0:00 আসসালামু আলাইকুম এভরিওয়ান আজকে আমাদের ওয়ান শর্ট ক্লাসটা হচ্ছে পরিপাক ও শোষণের উপরে এবং এই অধ্যায়ের উপরে কিছু প্রশ্ন আছে খুবই সিলেক্টিভ যেগুলো পড়লে তুমি ম্যাক্সিমাম বোর্ডেই সিকিউ অ্যানসার করতে পারবে তো আমি প্রথমে একটা সাজেশন দিব সাজেশন দেয়ার পরে আমি সেই প্রত্যেকটা প্রশ্ন তোমাকে পড়ায় দিব চলো শুরু করতে পারি তোমাদের সাথে আছি আমি ডক্টর আবরার হামিম ফ্রম ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং যারা যারা আমার ইউটিউব চ্যানেলে নতুন আছো তারা আমার ইউটিউব চ্যানেলটা খুললেই তোমরা আমার যে প্লেলিস্ট পেয়ে যাবা মাস্টার বায়োলজি ওয়ান শর্ট তোমাদের এইচএসসির প্রত্যেকটা অধ্যায়ের ওয়ান শর্ট ক্লাস সেখানে ইনশাল্লাহ আছে এবং থাকবে তোমাদের ওই youtube চ্যানেলের মধ্যেই তোমরা এমসিকিউর জন্য আলাদা একটা প্লেলিস্ট পাবে যে প্লেলিস্ট ধরে ধরে ইনশাল্লাহ তুমি এইচএসসির জন্য একটা ভালো প্রিপারেশন নিতে পারবে শুধু এটাই না পাশাপাশি অনুধাবনের
0:45 জন্য একটা আলাদা প্লেলিস্ট থাকবে ইনশাল্লাহ এটা একচুয়ালি কালকের মধ্যে আশা করি আমি দেয়া শুরু করতে পারবো আশা করি ওই প্লেলিস্ট ধরে ইনশাল্লাহ তুমি অনুধাবনের অংশটাও ক্লিয়ার করতে পারবে সো আমার মনে হয় বায়োলজির জন্য তোমাকে আর কোথাও যেতে হবে না তুমি যারা যারা হামিম ভাইয়ের ক্লাস করেছো ইনশাল্লাহ আমার ক্লাস সো আমি বিশ্বাস করি ইনশাল্লাহ তোমরা এইচটিএসসিতে গত কয়েকটা বছরের মতো যারা পরীক্ষা দিয়েছে তাদের মতো এবং তাদের চেয়েও হয়তো আরো ভালো রেজাল্ট তোমরা করতে পারবা ঠিক আছে সো যাদের বায়োলজির প্রিপারেশন খারাপ যাদের বায়োলজি নিয়ে হতাশা আছে হতাশা হওয়ার কোন কারণ নাই ইনশাল্লাহ আমাদের এই ওয়ান শো সিরিজটা তোমরা কমপ্লিট করার চেষ্টা করো দেখবা তুমি বায়োলজিতে আটকাবা না এবং খুব ইজিলি তোমার ইনশাল্লাহ এ প্লাস চলে আসবে ঠিক আছে ওকে ফাইন তো ভাইয়া খেয়াল করে দেখো প্রথমে হচ্ছে আমি এই অধ্যায়ের বেসিক থিং ইউ অল যে আমরা একটা প্রথমেই হচ্ছে একটা
1:32 অধ্যায়ের ওয়ান শর্ট ক্লাস পড়ার আগে আমরা অবশ্যই ওই অধ্যায়ের যে মোস্ট ইম্পর্টেন্ট আমরা অবশ্যই তার একটা সাজেশন দাঁড় করাই তাই না সবসময় আমি এটার একটা সাজেশন দাঁড় করাই সেই সাজেশনের পরে একচুয়ালি আমি সেই সাজেশনটা ধরে তারপর আগাই ওকে ফাইন সো আমি এপাশে আমি সাজেশনটা লিখবো তোমরা সাজেশনটা সবাই সুন্দর করে আগে উঠাবা প্রথম কথা হচ্ছে এই অধ্যায় থেকে কোন প্রশ্নগুলো বেশি আসে খেয়াল করো তাহলে প্রথমত ফাইভ স্টার ইম্পর্টেন্ট টপিক ফাইভ স্টার ইম্পর্টেন্ট টপিক সেটা কি তুমি ধরো এলোপাথারি অনেক কিছু পড়ছো যে ভাইয়া আমরা পড়েছি দাঁত কয়টা আছে পেপসিন কে কেমনে সক্রিয় করে এই সেই অনেক কিছু পড়েছো একচুয়ালি তার ম্যাক্সিমামই কিন্তু তোমার এমসিকিউতে আসে তুমি এতদিন ধরে যে এমসিকিউ টাইপের পড়াগুলো পড়েছো সিকিউর জন্য তোমাকে একটু পড়া গুছাইতে হবে কারণ তোমাকে
2:17 বুঝা শিখতে হবে যে কতটুকু তুমি পরীক্ষা হলো লিখবা কারণ পরিপাক এবং শোষণ এই অধ্যায়ের সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় স্টুডেন্টদের প্রশ্নটা গুছাইতে গিয়ে তারা বুঝতে পারে না যে কতটুকু লিখবে খেয়াল করো নাম্বার ওয়ান তোমাকে জানতে হবে তিনটা পরিপাক প্রক্রিয়া অর্থাৎ পরীক্ষার হলে এজ এ হোল আসতে পারে শর্করা পরিপাক পরীক্ষার হলে এজ এ হোল আসতে পারে আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক বা আমিষ পরিপাক পরীক্ষার হলে এজ এ হোল আসতে পারে স্নেহ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক প্রশ্নটা কিভাবে আসবে খেয়াল করো উদ্দীপকের মধ্যে বলে দিবে ভাত গম আটা রুটি এসব বলবে তাহলে শর্করা জাতীয় খাদ্যকে ইন্ডিকেট করবে করে তোমাকে বলবে যে উক্ত খাদ্যটি মানবদেহে কি কিভাবে পরিপাক হয় ব্যাখ্যা করো বা উক্ত খাদ্যটি কিভাবে
3:03 পরিপাক হয় বর্ণনা করো অথবা আমিষ দিতে পারে যেকোনো মাংস আইটেম যেকোনো তোমার ধরো মাংস যেমন গরুর মাংস মুরগির মাংস যেকোনো মাংস আইটেম দিতে পারে ডাল দিতে পারে কারণ ডালের মধ্যে অনেক আমিষ থাকে এই ধরনের খাদ্য উপাদান দিয়া বলবে যে ভাইয়া আপনার ভাই তো না যে এই উক্ত খাদ্য উপাদান ঠিক কিভাবে পরিপাক হয় আবার স্নেহের জন্য ঠিক একই রকম তেল চর্বি এই যে এই ধরনের কোন একটা খাদ্যের কথা বলে বলবে যে এরা কিভাবে পরিপাক হয় ঠিক আছে অথবা প্রশ্নটা আরেকটু ঘুরে আসতে পারে কিরকম বলতে পারে যে দেহের ক্ষয় পূরণ করে বলতে পারে যে দেহের ক্ষয় পূরণ করে একটা খাদ্য উপাদান আছে যেটা দেহের ক্ষয়পূরণ করে এরকম করে উদ্দীপকে দিতে পারে তারপর তোমাকে বুঝতে হবে যে এই যে দেহের ক্ষয়পূরণ এই ক্ষয়পূরণের কাজটা করে হচ্ছে আমিষ তোমার তার মানে জানতে
3:50 চেয়েছে আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক অথবা পরীক্ষায় আসতে পারে দেহের তাপশক্তি তৈরি করে তাপশক্তি তাপশক্তি তৈরি করে এখন তাপশক্তি বললে কিন্তু আমরা একটু কনফিউশনে পড়ে যায় কেন কারণ তাপের সাথে একচুয়ালি ভাইয়া মোটামুটি দুইজনেরই সম্পর্ক আছে শর্করার সম্পর্ক আছে স্নেহের সম্পর্ক আছে সো একচুয়ালি ওইটা ডিরেক্টলি তাপশক্তি দিয়ে না দিয়ে সাথে ক্লু দিয়ে দিবে যেমন তোমাকে যদি তেল চর্বি বলে যে তোমাকে বলল তেল বা চর্বি জাতীয় খাদ্য তখন তুমি শিওর হয়ে গেলে একটা স্নেহ ঠিক আছে তুমি সিওর হয়ে গেলে স্নেহ তোমাকে ধরো পরীক্ষায় এটা এই ট্রিক্সে দিতে পারে তোমাকে এটা না বলে বলতে পারে যে কর্মক্ষমতা তোমাকে বলতে পারে যে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাহলে আমরা দেখব ভাত না খেলে কিন্তু আমরা কাজ করা ক্ষমতা পাই না ভাত না খেলে দেখবা শর্করা জাতীয় খাদ্য না খেলে আমরা কাজ করার ক্ষমতা পাই না শক্তি পাই না সো তার মানে কর্মক্ষমতা
4:37 বললে বুঝবা কর্মক্ষমতা বললেই বুঝবা শর্করা জাতীয় খাদ্যকে বুঝানো হয়েছে এমনি তো সবাই বুঝোই যে ভাত তোমার আটা রুটি এগুলো তো আমার মনে হয় বলার প্রয়োজন নাই আবার ধরো আমিষ বলতে যে মাছ মাংস বুঝায় আমার মনে হয় না এটা কারো বলার প্রয়োজন আছে তাই না সো আমার মনে হয় এই কয়েকটা কনসেপ্ট জানলে তুমি মোটামুটি উদ্দীপকটা গেস করতে পারবা আচ্ছা এটা গেল ফাইভ স্টার নেক্সট আরেকটা ফাইভ স্টার ইম্পর্টেন্ট টপিক সেটা হচ্ছে তুমি ধরো পড়লা শর্করা জাতীয় খাদ্য আমিষ জাতীয় খাদ্য স্নেহ তুমি আলাদা আলাদা করে পড়লা ভেরি গুড কিন্তু পরীক্ষার হলে মাঝেমধ্যে এই কাজটা করবে কিরকম যে পরিপাকে সরি হ্যাঁ পরিপাকে পাকস্থলীর ভূমিকা মানে সহজ কথায় পাকস্থলীতে পরিপাক পাকস্থলীতে পরিপাক অথবা মুখ গহবরে পরিপাক মুখ গহবরে পরিপাক মানে জাস্ট
5:23 উল্টায় দিছে প্রশ্নটা মুখ গহবরে পরিপাক অথবা ক্ষুদ্রান্তে পরিপাক তাইলে জাস্ট এইভাবে উল্টে আসতে পারে তখন তোমার লিখার প্যাটার্নটা চেঞ্জ হবে তখন তোমার লিখার স্টাইলটা চেঞ্জ হবে তুমি কিভাবে লিখবা আমি বলব টেনশন নাই পড়ায় দিব সব নেক্সট খেয়াল করো ফাইভ স্টার আরেকটা ইম্পর্টেন্ট ভেরি ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট সেটা হচ্ছে যকৃত যোগৃত এখন যকৃত থেকে কি আসে যকৃত থেকে ভাইয়া দুইটাই আসে যকৃতের বিপাকীয় ভূমিকাও আসে বিপাকীয় ভূমিকাও আসে আবার সঞ্চয় ভূমিকাও আসে দুইটাই আসে দুইটাই পরীক্ষায় আসে তবে এই যে বিপাকীয় ভূমিকাটা বেশি আসে এটার উপর আমি আরেকটা স্টার্ট দিলাম বিপাকীয় ভূমিকাটা একটু বেশি আসে ভূমিকার চেয়ে বিপাকটা স্যার খুব পছন্দ করে ঠিক আছে সো বিপাকের উপর একটা স্টার্ট দিছি তাহলে এটা কিভাবে লিখবা জাস্ট পয়েন্ট টু পয়েন্ট আমি তোমাকে ব্যাখ্যা করে দিব টেনশন নাই তো আমি এর
6:08 সাথে একসাথে যখন কিছু একটা হালকা গঠন পড়ে ফেলবো এটা নিয়ে আমাদের প্যারা নাই চলে আসি দেখো ভেরি ইম্পর্টেন্ট টু স্টার একচুয়ালি থ্রি স্টার ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন খেয়াল করো অগ্নাশয় যে একটা মিশ্রগ্রন্থি অগ্নাশয় যে একটা মিশ্রগ্রন্থি এইটা প্রুফ করতে হবে প্রায় সময় ঘ নাম্বারে ঘ নাম্বারে এই প্রশ্নটা আসতে পারে যে অগ্নাশয় যে মিশ্রগ্রন্থি তো সরাসরি অগ্নাশয় বলবে না বলে দিবে আমি সিস্টেম শিখাবো কিভাবে বলবে সেটা আমি উল্লেখ করে দিব এটা তোমাকে ঘুরা পেঁচায়ে তোমাকে ইন্ডিকেট করবে যে এটা অগ্নাশয় উদ্দীপকে যে থিমটা দেয়া থাকবে উদ্দীপক যেটা দেয়া থাকবে ওটা দেখে তোমাকে বুঝতে হবে যেটা অগ্নাশয়কে বুঝানো হয়েছে এটা আমি বুঝাবো টেনশন নাই এইটা আসতে পারে ঠিক আছে নেক্সট খেয়াল করে দেখো টু স্টার ইম্পর্টেন্ট টু স্টার ইম্পর্টেন্ট সেটা হচ্ছে পরিপাকে টু স্টার ইম্পর্টেন্ট খেয়াল করো টু স্টার ইম্পর্টেন্ট সেটা হচ্ছে পরিপাকে হরমোন এবং
6:55 স্নায়ু পরিপাকে হরমোন এবং স্নায়ু তো হরমোনটা খুবই মজার এটা বেশি আসে স্নায়ু যে আসবে না এমন না স্নায়ুটা বেশি সহজ একদম সহজ বুঝছো আমি তোমাকে একদম সহজ করে পড়াবো এর ইনশাল্লাহ তোমার পড়া লাগবে না এই পরিপাকে হরমোন এবং স্নায়ুতন্ত্রের ভূমিকা পরিপাকে হরমোন এবং স্নায়ুতন্ত্রের ভূমিকা একচুয়ালি ভাইয়া যদি আমি মোটা দাগে বলি এই কয়েকটা প্রশ্ন হচ্ছে পরীক্ষার জন্য বেশি ইম্পর্টেন্ট সো এগুলাকে ইনশাল্লাহ আমি তোমাকে এখন ভেঙে চুড়ে চুরমার করে দিব ঠিক আছে আচ্ছা লাস্ট হচ্ছে আরেকটা টুইস্টার আছে ভাইয়া সেটা হচ্ছে আমাদের পাকস্থলী হ্যাঁ পাকস্থলী থেকে আমরা পাকস্থলীর গ্রন্থিগুলো ভালো করে পড়বো তাহলে পাকস্থলী আমাদের পরীক্ষায় আসতে পারে সে পাকস্থলী থেকে আমরা পাকস্থলীর গ্রন্থি পাকস্থলীর গ্রন্থিগুলো আমি তোমাকে জাস্ট যেভাবে পড়ায় দিব ইনশাল্লাহ তুমি এতটুকু পড়তে পারলে তুমি পরীক্ষায় ভালো মার্কস নিয়ে আসতে পারবা
