সরস্বতী পূজা বিসর্জন ও দধিকর্মা বিধি ২০২৬ | Saraswati Puja Visarjan & Dadhikarma

Living with Sayani www.youtube.com

সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ

এই ভিডিওটিতে সরস্বতী পূজোর পরের দিনের দধিকর্মা নিবেদন, পূজা সমাপ্তি ও প্রতিমা বিসর্জন বিধি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও থাকছে বিসর্জন কবে করতে হবে, বিসর্জনের নিয়মকানুন ও মায়ের কৃপা লাভের জন্য কিছু বিশেষ নিয়ম।

  • দধিকর্মা শুভকামনা ও জ্ঞানের প্রসাদ হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • বিসর্জন শনি অথবা রবিবার করা যেতে পারে।
  • বিদ্যার্থীরা লেখনীর দুধে "ওম শ্রী শ্রী সরস্বত্যই নমঃ" লিখে মায়ের পায়ে নিবেদন করলে ভালো ফল লাভ করতে পারে।

সূচনা

সায়নী সরস্বতী পূজোর পরের দিন দধিকর্মা ও মায়ের বিসর্জন বিধি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। দধিকর্মা মূলত শুভকামনা ও জ্ঞানের প্রসাদ, যা পূজোর আনন্দ ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। এটি শাস্ত্রীয় বাধ্যবাধকতার চেয়ে ঐতিহ্য ও বিশ্বাস হিসেবে বেশি প্রচলিত এবং সরস্বতী পূজোর অবিচ্ছেদ্য অংশ।

পূজার ফুল সরানো ও বিসর্জনের দিন

ঠাকুর মন্দিরে এসে প্রথমে মায়ের অঙ্গ থেকে আগের দিনের বাসি ফুল সরিয়ে নিতে হবে, তবে ঘট স্পর্শ করা যাবে না। এই বছর বিসর্জন 24শে জানুয়ারি 2026, শনিবার। শনিবার হওয়ায় আপত্তি থাকলে রবিবারও বিসর্জন করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, সরস্বতী পূজোর পরের দিন মাকে জল মিষ্টি দিয়ে রাখতে হবে এবং সন্ধ্যায় ধূপদ্বীপ দেখাতে হবে।

পূজার প্রস্তুতি ও পুষ্পাঞ্জলি

আচমন সেরে স্নানের জল (गंगाजल) ও অঘুরুপ দিয়ে মায়ের মূর্তিতে স্নান করাতে হবে এবং সিঁথিতে সিঁদুর দিতে হবে। এরপর প্রদীপ জ্বালিয়ে অগ্নিদেবকে আবাহন করতে হবে। মায়ের জন্য নতুন ফুল ও মালা নিয়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধ করে শ্বেত চন্দন বেটে তিলক করতে হবে এবং ফুলের মধ্যেও ছিটিয়ে দিতে হবে। এরপর গণপতি বাপ্পা ও পঞ্চদেবতার নামে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হবে। তারপর সরস্বতী দেবীর মন্ত্র পাঠ করে মায়ের চরণে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হবে।

ভোগ নিবেদন ও দধিকর্মা

মাকে ফল, পঞ্চদেবতার জন্য নৈবেদ্য এবং দধিকর্মা নিবেদন করতে হবে। দধিকর্মার উপকরণগুলো হলো: খই, কলা, মিষ্টি দই, বাতাসা ও সন্দেশ। মায়ের কাছে নিবেদিত খোয়ের ভোগ বিসর্জন বিধির পরে মেখে সবার মধ্যে বিতরণ করতে হয়। মঙ্গল আরতি সম্পন্ন হওয়ার পর ঘট বিসর্জনের প্রস্তুতি নিতে হবে।

ঘট বিসর্জন বিধি ও মায়ের কৃপা লাভ

ঘট বিসর্জনের আগে দোয়াত নামিয়ে, তিন পাতার বেলপাতায় লেখনীর দুধ দিয়ে "ওম শ্রী শ্রী সরস্বত্যই নমঃ" লিখে মায়ের পায়ে নিবেদন করতে হবে। এরপর মাকে প্রণাম জানিয়ে নিজের মনষ্কামনা জানাতে হবে। ঘটটিকে ধরে "ওম গচ্ছ গচ্ছ পরম স্থানং" মন্ত্রটি বলতে বলতে নাড়াতে হবে, তারপর বিসর্জন দিতে হবে। ঘট বিসর্জনের পর দধিকর্মা বিতরণ করতে হবে। প্রতিমার মূর্তি জলে দেওয়া যেতে পারে অথবা এক বছর রেখে পরের বছর বিসর্জন দেওয়া যেতে পারে। মায়ের কাছে রাখা বই থেকে একটি নিয়ে "ওম শ্রী শ্রী গণেশায় নমঃ" ও "ওম শ্রী শ্রী সরস্বতী সহায়" লিখে সামান্য ফুল দিয়ে প্রণাম করতে হবে এবং বই পড়তে হবে বা গান/নাচ অভ্যাস করতে হবে।

Summarize any YouTube video in seconds

Get summaries like this one for any video, in your language, with the free Summ app.

