ফিচারসটাও করাবো। আর এর মাঝে আপনারা যারা নতুন এসেছেন তাদের লাইভ ক্লাসগুলো করিয়ে দেব।
41:07 একদম আর্থ ক্রাশ থেকে জিওটেকটনিকের পর পর পর যেগুলো আছে সেগুলো এর মধ্যে এর মাঝে মাঝে করিয়ে দেব। যারা নতুন একদমই নতুন তাদেরকে এগুলো আলাদা করে করানো হবে। ঠিক আছে? এবং মক টেস্ট গুলো এটা এখানে মক টেস্টটা লেখা নেই। কিন্তু এই টপিক করানো মানে এই টপিকের মক টেস্ট পরের দিন নেয়া হবে। যেদিন পড়ানো হচ্ছে তার পরের দিন সেই টপিকের উপর মক টেস্ট নেয়া হবে। ঠিক আছে? এই আর যদি পিছিয়ে পড়েন স্যাটারডে সানডে ফাঁকাই থাকছে। স্যাটারডে সানডে আমি রিজার্ভ রাখছি এক্সট্রা ক্লাসের জন্য। সেইখানে আপনারা রিভিশন করে নেবেন। যেগুলো ফাঁকফোকর আছে আপনি কোনভাবে মিস করে গেছেন সেইগুলোকে রিকভার করে নেবেন।
42:05 স্যার নিউ রুটিনটা একটু সেন্ড করবেন হ্যাঁ নতুন রুটিনটা পেয়ে যাবেন আপনাদের জানিয়ে দেব যেমন আগামীকাল যেটা বললাম যে কন্টিনেন্টাল সেলফ স্লোপ আর তার সাথে রিলিফ ফিচারস মানে আমি এখানে বলি আপনাদের এইযে ধরুন এখানে সেপ্টেম্বরে রিলিফ ফিচারস অফ ইন্ডিয়া মানে ইন্ডিয়ান জিওগ্রাফি এটাতেই 17 টা ক্লাস ছিল। ইন্ডিয়ান জিওগ্রাফি 17 মানে 17 তারিখ পর্যন্ত ছিল। এখানে তিন দুই পাঁচটা বাদ দিয়ে দিন। 12 টা ক্লাস টোটাল ছিল। তো সেই 12 টা ক্লাস সেটা কিন্তু এখানে ডিস্ট্রিবিউট হয়ে যাবে। ঠিক আছে? প্রতি প্রত্যেকদিন নয়। যেমন ওসেন কারেন্ট। ওসেন কারেন্ট যেদিন
42:51 পড়াবো সেদিন আমি আরেকটা টপিক পড়। কারণ ওসেন কারেন্টটা খুব ছোট টপিক একটা। তার সাথে একটা বড় টপিক কভার হয়ে যাবে। রিলিফ ফিচারস। ধরুন ড্রেনেজটা ড্রেনেজটা কভার হয়ে গেল। তো এভাবে রুটিনটা সেট করা হবে। করা হয়েছে সেভাবেই পড়ানো হবে। এবং এর সাথে এই কার্টোগ্রাফির পোরশনটা আমি এর আগে এর মধ্যে করিয়ে দিচ্ছি। তোমার যে ক্লাসটা অফ থাকে ওইদিনতো পড়াতে পারেন স্যার। না ক্লাসটা রিজার্ভ ডেমির জন্য অফ রাখছি। রিভিশনের জন্য অফ রাখছি। এখানে আমাকে একটু সময়টা বেশি দিতে হবে। কারণ এই কন্টেনেলটা শুধুমাত্র মহিষপান আর মহিঢাল এটা আমি এটা এক ঘন্টা লাগবে না করাতে। ঠিক আছে? মহিষপান মহিঢাল করাতে এক ঘন্টা লাগবে না। তো সেখানে আরেকটা ক্লাস থাকবে।
43:36 ঠিক আছে? আপনাদের নিজের সেলফ স্টাডির জন্য আপনাদের প্র্যাকটিসের জন্য, রিভিশনের জন্য দুটো ডেট আমাকে ফাঁকা রাখতেই হবে। এবং ধরুন আপনি মক টেস্ট মিস করেছেন। দুটো মক টেস্ট মিস করেছেন কোন কারণে। আপনাকে এই দুটো দিনে কভার করে নিতে হবে সেটা। ঠিক আছে? আর যেহেতু আপনাদের সকালে টাইম পাওয়া যাচ্ছে না। সবার হচ্ছে না সকালে। সুতরাং সকালে ক্লাসটা তো করানো সম্ভব হবে না। সন্ধ্যাতেই করাতে হবে। সুতরাং এই টাইমগুলো এভাবে আপনাদের সিলেবাসটা কভার হবে। ঠিক আছে? এখানে এটা করাটা এমন কোন সমস্যা নয়। ওসেন কারেন্ট কিচ্ছু নেই। ওসেন কারেন্টে আমার 30 টা মিনিটও লাগবে না ও