7:43 ঠিক আছে ওকে সো আমার সাথে যারা যারা নতুন আছো তাদেরকে তো আমি অলরেডি পরিচয় দিয়েছি আমি ডক্টর আব্রার হামিম এন্ড তোমরা যারা যারা নতুন আছো তাদেরকে বলে রাখি তোমরা বায়োলজির যেকোনো ক্লাস তোমরা যদি চাও বায়োলজির ফুল ওয়ান শট তোমরা যদি চাও বায়োলজির ফুল ফুল ওয়ান শট তোমরা ইনশাল্লাহ এই যে তোমরা বায়োলজির ফুল ওয়ান শট তোমরা এই যে এখানে খেয়াল করে দেখো আবরার হামিম তোমরা যদি youtube এ সার্চ করো আবরার হামিম লিখে আমার নাম সার্চ করলে তোমরা ভাইয়ার চ্যানেলটা পেয়ে যাবা ইনশাল্লাহ ওই চ্যানেলের মধ্যে বায়োলজির সকল ওয়ান শট অল ওয়ান শট ইনশাল্লাহ তোমরা পেয়ে যাবা সো তোমরা যারা যারা নতুন আছো তোমাদেরকে বলে দিলাম ওই youtube চ্যানেলের মধ্যেই ভাইয়া ইনশাল্লাহ আমার সকল ওয়ান শট অলরেডি দিয়ে রাখছি মোটামুটি ম্যাক্সিমাম হাইড্রা বাদে হাইড্রা দিয়ে দিব আর এমসিকিউর ওয়ান শট ইনশাল্লাহ ওই youtube চ্যানেলের মধ্যে চলে
8:28 আসবে অনুধাবন এর ওয়ান শুরু চলে আসবে সো তোমরা ওই চ্যানেলটার সাথে থাকবা তাইলে মোটামুটি বুঝতে পারবা আচ্ছা ভাইজান সো আমি শুরু করতে পারি আমরা এখন একটা করে প্রশ্ন পড়বো সো আমি এটা একটু মুছে ফেলবো কারণ কি আমি একটা একটা করে প্রশ্ন পড়াবো আর দাগ দিব যেটা পড়ানো হয়ে যাবে সেটা আমি দাগ দিব তোমরাও দাগ দিবা কাজ শেষ খেলা খতম সুন্দর মত ক্লাস শেষে ঘুমায় যাবা ইনশাল্লাহ একটু পড়বা অবশ্যই তারপর ঘুমায় যাবা আচ্ছা সো ভাইয়া একটু কপি করে নেই কারণ একই স্লাইডের মধ্যে কপি করে লিখবো ওকে দ্যাট ইজ গুড আমি তাইলে সবাই রেডি আমরা তাইলে এখন একটা একটা করে প্রশ্ন ইনশাল্লাহ পড়া শুরু করবো ঠিক আছে আচ্ছা সো যতটুকু লাগবে আমি ইনশাল্লাহ পড়ায় দিব তুমি এর বাইরে পড়ার প্রয়োজন খুব বেশি একটা থাকবে না ফাইন ওকে অনেক কপি হইছে আমি মনে হয় শুরু
9:16 করতে পারি ফাইন ওকে খেয়াল করে দেখেন বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম আমরা প্রথমে পড়বো হচ্ছে শর্করা পরিপাক একটা ফাইভ স্টার ইম্পর্টেন্ট টপিক এখন ওয়ান শর্ট ক্লাসের মেইন থিম খেয়াল করো শর্করা বললে আমি তোমাকে অলরেডি বলছি যে শর্করার উদ্দীপকটা পরীক্ষায় কিভাবে আসতে পারে অলরেডি বলছিলাম একটা হচ্ছে ভাইয়া ভাত রুটি এসব কথা দিয়ে আসতে পারে যে আমরা যে এগুলো খাই ধরো মিস্টার আকাশ ভাত খায় রুটি খায় এটা দিয়ে আসতে পারে যে মিস্টার আকাশ যে ভাত খায় এই উক্ত খাবারটি কিভাবে পরিপাক্কা হয় এটা আসতে পারে অথবা এটার কাজ দিয়ে আসতে পারে যে শর্করা হচ্ছে আমাদের শরীরে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে সাথে দেহের তাপ জোগায় সো এটা কর্মক্ষমতা বললেই আই থিংক এনাফ ঠিক আছে আচ্ছা সো এবং এটা আমাদের খাদ্যের একটা বড় পার্সেন্টেজ কিন্তু আমাদের শর্করা থাকে তোমরা জানো ওকে তাহলে আমরা প্রথমে বলবো শর্করা পরিপাক
10:01 খেয়াল করো ভাইয়া এই যে শর্করা যেকোনো একটা পরিপাক যদি পরীক্ষায় আসে যেকোনো পরিপাক এটা শর্করা হোক আমিষ হোক স্নেহ হোক তোমাকে তিনটা পয়েন্ট টাচ করতে হবে তিনটা পয়েন্ট কয়টা পয়েন্ট তিনটা পয়েন্ট মনে রাখবা যেকোনো পরিপাক পরীক্ষায় আসলে তিনটা পয়েন্ট তোমাকে টাচ করতে হবে কোন তিনটা পয়েন্ট একটা হচ্ছে মুখের মধ্যে কি হয় মুখের মধ্যে কি ধরনের পরিপাক হয় নাম্বার টু পাকস্থলী মুখের পরেই কিন্তু পরিপাকের ভালো জায়গা হচ্ছে পাকস্থলী পাকস্থলীতে কি হয় নাম্বার থ্রি ক্ষুদ্রান্তে কি হয় তাহলে এই তিনটা পয়েন্ট তোমাকে অলওয়েজ টাচ করতেই হবে যেকোনো ক্ষেত্রে তুমি বলতে পারো ভাইয়া সব তো আর তিন জায়গাতে পরিপাক হয় না ওকে না হোক উল্লেখ করে দিবা যে এই জায়গায় পরিপাক হয় না বাট তোমাকে
10:47 অবভিয়াসলি এই তিনটা পয়েন্ট ওয়ান টু এন্ড থ্রি এই তিনটা পয়েন্ট তোমাকে টাচ করতে হবে সো আমরা তিনটা পয়েন্ট টাচ করবো শর্করা পরিপাক বলছে তাহলে নাম্বার ওয়ান আমরা প্রথমে টাচ করবো কোথায় মুখ গহবরে আমাদের ফাস্ট টাচ হবে মুখ গহবরে কি পরিপাক হয় একবারে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিখবা নাম্বার ভালো পাবা এখানে একবারে সুন্দর নাম্বার পাওয়া যায় দেখো মুখ গহবরে পরিপাকে মূলত কাজ করে কোন রস আমরা জানি আমাদের মুখের মধ্যে আছে লালা রস তার মানে এখানে তোমাকে অবশ্যই লালা রসের কথা বলতে হবে লালা রস তাহলে মুখ গহবরে কোন রস আছে লালা রস তোমরা জানো লালা রসের মধ্যে থাকে মিস্টার টম মিস্টার টম টম এন্ড জেরি তোমাদেরকে ভাইয়া হয়তো পুরোপুরি ক্লাসে পড়াইছি যারা পড়ো নাই
11:34 তারা এখান থেকে দেখে নাও মিস্টার মানে হচ্ছে মিউকাস মিস্টার মানে হচ্ছে মিউকাস ট তে হচ্ছে টায়ালিন ট তে হচ্ছে টায়ালিন আর মতে হচ্ছে মল্টেজ এই তিনটা জিনিস আমাদের লালারসের মধ্যে আছে এই তিনটার মধ্যে এনজাইম হচ্ছে এই দুইটা এই টায়ালিন এবং এই মল্টেজ তারাই হলো এনজাইম এই টায়ালিনের অপর নাম নাম হচ্ছে স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ নাম শুনছো না এই স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ শুধু অ্যামাইলেজ বললে কিন্তু হবে না শুধু অ্যামাইলেজ বললে হবে না কি বলতে হবে স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ ওকে তাহলে ভাইয়া খেয়াল করে দেখো এখন আমরা তাহলে প্রথমে লিখতে হবে যে লাল রসের মধ্যে কি কি পাই
12:21 এবার আমরা একটা বিক্রিয়া লিখবো ডিরেক্ট বিক্রিয়া কোন টেনশন দরকার নাই খেয়াল করে দেখো ফাস্টে ধরো স্টার্চ জাতীয় খাদ্য স্টার্চ বা শর্করা জাতীয় খাদ্য তাই না স্টার্চ আমরা যেটা খাই সেটা হচ্ছে স্টার্চ আমরা কিন্তু সেলুলোজ খেতে পারি না কারণ এটা হজম হয় না আমাদের খেতে হয় কি স্টার্চ ভাতের মধ্যে আলুর মধ্যে স্টার্চ থাকে আচ্ছা এই স্টার্চ টাকে ভাঙ্গে কে এই স্টার্চটাকে ভাঙ্গে টায়ালিন তুমি যদি টায়ালিন না লিখে লিখো স্যালাইভারি অ্যামাইলেস কোন সমস্যা নাই আরো এপ্রিশিয়েট করা যায় লিখাটা আরো সুন্দর হবে বড় হবে ভেরি গুড স্টার্চ ভেঙে কিছু কিছু স্টার্চকে ভেঙে তৈরি করে মল্টোজ নামক শর্করা মল্টোজ কিছু কিছু স্টার্চ কে ভেঙে কি তৈরি করে কিছু না মোটামুটি ম্যাক্সিমাম স্টার্চকে সে একটা বাড়ি দেয় যে বাড়ি দিয়ে যতটুকু সম্ভব হয় করার চেষ্টা করে
13:07 সে তৈরি করে মল্টোস স্টার্চ হচ্ছে অনেক বড় একটা শর্করা মল্টোস হচ্ছে তার চেয়ে একটু ছোট শর্করা এটাকে বলে দ্বিশর্করা ওখানে যাচ্ছি না মোটামুটি বড় একটা শর্করাকে ভেঙে ছোট করলো আচ্ছা এখন যেহেতু এখানে আরেকটা এনজাইম আছে নাম কি মল্টেজ তাই না সো ভেরি গুড যে নেক্সট পয়েন্টেই বুঝতে পারতেছো যে কিছু কিছু মল্টোজ আছে কিছু কিছু মল্টোস আছে যাদেরকে ভেঙে নতুন জিনিস তৈরি করবে মল্টোস কে ভাঙবে কোন এনজাইম নামের মধ্যেই মিল আছে মল্টোস কে ভাঙ্গে এনজাইমের নাম হলো মল্টেজ খেয়াল করো মল্টোস কে ভাঙ্গে এনজাইমের নাম কি মল্টেজ কোন কিছুর নামের শেষে এজ লাগায় দিলে সেটা হয়ে যায় এনজাইমের নাম এই যে
13:52 মল্টোজের সাথে এজ লাগায় দিলাম মল্টোজ যোগ এজ মল্টেজ ঠিক আছে সুক্রোজ যোগ এস সুক্রেস ল্যাকটোজ যোগ এজ ল্যাকটেজ এইভাবে হচ্ছে হিসাব করা হয় তাহলে তৈরি করবে গ্লুকোজ তৈরি করবে কি ফাইনালি কিছু গ্লুকোজ তৈরি হবে সব হবে না এখানে কিছু ক্ষেত্রে কিছু কিছু মল্টোজে এমন ঘটবে তো তুমি চাইলে নিচে লিখে রাখতে পারো যে কিছু মল্টোজে এমন ঘটনা ঘটবে কিছু কিছু মল্টোজে তাহলে আমাদের মুখের মধ্যে এইটাই আছে শর্করার মুখের মধ্যে পরিপাক এই দুইটা পয়েন্ট তাহলে ফাস্টে তুমি লালা রসের কথাটা উল্লেখ করবা এরপর তুমি দুইটা বিক্রিয়া লিখবা তোমরা দেখবা মোটামুটি হাফ পেজ শেষ হয়ে গেছে তোমরা তো একটু কাটিং সুন্দর করে লিখবা তাই না এখানে এই দাগটা একটু নীল রং দিয়ে দাগ দিবা তাহলে দেখতে সুন্দর লাগবে তোমাদের নীল কালি কলম থাকেই সো খুব বেশি আহামরি সময় লাগে না কিন্তু এটা খাতাটাকে খুব
14:37 সুন্দর করে খাতাটা একবার প্লেন পরিষ্কার খাতা হলে স্যার পছন্দ করে ঠিক আছে আচ্ছা সো সাউন্ড কি অনেক কম আচ্ছা আমাকে ভাইয়াকে একটু জানা ভাইয়াকে সবাই একটু জানাও যে সাউন্ড কি ঠিক আছে কিনা আচ্ছা ভাইয়াকে একটু জানাও সাউন্ড ঠিক আছে কিনা একজন বলতেছে সাউন্ড অনেক কম আমার কাছে সবাই সবার কাছে জানতে হবে সাউন্ড কেমন সাউন্ড একদম ক্লিয়ার কিনা ভাইয়াকে যে জানাও একটু সবাই সাউন্ড ঠিক
15:26 আছে একটু কম তাই না হুম ওকে ফাইন আচ্ছা এখন কি আমি যদি মুখের কাছে নিয়ে কথা বলি তাহলে কি সাউন্ড ভালো শুনতে পাও আচ্ছা এখন কি আমি যদি মুখের কাছে নিয়ে কথা বলি তাহলে কি সাউন্ড ভালো শুনতে পাও জি এবার ঠিক আছে আচ্ছা ফাইন সো আমি মুখের কাছে নিয়ে কথা বলি আমাদের আমাদের আসলে অনেক সমস্যা আমাদের অনেক সমস্যা এবং এরকম সমস্যার মধ্যে একটা সমস্যা হচ্ছে প্রায় সময় সাউন্ড ঝামেলা হয় সো আমার মনে হয় তোমাদের ইনশাল্লাহ আশা করি আমি আমার মাইকটা একটু কষ্ট করে সামনে ধরলেও তুমি ভালো শুনতে পাবা তুমি ভালো শুনতে পাইলে আমি খুশি ঠিক আছে ফাইন সো এতটুকু
16:12 ইনশাল্লাহ লিখবা আমি যেটা আবার একটু বলে দিচ্ছি লালা রসের পরিপাকের ক্ষেত্রে তুমি এই দুইটা পয়েন্ট উল্লেখ করবা তারপরে স্টার্চ এবং মল্টোস এই দুইটা বিক্রিয়া তুমি লিখবা তাইলে মোটামুটি দেখবা যে তোমার মোটামুটি মুখ গবরের পরিপাক হয়ে গেছে খেয়াল করো তাহলে আমরা একটা পয়েন্ট টাচ করছি যে ভাই মুখের পরিপাক আমাদের হয়ে গেছে আমাদের নেক্সট টাচ করতে হবে যে ভাইয়া পাকস্থলীতে কি পরিপাক হয় তাহলে এটা কি হয় তাহলে আমাকে দেখো ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট শর্করা জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে কিন্তু মনে রাখবা শর্করা জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে মনে রাখবা পাকস্থলীতে কিন্তু কোন পরিপাক হয় না নো পরিপাক সুন্দর করে লিখবা যে পাকস্থলীতে কোন পরিপাক হয় না কেন পরিপাক হয় না কারণ পাকস্থলীতে শর্করা বিশ্লেষী শর্করাকে ভাঙতে পারবে এমন কোন এনজাইম নাই কেন পরিপাক হয় না কারণ শর্করাকে ভাঙ্গার মত