Download on the Apple Store
Get it on Google Play

Transcript

YouTube Transcript Generator

0:00 সরস্বতী পূজোর পরের দিন দধিকর্মা নিবেদন করে পূজা সমাপ্তি ও প্রসাদ বিতরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এবং সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া পজর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নমস্কার বন্ধুরা আমি সায়নী। তোমাদের সবাইকে স্বাগত জানাই লিভিং উইথ সায়নীর আরো একটি নতুন পর্বে। হাতে গোনা আর কয়েকটি দিন বাকি সরস্বতী পূজোর। আর এই সরস্বতী পূজোর পরের দিন হয় দধিকর্মা ও মায়ের বিসর্জন বিধি। আর আমার আজকের উপস্থাপনা এই নিয়েই। দোধিকর্মা মূলত শুভকামনা ও জ্ঞানের প্রসাদ। যার মাধ্যমে পূজোর আনন্দ ও ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। যদিও শাস্ত্রীয় বাধ্যবাধকতার চেয়ে এটি একটি ঐতিহ্য ও

0:45 বিশ্বাস হিসেবে বেশি প্রচলিত যা মা সরস্বতী পূজোর বিশেষ অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলেই মনে করা হয়। তো চলো বন্ধুরা দেখে নেওয়া যাক বিসর্জন বিধি এবং দোধিকর্মা বিধি। তার সঙ্গে বলে দেব কিছু ছোট ছোট নিয়ম যা আমরা বিসর্জন বিধির পর অনুসরণ করব এবং মা সরস্বতীর বিশেষ কৃপা লাভ করব। এছাড়াও বলে দেব যে বিসর্জন বিধি তোমরা কবে করবে? শনিবার না রবিবার? তো চলো বন্ধুরা দেরি না করে মূল পর্বে যাওয়া যাক। আশা করছি আজকের ভিডিও থেকে তোমরা একটু হলেও উপকৃত হবে।

1:32 প্রথমেই ঠাকুর মন্দিরে এসে আগে তোমাদেরকে মাকে একটু দর্শন করিয়ে দিচ্ছি। কাল যেভাবে আমরা পূজো করেছিলাম অর্থাৎ সরস্বতী পূজোর যে পূজোর ফুলগুলো সেগুলো কিন্তু এখন বাসি হয়ে গেছে। সেই ফুলগুলো প্রথমেই আমাদেরকে মায়ের অঙ্গ থেকে এবং মায়ের পায়ের থেকে সরিয়ে নিতে হবে। তবে হ্যাঁ ঘটে হাত দেওয়া চলবে না এখনই ঘটে আমরা পরে হাত দেব তো দেখো এখানে আমি আগের দিনের ফুল বিল্লপত্র যা আছে সব সরিয়ে নিচ্ছি মায়ের গলার মালাটাও আমি সরিয়ে নিচ্ছি তবে এই ফুলগুলো এখনই আমি ফেলে দেবো না আমি একটি থালার মধ্যে দেখো এখানে জড়ো করে রেখেছি আর বিল্লপত্রও কিন্তু জড়ো করে রেখেছি এই বিল্লপত্র দিয়ে একটু পরে আমি একটি বিশেষ বিধি করে দেখাবো তোমাদেরকে সেটা তোমরা ভিডিওটি দেখতে থাকো আমি একে একে বলে