44:22 তিনটে মহাসাগরের আমি ট্রিক্স দিয়ে করাবো ট্রিক্স দিয়ে করাবো আপনি দেখলেই মনে মনে রাখতে পারবেন 30 মিনিটও লাগবে না এটা করতে তো এখানে করানো সম্ভব খুব ভালো তবে টোপোগ্রাফিক ওসেন ফ্লোর এটাতে কিন্তু আমার এই ক্লাসটা প্রায় দেড় ঘন্টার কাজে চলে যাবে তিনটে মহাসাগরের কি কি ভূমিরূপ আছে এটা অলরেডি দেড় ঘন্টা চলে যাবে এখানে আমি এক্সট্রা কোন ক্লাস রাখবো না ওন ডিপোজিটও তাই বেশিক্ষণ লাগবে না। তার সাথে আরেকটা টপিক। তো এরকমভাবে আপনাদের এগুলো সিলেবাসটা কিন্তু কভার হবে। আমি কোন টপিক বাদ দেবো না। সব টপিক আপনাদের যেমনভাবে করানো হয়েছে, যেভাবে হয়েছে এতদিন আগামী দিনেও সেভাবেই পড়ানো হবে। এবং মক টেস্টগুলো আবারও বলছি সিরিয়াসলি দেবেন। আমি কিন্তু এখনো পর্যন্ত সবার স্কোর জানতে পারছি না। এরপরে কিন্তু আমি বাধ্যতামূলক করে দেবো
45:09 যে, স্কোর কিন্তু প্রত্যেককে জানাতে হবে। এবং প্রয়োজনে ওএমআরশিটটাও দেখাতে হতে পারে। যেকো স্কোর বলে দিলাম এটা যেন না হয়। আমি কিন্তু প্রেসার ক্রিয়েট করব। কারণ আপনারা ইন্স্টিটিউটে এসেছেন। এখানে আপনাদের শুধুমাত্র পড়ানো হবে না। পড়া নিজেই পড়া যায়। শুধুমাত্র পড়ানো হবে না। আপনাদের যতটা যেখানে যেমনভাবে দেয়া সম্ভব আমি সেভাবে দেব। প্রয়োজন হলে জোর করে প্রেসার ক্রিয়েট করে আপনাদের করাবো। ঠিক আছে। ফুল বলছি যে মক আজকে দিবেন হ্যাঁ জিমরফোলজির কোশ্চেনটা আমি আজকে দেব জিমরফোলজি কোশ্চেন আজকে দেব যারা আগে ক্লাস করেছেন পুরোটা তারা টেস্ট
45:55 দেবেন যারা নতুন একদম তাদের না দিলেও চলবে বা দিতে পারেন দিতে পারেন নিজেকে ঝালিয়ে নেয়ার জন্য দেখার জন্য যে আমি কতটা পারি এটা আপনাদের বলেছিলাম প্রিপারেশন জিরো থাকলেও মক টেস্ট দেবেন অনেক কিছু বুঝতে পারবেন অনেক কিছু সেই সেইখান থেকে উঠে আসবে যদি একটা মক টেস্ট দেন। ওকে? ঠিক আছে। আর কিছু জিজ্ঞাসা থাকলে বলতে পারেন। কোন রকম নেগেটিভিটিকে আবারও বলছি। কোন রকম নেগেটিভিটিকে স্থান দেবেন না। কোন রকম নেগেটিভিটিকে স্থান দেবেন না। মনের মধ্যে, মস্তিষ্কের মধ্যে, ভাবনার মধ্যে, কাজের মধ্যে। বলছে মক টেস্ট। হ্যাঁ, মক টেস্ট।