16:58 যে এনজাইমগুলা এগুলো পাকস্থলীতে নাই এজন্য পাকস্থলীতে শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় না তো এই কথাটা জাস্ট উল্লেখ করে দিবা মনে রাখবা উল্লেখ করতেই হবে তিনটা পয়েন্ট টাচ করবা আচ্ছা তাহলে আমাদের পাকস্থলীতে আমরা বুঝে গেলাম তাহলে আমরা এখন ক্ষুদ্রান্তের পরিপাক পড়বো তাহলে আমাদের নেক্সট পয়েন্ট ছিল ক্ষুদ্রান্ত্র সো আমরা ক্ষুদ্রান্তের পরিপাকটা দেখব তাহলে আমাদের নেক্সট পয়েন্ট ছিল ক্ষুদ্রান্ত তাহলে আমরা এখন দেখব ক্ষুদ্রান্তের পরিপাক ঠিক আছে আচ্ছা ফাইন এবার দেখো ভাইয়া এবার দেখো ক্ষুদ্রান্তের মধ্যে কিন্তু অনেক বিক্রিয়া কেন অনেক বিক্রিয়া তাহলে ক্ষুদ্রান্তের মধ্যে যে বিক্রিয়া গুলো যে এতগুলো বিক্রিয়া ঘটে এতগুলো বিক্রিয়া ঘটার জন্য যে এত এনজাইম দরকার এই এনজাইম গুলো কোন কোন রস থেকে আসে এটা একটু উল্লেখ করে দিবা তার মানে দেখো তুমি বলতে পারো ভাইয়া আমার কি পরীক্ষার হলে আলাদা করে লিখতে হবে যে আন্তরিক রস থেকে মানে কোনটা
17:46 থেকে কোন রস থেকে কি কি এনজাইম পাই এটা কি লিখতে হবে না ঘ নাম্বারে বা গ নাম্বারে যদি একটা পুরোপুরি পরিপাক আসে এত ডিপে তোমার লিখার দরকার নাই কিন্তু জাস্ট তুমি কি কি রস আছে এই রসের কথাটা লিখবা তাহলে ক্ষুদ্রান্তের মধ্যে হচ্ছে ভাইয়া মূলত দুই ধরনের রস থাকে একটা হচ্ছে ক্ষুদ্রান্ত্রের যে শরীর থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রের নিজের শরীর থেকে যে রসটা বের হয় সেই রসটাকে আমরা বলি আন্তরিক রস কারণ কি ওই নামের মধ্যে মিল আছে দেখো অন্ত্র থেকে যে রস বের হয় তাকে বলে আন্তরিক রস নামের মধ্যে মিল আছে আরেকটা হচ্ছে এই ক্ষুদ্রান্তের মধ্যেই আসে অগ্নাশয় রস আরেকটা হচ্ছে এই ক্ষুদ্রান্তের মধ্যেই আসে কি অগ্নাশয় রস তাহলে এই দুইটা রসের ভূমিকা হচ্ছে ক্ষুদ্রান্ত্রে একটা কি বললাম
18:33 মুখ গোবরে মিউকাসের কাজ কি আচ্ছা এটা আমি কাজটা বলি নাই মুখ গোবরে মিউকাস মূলত খাবারটাকে পিচ্ছিল করে পিচ্ছিল খাবারটাকে পিছলা বানায় ভাই পিচ্ছিল করে যে কারণে তুমি খাবারটাকে ইজিলি গিলতে পারো গিলে ফেলো না ইজিলি খাবারটা পিচ্ছিল হয়ে ভিতরে ঢুকে যায় পিচ্ছিল করে আচ্ছা তাইলে আমরা বুঝে গেলাম দুই ধরনের রস আসলে ক্ষুদ্রন্ত্রে কাজ করে একটা হচ্ছে আনফ্রিক রস আরেকটা কি অবিনাশ রস এখন তোমার এত কাহিনী দরকার নাই তুমি ডিরেক্টলি বিক্রিয়া লিখবা কোন কথা নাই তুমি এখন বিক্রিয়া লিখবা দেখো নাম নাম্বার দিয়ে বা স্টার্ট দিয়ে সুন্দর করে বক্স আকার যেভাবে খুশি হয় একটা সৌন্দর্য বজায় রাখবা দেখো ফাস্টে হচ্ছে দেখো কিছু পরিমাণে স্টার্চ তো তোমার নিচে অলরেডি যাবেই কিছু পরিমাণ স্টার্চ যাবেই এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নাই এটা নিয়ে সন্দেহ নাই কিছু পরিমাণ স্টার্চ নিচে যাবে এই স্টার্চ গুলোকে ভাঙবে অ্যামাইলেজ নামক এনজাইম অ্যামাইলেজ দেখো ভাইয়া আমি কি লিখছি অ্যামাইলেজ লিখছি আমি কিন্তু লিখি
19:20 নাই স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ লিখছি লিখি নাই কেন স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ লিখি নাই কারণ স্যালাইভারি অ্যামাইলেজটা থাকে মুখের মধ্যে আর আমরা এখন পড়ছি ক্ষুদ্রান্তে পরিপাক দ্যাটস হোয়াই আমি স্যালাইভারি অ্যামাইলেস লিখি নাই আমি লিখছি শুধু অ্যামাইলেস আমার কথা কি বুঝতে পেরেছ হ্যাঁ আমার কথা কি ক্লিয়ার কিনা ভাইয়া একটু জানাবা আমি মাঝেমধ্যে চেক করে নিতে হয় যে তোমাদের স্পষ্ট তোমরা শুনতে পাচ্ছ কিনা ওকে ফাইন হ্যাঁ ঠিক আছে ওকে আচ্ছা এবার দেখো এই স্টার্চকে অ্যামাইলেস ভাঙবে ভেঙে কি তৈরি করবে ওই যে আমরা একটু আগে পড়ছিলাম মল্টোজ তৈরি হয় মল্টোজ মোটামুটি তৈরি হয় ভাইয়া মল্লটোজ
20:06 সব জায়গাতেই তৈরি হয় মল্টোজ নিয়ে আসলে খুব বেশি ঝামেলা তোমাদের মানে পোহানোর দরকার নাই মল্টোজ তৈরি হবেই ঠিক আছে মল্টোজ তৈরি হবেই মনে রাখবা ক্ষুদ্রান্তে গিয়ে এই এনজাইমগুলো যখন কাজ করে সব জায়গায় কাজ করে এইচ টু সব জায়গায় কি কাজ করে সব জায়গায় অবশ্যই পানি কাজ করবে কেন পানি কাজ করবে কারণ এরা হচ্ছে সবাই এরা সবাই হচ্ছে হাইড্রোলাইটিক এনজাইম অর্থাৎ পানি উপস্থিতিতে ভাঙ্গে এজন্য অবশ্যই এখানে পানি লাগবে তাহলে মল্টোস তৈরি হবে মল্টোস মনে করেন মল্টো ট্রায়োস এগুলো ছোট ছোট কিছু শর্করা মল্টো ট্রায়োস এবং সাথে ড্যাক্সট্রিন ড্যাক্সট্রিন নামক শর্করা তৈরি হবে ড্যাক্সট্রিন কি শর্করা ড্যাক্সট্রিন ড্যাক্সট্রিন ডেক্সট্রিন আচ্ছা তুমি এটলিস্ট মল্টোস এবং ড্যাক্সট্রিনটা লিখবা মল্টোজ এবং ডেক্সট্রিন এটলিস্ট তুমি ভাইয়া এই দুইটা
20:53 লিখবা ঠিক আছে আচ্ছা এরপরে দেখা যাবে শুধু স্টার্চ না ক্ষুদ্রান্তের মধ্যে বাকি ম্যাক্সিমাম পরিপাখী হয় আরেকটা শর্করা আছে নাম হচ্ছে আইসোমল্টোজ আইসোমটোজ একইভাবে সে ভেঙে তৈরি করবে মল্টোজ এবং গ্লুকোজ সে ভেঙে তৈরি করবে মল্টোজ এবং গ্লুকোজ এন্ড এজ ইউ অল নো এখানে অবশ্যই তোমাকে পানি দিতে হবে কেন পানি দিবা কারণ এরা পানির উপস্থিতিতে কোন কিছুকে ভাঙ্গে পানি দিয়ে ভাঙ্গে এজন্য বলে হাইড্রোলাইটিক হাইড্রো মানে পানি পানি দিয়ে লাইসিস করে পানি দিয়ে ভাঙ্গে এইজন্য বলে হাইড্রোলাইটিক এনজাইম সো যেহেতু পানি যেহেতু হাইড্রোলাইটিক এনজাইম দ্যাটস হোয়াই তোমাকে পানি দিতে হবে বুঝতে
21:40 পেরেছ ফাইন ওকে সো এখানে দেখো ভাইয়া এনজাইমের নাম তো খুবই সহজ বুঝতেই পারছো নামের সাথে এস লাগায় দিলে হয় আইসোমল্লটোজ তাহলে এনজাইমের নাম হবে আইসোমল্টেজ তাহলে এনজাইমের নাম কি হবে এনজাইমের নাম হবে আইসোমল্লটেজ ঠিক আছে খুবই ইজি আচ্ছা এরপরের গুলো হচ্ছে দুধ ভাত দুভাত কয়েকটা এমসিকিউ দুভাত কয়েকটা পয়েন্ট সেই দুভাত পয়েন্ট গুলো খেয়াল করো ফাস্টে মনে করো মল্টোজ এরপরে মনে করো সুক্রোজ সুক্রোজ এরপরে মনে করো ল্যাকটোজ মল্টোজ সুক্রোজ ল্যাকটোজ এই কয়েকটা পয়েন্ট তুমি অবশ্যই উল্লেখ করবা কারণ এগুলো খুবই সহজ তো তাহলে আমার মনে হয় এগুলো সবার লেখা উচিত মল্টোজ সুক্রোজ এবং ল্যাকটোজ এদের এনজাইমের নাম কি ভাইয়ের বলার দরকার আছে আমার মনে হয় বলার
22:26 দরকার নাই কেন কারণ প্রত্যেকটা নামের সাথে এজ লাগায় দিলে হয়ে যায় তাহলে মল্টোসকে ভাঙবে মল্টেজ সুক্রোজকে ভাঙবে সুক্রেস সুক্রেস এরপরে ল্যাকটোজকে ভাঙবে ল্যাকটেজ তাই না জাস্ট এজ লাগায় দিলেই আমাদের কাজ শেষ রাইট ওকে ফাইন এবার খেয়াল করো ভাইয়া মল্টোস ভেঙে কি তৈরি হবে এইগুলা তোমার যেন ভুল না হয় সেজন্য একটা জিনিস তুমি লিখবা পাশে লিখতে পারো ম গু লাগু শুনতে খারাপ মনে হলেও তোমার দীর্ঘদিন মনে থাকবে বুঝছো মূ লাগু এটা পড়তে একটু কঠিন লাগলেও দুই একবার পড়া পর দেখবা ইজি হয়ে যাবে মগ মানে মল্টোজ ভেঙে তৈরি হয় গ্লুকোজ গ্লুকোজ গু মানে গ্লুকোজ গ্লুকোজ ডোন্ট টেক ইট আদারওয়াইজ ল্যাকটোজ ভেঙে তৈরি হয়
23:11 গ্লুকোজ প্লাস গ্যালাকটোজ গু মানে গ্যালাক্কোজ আমরা কি দেখলাম মলটোজ ভেঙ্গে তৈরি হয় গু ইট মিন্স গ্লুকোজ প্লাস গ্লুকোজ গ্লুকোজ প্লাস গ্লুকোজ ঠিক আছে আচ্ছা ল্যাকটোজ ভেঙ্গে কি তৈরি হয় ল্যাকটোজ ভেঙ্গে তৈরি হয় গ্লুকোজ প্লাস গ্যালাকটোজ এই যে গা গা মানে গ্যালাক্কোজ গা মানে গ্যালাক্কোজ গা মানে গ্যালাক্টোজ ঠিক আছে আর সুক্রোজ হচ্ছে চিনি চিনি কে চিনি হচ্ছে জিএফ চিনি কি চিনি হচ্ছে জিএফ জিএফ মানে জিতে গ্লুকোজ জিতে গ্লুকোজ এফ এ হচ্ছে ফ্রুকটোজ মিষ্টি কার জন্য মিষ্টি জিএফ এর জন্য সুকটোজ কার জন্য জিএফ এর জন্য গ্লুকোজ প্লাস ফ্রুকটোজ এটা মনে রাখার জন্য বললাম সো দ্যাট ইজ ইট আমাদের আলহামদুলিল্লাহ শর্করা পরিপাক শেষ
23:59 শর্করা পরিপাক আলহামদুলিল্লাহ ডান সো আজকের একটা বড় অংশ আমরা আলহামদুলিল্লাহ শেষ করে ফেললাম শুরুতেই এবং তোমার কাছে মনে হইতে পারে যে এটা কি খুব বড় অংশ ছিল ডেফিনেটলি প্রত্যেকটা এই তিনটা পড়ালে মোটামুটি আমাদের অধ্যায় শেষ ঠিক আছে সো ডান বুঝছো ভাই তাহলে আমি কি পড়াইছি খেয়াল করে দেখো সবাই ক্ষুদ্রান্ত পরিপাকে রস কয়টা লাগে দুইটা রস একটা হচ্ছে আন্তরিক রস আরেকটা হচ্ছে অগ্নাশয় রস ভেরি গুড তাহলে আমরা কি কি দেখব যে স্টার্চ তুমি কি বলতে পারো ভাইয়া এখানে প্রত্যেকটা রস কি আলাদা করে লিখা লাগবে যে আন্তরিক রস থেকে কি পাই অগ্নাশ অর্থে কি পাই না এত ভিতরে ডিপে গিয়ে তোমার লিখার প্রয়োজন নাই তুমি এতটুকু লিখবা এর আগে দেখো এর আগে মুখ গহবরে পরিভাগটা পড়াইছি এরপরে তুমি এখানে পাগস্থলী কথাটা লিখবা ক্ষুদ্র কথাটা লিখবা দেখবা দেড় পৃষ্ঠা হয়ে গেছে ঠিক আছে সো তখন তোমার আর এক্সট্রা লিখা লাগবে না আমি
24:44 মাঝেমধ্যে একটু আরেকটু পাকনামি করতাম সেটা হচ্ছে কি জানো আমি কি করতাম লাস্টের দিকে একটা ছবি একে দিতাম এরকম একটা একে দিয়ে আমি ধরে লিখে দিলাম এই যে টান দিয়ে একটা গামলা আঁকলাম মনে করো আমি একচুয়ালি ছোটবেলায় ছবি আঁকতাম এজন্য আমি মাঝেমধ্যেই পাক্কা করতাম পরীক্ষায় এবং এটা নাম্বার ভালোই আসতো এখানে আমি এরকম করে একটু চাল টাল একে চালের মত একে দিতাম বুঝাইতাম যে চাল আছে লিখতাম চিত্র চাল চিত্র চাল ব্র্যাকেটে সর করা এটা দেখলে তোমরা যে কেউ হাসতে পারো ভাই আপনি সিরিয়াসলি এইটা করা লাগবে না একচুয়ালি তুমি যদি চাও তুমি করতে পারো এটা আমি করে একটু শান্তি পেতাম কারণ আমার টার্গেট ছিল বায়োলজির প্রত্যেকটা ছবিতে প্রত্যেকটা প্রশ্নের ছবি দেওয়া প্রত্যেকটা প্রশ্নের চিত্র আঁকা সো ওই সেন্সে একচুয়ালি আমি এই কাজটা করতাম এবং এটা দেখতে খুব সামান্য মনে হলেও স্যারদের কাছে এটা একটু মানে ভালো লাগে এটা আমি দেখছি যে স্যাররা যখন খাতা কাটে বা সারমা ম্যাডাম যিনি হোন না