2:17 দিচ্ছি তোমাদেরকে এই বছর বিসর্জন করতে হবে 24শে জানুয়ারি 2026 বাংলার 10ই মাঘ 1432 শনিবার। তবে এই দিনটি শনিবার পড়ায় অনেকেরই একটু আপত্তি থাকতে পারে। সেই ক্ষেত্রে তোমরা রবিবারও বিসর্জন বিধি করতে পারো। সেই ক্ষেত্রে শুধু সরস্বতী পূজোর পরের দিন তোমরা একটু মাকে জল মিষ্টি দিয়ে রাখবে এবং সন্ধ্যাবেলায় ধূপদ্বীপ দেখাবে। প্রথমেই আমি আচমন সেরে নিচ্ছি। বলছি তদবিষ্ণু পরম পদম সদা পুস্যন্তি সুরয় দিবিব চক্ষুরাতম ওম বিষ্ণু ওম বিষ্ণু ওম বিষ্ণু এরপর হাতটাকে আমি ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে নিলাম একটি গামছার মধ্যে আমি এখন স্নানের জলটি নিয়ে নিচ্ছি এখানে আমি গঙ্গাজল নিলাম তোমরা চাইলে সাধারণ জলও নিতে পারো এখানে তার মধ্যে নিচ্ছি একটু অঘরুপ এরপর

3:02 মায়ের যে মূর্তিটি আছে তাতে আমি স্নানের বিধি সম্পন্ন করিয়ে নেব মায়ের সিথিতে আবারও আমি একবার সিদুর দিয়ে দিচ্ছি। এরপর আমরা প্রদীপ প্রজ্জবলিত করব। আমরা অগ্নিদেবকে আবহন করব। তো কালকে সন্ধে প্রদীপ দেওয়ার সময় যে তেলটা আমি দিয়েছিলাম সেটা শেষ হয়ে গেছে। তো তার জন্য আমি আরেকবার একটু তিল তেল দিয়ে নিলাম। আজকের জন্য কিছু ফুল এবং ফুলমালা আমি নিয়ে নিয়েছি। এর আগের দিন যেহেতু হলুদ

3:48 সাদায় মালা পড়িয়েছিলাম। আজকে একটা শুধু সাদা মালা নিয়েছি। কেন মায়ের সাদা রংটাও ভীষণ প্রিয়। আর এই রক্ত গ্যাদাগুলো নিয়ে নিয়েছি। সমস্ত ফুল একসাথে সাজিয়ে নিয়ে আমি একটু গঙ্গাজল ছিটিয়ে নিচ্ছি। আর গঙ্গাজল ছিটিয়ে কিন্তু আমি ফুল শুদ্ধিকরণ করে নিলাম এখানে। মায়ের পূজোয় শ্বেত চন্দনের ব্যবহার হয় এটা তো আমরা সবাই জানি। আর আবারও একবার একটু শ্বেত চন্দন বেটে নেব। এইভাবে আমি কিন্তু তিলকের ভিডিও করব। আর তার সাথে সাথে যে চন্দনটা থাকবে সেটা কিন্তু আমি ফুলের মধ্যেও ছিটিয়ে নেব। জয় মা সরস্বতী বলতে বলতে আমি মায়ের ললাটে তিলক করে নিচ্ছি। আমি তিনবার শ্বেত চন্দন দিয়ে মায়ের ললাটে তিলক করব।

4:40 শ্বেত চন্দন সহযোগে একটি সাদা মালা আমি মায়ের গলায় পড়িয়ে দিলাম। আর কি অপূর্ব লাগছে দেখো। মালাটা একেবারেই সাধারণ। কিন্তু মায়ের রূপ যেন আরো সুন্দরভাবে ফুটে উঠছে। এই বিধিতে বিশেষ কিছু প্রয়োজনীয়তা হয় না। এবার আমি প্রথমেই গণপতি বাপ্পাকে পুষ্পাঞ্জলি দিচ্ছি। ওম গাং গণেশায় নমঃ এই মন্ত্রটি বলে ফুল এবং দুর্বা আমি এই ঘটের মধ্যে নিবেদন করে দিচ্ছি। এরপর আমি পঞ্চদেবতার নামে পুষ্পাঞ্জলি দিচ্ছি। ওম শ্রী শ্রী পঞ্চদেব দেবীভ্য নমহ এই মন্ত্রটি বলে আমি ঘটে আবারো একবার ফুল নিবেদন করে দিচ্ছি। জয় জয় দেবী চরাচর সারে কুচযুগ সৌভিত মুক্তাহারে বিনা রঞ্জিত পুস্তক হস্তে

5:25 ভগবতী ভারতী দেবী নমস্তুতে নম সরস্বত্য নমো নিত্যং ভদ্রকাল নমো নম বেদ বেদাঙ্গ বেদান্ত বিদ্যাস্থানেভ এ বচ এশ সচন্দন পুষ্পবিল্ল পত্রাঞ্জলি ওম শ্রী সরস্বত্য নমঃ নমঃ সরস্বত্যই মহাভাগে বিদ্যে কমল লোচনে বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যাংদেহী নমস্তুতে জয় জয় দেবী চরাচর সারে কুচযুগ শোভিত মুক্তাহারে বিনা রঞ্জিত পুস্তক হস্তে ভগবতী ভারতী দেবী নমস্তুতে পুষ্পাঞ্জলি এবং প্রণাম জানানোর পরে মাকে