46:41 [মিউজিক] মক টেস্ট থেকে নেগেটিভ মার্কিং নিয়ে নাম্বারটা কাউন্ট করতে হবে না যেগুলো শুধু ঠিক হচ্ছে সেটা একটু বললে হবে না একটু কাউন্ট করবেন নেগেটিভটাও কাউন্ট করবেন নেগেটিভটাও কাউন্ট করবেন আমাদের কি নেগেটিভ থাকবে সেটা স্পষ্ট হবে আর কিছুদিন পরে নেগেটিভ থাকাটা সম্ভাবনা সব থেকে বেশি কারণ বাদ দেয়ার তো একটা মেথড চাই 100 নাম্বারে পরীক্ষা হলে না একটা তবু একটা কথা ছিল যে হ্যাঁ কিছু একটা মানে পারসেন্টেজ একটা কম বেশি হবে কিন্তু 60 নাম্বারের পরীক্ষাতে ডিভিশন করাটা খুব চাপের জায়গা ঠিক আছে তো নেগেটিভ থাকবে এটা ধরে নিন না থাকলে সেটা তো ঠিক আছে তার জন্য আলাদা স্ট্র্যাটেজি নেগেটিভ না থাকলে
47:29 আলাদা স্ট্র্যাটেজি নেগেটিভ থাকলে আলাদা স্ট্র্যাটেজি আর থাকলেও সেটা চারটের জন্য এক নাম্বার যাবে না তিনটের জন্য যাবে না দুটোর জন্য এক নাম্বার যাবে সেটা একটা বিরাট বড় প্রশ্নের জায়গা এবং তার জন্য স্ট্র্যাটেজি কিন্তু চেঞ্জ হয় হবে সেটা নিয়ে এখন ভাবতে হবে না আপনি ভালো করে পড়াশোনা করুন পরীক্ষার দিন আর দুটোই কাউন্ট করবেন কটা ঠিক হচ্ছে কটা ভুল হচ্ছে দুট কাউন্ট করবেন এবং ভুলটা যেন মিনিমাইজ করা যায় আগামী পরীক্ষাগুলোতে সেটাও খেয়াল করবেন কোশ্চেন আন্সার নিয়ে এমসিকিউ নিয়ে আমি পরে বলব এমসিকিউ আমি এখন বলবো না এগুলো কিছু ট্রিক্স থাকে কিছু ভাবার বিষয় থাকে কিছু বলার থাকে সেগুলো আমি এখন আপনাদের শেখাবো না সেই ট্রিক্সগুলো আমি পরীক্ষার আগে শেখাবো পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে যখন মকটেস্ট থামিয়ে দেবেন তখন আমি আপনাদের বলব যে এইভাবে এভাবে করুন এইভাবে
48:15 চলুন এইগুলো এইরকম ভাবে টার্গেট রাখতে কারণ তখন আপনাদের কোশ্চেন আনন্সার নিয়ে ভাবাস বেশি সময় পাবেন বেশি তখন প্রয়োজন হবে কারণ আপনাদের ইনফরমেশন জানা হয়ে গেছে সব তখন সবকিছু হয়ে গেছে তখন শুধুমাত্র একটা একটা কোশ্চেনের উপর ফোকাস করবেন এর আনসার আমার চোখের সামনে আছে আমাকে শুধু বেছে নিতে হবে এতটুকু স্কিল কি এই তিন মাসের মধ্যে আমি করতে পারবো না যে চোখের সামনে আমার উত্তর পড়ে আছে আমি সেটা বেছে নিতে পারবো না। এটা এই সময়টাতে করতে হবে। ঠিক আছে? আবারও বলছি রুটিন রুটিন রুটিন। আর রুটিন সকালে করবেন না। আগের দিন করে রাখবেন। পরের দিনের রুটিনটা যেন আগের দিন থাকে। আগামী এক মাসের রুটিন এখন করতে বলছি