25:32 যিনি হন না কেন উনার কাছে একচুয়ালি এই জিনিসটা তার কাছে ভালো লাগে যে সে একটা শর্করাকে আবার একে দেখাইছে যেহেতু আমি শর্করা পরিপাক পড়তেছি সো আই থিংক যে এটা আমার একটা বুস্ট আপ করতে আমার খাতাটাকে হেল্প করতো হয়তো এখানে আমি মার্কস তিনে আমাকে চার দিবে না কিন্তু আরেকটা প্রশ্নকে যদি আমি ইন কেস একটু কমও আমার হয়ে থাকে ওখানে স্যারের মাইন্ডসেট ভালো থাকার কারণে একদিন আমরা বেড়ে যায় পুরা খাতা কিন্তু একজন স্যারের খাতা কাটে তোমরা জানো সো পুরো মাইন্ডসেটটা ইম্পর্টেন্ট আচ্ছা ওকে সো আমার মনে হয় ইনশাল্লাহ তোমরা সবাই এতটুকু পর্যন্ত পারবা চলে আসি ভাইয়া নেক্সট কোশ্চেন নেক্সট কোশ্চেন হচ্ছে আমাদের আমিষ পরিপাক তাহলে আমরা এখন পড়বো হচ্ছে আমিষ পরিপাক ঠিক আছে ওকে ফাইন সো আমরা পড়বো হচ্ছে আমিষ পরিপাক এখন প্রথম কথা ঠিক সেইম টু সেইম আমাকে তিনটা পয়েন্ট টাচ করতে হবে কয়টা পয়েন্ট টাচ করতে হবে আমাকে তিনটা
26:19 পয়েন্ট টাচ করতে হবে তাহলে আমরা ফাস্টে টাচ করবো হচ্ছে যে ভাইয়া আমরা দেখব যে মুখের মধ্যে কি হয় এরপরে এরপরে দেখব হচ্ছে পাকস্থলীতে আরেকটা হচ্ছে ক্ষুদ্র যন্ত্রে তিনটা পয়েন্ট একটা হচ্ছে মুখে কি হয় একটা হচ্ছে পাকস্থলীতে কি হয় আরেকটা হচ্ছে ক্ষুদ্রান্তে কি হয় এই তিনটা পয়েন্ট হচ্ছে আমরা টাচ করব ওকে ফাস্ট হচ্ছে মুখ গহবরে পরিপাক মুখ গহবরে পরিপাক মজার বিষয় হচ্ছে মুখ গহবরে শর্করা বাদে অন্য কোন খাদ্যের পরিপাক হয় না তাহলে মুখ গহবরে শর্করা বাদে অন্য কোন খাদ্যের পরিপাক হয় না তাহলে মুখ গহবরে নো পরিপাক তাহলে আমরা সুন্দর করে উল্লেখ করে দিব যে মুখ গহবরে আমিষ পরিপাক করার কোন এনজাইম নাই বিকজ কেন বিকজ নো এনজাইম কারণ আমিষ পরিপাক করার কোন এনজাইম নাই নো এনজাইম ফর
27:06 ডাইজেশন অফ ফর ডাইজেশন অফ প্রোটিন অর্থাৎ আমিষ পরিপাক করার জন্য বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য পরিপাক করার জন্য কোন এনজাইম মুখের মধ্যে নাই এজন্য মুখের কোন পরিপাক হবে না সুন্দর করে লিখবা আমি তোমাকে বুঝানোর জন্য বাংলা করে লিখতেছি তুমি সুন্দর করে লিখবা তাহলে মুখ পরে পরিপাক হবে না গুড নেক্সট পয়েন্টে আমি কি দেখব বলো নেক্সট পয়েন্টে নেক্সট পয়েন্টটা আমি দেখব যে ভাইয়া তাহলে পাকস্থলীতে কি হয় এখানেই আসলে মেইন খেলা পাকস্থলীতেই মেইন খেলা ঠিক আছে তাহলে পাকস্থলীতে পরিপাক পাকস্থলীতে ভেরি ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট দুইটা এনজাইম আছে খেয়াল করো আমি এই বিষয় লিখতেছি পাকস্থলীতে দুইটা ভেরি ইম্পর্টেন্ট এনজাইম আছে খেয়াল করো পাকস্থলীর জন্য সেটা হচ্ছে একটা হলো পেপসিনোজেন একটা হচ্ছে
27:52 পেপসিনোজেন পেপসিনোজেন আরেকটা হচ্ছে রেনিন আরেকটা হচ্ছে রেনিন এই দুইটা এনজাইম মূলত পাকস্থলীতে আমিষ পরিপাক করে এই দুইটা এনজাইম পাকস্থলীতে আমিষ পরিপাক করে একটা নাম হলো পেপসিনোজেন আরেকটা নাম হচ্ছে রেনিন তোমরা জানো এই যে ফাস্টে কিন্তু এই এনজাইম দুইটা কথা উল্লেখ করবা এই পেপসিনোজেন এইটার নামের শেষে দেখো জ্যান আছে জ্যান তোমাদেরকে মনে হয় ভাইয়া পড়াইছিলাম যে কোন কিছুর নামের শেষে যদি জ্যান থাকে বুঝবা এটা হচ্ছে নিষ্ক্রিয় কোন কিছুর নামের আগে শেষ এখানেও একটু খেয়াল করতে হবে এখানে রেনিনের আগে লিখবা প্রোরেনিন আচ্ছা এটা হচ্ছে এনজাইমের নাম কোন কোন এনজাইমের নামের শেষে যদি জেন থাকে অথবা নামের আগে যদি প্রো থাকে বুঝতে হবে
28:40 তারা হলো নিষ্ক্রিয় বুঝতে হবে তারা হলো নিষ্ক্রিয় তার মানে ওদেরকে অবশ্যই সক্রিয় করতে হবে তার মানে ওদেরকে অবভিয়াসলি সক্রিয় করতে হবে এই নিষ্ক্রিয় থেকে সক্রিয় করতে হবে একটিভ করতে হবে এই একটিভের কাজটাই করে গ্রেট হাইড্রোক্লোরিক এসিড এই অ্যাক্টিভেশনের কাজটাই করে এই সক্রিয় করার কাজটাই করে কে হাইড্রোক্লোরিক এসিড তাহলে এটা একটু উল্লেখ করে দিবা এভাবে লিখবা দেখো এভাবে লিখবা যে নিষ্ক্রিয় যে নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেন নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেন এভাবে একটু নিচে লিখতে পারো নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেনকে নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেনকে সক্রিয় করে সক্রিয় করলে কি হবে সে পেপসিনে পরিণত হবে সে পেপসিনে পরিণত করে
29:26 পেপসিনে পরিণত হবে এই যে পেপসিনে পরিণত হবে কে করবে এটা এটা করবে এইচ সিএল এটা একটু উল্লেখ করে দিবা এটা মাস্ট একটু তুমি উল্লেখ করে দিবা ঠিক আছে এটা উল্লেখ করে দিবা ফাইন ওকে তাহলে এরপরে তুমি বিক্রিয়া লিখবা বিক্রিয়াটা কি হবে খুব সিম্পল বিক্রিয়া যে আমিষ জাতীয় খাদ্যকে ভাঙবে আমিষ জাতীয় খাদ্যকে ভাঙবে পেপসিন আমিষ জাতীয় খাদ্যকে ভাঙবে পেপসিন পেপসিন এবং ভেঙে কি তৈরি করবে তৈরি করবে দুইটা আমিষের চেয়ে একটু ছোট জাতীয় ছোট আমিষ আর কি একটা বড় আমিষকে ভেঙে ছোট ছোট আমিষে পরিণত করবে তার নাম হচ্ছে প্রোটিও প্রোটিও এবং পেপটন প্রোটিও এবং পেপটন এই দুইটাতে পরিণত করবে এবং মজার বিষয় হচ্ছে ভাইয়া এখানেও পানি লাগবে কারণ এটাও হচ্ছে মোটামুটি পানি
30:13 দিয়ে কাজ করে সো এখানে পানি অবশ্যই লাগবে তাহলে আমিষকে ভাঙবে কে পেপসিন ভেঙে তোমার দুইটা ছোট ছোট আমিষ তৈরি করলো প্রোটিউজ এবং প্যাপটন ছোট ছোট আমিষ কি বললাম প্রোটিউজ এবং প্যাপটন ফাইন আচ্ছা এবার খেয়াল করে দেখো এই যে প্রোরিনা আছে ভাইয়া এইটা কি করে এইটা দুধের যে আমিষ দুধের আমিষ মানে কি ক্যাসিন দুধের আমিষ ক্যাসিন এইটাকে ভেঙে তৈরি করবে নতুন আরেকটা যৌগ ছোট যৌগ নাম হলো প্যারাকেসিন নাম কি নাম হলো প্যারাকেসিন নাম হলো প্যারাকেসিন কে করবে এটা এটা করবে হচ্ছে রেনিন এনজাইম রেনিন নামক এনজাইম এই যে রেনিন নামক এনজাইম ঠিক আছে এই হচ্ছে আমাদের পাকস্থলীতে পরিপাক
30:59 তাহলে প্রথম কথা হচ্ছে তুমি আগে লিখবা যে পাকস্থলীতে কি কি এনজাইম আছে এটা সুন্দর করে লিখবা এগুলোকে কে সক্রিয় করে এটলিস্ট এই বিক্রিয়াটা তুমি দিবা এটলিস্ট এই বিক্রিয়াটা দিবা দেয়ার পরে তুমি পাকস্থলীতে এই দুইটা বিক্রিয়া দিবা এই একটা এই একটা এই দুইটা বিক্রিয়ায় তুমি মাফ দিবা তাহলে তোমার পাকস্থলী পরিপাকও ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে তোমার পাকস্থলী পরিপাকও তাইলে হয়ে গেল তাইলে তুমি অলরেডি মুখ গহবরে পরিপাক পড়ে ফেললা পাকস্থলীতে পরিপাক করে ফেললা এখন চলে আসবা তুমি ক্ষুদ্রান্তের পরিপাক কারণ আমিষ কিন্তু মনে রাখবা ক্ষুদ্রান্ত হচ্ছে এমন একটা জায়গা ক্ষুদ্রান্ত হচ্ছে এমন একটা জায়গা ভাইয়া যেখানে যেইখানে সবকিছু পরিপাক হয় সবকিছু তুমি যা খাবা তুমি মানে খাদ্যের মধ্যে যা খাবা আর কি হ্যাঁ যেটা মানুষের মধ্যে হজম হয় এমন সবকিছুই ক্ষুদ্রান্তে পরিপাক হয় এটা একটা কমন জায়গা কমন স্পেস
31:45 সবকিছু পরিপাক হওয়ার জন্য কমন স্পেস বুঝছো কিনা সবকিছু পরিপাক হওয়ার জন্য কমন স্পেস কোনটা কমন স্পেস হচ্ছে ক্ষুদ্রান্ত্র রাইট কমন স্পেস হচ্ছে ক্ষুদ্রান্তক ভেরি গুড আচ্ছা ঠিক আছে ইনশাল্লাহ এবার খেয়াল করে দেখো ভাইয়া ক্ষুদ্রান্ত্রের কথা বললে ক্ষুদ্রান্তের মধ্যে প্রথমেই তোমাকে আগে একটা এনজাইমের নাম উল্লেখ করতেই হবে যেটা হচ্ছে ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ পরিপাকের লাভলিয়েস্ট এনজাইম সবচেয়ে পারফেক্ট এনজাইম যেটা স্যাররা খাতার মধ্যে খুঁজে এইটা তোমাকে উল্লেখ করতে হবে এই এনজাইমটার নাম হলো ট্রিপসিনোজেন এই এনজাইমটার নাম কি
32:33 ট্রিপসিনোজেন এটা হচ্ছে সবচেয়ে স্যারদের প্রিয় একটা এনজাইম এইটা ভেরি ইম্পর্টেন্ট এবং এই এনজাইমটারও দেখো নামের শেষে জেন আছে জ্যেন দেখে তুমি বুঝে গেছো তুমি তো বুদ্ধিমান তুমি বুঝে গেছো এটা একটা নিষ্ক্রিয় এনজাইম কারণ তুমি তো বুদ্ধিমান আর তোমাকে বুঝতে পারছো এটাকে সক্রিয় করতে হবে তাই না যেহেতু এটা নিষ্ক্রিয় এটাকে অবভিয়াসলি সক্রিয় করতে হবে সক্রিয় করলে এটার নাম কি হবে সক্রিয় করলে এটার নাম হবে জেন বাদ দিলে ট্রিপসিন জাস্ট জেনটাকে বাদ দিয়ে দিলাম জেনটাকে ফালায় দিলাম নাম হবে ট্রিপসিন এইটা তুমি বুঝে গেছো এবং এইটা তোমাকে উল্লেখ করতেই হবে এইখানে কিন্তু ভাইয়া হাইড্রোক্লোরিক এসিড কাজ করে না এইখানে কাজ করে অন্য একটা জিনিস তার নাম হচ্ছে এন্টারোকাইনেস এন্টারোকাইনেস এই মূলত সক্রিয় করে এই
33:21 এনজাইমটাকে থ্রি স্টার ইম্পর্টেন্ট ফর এমসিকিউ থ্রি স্টার এই পেপসিনেরটাও থ্রি স্টার এটাও থ্রি স্টার এদের কাছে পড়াইছি না পেপসিন এটাও থ্রি স্টার ইম্পর্টেন্ট ফর এমসিকিউ থ্রি স্টার ইম্পর্টেন্ট ফর এমসিকিউ মনে রাখবা ভেরি ইম্পর্টেন্ট পরীক্ষায় আসে হ্যাঁ এটাও পরীক্ষায় আসে এটা অনেকেই ভুলে এইচসিএল দাগায় না এটার উত্তর হচ্ছে এন্টারোকাইনেস ঠিক আছে ডান এবার তো তোমার খেলা খালি বিক্রিয়া লিখবা মন খুলে বিক্রিয়া লিখবা তা আমি বিক্রিয়াটা দুই ভাগে লিখি তাহলে আমার জায়গাটা সুন্দর মতো বাঁচবে খেয়াল করে দেখো প্রথম বিক্রিয়া লিখলাম আগে তৈরি আগের যে পাকস্থলী পাকস্থলীতে তৈরি হয়েছিল এই দুইটা যৌগ একটা হচ্ছে প্রোটিও আরেকটা একটা হচ্ছে প্যাপটন একটা হচ্ছে প্রোটিওজ আরেকটা কি হইছিল প্যাপটন তাই না মনে আছে এই দুইটা জিনিস তৈরি হয়েছিল
34:07 আগে আচ্ছা আমার মনে হয় এখানে না লিখে আমরা এই সুন্দর করে লিখবো দরকার লাগলে পরে পৃষ্ঠায় যাব এটা নিয়ে কোন টেনশন নাই ওকে ফাইন ঠিক আছে খেয়াল করো তাহলে প্রোটিও এবং কে হো গেয়া ওকে ঠিক আছে ভাই খেয়াল করো তাহলে প্রোটিউজ এবং প্যাপটন এই দুইটা জিনিস কিন্তু আমাদের আগে পাকস্থলীতে তৈরি হয়েছিল ঠিক তাহলে পাকস্থলের মধ্যে কিন্তু মনে আছে ভাইয়া এই যে একটু আগে দেখাইছিলাম এই যে আমিষ ভেঙে তৈরি হয়েছিল প্রোটিউজ এবং ক্যাপ্টন এগুলোকে ভাঙবে এ কি করবে এগুলোকে ভাঙবে কে করবে ট্রিপসিন এগুলাকে ভাঙবে ট্রিপসিন শুধু কি ট্রিপসিন না আরেকটা এনজাইম আছে সেইম কাজ করে কাইমোট্রিপসিন কাইমোট্রিপসিন এই আরেকটা এনজাইম আছে সেও সেইম কাজ করে এবং এটাও নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে এটাকেও সক্রিয় করতে হয়