6:11 আমি এইখানে মন্দিরটাও সুন্দর করে একটু সাজিয়ে দিচ্ছি এখানে মায়ের জন্য কিছু গোটা ফল সাজিয়ে নিয়েছি যার মধ্যে কুল অবশ্যই তোমরা রেখো আর তার সঙ্গে আমি পঞ্চদেবতার জন্য একটা নৈবেদ্য সাজিয়েছি আর এই সময় তো বললামই যে গুড়ের মিষ্টি ভীষণভাবে আমার ভালো লাগে তার জন্য আমি একটু রসগোল্লা এনেছি আর এখন যেটা মূল জিনিস সেটা হচ্ছে দধিকর্মা এই দধিকরমায় কি কি লাগে খই নিয়েছি দেখো বন্ধুরা আমি অনেকে এর উপরে মুরগি দেন তবে আমরা শুধু খই দিয়েই বানাই। আর তার মধ্যে দিচ্ছি আমি একটু কলা। আর অবশ্যই মিষ্টি দই আমাদের লাগবে। তো যতটা পরিমাণ পারবে একটু মিষ্টি দই দেবে। তার সঙ্গে তুমি একটু বাতাসাও দিতে পারো। লাল রঙের যে বাতাসাগুলো পাওয়া যায়। আর হচ্ছে একটু

6:57 সন্দেশ দিলাম আমি। এরপরে মায়ের কাছে আমি ভোগ নিবেদন করে দেব। বন্ধুরা মাকে যে খোয়ের ভোগটা দেবে এটা বিসর্জন বিধি করে আসার পরে তারপরে তোমরা মেখে সবার মধ্যে কিন্তু বিতরণ করবে। আবার অনেক বাড়িতে নিয়ম থাকে যে ঘট বিসর্জন হয়ে যাওয়ার পরে এটা মেখে সবার মধ্যে খাওয়া হয় এবং তারপরে এই ভোগটা খেয়ে তারপরে বিসর্জন বিধি সম্পন্ন করা হয়। তো যার বাড়ি যেটা নিয়ম তোমরা সেইভাবেই করবে। আমাদের বাড়িতে ঘট বিসর্জন দিয়ে আসার পরে তারপরে আমরা মেখে এটা সবার মধ্যে বিতরণ করি। এবার আমরা আরতি করে নেব মায়ের।

7:45 ও মঙ্গল আরতি সম্পন্ন হওয়ার পর আমরা ঘট বিসর্জনের আগে বিশেষ কিছু নিয়ম করব। তো দেখো এখানে যে দোয়াতটা কালকে আমি দিয়েছিলাম লেখনী হিসেবে এই দোয়াতটা এখন আমি নামিয়ে নেব। এবং আমি যে ফুল বেলপাতাগুলো তুলে রেখেছি আগের দিনের তার মধ্যে দেখো একটা বেলপাতা নিয়ে নিয়েছি। সেরকম তিন পাতার একটা বেলপাতা নেবে। এই লেখনীর মধ্যে যে দুধ গঙ্গাজলটা থাকে না এটা দিয়ে তোমাকে এই বেলপাতার মধ্যে তিনটে

8:32 পাতাতেই লিখতে হবে। ওম শ্রী শ্রী সরস্বত্যই নমঃ। এই লেখাটা যারা বিদ্যার্থী আছো তারা অবশ্যই লিখবে। যারা বোর্ড এক্সাম দিচ্ছ তারা তো লিখবেই। লিখে কিন্তু মা সরস্বতীর পায়ে নিবেদন করবে। এটা করলে মনে করা হয় যে পরীক্ষায় ভালো ফল লাভ হয়। আর এটা আমার বাড়ির নিয়ম। তাই আমি তোমাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম। এটা কিন্তু দেখো এখন আমি আর বিদ্যার্থী নেই। কিন্তু তবুও আমি এটা কিন্তু মায়ের পায়ে নিবেদন করি এবং যাদের বাড়িতে বিদ্যার্থী নেই তারা তাদের বাড়ির যেকোন একজন সদস্য এটা করতে পারো। তো দেখো এরকমভাবে তোমরা লিখে নেবে ওম শ্রী শ্রী সরস্বত্য নমঃ এই মন্ত্রটি লেখার পরে আমরা মায়ের পায়ে কিন্তু এই বিল্লপত্রটি নিবেদন করে দেব।