49:01 না। অবাস্তব বিষয় হবে। দরকার নেই। কিন্তু রুটম্যাপটা করে নেবেন। সিলেবাস ধরে কবে কখন কি করবেন? রুট ম্যাপ করে নেবেন। রুটিনটা পার ডের আগের দিনের রাত্রেবেলা রুটিনটা করবেন। আমি পরের দিন এই সময় এই করব এবং সেটা একবার কল্পনা করে নেবেন যে আমি এটা করছি। এটা সবচেয়ে বেশি দরকার। নিজের ভবিষ্যৎ নিজের হাতে লিখুন। এই তিনটে মাস বলে দেবে। এই সুযোগ। এই যে একদম ডেট দিয়ে বলে দেয়া কবে মধ্যে রিক্রুটমেন্ট কমপ্লিট হবে, কবে রিক্রুটমেন্ট শুরু হবে, কবে রেজাল্ট বের হবে? এটা না অতীতে হয়েছে না ভবিষ্যতে হবে। এর থেকে ভালো সুযোগ এর থেকে বড় সুযোগ আর দ্বিতীয়টা নেই। অতএব ঝাপিয়ে পড়ুন। নিজের 100 শতাংশ দিন। নিজের 100 শতাংশ এইটুকু কথা শুধুমাত্র নিজের 100 শতাংশ দিন।
49:49 ঠিক আছে? তো এভাবেই চলুন। আশা করছি আপনারা যারা একটু সিরিয়াস থাকবেন তারা প্রত্যেকে নিজের জায়গাটা করে নিতে পারবেন। যথেষ্ট সংখ্যক সিট রয়েছে। যথেষ্ট সংখ্যক সিট রয়েছে। সেখানে আপনার জায়গাটা আপনি করে নিতে পারবেন। এই বিশ্বাসটা নিজের উপর রাখুন। এগিয়ে চলুন। প্রত্যেকটা মুহূর্তে কিছু নতুন শিখুন। এবং এটা শুধু আমাদের পরীক্ষা নয়। এটা আমাদের জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে কাজে লাগবে। এই যে আমরা সময় যেভাবে কাটাবো আগামী তিন মাস সেটা দেখবেন আপনার জীবনের একটা অন্যতম স্মৃতি হয়ে থাকবে। এবং সেটা সেটা আপনি করতে পারবেন। ভবিষ্যতে আপনি এখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবেন। সুতরাং নিজেকে একটু বদলে ফেলুন।
50:34 নিজের ভাবনা চিন্তা বদলে ফেলুন। দেখবেন এগুলো হবে। ভেতরে একটা জ্বলন্ত ইচ্ছা থাকবে। আর কিচ্ছু দরকার নেই। একদম জ্বলন্ত ইচ্ছা আমি পাবই। আমি পেতেই হবে। যেকোন মূল্যে আমি পাব। এই ইচ্ছাটা যদি এই সামান্য ইচ্ছাটা যদি ভেতরে থাকে আর কোন কিছু বাকি বাইরে কাউকে বলতে লাগবে না। কিচ্ছু করতে লাগবে না। এই জ্বলন্ত ইচ্ছাটা শুধু রাখবে। ঠিক আছে। আর কিছু বলবেন? নিজের যা যা সমস্যা হবে আমি অনেক কিছু বলেছি। এবার নিজেরা ভাবুন কিভাবে কি করবেন কি কিভাবে ভাবছেন আপনারা সেটা আমাকে জানাতে পারেন। আমার হেল্প লাগলে সেটা আমাকে অবশ্যই জানাবেন। এটা আমার মূল কাজ।
51:21 আপনাদেরকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়া। আমার মূল কাজ কিন্তু পড়ানো নয়। আপনারা এগুলো সমস্তটা কম বেশি জানেন। আমি শুধু একটু রিভিশন করিয়ে দিচ্ছি। একটু হাইলাইট করিয়ে দিচ্ছি। একটু মেমোরাইজ করয়ে দিচ্ছি নানান রকম মেথডে। এইগুলো আমার কাজ। এবং তার বাইরেও যে কাজ সেটা হচ্ছে আপনার যে ব্যক্তিগত সমস্যা আছে যে এইভাবে এই জিনিসটা আমি পারছি না। এটা আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে। এটা কিভাবে কি পদ্ধতিতে করব? আমাকে এগিয়ে যাব আমি কিভাবে? এই যে জায়গাগুলো এই জায়গাগুলো কিন্তু আপনারা আপনাদেরকে এই জায়গাগুলো বলে দেয়াটাই আমার মূল কাজ। আপনাদের ভাবনা চিন্তার মধ্যে যে সমস্ত ঘাটতি আছে সেই ঘাটতিগুলোকে পূরণ করাটা আমার মূল কাজ। আপনাদের মোটিভেট