34:52 এগুলো এমসিকিউ পার্ট ওখানে আমি এখন যাচ্ছি না তারপর হালকা করে বলে দেই খেয়াল করে দেখো হালকা করে বলে দেই ট্রিপসিন এই যে ট্রিপসিন ওরে সক্রিয় করছে কে এন্টারোকাইনেস তাই না এই ট্রিপসিন একবার যখন নিজে সক্রিয় হয় সেই কিন্তু একে সক্রিয় করে এর নাম থাকে কাইমোট্রিপসিনোজেন এর নামের শেষে জেন থাকে বুঝছো এর নামের শেষেও জেন থাকে এটাকে সক্রিয় করে কে এই ট্রিপসিন নিজে কি করে এরে সক্রিয় করে ট্রিপসিনার ভালোই পাওয়ারফুল সে ফাস্টে নিজে সক্রিয় হয় আরেকজনের দিয়ে সক্রিয় হওয়ার পর সেই গুন্ডা সেই মাস্তান সেই সক্রিয়কারী সেই আবার বাকিদেরকে সক্রিয় করে ঠিক আছে এটা নিয়ে টেনশন নাই সো আমার মনে হয় কেউ ভুল করবে না তাহলে এখানেও সেইম এখানেও সেইম প্রোটিওজ আর পেপটন তাহলে এখানেও সেইম প্রোটিও প্রোটিওজ এবং পেপটন মানে আগে
35:38 যেগুলো তৈরি হয়েছিল সেইম টু সেইম এদেরকে ভাঙ্গে ট্রিপসিন এবং কাইমোটিপসিন সেইম টু সেইম এদেরকে ভাঙবে কে ট্রিপসিন এবং কাইমোট্রিপসিন সো তৈরি করবে কি এটা তোমরা বুঝো আমিষের ছোট ভাই কে আমিষের একবারে ছোট ভাই হচ্ছে পলিপেপটাইড আরো ছোট ভাই আছে সেটা হচ্ছে পলিপেপটাইড দেখো এই দুইখানে কি তৈরি হবে পলিপেপটাইড তৈরি হবে এটা নিয়ে সন্দেহ নাই দুইটা বিক্রিয়া লিখছি ভাই একটা মানে ভালো মার্কস পাওয়ার জন্য খুব প্রত্যেকটা পয়েন্টে আমি যদি 10-12 টা করে বিক্রি লিখি তো আমার তো দেখা যাবে লিখা চলতেই আছে আমার একটা প্রশ্ন ঘ নাম্বার চার নাম্বারের জন্য আমি তিন পৃষ্ঠা চার পৃষ্ঠা লিখে ফেলছি আরেকটা প্রশ্ন লিখার জন্য সময় পাবো না এইটা করা যাবে না তোমাকে এভারেজ প্রত্যেকটা প্রশ্নের জন্য ভালো সময় রাখতে হবে যেমন দেখো ভাই আমি যদি এটা সুন্দর করে লিখি আমি যদি ধরো প্রত্যেকটা পয়েন্টে ধরো আগে এখানে আমি খুব বেশি কিছু লিখি নাই
36:24 কিন্তু খুব স্পেসিফিক এখানে দুইটা পয়েন্ট এখানে একটা পয়েন্ট এখানে এরকম এক দুইটা লাইন এরপরে মনে করো এখানে এখানে আমি শুরু করছি এখানে একটা পয়েন্ট এখানে চারটা মনে করে বিক্রিয়া লিখবো আমার এটাই এনাফ একটা প্রশ্নের জন্য এত বিক্রিয়া 20 টা বিক্রিয়া লিখতে হবে এমন না তোমাকে ছয় সাতটা আটটা পয়েন্ট লিখতে পারলে তোমার ওই প্রশ্নটা একটা মানসম্মানের মধ্যে পড়ে একটা মানসম্মান ফিরে পায় সো তোমার মোটামুটি প্রত্যেকটা পয়েন্ট টাচ করতে হবে দ্যাট ইজ ইট তাহলে ভাইয়া দেখো এখন নেক্সট এই পলিপেপটাইড কে ভাঙতে হবে নেক্সট হচ্ছে এই পলিপেপটাইড কে ভাঙতে হবে এই পলিপেপটাইড কে ভাঙতে হবে খেয়াল করো নেক্সট কি বললাম এই পলিপেপটাইড কে ভাঙতে হবে তো এই পলিপেপটাইড কে ভাঙ্গার জন্য আবারো ঠিক সেম টু সেম দুইটা এনজাইম আছে এই পলিপেপটাইডাইড কে ভাঙ্গার জন্য ঠিক সেম টু সেইম দুইটা এনজাইম আছে দুইটা এনজাইমের নাম আছে খেয়াল করে দেখো একটা নাম হচ্ছে
37:11 এমিনোপেপটাইডেস এমিনোপেপটাইডেস এটা এমিনো কোত্থেকে আসছে ওগুলা আমি তোমাকে এখন ডিটেইলস ক্লাসে যাচ্ছি না বুঝছো তোমাদেরকে আমি হালকা ধারণা দিব নো টেনশন আরেকটা হচ্ছে কার্বোক্সি পেপটাইডেস কার্বোক্সি পেপটাইডেস কার্বোক্সি পেপটাইডেস কার্বোক্সি পেপটাইডেস ভেঙে তৈরি করবে অ্যামাইনো এসিড জাস্ট অ্যামাইনো এসিড ভেঙে কি তৈরি করবে ভেঙে তৈরি করবে অ্যামাইনো এসিড দুইখানেই কি তৈরি হবে অ্যামাইনো এসিড শেষ দুইখানে তৈরি হবে অ্যামাইনো এসিড দুই জায়গাতেই তৈরি হবে অ্যামাইনো এসিড দুই জায়গাতেই তৈরি হবে অ্যামাইনো এসিড ডান এখন দেখো এই নামটা কোত্থেকে আসছে এই যে অ্যামাইনো এসিড অ্যামাইনো এই যে এখান থেকে আসছে অ্যামিনো পেপটাইডেস কারণ পেপটাইড বন্ধনের যেখানে অ্যামিন আছে এখানে কাজ করে এজন্য অ্যামিনো পেপটাইডেস আর কার্বোক্সি
37:57 মানে কার্বোক্সিলিক এসিড শুনছো সি ডাবল এইচ ভাইয়া শুনছো এই যে সি ডাবল ওইচ নাম শুনছো এটার নাম কি এটা হচ্ছে কার্বোক্সিলিক এসিড কার্বোক্সিলিক এসিড যদি কোন জায়গায় যদি এই কার্বোক্সিলিক এই মূলকটা এই কার্বোক্সিলিক এসিড মূলক আর কি হ্যাঁ কার্বোক্সিলিক এসিড মূলক সো এটা যদি থাকে তার মানে এটা হচ্ছে এসিড তাহলে কার্বোক্সিলিক এসিড মূলক এটা হচ্ছে সি ডাবল এইচ এইজন্য এই যে এসিড এই যে কার্বোক্সিলিক এসিড এই এসিডটা আগে ভাঙ্গে কার্বোক্সি প্যাপটাইডেস এই নামকরণটা কোত্থেকে আসছে একটু দেখায় দিলাম তাহলে অ্যামাইনো এর সাথে মিল রেখে এমিনোপেপটাইডেস আর কার্বোক্সিলিক এই যে এসিড এসিড কার্বোক্সিলিক এসিড এজন্য কার্বোক্সি পেপটাইডেস এই দুইটা নামকরণ এখান থেকে আসছে ঠিক আছে ক্লিয়ার সবাই আচ্ছা ইনশাল্লাহ
38:43 ক্লিয়ার হইলে তো আলহামদুলিল্লাহ ভালো এখন আর ধরো দুইটা দুইটা তিনটা ছোট ছোট বিক্রিয়া তুমি চাইলে লিখতে পারো যেমন ভাইয়া ধরো ধরো তোমার ট্রাইপেপটাইড ধরো একটু বড় ধরনের আমিষ ধরো ট্রাইপেপটাইড ধরো ভাইয়া ট্রাইপেপটাইড এরপরে মনে করো তোমার ডাইপেপটাইড ট্রাইপেপটাইড ডাইপেপটাইড এদেরকে কে ভাঙ্গে খেয়াল করো ট্রাইপেপটাইড ডাইপেপটাইড এদেরকে কে ভাঙবে খুব সুন্দর দেখো খুবই সুন্দর ট্রাইপেপটাইড কে ভাঙ্গে এনজাইমের নাম হলো ট্রাই পেপটাইডেস ট্রাই পেপটাইডেজ নামের সাথে এস লাগায় দিলে হয়ে গেল আবার ডাইপেপটাইড কে ভাঙ্গে এনজাইমের নাম হলো ওই সেম নামের সাথে এস লাগায় দিব ডাই
39:29 পেপটাইডেস ডাই পেপটাইডেস ঠিক আছে কি তৈরি করবে ভাইয়া তৈরি করবে অ্যামাইনো এসিড কি তৈরি করবে তৈরি করবে অ্যামাইনো এসিড এই যে অ্যামাইনো এসিড তৈরি করবে কি তৈরি করবে অ্যামাইনো এসিড দ্যাট ইজ ইট ঠিক আছে ভাইয়া তাহলে ট্রাইপেপটাইডেজ এবং ডাইপেপটাইডেজ এদেরকে ভাঙবে কে জাস্ট এটার নামের সাথে আমি এজ লাগায় দিব ট্রাইপেপটাইডেজ ডাইপেপটাইডেজ এজ লাগায় দিলাম জাস্ট আর কিছু আর এটা আমরা সবাই জানি যে আমিষ পরিপাক হয়ে আল্টিমেটলি তৈরি হয় অ্যামাইনো এসিড এটা নিয়ে আমার মনে হয় কারো সন্দেহ নাই সো আমাদের আল্টিমেট যে গোল অ্যামাইনো এসিড তৈরি করা এইটা আলহামদুলিল্লাহ আমাদের তৈরি হয়ে গেল সো আমাদের আমিষ পরিপাকও ডান শেষ
40:16 শর্করা পরিপাক শেষ আমিষ পরিপাক শেষ লাস্ট আরেকটা পরিপাক স্নেহ পরিপাক এইটা পড়লে একচুয়ালি পরিপাকই শেষ তাহলে আমরা পড়বো এখন স্নেহ পরিপাক স্নেহ পরিপাক আচ্ছা তো এজ এজ ইউ অল নো যে আমাদেরকে যেকোনো পরিপাক পড়ার সময় কয়টা জায়গায় প্রশ্ন করতে হয় আমাকে বলতে হবে যে আমাকে যেকোনো জায়গায় হ্যাঁ আমাকে বলতে হবে যে যেকোনো পরিপাক লিখার জন্য ভাইয়া আমাদেরকে কয়টা প্রশ্ন করতে হয় তিনটা প্রশ্ন রাইট এক্সাক্টলি তিনটা প্রশ্ন করতে হয় একটা হচ্ছে মুখের মধ্যে কি হয় এবং মজার বিষয় হচ্ছে মুখে এখানে কোন নো পরিপাক কোন পরিপাক হয় না নো ডাইজেশন আমি বাংলাদেশ লিখছি মজা করার জন্য
41:03 তাইলে কোন পরিপাক হয় না ভেরি গুড কারণ এখানে এনজাইম নাই নেক্সট চলে আসি পাকস্থলীতে মজার বিষয় হচ্ছে পাকস্থলীতে তোমরা জানো পাকস্থলীতে যেহেতু এইচসিএল থাকে রাইট পাকস্থলীতে এইচএল থাকে এইচসিএল থাকা মানে হচ্ছে পাকস্থলীতে অম্লীয় পরিবেশ অম্লীয় পরিবেশ কারণ হাইড্রোক্লোরিক এসিড থাকার অর্থ হচ্ছে এখানে অবশ্যই এসিডিক এনভাইরনমেন্ট তাই না অম্লীয় পরিবেশ পিএইচ মানটা কম থাকে আর আমিষ সরি স্নেহ পরিপাক করার যে এনজাইমগুলা এরা অম্লীয় পরিবেশে কাজ করে না স্নেহ পরিপাক করার যে এনজাইম গুলা এরা স্নেহ এই অম্লীয় পরিবেশে কাজ করে না এজন্য পাকস্থলীতে পরিপাক হয় না বললেই চলে শুধু একটা এনজাইম আছে যে কাজ করে একটা এনজাইম
41:48 তার নাম হচ্ছে গ্যাস্ট্রিক লাইপেজ শুধু একটা এনজাইম আছে নাম কি গ্যাস্ট্রিক লাইপেজ এই একটা এনজাইম আছে শুধুমাত্র এই একটা এনজাইম যে এখানে কাজ করে এবং তাও সবার উপরেও না জাস্ট মনে করো ওই যে মাখনের যে চর্বি বুঝছো জাস্ট মাখনের চর্বি এর উপর কাজ করে জাস্ট মাখনের চর্বির উপর কাজ করে তোমার মনে করো সামান্য পরিমাণে ফ্যাটি এসিড গ্লিসের তৈরি করে ফ্যাটি এসিড গ্লিসারল তৈরি করে জাস্ট একটা জিনিস বুঝছো জাস্ট একটা নাম কি বললাম এনজাইমের নাম জাস্ট অনলি ওয়ান এনজাইমের নাম কি বললাম গ্যাস্ট্রিক লাইপেস তাহলে পাকস্থলের মধ্যে শুধুমাত্র একটা কাজ করবে নাম কি গ্যাস্ট্রিক লাইপে এবং সে কার উপর কাজ করবে মাখনের চর্বি ডান এখানে কিছু লাগবে না চলে আসি চলে আসি আমরা ভেরি ভেরি ভেরি
42:36 ইম্পর্টেন্ট স্নেহজাতীয় খাদ্যের স্নেহজাতীয় খাদ্যের ক্ষুদ্রান্ত পরিপাক এইটাই পরীক্ষায় বেশি আসে এবং এখানেই চলে আসবে একটা ভেরি ইম্পর্টেন্ট টার্ম বাইল সল্ট বাইল খেয়াল করো বাইল মানে হচ্ছে পিত্তরস এই যে পিত্তরস এখানেই চলে আসবে পিত্তরস এবং অনেক সময় কিন্তু এই পিত্তরসের ভূমিকা পরীক্ষায় চলে আসে পিত্তরসের ভূমিকা পরীক্ষায় চলে আসে একটা স্টার্ট দিয়ে পাশে লিখে রাখবা অনেক সময় কিন্তু পিত্তরসের ভূমিকা আসে এখানে চলে আসে পিত্তরস তাহলে প্রথম কথা হচ্ছে ভাইয়া পিত্তরসের কথা যেহেতু আসলোই একটু বলি এই পিত্তরসটা তৈরি হয় যকৃতে পিত্তরস তৈরি হয় কোথায় পিত্তরস তৈরি হয় যকৃতে তাহলে এই পিত্তরস তৈরি হয় কোথায় যকৃতে তৈরি
43:24 হওয়ার পরে এই পিত্তরস তৈরি হওয়ার পরে জমা থাকে পিত্ত জমা থাকে পিত্তথলিতে প্রয়োজনে এখান থেকে বের হবে আচ্ছা নেক্সট কথা হচ্ছে ভাইয়া এই পিত্তরসের মধ্যে কি কোন এনজাইম আছে এই পিত্তরসের মধ্যে কি কোন এনজাইম আছে আচ্ছা মজার বিষয় হচ্ছে ভাইয়া এই পিত্তরসের মধ্যে নো এনজাইম বা পিত্তরস কিন্তু কোন এনজাইম ধারণ করে না তাহলে সে কেমনে পরিপাকে অংশ গ্রহণ করে রাইট কারণ তার পরিপাকে অংশ নেয়ার পিছনে দায়ী কে সে দায়ী হচ্ছে লবণ তার পিত্তরসের মধ্যে পিত্ত লবণ থাকে এই লবণগুলোই মূলত পরিপাকের
44:11 জন্য দায়ী এই লবণগুলোই মূলত পরিপাকের জন্য দায়ী এই লবণগুলোর নাম কি একটা হচ্ছে সোডিয়াম সোডিয়াম গ্লাইকোকোলেট সোডিয়াম গ্লাইকোকোলেট সোডিয়াম গ্লাইকোকোলেট আরেকটা হচ্ছে সোডিয়াম সোডিয়াম টরোকোলেট সোডিয়াম টরোকোলেট সোডিয়াম টরোকোলেট ঠিক আছে এই হচ্ছে লবণ থাকে এই লবণগুলোই মূলত তার পরিপাকে হেল্প করে এই লবণ গুলোই মূলত পরিপাকে অংশগ্রহণ করে এরা এনজাইম থাকে না ঠিক আছে কিন্তু লবণ থাকে ভেরি ইম্পর্টেন্ট পয়েন্ট পিত্তরস হচ্ছে ক্ষারীয় পিত্তরস ক্ষারীয় কেন ক্ষারীয় কেন হোয়াই হোয়াই এটার মধ্যে কি থাকে যেটার কারণে ক্ষারীয় এটার মধ্যে থাকে