9:17 এরপর তোমরা মাকে প্রণাম জানিয়ে নেবে এবং নিজের যেটা মনষ্কামনা আছে সেটা অবশ্যই তোমরা মাকে বলবে এবং মায়ের কাছে সেই মনষ্কামনা পূর্ণ হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবে। এরপর ঘরটাকে তোমরা দু হাত দিয়ে ধরে নাড়াতে নাড়াতে বলবে ওম গচ্ছ গচ্ছ পরম স্থানং সস্থানম পরমেশ্বরী গচ্ছগচ্ছ সরস্বতী দেবী আপন স্থানে গমনায়চ পূজাধারণ কালেচ পুনরায় গমনায়চ এই মন্ত্রটি বলে তোমরা ঘট বিসর্জন দেবে এবং ঘট বিসর্জন দেওয়ার পরে বন্ধুরা তোমরা যে ওই দধিকর্মার যে আমরা পাত্রটা রেখেছিলাম মায়ের কাছে এই যে দেখো তো এই দধিকর্মার পাত্রটা তুলে নেব এবং তারপরে যেটা বললাম যে এই সময়ও তোমরা মেখে সমস্ত

10:03 ভোগের সঙ্গে সবাইকে মানে বিতরণ করে দিতে পারো। বাড়ির সবাইও নিতে পারো এবং সবাইকে বিতরণ করতে পারো। এবং না হলে তোমরা ঘটের সমস্ত জল, ফুল, বেলপাতা সবকিছু জলে দিয়ে তারপরে এসে কিন্তু এটা গ্রহণ করতে পারো। মাটির যে মূর্তিটা থাকে সেটা কিন্তু তোমরা জলেও দিতে পারো অথবা বাড়িতে রেখে দিতে পারো। এক বছরের জন্য পরের বছর তোমরা পূজোয় আগে আগে সেটা কোন একটা ভালো বার দেখে কোন গাছের গোড়ায় বা জলে দিয়ে আসবে। এবার দেখো যে যে বই খাতাগুলো আমাদের মানে মায়ের কাছে দেওয়া থাকে তার মধ্যে একটা যেকোন খাতা তুমি নিয়ে নেবে। নিয়ে তার সামনের পৃষ্ঠাতেও লিখতে পারো বা পিছনের পৃষ্ঠাতেও লিখতে পারো। এখানে লিখবে ওম শ্রী শ্রী গণেশায় নমঃ এবং তারপরে তিনবার লিখবে ওম শ্রী শ্রী সরস্বতী সহায় বা সরস্বত্য নম।

10:49 এই মন্ত্রটি তুমি লিখবে। লিখে তারপরে তুমি কিন্তু সমস্ত তোমার যতগুলো সাবজেক্ট আছে যতগুলো বই আছে সেগুলো একটা লাইন হলেও এদিন পড়ে রাখতে হয় আর যদি তুমি নাচ শেখো গান শেখো সেটাও কিন্তু তুমি অল্প একটু হলেও সেই এই দিনটাতে প্র্যাকটিস করে রাখবে কেনকি এটা বলা হয় যেটাতে মায়ের বিশেষ কৃপা পাওয়া যায় এবং এইভাবেই কিন্তু আমরা আমিও নিজেও প্রত্যেকবার সরস্বতী পূজোর দিন এই কাজগুলো করে থাকতাম যখন আমি স্টুডেন্ট ছিলাম তো এই কাজগুলো করে দেখতে পারো এগুলো ছোট ছোট জিনিস তবে করলে ভালো ফল লাভ হয়। তো এই যে দেখো লেখা হয়ে গেল। এরপরে প্রণাম করে তুমি নিজের বই খাতার মধ্যে একটু সামান্য ফুল দিয়ে দিতে পারো। মায়ের পায়ে যে ফুলটা থাকে সেটা ছিড়ে আমরা সবাই বই খাতার মধ্যে রাখি।

11:34 তো বন্ধুরা এই ছিল আমার সহজ সরল দধিকর্মা বিধি এবং বিসর্জন পদ্ধতি। কেমন লাগলো আজকের ভিডিওটি অবশ্যই আমাকে লিখে জানিও। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক শেয়ার করতে ভুলো না। যারা আজকে আমাকে নতুন দেখছো তারা প্লিজ আমার চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থেকো। আমার বন্ধু হয়ে যেও। চলো দেখা হবে আবারও একটি সুন্দর কোন পূজাবিধির সঙ্গে।

Share

YouTube Video Summaries