52:06 করাটা আমার মূল কাজ। সুতরাং আপনাদের যা যা সমস্যা হচ্ছে যা যা ভাবছেন বা সমস্যা হতে পারে ভাবছেন সেটা কিন্তু আমাকে অবশ্যই জানাবেন। না হলে কিন্তু আপনাদের এই যে লড়াইটা সেটা কিন্তু একপেশে হয়ে যাবে। আপনারা কিন্তু অনেক কিছুই সেইভাবে করতে পারবেন না। আপনারা নিজেকে ভাবুন আপনার নিজের কোথায় সমস্যা খুঁজে বার করুন। এই এই থট মানুষ কি কোথায় এগিয়ে থাকে? এই ভাবনা চিন্তাতে এগিয়ে থাকে। বাকিদের থেকে আর কিসে এগিয়ে থাকে?অ্যাকশন তো বটেই।অ্যাকশন তো নিতেই হবে। কিন্তু প্রপার অ্যাকশন নিতে হবে। স্মার্ট ওয়ার্ক করতে হবে। হার্ডওয়ার্ক তো করতেই হবে। কিন্তু স্মার্টলি স্মার্টলি হার্ডওয়ার্ক করতে
52:53 হবে। এমনটা যেন না হয়। আমার পরিশ্রমটা বেকার চলে গেল। আমি ঠিক রাস্তাতেই নেই। আমি অন্য রাস্তায় ঘুরে চলে গেলাম। তো এই জায়গাটা ঠিক রাখাটাই আমার মূল কাজ। আজকে আপনাদের ক্লাসে ডাকার আজকে তো লাইভ ছিল না। আজকে ক্লাসে ডাকার মূল উদ্দেশ্য এটাই। তো আপনারা একদম মাইন্ডসেট করে নিন যে আমি এমনভাবেই তিন মাসটা কাটাবো এটা সারা জীবনের আমার স্মৃতি হয়ে থাকবে। আমি এমনভাবে পরিবর্তন করব এমনভাবে আমার নিজের মধ্যে সেই পরিবর্তনগুলো আনবো যার জন্যে আমি নিজের পিঠটা নিজে চাপড়ে দিতে পারি। ওয়েল ডান। এইটাই তো দরকার
53:38 ছিল। এইটা যেন করতে পারি। পরীক্ষা হলে যখন ঢুকবেন তখন সেই কনফিডেন্সটা নিয়ে যেন ঢুকতে পারেন। যে প্রশ্ন যেমনই আসুক না কেন আমি তো করবোই। পরীক্ষা হল থেকে যখন বেরোবেন মাথা উঁচু করে বেরোবেন। সেই মাইন্ডসেটটা যেন এখন থেকে থাকে। কি তিন মাস পরে আপনি ভেবে নিন কল্পনা করে নিন সেই পরীক্ষার দিনটাকে। আমি মাথা উঁচু করে ঢুকছি। আমি কনফিডেন্সের সাথে ঢুকছি এবং আমি যখন বেরচ্ছি মাথা উঁচু করে বেরচ্ছি কারণ আমি সেই পরীক্ষাটা সেইভাবেই দেব সেই কনফিডেন্সটা আপনাকে এখন বিল্ড করতে হবে কোন ফাঁকা আওয়াজ নয় ফাঁকা কনফিডেন্স নয় আপনাকে প্র্যাকটিস করে করে মক টেস্ট দিয়ে দিয়ে প্রচুর প্রচুর নানা রকমের
54:25 টপিক নানা রকমের কনসেপ্ট নানা রকমের এমসিকিউ নানা রকমের ইনফরমেশন সব সেগুলো করতে হবে এইটুকু সময়ের মধ্যে করতেই হবে দিনরাত যেমন করে পারেন আমি মেথড বলে দিয়েছি অনেক কিছু বলেছি আমি এর মধ্যে আশা করছি কমবেশি আপনাদের সেইগুলো কাজে লাগবে বাকিটুকু আমার কাছে জেনে নেবেন যে স্যার এইগুলো আমার দরকার ওকে ঠিক আছে তাহলে আজকের সংক্ষিপ্ত আলোচনাটা এখানে শেষ করছি নমস্কার ধন্যবাদ