44:57 বাইকার্বোনেট আয়ন এই যে বাইকার্বোনেট আয়ন থাকার কারণে পিত্তরস হচ্ছে ক্ষারীয় হবে তাহলে কি থাকে বাইকার্বোনেট তাহলে এই কয়েকটা পয়েন্ট তুমি মাথায় রাখবা পিত্তরস সম্পর্কে এতটুকু তো ভাইয়া পারবা তাই না ভাইয়া ভাইয়াকে জানান এতটুকু পারবা আচ্ছা ঠিক আছে সো যারা ইউটিউব চ্যানেলে নতুন তারা ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবে সাথে থাকবে ইনশাআল্লাহ ঠিক আছে ওকে একটু মার্কেটিং পলিসি করলাম বিজ্ঞাপন বিরতি ওকে ভাই খেয়াল করে দেখো এখন চলে আসি এবার বেসিক থিংস যে পিত্তরসে কেমনে হেল্প করে খেয়াল করো পিত্তরস কি করে পিত্তরস কি করে তার ভিতরে যে লবণগুলা তার নাম আমরা জানি পিত্ত লবণ তাই না এই পিত্ত লবণ গুলো থাকে ভেরি গুড আচ্ছা এই পিত্ত লবণ কি করে স্নেহজ জাতীয় খাদ্যকে
45:46 স্নেহের বা চর্বির স্নেহ বা চর্বির বড় বড় টুকরা আছে না এই বড় বড় টুকরা গুলোকে এই পিত্ত লবণের সহায়তা পিত্ত লবণ গুলো বসে অনেক সুন্দর মেকানিজম ওখানে যাচ্ছি না আমরা বড় বড় চর্বির টুকরাকে খেয়াল করো বড় বড় চর্বির টুকরাকে ভেঙে একবারে ভেঙে ভেঙে ভেঙে পিচ্চি পিচ্চি এই যে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত করে বড় বড় চর্বির টুকরাকে ভেঙে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত করে ছোট ছোট পিসে পরিণত করে এই যে বড় বড় চর্বির টুকরা গুলোকে ভেঙে ছোট ছোট টুকরাতে পরিণত করল এই প্রক্রিয়াটাকেই বলা হয় ইমালসিফিকেশন নাম শুনছো ভাইয়া এই প্রক্রিয়াটাকেই বলা হয়
46:31 ইমালসিফিকেশন তাহলে ভাইজান খেয়াল করেন পিত্ত লবণ কি করে খুব সুন্দর কাজ বড় বড় চর্বির টুকরা গুলোকে ভেঙে ভেঙ্গে এই সুন্দর করে লিখে দিলাম ভেঙ্গে ছোট ছোট টুকরায় কনভার্ট করে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত করে এটাকে বলা হয় ইমালসিফিকেশন এখন তাহলে এই ছোট ছোট টুকরা গুলোকে পরিপাক করাটা আরো ইজি হয়ে গেল তাই না আরো ইজি ওয়েতে এখন পরিপাকটা হবে তাহলে আমরা এখন এনজাইমের নাম নামগুলো একটু খেয়াল করব তাহলে আমরা এখন শুরু করবো এনজাইমের নামগুলো খেয়াল করো তাহলে ফাস্টে আমাদের ছিল বড় বড় চর্বির টুকরা রাইট বড় বড় চর্বির টুকরা সেগুলোকে ভেঙে হইলো ছোট ছোট চর্বির টুকরা পরীক্ষায় যদি এটা আসে অবশ্যই তোমাকে অবশ্যই ভাইয়া এই ইমালসিফিকেশনের কথাটা তোমাকে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে অবশ্যই যদি তোমার পরিপাক
47:18 প্রক্রিয়া স্নেহজাতীয় খাদ্যটা আসে তাহলে অবভিয়াসলি তোমাকে ইমালসিফিকেশন এর কথাটা উল্লেখ করতে হবে এটা তোমার হচ্ছে ফরজ কাজ বুঝছো কিনা বরস্কাস এখন খেয়াল করো তাহলে চর্বি বা স্নেহজ জাতীয় পদার্থকে স্নেহকণাকে ভাঙবে এনজাইমের নাম দেখো এনজাইমের নাম হচ্ছে দেখো লিপিড আমরা জানি স্নেহ মানে হচ্ছে লিপিড স্নেহ মানে লিপিড লিপিড কে ভাঙ্গে এনজাইমের নাম হচ্ছে লাইপেজ লিপিড কে ভাঙ্গে এনজাইমের নাম হচ্ছে লাইপেজ লিপিড কে ভাঙ্গে এনজাইমের নাম কি লাইপেজ এবং তোমরা এটা পারো যে চর্বি ভেঙে তৈরি হয় না পারলেও তোমরা এখন শিখে ফেলো ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারল ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারল ফেটি এসিড এবং গ্লিসের তাহলে আমাদের অলরেডি একটা বিক্রিয়া ভাইয়া হয়ে গেল রাইট আচ্ছা চলো আমরা আরেকটা বিক্রিয়া লিখি সেটা হচ্ছে
48:06 তোমার ফসফোলিপিড নাম শুনছো ফসফোলিপিড অনেক জায়গায় এমসিকিউতে আছে এই ফসফোলিপিড কে ভাঙবে এনজাইমের নামটাও খুবই সুন্দর এনজাইমের নাম হচ্ছে জাস্ট এজ লাগায় দিলেই হয়ে যাচ্ছে এনজাইমের নাম হচ্ছে ভাইয়া ফসফোলাইপেস এনজাইমের নাম কি এনজাইমের নাম হচ্ছে ফসফোলাইপেস তাহলে ফসফোলিপিড কে ভাঙবে এনজাইমের নাম কি ফসফোলাইপেস কি তৈরি করবে সেইম ফ্যাটি এসিড প্লাস গ্লিসারল প্লাস যেহেতু এখানে ফসফো আছে তাহলে ফসফরিক এসিড ফসফরিক এসিড মানে এইচ থ্রি পি ও ফোর এটাই হচ্ছে সেই ফসফরিক এসিড এটা তো পারো এটা আমার মনে হয় বলার দরকার ছিল না তারপর বলে দিলাম এবং এটা তোমাদের কিছু বুদ্ধিমান স্টুডেন্টের জন্য লিখেও দিলাম তাহলে ফসফরিক এসিড ঠিক আছে তুমি এটা ফসফরিক এসিড
48:53 আকারে লিখবা এটাই ভালো তাহলে এখানে দেখো অলরেডি আমাদের কয়টা বিক্রিয়া হয়ে গেল অলরেডি ভাইয়া আমাদের দুইটা বিক্রিয়া হয়ে গেল ঠিক আছে আচ্ছা আরেকটা বিক্রিয়া ধরো ভাইয়া লিখি সেটা হচ্ছে ধরো কোলেস্টেরল এস্টার এটাও কিন্তু এক ধরনের চর্বি জাতীয় পদার্থ কোলেস্টেরল শুনছো না যে বলে না যে কোলেস্টেরল জাতীয় খাবার কম খাইতে হবে হার্টের জন্য ভালো শুনছো না ওকে তাহলে আমরা আরেকটা বিক্রিয়া লিখলাম কোলেস্টেরল এস্টার তোমরা খাতায় নোট করতেছো তো সবাই অবশ্যই নোট করবা তোমার খাতাটাই দেখবা সুন্দর পরীক্ষার আগে জাস্ট চোখ বুলাবা কয়েক সেকেন্ড সময় লাগবে অনেকে আছে পরীক্ষার আগে ক্লাস করতেছো আমি জানি বা সামনে করবা সো প্যারা নাই ইনশাল্লাহ তুমি ভালো করবা জাস্ট যেভাবে বলতেছি মাথায় তোমার একটা সুন্দর রিভিশনে আশা করি হেল্প করবে এন্ড যাদের যাদের ভিডিওটা ভালো লাগবে তারা অবশ্যই ক্লাসটা সরি যাদের সাথে ক্লাসটা কেমন লেগেছে অবশ্যই তোমরা কমেন্টে জানাবা এটা একটা
49:39 দায়িত্ব রইলো সবার ঠিক আছে ওকে ফাইন খেয়াল করে দেখো কোলেস্টেরল এস্টারেস ভেঙে তৈরি করবে কি এজ ইউজুয়াল সবাই জানো ফ্যাটি এসিড ফ্যাটি এসিড ফ্যাটি এসিড প্লাস গ্লিসারল কিন্তু না কারণ গ্লিসারলের জায়গায় এখানে কোলেস্টেরল এগুলো একই ধরনের পদার্থ অ্যালকোহল ধর্মী তাইলে গ্লিসারল হবে না কারণ এখানে কি আছে কোলেস্টেরল কোলেস্টেরল নিজে হবে যে ফ্যাটি এসিড প্লাস কোলেস্টেরল ফ্যাটি এসিড প্লাস কোলেস্টেরল আই থিংক ইট ইজ এনাফ তিনটা পয়েন্ট লিখছি আমি এর আগে তো এর আগে আমাদের ইমালসিফিকেশনের কথা বলছি এরপর তিনটা পয়েন্ট লিখছি এরপরে তো তোমার মনে করো যে মুখের কথা বলছিলাম মুখের কথা বলছিলাম সরি পিত্তরসের কথা বলছিলাম এরপর মুখের পরিপাকের কথা বলছিলাম এরপরে পাকস্থলীর কথা বলছি সো আই থিংক আমার মোটামুটি দেড় থেকে দুই পৃষ্ঠার মত হয়ে যাবে ঠিক আছে দেড় থেকে দুই পৃষ্ঠার মতো
50:24 আমার ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে সো আমার মনে হয় এটাই হচ্ছে আমাদের এনাফ বুঝতে পেরেছ তাহলে এটা এখানে যে পয়েন্টগুলো ভাইয়া লিখছি এরা বেসিক্যালি হচ্ছে ক্ষুদ্রান্ত পরিপাক রাইট এই যে ক্ষুদ্রান্ত পরিপাকের মধ্যে আমাদের এই পয়েন্টগুলো চলে আসবে তাইলে আমাদের আলহামদুলিল্লাহ স্নেহ পরিপাকও শেষ ঠিক আছে আমি একটু মানে দ্রুত সময় শেষ করবো বলে আমি একটু আমার মনে হয় যে সুন্দর করে গুছায়ে দিচ্ছি অল্প একটু ভিন্ন ওয়েতে সো আই থিংক ইনশাল্লাহ তোমরা উপকৃত হচ্ছ ভাইয়া ঠিক আছে আমাকে বলতে হবে যে এতটুকু পর্যন্ত আমরা সবাই একদম ক্লিয়ার কিনা সবাই আমরা কমেন্ট সেকশনে যারা লাইভটা করতেছি ইন দা ফেসবুক অর ইউটিউব ইউটিউবে যারা ক্লাসটা করছো অবশ্যই তুমি কমেন্ট সেকশনে ইউটিউব এর কমেন্ট সেকশনে ভাইয়াকে জানাবে ক্লাসটি তোমার কেমন লেগেছে ইট গিভস
51:10 মি মোটিভেশন ইট গিভস মি ইন্সপাইরেশন টু ডু সামথিং বেটার টু ভেরি গুড টু বি ভেরি অনেস্ট তোমরা দেখবা আমি প্রত্যেকটা কমেন্টে বসে বসে লাভ রিয়েক্ট দেই হ্যাঁ কারণ এটা ইউটিউব চ্যানেলে একটা প্রশান্তি কাজ করে এন্ড তোমরা সবাই জানো কিনা যে আলহামদুলিল্লাহ আজকে ভাইয়ার youtube চ্যানেল আমার মনে হয় এতক্ষণে আলহামদুলিল্লাহ 50000 এর আলহামদুলিল্লাহ সাবস্ক্রাইবার ফিলাপ হয়েছে এটা আমার জন্য একটা মাইল ফলোক কারণ আমার youtube চ্যানেলটা আমি অনেক পরে শুরু করছি সো নতুন করে শুরু করা একটা youtube চ্যানেল আলহামদুলিল্লাহ ইট হ্যাজ গট 50 থাউজন্ড সাবস্ক্রাইবারস আলহামদুলিল্লাহ ইটস এ গুড থিং এন্ড তোমাদেরকে একটা কথা বলে রাখি যে এই চ্যানেল থেকে আমি একটা পয়সাও আমি আলহামদুলিল্লাহ ইনকাম করি না এবং তুমি আলহামদুলিল্লাহ কেন বললাম কারণ একচুয়ালি একটা ধর্মীয় বিষয় আছে এখানে সো একচুয়ালি আমি ওই youtube চ্যানেলের মনিটাইজেশন অফ করা ঠিক আছে সো এটা জাস্ট এটা পুরোটাই হচ্ছে একটা কি বলে ফ্রি
51:56 ক্লাসের একটা ভান্ডার youtube চ্যানেল কারণ ও youtube চ্যানেলে মানুষ youtube এ ভিডিও দেই একচুয়ালি ওখান থেকে আর্ন করার জন্য বাট নট ফর মি হেয়ার আমি এখান থেকে একটা পয়সা ইনকাম করি না এবং প্রায় সময় আমি আমার গ্রুপের মধ্যে সেটা লিখে থাকি ইউ অল নো দিস থিং ঠিক আছে ইনশাল্লাহ সো জাস্ট তোমাদের একটা সাপোর্ট পেলে কি হবে আমার কাছে শান্তি লাগে আমি ওই মোটিভেশন পাই ওই youtube চ্যানেলটা নিয়ে কাজ করার জন্য দ্যাট ইজ ইট ঠিক আছে ভাই তাহলে আলহামদুলিল্লাহ আমাদের তিন ধরনের পরিপাক হয়ে গেছে আমরা এখন পড়বো হচ্ছে এই ফাইভ স্টারটা এই ফাইভ স্টারটা আমার মনে হয় আমার এখন আর পড়াইতে হবে না কেন পড়াইতে হবে না জানেন কারণ হচ্ছে আমি তো তোমাকে এতক্ষণ যা যা পড়াইছি এটাকেই সামারাইজ করেছে আমাদের এই ফাইভ স্টার খেয়াল করে দেখো পরীক্ষায় কিন্তু কিভাবে আসতে পারে পরীক্ষায় আসতে পারে একটা পাকস্থলীর ছবি দিতে পারে দিয়ে বলতে পারে পাকস্থলীতে পরিপাক বুঝাইতে সো পাকস্থলী যেহেতু আমি
52:41 একেই ফেলছি সো এটার একটা গঠনটা একটু পড়ায় দেই দেখো এটা হচ্ছে ছোট বাঘ ছোট দাগ এজন্য ছোট বাঘ ছোট তাই না ছোট দাগ এজন্য ছোট বাঘ মানে ছোট ভাবে ভাগছে আর এটাকে বলা হয় বড় বাঘ একটু বড় ভাগে বেঁকে আছে বড় বাঘ বা ইংলিশে গ্রেটার কার্ভেচার বেশি বেঁকে আছে এটা লেসার কারেচার আচ্ছা ছোট ভাইকে আছে আচ্ছা ফাইন এবার দেখো এটা হচ্ছে ফান্ডাস এই উপরে এরকম গম্বুজের মত এই জায়গাটা উপরের অংশটা হচ্ছে ফান্ডাস এই উপরের অংশটা হচ্ছে ফান্ডাস এখানে মূলত গ্যাস জমা থাকে পাকস্থলীর গঠন যদি চলে আসে এজন্য বলতেছি গ্যাস জমা থাকে ঝটপট ছবি এঁকে ফেলবা এটা হচ্ছে পাকস্থলীর বডি এই পুরা পার্টটা হচ্ছে পাকস্থলীর বডি বা দেহ বডি বা দেহ আর এই পার্টটা হচ্ছে পাইলোরাস তাহলে পাকস্থলীর অংশ হচ্ছে তিনটা পাকস্থলীর অংশ হচ্ছে তিনটা একটা হচ্ছে ফান্ডাস একটা
53:27 হচ্ছে বডি বা দেহ আরেকটা হচ্ছে পাইলোরাস এবার খেয়াল করে দেখো খুব সুন্দর কিন্তু এইখানে একটা দরজা আছে এইখানে একটা দরজা আছে আবার এখানে একটা দরজা আছে খুবই স্বাভাবিক বিষয় ঢোকার পথে আর বের হওয়ার পথে দরজা থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক আচ্ছা এইখানে এইটার কাছেই এখানে থাকে আমাদের হার্ট বা হৃদপিণ্ড এই যে দেখো ঠিক এইভাবে থাকে পাকস্থলী এইভাবে তো এখানে কি আমাদের হার্ট আছে না এখানে হার্ট আছে এইজন্য এই যে হার্টের পাশাপাশি এই যে হার্টটা হচ্ছে মনে করো এখানে এখানে হচ্ছে আমাদের হার্ট সাপোজ এখানে হচ্ছে মনে করেন আমাদের হার্ট হার্ট বা হার্ট মানে কি কার্ডিয়াক কার্ডিয়াম মানে হার্ট কার্ডিয়াক হৃদপিণ্ড বুঝায় তাহলে এইজন্য এই দরজাটাকে বলে কার্ডিয়াক কার্ডিয়াক দরজা কার্ডিয়াক দরজা তো দরজা তো আর বায়োলজি শব্দ না বায়োলজি শব্দ হচ্ছে স্পিংটার
54:13 স্পিংটার এটাই দরজা স্পিংটার মানে দরজা এটা একচুয়ালি পেশি দিয়ে তৈরি হয় পেশি কারণ এখানে তো আর কাঠ দিয়ে তৈরি হবে না মানুষের শরীরের ভিতরে অবশ্যই পেশি দিয়ে তৈরি হবে তাহলে এটা কি দিয়ে তৈরি হয়েছে পেশি দিয়ে একটা পেশিটা এরকম এরকম ভাবে দরজার মত তৈরি করছে ঠিক আছে ক্লিয়ার আচ্ছা এটা যেহেতু এখানে এখানে একটা দরজা আছে যেহেতু এটা পাইলোরাস প্রান্তে পাইলোরাসের সাথে মানে পাইলোরাসের দরজা এজন্য তাকে বলে পাইলোরিক স্পিংটার এজন্য এই দরজাটাকে বলে পাইলোরিক স্পিংটার পাইলোরিক স্পিংটার এই হয়ে গেছে ভাইয়া দেখো আমাদের পাকস্থলীর গঠন আমাকে বলো ভাই আমি কত অল্প সময় আলহামদুলিল্লাহ ঘটনাটা পড়ায় দিলাম পারবা তো নাকি চিত্র পাকস্থলীর গঠন শেষ এই যে চিত্র পাকস্থলীর গঠন সুন্দর করে লিখে পর্যন্ত দিচ্ছি পারবা না ঝটপট মানে খুবই অল্প সময় দিলাম
54:59 ইনশাল্লাহ দেখেন এই ফান্ডাস যেটা এটার মধ্যে কিন্তু গ্যাস জমা হয় গ্যাস এই যে ফান্ডিক গ্যাস এটার কারণে কিন্তু বড় সময় হয় না বুকে ব্যথা হয় গ্যাস্ট্রিক বলে না গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা এই যে গ্যাস্ট্রিকের এখানে গ্যাস জমা হয় এই জায়গাটাতে গ্যাস জমা হয় গ্যাস এখানেই মূলত গ্যাস জমা হয় গ্যাস ফাইন ঠিক আছে ডান ওকে তাহলে ভাইজান এখন তাহলে পাকস্থলের গঠন পড়ায় ফেলছি আমি একটু আর্লি পড়াইছি বাট আমার মনে হয় ইনশাল্লাহ তোমার কাজে লাগবে এবার দেখো পাকস্থলী যেখানে বলছিলাম পাকস্থলী পড়াবো তাহলে এটা আলহামদুলিল্লাহ পড়ায় ফেলছি ঠিক আছে এখন এই পাকস্থলীতে একচুয়ালি দেখো যদি পাকস্থলীতে পরিপাক আসে যদি বলা হয় যে পাকস্থলীতে পরিপাক তাহলে তুমি কি কি পয়েন্ট লিখবা ভাইয়া বলতো তোমাকে এখানে দেখতে হবে যে কি কি খাদ্য আছে আমরা জানি খাদ্য আছে মোট তিন
55:44 ধরনের একটা হচ্ছে শর্করা একটা হচ্ছে আমিষ আরেকটা হচ্ছে স্নেহ তাহলে এই তিনটার কথা লিখবা যেভাবে পরীক্ষায় প্রশ্নটা আসুক তাহলে আমাকে পরীক্ষায় মনে করে জানতে চেয়েছে পাকস্থলীতে পরিপাক তুমি দেখবা কি পাকস্থলীতে জাতীয় খাদ্যের কি পরিপাক হয় না ভাইয়া আমরা একটু আগে পড়ছি পাকস্থলীতে শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় না শর্করাটা পাকস্থলীতে হয় না কিন্তু পাকস্থলীতে আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় মনে আছে ভাইয়া আমি একটু শর্টকাট লিখে দিচ্ছি এই যে পেপসিন এরপরে মনে করো রেনিন এই এনজাইম গুলোর বিক্রিয়া পড়াইছিলাম তাহলে এই দুইটা বিক্রিয়া তুমি এখানে উল্লেখ করবা আচ্ছা পাকস্থলীতে কি স্নেহজাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় না ভাইয়া হয় না বললেই চলে তবে অনলি একটা হইতে পারে অনলি একটা সেটা কি মনে আছে ওই যে মাখনের
56:30 চর্বি মনে আছে ভাইয়া পড়াইছিলাম মাখনের চর্বি যেটা পরিপাক করে গ্যাস্ট্রিক লাইপেস গ্যাস্ট্রিক মানে পাকস্থলী গ্যাস্ট্রিক মানে কি গ্যাস্ট্রিক মানে কিরে এটা সবাই পারো গ্যাস্ট্রিক শব্দের অর্থই হচ্ছে বায়োলজিতে গ্যাস্ট্রিক মানেই হলো বায়োলজিতে গ্যাস্ট্রিক মানে হচ্ছে পাকস্থলী বায়োলজিতে গ্যাস্ট্রিক মানে হলো পাকস্থলী যেহেতু পাকস্থলীর লাইপেস এজন্য বলে গ্যাস্ট্রিক লাইপেস তাহলে এই অনলি একটা সেটা হচ্ছে মাখনের চর্বি এবং এটা পরিপাক করে গ্যাস্ট্রিক মানে পাকস্থলীর লাইপে পাকস্থলীতে যে থাকে ঠিক আছে তাহলে আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এভাবে পাকস্থলের পরিপাকটা শেষ হয়ে গেল ডান খালি টিক চিহ্ন দিব এবার আসি মুখ গহবরে পরিপাক এইটা ভাই মুখ গহবরে পরিপাক কি আর কি পড়াবো দেখেন অলরেডি পড়ায় ফেলছি মুখ গহবরে শুধুমাত্র আমরা ফাস্টে চেক করব যে ঠিক এভাবে কিন্তু সুন্দর করে লিখবা
57:16 শর্করা এরপরে শর্করা কাহিনীটা লেখার পরে আমিষ পরিপাক আমিষের কাহিনী লেখার পরে স্নেহ এভাবে লিখতে হয় এটা হচ্ছে ফরমেট একটা ফরমেট ধরে আগাবা তাহলে নাম্বার ইজিলি তুমি উঠাতে পারবা পরীক্ষা হলে গিয়ে চিন্তা করতে হবে না যে কি লিখতে হবে হবে খেয়াল করো শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক শর্করা আমরা জানি এই মুখের মধ্যে কিন্তু শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় ওই যে মনে আছে দুইটা এনজাইমের নাম পড়াইছিলাম একটা ছিল টায়ালিন বা স্যালাইভারি অ্যামাইলেস আরেকটা ছিল মল্টেজ টায়ালিন আর মল্টেজ এই দুইটা পড়াইছিলাম এই দুইটা ইনশাল্লাহ লিখবা আমি জাতীয় খাদ্যের কোন পরিপাক হয় না নো এখানে স্নেহজাতীয় খাদ্যেরও কোন পরিপাক হয় না কারণ এদের কোন এনজাইম থাকে না এই কথাটা উল্লেখ করবা একইভাবে দেখো ভাইয়া যদি ক্ষুদ্র যন্ত্র আসে যদি মনে করো আসে ক্ষুদ্রের পরিপাক সাপোজ পরীক্ষায় আসলে ক্ষুদ্রান্তের পরিপাক ক্ষুদ্রান্ত বলতে কিন্তু আমরা এই
58:02 যে ক্ষুদ্রান্তের মধ্যে কিন্তু সকল জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় সব জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় মনে রাখবা পরিপাক সবচেয়ে ভালো হয় ক্ষুদ্রান্তের ডিউডেনামে মনে রাখবা এমসিকিউর জন্য ডিউডেনামের মধ্যেই সব পরিপাক ভালো হয় আর খাবার শোষণ খেয়াল করো খাদ্য শোষণ সবচেয়ে ভালো হয় কোথায় ইলিয়ামে এটা কিন্তু পরীক্ষায় এমসিকিউতে কয়েকবার আসছে ইলিয়াম এই যে সবচেয়ে ভালো শোষণের জায়গা ফাইভ স্টার ইম্পর্টেন্ট এমসিকিউ ফাইভ স্টার ইম্পর্টেন্ট এমসিকিউ শ্বসনের সবচেয়ে ভালো জায়গা কোনটা ইলিয়াম প্যাচ লাগাবা না আমরা জানি ক্ষুদযন্ত্রের তিনটা অংশ ডিউডানাম জেজুনাম আর ইলিয়াম আমি সরি আমি ভুল বলছি আমি সরি আমি ভুল বলছি নট ইলিয়াম আমি ভুল বলে ফেলছি জেজুনাম হবে জেজুনাম এই যে আমি নিজে মিলে থেকে পরের আমার মাথা নিজে মনে পড়লো জেজুনাম খেয়াল করো সবচেয়ে ভালো শোষণের জায়গায় হচ্ছে জেজুনাম নট ইলিয়াম সরি নট
58:49 ইলিয়াম সবচেয়ে ভালো শোষণের জায়গা কোনটা জেজুনাম এটা ভালো করে মাথায় রাখবা দেখছো আমার নিজেই আমি তোমাকে বলতে গিয়ে প্রথমে আমি নিজেই ভুল বলে ফেলছিলাম কোন সমস্যা নাই ইনশাল্লাহ আমি কারেকশন করেছি সাথে মনে পড়ছে আমার জেজুনাম ঠিক আছে তাহলে শোষণের সবচেয়ে ভালো জায়গা কোনটা জেজুনাম তো আমাদের ক্ষুদ্রান্তের মূলত অংশ তিনটা একটা হচ্ছে ডিউডেনাম একটা জেজুনাম আরেকটা হচ্ছে আইলিয়াম বা ইলিয়াম এই তিনটা হচ্ছে আমাদের ক্ষুদ্রান্তের অংশ ওকে তাহলে আমরা ফাস্টে চেক করবো ভাই শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় হ্যাঁ হয় অনেকগুলা বিক্রিয়া ভাই দেখাইছি পড়বা আমি জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় অবশ্যই হয় সকল খাদ্যের পরিপাক হয় স্নেহ জাতীয় খাদ্যেরও পরিপাক হয় সব ভাইয়া পড়াইছি ঠিক আছে আচ্ছা আরেকটা এমসিকিউ তোমাদের পড়ায় দেই দেখো ক্ষীতে ক্ষুদ্রান্ত ক্ষিয়তে ক্ষারিয় ক্ষিয়তে ক্ষুদ্রান্ত্র ক্ষিয়তে ক্ষারিয় ক্ষুদ্রান্ত্রের পরিবেশ ক্ষারীয় কেন ক্ষারিয় তোমাকে পড়াইছি কারণ পিত্ত
59:37 রসের মধ্যে বাইকার্বোনেট থাকে বাইকার্বোনেট থাকার কারণে ক্ষারিয় হয় এইট এর কাছাকাছি পিএইচ ঠিক আছে সো দ্যাট ইজ ইট এখানে প্রত্যেকটা বিক্রিয়া আমি তোমাকে পড়াইছি শর্করা পরিপাকে দেখবা ক্ষুদ্রের পরিপাক পড়াইছি আবার আমিষ পরিপাকের সময় পড়াইছি স্নেহ পরিপাকের সময়ও ক্ষুদ্রের পরিপাকটা পড়াইছি ঠিক আছে কিনা ঠিক আছে বিক্রিয়া কয়টা লিখবা শর্করা পরিপাকে তুমি এটলিস্ট তিনটা বিক্রিয়া লিখবা আমিষ পরিপাকে এটলিস্ট তিনটা বিক্রিয়া স্নেহা পরিপাকে এটলিস্ট তিনটা বিক্রিয়া তিন তিন ছয় ছয় তিন নয় হয়ে গেছে দ্যাট ইজ মোর দেন এনাফ ইনশাল্লাহ চাইলে তুমি সময় থাকলে আরো দুই একটা বিক্রিয়া বাড়া লিখতে পারো বাট আমার মনে হয় বেশি একটা সময় তুমি পাবাও না সো তোমার মোটামুটি গ নাম্বারের জন্য দেড় পৃষ্ঠা ঘ নাম্বারের জন্য দুই পৃষ্ঠা এটাই হচ্ছে আমি নরমালি সাজেস্ট করি ঠিক আছে তাইলে আমাদের
1:00:23 আলহামদুলিল্লাহ এইটা শেষ আমাদের আলহামদুলিল্লাহ এইটাও শেষ ফুল শেষ আমরা এখন পড়বো যকৃতের বিপাকীয় এবং সঞ্চয় ভূমিকা খেয়াল করে দেখেন ভাইয়া আমরা এখন পড়বো হচ্ছে যকৃত ইউ অল নো যে যকৃত হচ্ছে এইভাবে থাকে এইভাবে থাকে মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি তোমরা সবাই পারো মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হচ্ছে যকৃত তাই না আচ্ছা এবং যকৃতের খন্ড হচ্ছে চারটা খন্ড চারটা খন্ড চারটা খন্ড কয়টা খন্ড চারটা খন্ড যকৃতের খন্ড হচ্ছে চারটা কি কি আছে ভাইয়া একটা ডান পাশে আছে ডান খন্ড এই যে সবচেয়ে ডান পাশে যেটা থাকে আমরা যেটা ফিল করি ডান খন্ড ডান খন্ড এটা আরেকটু চোখা হবে সুন্দর করে রাখলে যাই হোক ডান খন্ড বাম খন্ড আর দুইটার নাম খালি পড়বা কোয়ার্ড্রেট কোয়ার্ডেট এটা মাঝামাঝি থাকে
1:01:09 এটা মাঝামাঝি ভিতরের দিকে এই পাশে ভিতরের দিকে থাকে যেটা আমি তোমাকে এখন থ্রিডি দেখাচ্ছি না আর তাহলে ডান বাম কোয়ার্ড্রেট কোড্রেট চারটা খন্ড কয়টা খন্ড চারটা এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় খন্ড কোনটা এইটা তাহলে এই সকল এমসিকিউর অ্যানসার দেখবা ডান খন্ড তাহলে সব ডান খন্ডটা সবচেয়ে বড় ডান খন্ডটা সবচেয়ে বড় ডান খন্ড সবচেয়ে বড় ডান খন্ডটার নিচেই থাকে এটার নিচেই থাকে পিত্তথলি ডান খন্ডের নিচেই থাকে পিত্তথলি ডান খন্ডের নিচেই থাকে পিত্তথলি তাহলে এইগুলো কিন্তু ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট এমসিকিউ আমি পড়ায় ফেললাম এবং যকৃতের ওজনটা তোমরা একটু দেখবা ঠিক আছে যকৃতের মধ্যে যেহেতু লাগবে যকৃতের মধ্যে যেহেতু অনেক ধরনের বিক্রিয়া হয় এজন্য যকৃতকে বলা হয় জৈব রসায়ন আগাল
1:01:54 এজন্য যকৃতকে কি বলে জৈব রসায়ন আগাল জৈব রসনাগার এখন খেয়াল করে দেখো এখন খেয়াল করে দেখো যেহেতু অনেক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া হয় আমি পড়াবো এখনই এজন্য তাকে বলা হয় জৈব রসনাগার এখন খেয়াল করে দেখো এই যে এটাও কিন্তু পরীক্ষায় সৃজনশীল আসতে পারে সৃজনশীল আসতে পারে যে যকৃতকে জৈব রসনাকার কেন বলে এটা তোমাকে আমি এখন পড়াবো নো টেনশন ঠিক আছে সো এই কয়েকটা এমসিকিউ তুমি ইনশাল্লাহ ভালোভাবে পারবা যকৃতের ভেরি ইম্পর্টেন্ট কাজ হচ্ছে যকৃত মূলত পিত্তরস তৈরি করে এটা তোমাকে ভাইয়া একটু আগে পড়াইছি যকৃত পিত্তরস তৈরি হয় তাই না যকৃতি মূলত পিত্তরস তৈরি করে এই কয়েকটা জিনিস তোমার অলরেডি এমসিকিউর জন্য আলহামদুলিল্লাহ পড়ায় ফেললাম আমার মনে হয় যে ইনশাল্লাহ তোমরা সবাই
1:02:40 আলহামদুলিল্লাহ এই কয়েকটা পয়েন্ট তোমরা অলরেডি ভাইয়ের সাথে কয়েক মিনিটে পড়ে ফেলছো তাই না তাহলে যৌকৃতের সবচেয়ে বড় খন্ড কোনটা ডান খন্ড তাহলে বুঝতে পারছো ম্যাক্সিমাম এমসিকিউর অ্যানসারই হচ্ছে ডান খন্ড তাই সো ইনশাল্লাহ তোমরা আশা করি ভুল হবে না এবং এটা কিন্তু অলরেডি বিভিন্ন একটা মেডিকেলেও একবার আসছিল এবং তোমাদের কি বলে ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট ফর ইউর এইচএসসি অলসো তাহলে আসতে পারে জৈব রসনাকার চলো ভাইজান শুরু করি বিপাকীয় এবং সঞ্চয়ী ভূমিকা তাহলে আমরা এখন পড়বো হচ্ছে যৌকৃতের বিপাকীয় এবং সঞ্চয় ভূমিকা খুবই ইজি ওয়েতে মানে আমরা এত গদবাধা জিনিসের উপরে মানে হ্যান তেন গদবা পড়বো না আমি একবারে তোমাকে কাটছাট করে যতটুকু লিখবো লিখে দিব ইনশাল্লাহ ততটুকু পড়লেই তোমার হয়ে যাবে ঠিক আছে ভাইয়া তাহলে আমরা প্রথমে পড়বো হচ্ছে যকৃতের সঞ্চয় ভূমিকা তাহলে আমরা প্রথমে পড়বো হচ্ছে যকৃতের সঞ্চয় ভূমিকা আজকের ক্লাসের স্লাইডটা খুবই ইম্পর্টেন্ট সো তোমরা ইনশাল্লাহ youtube এর প্রথম কমেন্টে পিন করে ইনশাল্লাহ পেয়ে যাবা ঠিক আছে এবং ক্লাসের
1:03:27 শেষে এই facebook এরই উপরে তোমার ক্লাস শেষে পিডিএফ অ্যাড করে দেয়া হবে ওকে সো খেয়াল করে দেখেন ভাইয়া আচ্ছা ভালো কথা টার্গেট ডিএমসি ফ্রি গ্রুপে যারা যুক্ত আছো তোমরা জানো যে এইচএসসি 24 ব্যাচের জন্য টার্গেট ডিএমসির একটা ফ্রি গ্রুপ করা হয়েছে এরপরে হচ্ছে আমরা ক্লাসগুলো সবগুলো ওয়ান শট নিব হচ্ছে আমাদের টার্গেট ডিএমসি ফ্রি গ্রুপটা যেটা সো তোমরা যারা যারা এখনো টার্গেট ডিএমসির গ্রুপে অ্যাড হও নাই তোমরা অ্যাড হইতে পারো উপরে হচ্ছে লিংক দেয়া আছে সো টার্গেট ডিএমসি লিখে সার্চ করলে হয়ে যাবে আর পেইড বেচের স্টুডেন্টরা তো তোমরা আছোই ডেফিনেটলি ইউ উইল গেট সার্ভিস এন্ড ইনশাল্লাহ ওই টার্গেট ডিএমসি ফ্রি গ্রুপে আমরা এডমিশনের ক্লাসগুলো অনেকগুলো ফ্রি ক্লাস কন্ডাক্ট করবো স্পেশালি যেগুলো শর্টের বাইরে কিছু অধ্যায় যে কয়েকটা অধিত ইনশাল্লাহ তোমাদেরকে আমি হয়তো আমি এবং মিলে ফ্রি পড়ায় দিব সো তোমরা টার্গেট ডিএমসির ফ্রি গ্রুপটাতে জয়েন হবা ঠিক আছে ওকে ওকে গাইস খেয়াল করে দেখেন ভাই তাহলে
1:04:13 এখন সুন্দর করে দেখেন ইনশাল্লাহ আমরা এখন পড়বো সো আমরা এখন পড়বো সঞ্চয় ভূমিকা যকৃতের সঞ্চয় ভূমিকা ফাইন তাইলে প্রথম কথা হচ্ছে ভাইয়া যকৃত কি কি জিনিস সঞ্চয় করে আগে এটা একটু আমাকে মাথায় রাখতে হবে যকৃত ভাই বহুত কিছু সঞ্চয় করে ভাই বহুত কিছু যকৃত বহুত কিছু সঞ্চয় করে যকৃত বহু কিছু সঞ্চয় করে কি কি সঞ্চয় করে ভাই দেখো নাম্বার ওয়ান যকৃত গ্লাইকোজেন সঞ্চয় করে নাম্বার ওয়ান যকৃত গ্লাইকোজেন সঞ্চয় করে নাম্বার টু যকৃত হচ্ছে রক্ত সঞ্চয় করে নাম্বার থ্রি আমি ইম্পর্টেন্ট গুলো আগে লিখতেছি যকৃত বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন সঞ্চয় করে তাইলে দেখো অলরেডি আমি তিনটা কিন্তু লিখে ফেলছি একটা হচ্ছে গ্লাইকোজেন একটা রক্ত একটা ভিটামিন পিত্তরস অনেকে বলে সঞ্চয় করে বাট নট ভেরি মাচ ইম্পর্টেন্ট তারপরেও তুমি যেহেতু বইয়ে যেহেতু আছে তুমি লিখবা যে পিত্তরস হ্যাঁ আসলে পিত্তরস সঞ্চয় করা ভাই পিত্তরসটা
1:04:59 তৈরি করে ভাই তারপরও আসলে তোমার বইয়ের মধ্যে বেশি গুজামি লাগায়ে ফেলছে তুমি পিত্তরস তৈরি করে লিখলে আমি খুব পছন্দ করি এবং এটা আমি এখানে লিখাটাও দরকার বোধ করি না কারণ পিত্তরস যে তৈরি করে এটা একচুয়ালি বিপাকীয় ভূমিকার মধ্যে পড়বে এটা কিন্তু সঞ্চয়ের মধ্যে না এটা হচ্ছে বিপাকীয়র মধ্যে পড়বে ঠিক আছে তারপরও তোমাদের বইয়ের মধ্যে যেহেতু লিখছে এজন্য একটু লিখা আচ্ছা এরপর হচ্ছে আরো দুইটা আছে একটা হচ্ছে মিনারেল সঞ্চয় মিনারেল মানে খনিজ লবণ মিনারেল সঞ্চয় আরেকটা হচ্ছে ভাইয়া তোমার যে অ্যামিনো এসিড এবং চর্বি অ্যামিনো এসিড অ্যামিনো এসিড এবং চর্বিচয় অ্যামিনো এসিড প্লাস চর্বি সঞ্চয় তাহলে খেয়াল করো কি কি সঞ্চয় করে আমি পয়েন্টগুলো আগে তোমাকে বলে দিলাম এখন ইনশাল্লাহ ছোট ছোট করে একটা ব্যাখ্যা দিব এখন এটার কারণ কি পরীক্ষা হলে গিয়ে তুমি ভুলে যাইতেই পারো যে কি কি ব্যাখ্যা দিবা দরকার নাই ব্যাখ্যা পরে আগে তুমি মেইন পয়েন্ট গুলো আগে মাথায় রাখো তুমি যদি
1:05:45 প্রত্যেকটার ভাই ধরো তুমি পরীক্ষার মেইন পয়েন্ট গুলো মাথায় আছে তুমি যদি প্রত্যেকটা থেকে দুই লাইন বাই এক লাইন করেও লিখো ছয় সাত আটটা পয়েন্ট তোমার এমনি হয়ে যাবে এবং ছয়টা পয়েন্ট তো হবেই ছয় দুগুনে 12 লাইন হয়ে যাবে তাই না সো তুমি এজন্য এই কি কি সঞ্চয় করে এগুলাকে মাথায় রাখবা তাইলে তুমি ইনশাল্লাহ ইজিলি পারবা এবং খেয়াল করে দেখো এখানে প্রথমে লিখছি গ্লাইকোজেন সো আমরা নাম্বার ওয়ান গ্লাইকোজেন তাহলে গ্লাইকোজেনের কাহিনীটা কি জিনিস খেয়াল করো গ্লাইকোজেন আসলে কিভাবে তৈরি হয় গ্লাইকোজেন কিভাবে তৈরি হয় গ্লাইকোজেন হচ্ছে সহজ কথায় সহজ কথায় আমাদের প্রাণীদেহের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন হচ্ছে আমাদের প্রাণীদেহের সঞ্চিত খাদ্য প্রাণীদেহের সঞ্চিত খাদ্য কারণ আমরা স্টার্চ সঞ্চয় করি না স্টার্চ সঞ্চয় করে উদ্ভিদ এই যে চাল আমরা কি শরীরে চাল করি না চাল সঞ্চয় করে উদ্ভিদ
1:06:31 আমাদের শরীরে সঞ্চিত খাদ্য কোনটা গ্লাইকোজেন ভাইয়া এই গ্লাইকোজেনটা হচ্ছে বেসিক্যালি এই গ্লাইকোজেনটা হচ্ছে মূলত গ্লুকোজের পলিমার গ্লুকোজের পলিমার গ্লুকোজের পলিমার পলিমার মানে কিরে অনেকগুলো গ্লুকোজ মিলে তৈরি হয় এজন্য পলিমার ওকে তাহলে আমি বলতে পারি যে অনেকগুলো অনেকগুলো গ্লুকোজ অনেকগুলো গ্লুকোজ একসাথে মিলে তৈরি করে গ্লাইকোজেন এইটাই তুমি কথাটা উল্লেখ করবা আমি অলরেডি তোমাকে তিনটা পয়েন্ট অলরেডি হয়ে গেছে তাহলে অসংখ্য গ্লুকোজ ধরো রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে গেছে রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে গেছে তাহলে এই বেড়ে যাওয়া গ্লুকোজ গুলোকে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা করে ঠিক আছে বেড়ে যাওয়া গ্লুকোজ গুলোকে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা করে শেষ এখন একটা ভেরি ইম্পর্টেন্ট
1:07:17 এটা তোমরা যারা পারবা তারা ভেরি ভালো মানে অনেক বেশি ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট দেখো অনেকগুলো গ্লুকোজ মিলে গ্লাইকোজেন হয়ে গেছে তো গ্লুকোজ তো আর এখন নাই কারণ আগে যে গ্লুকোজ গুলো ছিল এক্সট্রা এরা সবাই কি হয়েছে গ্লাইকোজেন হয়ে গেছে এইটা একটা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা যৌগ সম্পূর্ণ আলাদা একটা যৌগ গ্লুকোজ আর নাই শেষ গ্লুকোজ নাই তাহলে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে গেল গ্লুকোজের পরিমাণ কমায় যে হরমোন তার নাম হলো ইনসুলিন ডায়াবেটিস হলে দেখবা ইনসুলিন দেয় ইনসুলিন শুনছো না গ্লুকোজ বেড়ে গেলে ইনসুলিন দেয় এই যে তার মানে এখানে কাজ করে ইনসুলিন নামক হরমোন ইনসুলিন নামক হরমোন কাজ করে ঠিক আছে কিভাবে বুঝছি কারণ আমরা জানি আমরা জানি ইনসুলিন হচ্ছে এমন একটা হরমোন যে রক্তে যেটা আমাদের রক্তের মধ্যে গ্লুকোজ
1:08:03 কমায় যেটা আমাদের রক্তে গ্লুকোজ কমায় এবং আমরা দেখতে পাচ্ছি এখানে খেয়াল করে দেখো এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে অসংখ্য গ্লুকোজ একসাথে মিলে এই যে গ্লাইকোজেন হয়ে গেছে তার মানে গ্লুকোজ তো আর নাই গ্লুকোজ কমে গেল আর গ্লুকোজ কমাবে কোন হরমোন ইনসুলিন হরমোন এই যে ইনসুলিন এই ইনসুলিনের কাজ হচ্ছে গ্লুকোজের লেভেল কমায় ওকে ঠিক আছে ইনশাল্লাহ পারবা তো তাইলে আমাদের এই গ্লাইকোজেন সন্ত্রাস শেষ এবার আসি রক্ত খেয়াল করো রক্ত বেশি পয়েন্ট লেখার দরকার নাই অল্প অল্প পয়েন্ট খেয়াল করো যকৃতের মধ্যে একটা স্পেশাল রক্তবাহিকা আছে যাকে বলে হেপাটিক পোর্টাল শিরা হেপাটিক পোর্টাল শিরা এখন এত মানে রক্তের এই পোর্টালের কাহিনীতে চাচ্ছি না তোমরা এটার জন্য ভাইয়া রক্তের ক্লাস দেখে নিবা তাইলেই হবে পোর্টাল শিরা এরা এক ধরনের কৌশিক জালিকা তৈরি করে ভিতরে এটা
1:08:48 জেনে রাখো মানে অনেক রক্ত জালিকা তৈরি করে তাহলে অনেক রক্ত জালিকা মানে অনেক রক্ত এক্সাক্টলি এই কথাটা লিখবা যে হেপাটিক পোর্টাল শিরা আছে এবং এটার মাধ্যমে প্রায়
…